• ই-পেপার

খেলা শেষ, খোদা হাফেজ : মাহফুজ আলম

চাকরির আড়ালে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন ব্যবসা

লাইসেন্স থাকে স্ত্রী-সন্তানের নামে

অনলাইন ডেস্ক
চাকরির আড়ালে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন ব্যবসা
পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ।

জনগণের করের টাকায় বেতন পান সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। বিনিময়ে তাদের দায়িত্ব জনগণকে সেবা দেওয়া। তবে সেই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি এক শ্রেণির সরকারি কর্মকর্তা নিজেদের কিংবা পরিবারের সদস্যদের নামে ব্যবসা পরিচালনা করে সরকারি চাকরির আচরণবিধি লঙ্ঘন করছেন।

এমন অভিযোগই উঠে এসেছে যমুনা টেলিভিশনের এক অনুসন্ধানে।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কেউ নিজের নামে, আবার কেউ স্ত্রী, সন্তান বা ঘনিষ্ঠ আত্মীয়ের নামে গড়ে তুলেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। লাইসেন্স পরিবারের সদস্যদের নামে হলেও বিনিয়োগ, নিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত থাকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার হাতেই। অভিযোগ রয়েছে, দাপ্তরিক ক্ষমতা ও প্রভাব খাটিয়ে এসব প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ বাগিয়ে নেওয়ারও। পাশাপাশি নামমাত্র মূল্যে জমি কিনে পরে বিপুল মুনাফায় বিক্রির অভিযোগও রয়েছে অনেকের বিরুদ্ধে। ফলে প্রশ্ন উঠছে—এই বিনিয়োগের অর্থের উৎস কী?

সরকারি চাকরি বিধিমালা অনুযায়ী, সরকারের পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো সরকারি কর্মচারী ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হতে পারেন না। সরকারি চাকরির পাশাপাশি অনুমতি ছাড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়া শুধু নৈতিক বিচ্যুতিই নয়, আইনগতভাবেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

এ ধরনের অভিযোগে অতীতেও আলোচনায় এসেছেন একাধিক সরকারি কর্মকর্তা। সরকারি চাকরিতে বহাল থাকা অবস্থায় জেকেজির মাধ্যমে করোনার ভুয়া পরীক্ষার সনদ দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হন চিকিৎসক সাবরিনা শারমিন হোসেন। পরে ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততার অভিযোগে তাকে সাময়িক বরখাস্ত সরকারি প্রতিষ্ঠান জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল।

একইভাবে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (আইডিআরএ) সাবেক চেয়ারম্যান ড. এম. মোশাররফ হোসেনের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি লাভস এন্ড লাইভস অর্গানিক লিমিটেডসহ একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ ওঠে।  বিভিন্ন অনুসন্ধানে তথ্য উঠে আসে, এসব প্রতিষ্ঠানে সরাসরি যুক্ত ছিলেন তার স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া। এ ঘটনায় দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলার পর আদালত তাদের আয়কর সংক্রান্ত নথি তলব করেন।

ছাগলকাণ্ডে আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের  (এনবিআর) সাবেক সদস্য মতিউর রহমানের বিরুদ্ধেও নিজের পাশাপাশি স্ত্রী ও সন্তানদের নামে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকানার অভিযোগ রয়েছে। যা সরকারি কর্মচারী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ হিসেবে তদন্তে উঠে আসে।

অন্যদিকে পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের নামেও অবসরের পর বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের তথ্য প্রকাশ্যে আসে। অথচ আইজিপি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর অধস্তন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, ‘ধনী হতে চাইলে সরকারি চাকরি ছেড়ে ব্যবসায় যেতে।’

সাম্প্রতিক অনুসন্ধানে আরো তিনজন ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের নামে আবাসন ব্যবসার তথ্য উঠে এসেছে। তারা হলেন অতিরিক্ত আইজিপি গাজী জসিমউদ্দিন,  কাজী ফজলুল করিম এবং সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সদস্য মনির হোসেন। অনুসন্ধান বলছে, এই তিন কর্মকর্তার পরিবারের সদস্যদের নামেই গড়ে উঠেছে একাধিক আবাসন ব্যবসা। তাদের মধ্যে রয়েছে গাজী জসিমুদ্দিনের স্ত্রী খালেদা আমিন, কাজী ফজলুল করিমের স্ত্রী নুজহাত ফাতেমা এবং মনির হোসেনের স্ত্রী উম্মে কুলসুম। 

এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মামুন মাহবুব বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তারা যদি ক্ষমতার প্রভাব ব্যবহার করে সরকারের অনুমতি ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করেন, তবে তা আইন ও আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। ব্যবসা করার আগ্রহ থাকলে সরকারি চাকরি ছেড়ে সেই পেশায় যাওয়াই উচিত। একই সঙ্গে তিনি বিষয়টিকে উদাহরণ হিসেবে নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের অনিয়মে জড়ানোর সাহস না পায়।

