• ই-পেপার

চাকরির আড়ালে সরকারি কর্মকর্তাদের আবাসন ব্যবসা

  • লাইসেন্স থাকে স্ত্রী-সন্তানের নামে

নোংরা যৌনপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বের করে আনুন : দীপ্তি চৌধুরী

অনলাইন ডেস্ক
নোংরা যৌনপ্রবৃত্তি থেকে নিজেকে বের করে আনুন : দীপ্তি চৌধুরী
সংগৃহীত ছবি

আলোচিত উপস্থাপক দীপ্তি চৌধুরী বলেছেন, এক নোংরামিকে কাউন্টার দিতে আরেক নোংরামি চলছে। প্রতি স্ক্রলে কে কারে ‘চ’ করতে চায়, কে করতে পারবে—কে পারবে না, কে আগে কারে করত, কে ফিরে আসলে কারে করবে এই সবই চলছে! কি ভয়ংকর ভাই!

৪ জুলাই (শনিবার) রাতে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে এক পোস্টে তিনি এসব কথা উল্লেখ করেছেন।

ওই পোস্টে দীপ্তি চৌধুরী আরো উল্লেখ করেন, “নারী পুরুষ নির্বিশেষে কেউ কোনো পলিটিক্যাল পার্টিকে ‘চ’ করতে চায়, কেউ কোনো মাসকে ‘চ’ করতে চায়। বাঙালি যে সেস্কুয়ালি ফ্রাস্টেটেড সেটা গালির ধরণ দেখেই বোঝা যায়।”

তিনি লেখেন, “পলিটিক্যাল কাউন্টারকে আপনার নোংরা যৌনপ্রবৃত্তি থেকে বের করে আনুন প্লিজ। পৃথিবীতে ‘চ’ করা ছাড়াও মানুষকে নিন্দা জানানোর, ভুল প্রমাণ করার, কাউন্টার অ্যাটাক করার আরো অনেক কিছু আছে।”

জুলাই নামে যত সংগঠন আছে বেশির ভাগই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত : আনিস আলমগীর

অনলাইন ডেস্ক
জুলাই নামে যত সংগঠন আছে বেশির ভাগই জামায়াতের সঙ্গে সম্পৃক্ত : আনিস আলমগীর

সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, জুলাই নাম দিয়ে যত সংগঠন আছে, বেশির ভাগই জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্কিত। এরা বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কিত না এবং এরা নিজেদের ফেসবুক পেজে বিএনপিকে গালাগাল করে।

সম্প্রতি কালের কণ্ঠ মাল্টিমিডিয়ার কালের সংলাপ টক শোতে অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন তিনি।

আনিস আলমগীর বলেন, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) গঠিত হয়েছিল একটা ফ্রেশ মাইন্ডে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের মধ্য দিয়ে আমাদের ছাত্রসমাজ যে ভূমিকা রেখেছে, তাদের দিয়ে নতুন একটা সমাজ, নতুন ধরনের রাজনীতির চিন্তাধারা থেকেই এ দলটার উৎপত্তি হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেল যে কার্যত এরা ওদেরই (জামায়াতে ইসলামী) বি-টিম। এদের রাজনীতি শুরু থেকেই এদের বেশির ভাগ লোকজন যারা সামনে ছিল তারা একসময় ছাত্রশিবির করত কিংবা জামায়াতে ইসলামের সঙ্গে জড়িত ছিল।

তিনি বলেন, এনসিপি সত্যিকার অর্থেই জামায়াতের একটা বি-টিম। জামায়াত এ ধরনের বি-টিম আরো রেখেছে। কতগুলো সামাজিক সংগঠন ও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নাম দিয়ে যত সংগঠন আছে, সবগুলো কিন্তু এক জায়গায় জামায়াতে ইসলামীর আরেকটা উইং। এগুলো নানা ফিল্টার করা বুঝতে পারবেন না যে এগুলো আসলে জামায়াতের কি না।

তিনি আরো বলেন, এদের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত হলে ও এদের কার্যক্রম ফলো করলে বোঝা যাবে জুলাই নাম দিয়ে সবগুলোই জামায়াতের উইং হিসেবে কাজ করছে।

১ মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব ৫০ টাকা করে : উমামা

অনলাইন ডেস্ক
১ মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব ৫০ টাকা করে : উমামা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেছেন, ‌‘এক মাস পর জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা।’  

বুধবার (১ জুলাই) নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ কথা বলেন তিনি।  

ফেসবুক পোস্টে উমামা ফাতেমা লেখেন, ‘জুলাইয়ের এই এক মাস জুলাই সবার থাকবে, ঠিক আছে? এক মাস পর থেকে জুলাই আমার সম্পত্তি, আমি সবাইকে জুলাইযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেব, পার পিস ৫০ টাকা।’

তিনি আরো লেখেন, ‘ভোট করার সময় সার্টিফিকেটপ্রাপ্তদের সঙ্গে জোট করব, দারুণ সব টাইটেল হবে, লেটস ছে জুলাইয়ের ফিনিক্স পাখি, জুলাইয়ের আবাবিল পাখি, জুলাইয়ের ইমাম, জুলাইয়ের মাস্টারমাইন্ড।’

এরপর তিনি লেখেন, কেমন লাগল আইডিয়াটা?

 তার এই ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।  তবে তিনি কাকে উদ্দেশ করে এমন মন্তব্য করেছেন বা পোস্টটির পেছনে কী প্রেক্ষাপট রয়েছে, সে বিষয়ে কোনো ব্যাখ্যা দেননি।

লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে : উর্মি

অনলাইন ডেস্ক
লিখিত দলিল না থাকলে জামায