নোংরা যৌনপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বের করে আনুন : দীপ্তি চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
নোংরা যৌনপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বের করে আনুন : দীপ্তি চৌধুরী
সংগৃহীত ছবি

আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী বলেছেন, এক নোংরামিকে কাউন্টার দিতে আরেক নোংরামি চলছে। প্রতি স্ক্রলে কে কারে ‘চ’ করতে চায়, কে করতে পারবে—কে পারবে না, কে আগে কারে করত, কে ফিরে আসলে কারে করবে এই সবই চলছে! কি ভয়ংকর ভাই!

৪ জুলাই (শনিবার) রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেছেন।

ওই পোস্টে দীপ্তি চৌধুরী আরো উল্লেখ করেন, “নারী পুরুষ নির্বিশেষে কেউ কোনো পলিটিক্যাল পার্টিকে ‘চ’ করতে চায়, কেউ কোনো মাসকে ‘চ’ করতে চায়। বাঙালি যে সেস্কুয়ালি ফ্রাস্টেটেড সেটা গালির ধরণ দেখেই বোঝা যায়।”

তিনি লেখেন, “পলিটিক্যাল কাউন্টারকে আপনার নোংরা যৌনপ্রবৃত্তি থেকে বের করে আনুন প্লিজ। পৃথিবীতে ‘চ’ করা ছাড়াও মানুষকে নিন্দা জানানোর, ভুল প্রমাণ করার, কাউন্টার অ্যাটাক করার আরো অনেক কিছু আছে।”

জুলাই নামে যত সংগঠন আছে বেশির ভাগই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত : আনিস আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই নামে যত সংগঠন আছে বেশির ভাগই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত : আনিস আলমগীর

সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, জুলাই নাম দিয়ে যত সংগঠন আছে, বেশির ভাগই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্কিত। এরা বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কিত না এবং এরা নিজেদের ফেসবুক পেজে বিএনপিকে গালাগাল করে।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার কালের সংলাপ টক শোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠিত হয়েছিল একটা ফ্রেশ মাইন্ডে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের ছাত্রসমাজ যে ভূমিকা রেখেছে, তাদের দিয়ে নতুন একটা সমাজ, নতুন ধরনের রাজনীতির চিন্তাধারা থেকেই এ দলটার উৎপত্তি হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেল যে কার্যত এরা ওদেরই (জামায়াতে ইসলামী) বি-টিম। এদের রাজনীতি শুরু থেকেই এদের বেশির ভাগ লোকজন যারা সামনে ছিল তারা একসময় ছাত্রশিবির করত কিংবা জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে জড়িত ছিল।

তিনি বলেন, এনসিপি সত্যিকার অর্থেই জামায়াতের একটা বি-টিম। জামায়াত এ ধরনের বি-টিম আরো রেখেছে। কতগুলো সামাজিক সংগঠন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নাম দিয়ে যত সংগঠন আছে, সবগুলো কিন্তু এক জায়গায় জামায়াতে ইসলামীর আরেকটা উইং। এগুলো নানা ফিল্টার করা বুঝতে পারবেন না যে এগুলো আসলে জামায়াতের কি না।

তিনি আরো বলেন, এদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হলে ও এদের কার্যক্রম ফলো করলে বোঝা যাবে জুলাই নাম দিয়ে সবগুলোই জামায়াতের উইং হিসেবে কাজ করছে।

১ মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব ৫০ টাকা করে : উমামা

অনলাইন ডেস্ক
১ মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব ৫০ টাকা করে : উমামা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেছেন, ‌‘এক মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা।’  

বুধবার (১ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।  

ফেসবুক পোস্টে উমামা ফাতেমা লেখেন, ‘জুলাইয়ের এই এক মাস জুলাই সবার থাকবে, ঠিক আছে? এক মাস পর থেকে জুলাই আমার সম্পত্তি, আমি সবাইকে জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা।’

তিনি আরো লেখেন, ‘ভোট করার সময় সার্টিফিকেটপ্রাপ্তদের সঙ্গে জোট করব, দারুণ সব টাইটেল হবে, লেটস ছে জুলাইয়ের ফিনিক্স পাখি, জুলাইয়ের আবাবিল পাখি, জুলাইয়ের ইমাম, জুলাইয়ের মাস্টারমাইন্ড।’

এরপর তিনি লেখেন, কেমন লাগল আইডিয়াটা?

 তার এই ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।  তবে তিনি কাকে উদ্দেশ করে এমন মন্তব্য করেছেন বা পোস্টটির পেছনে কী প্রেক্ষাপট রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।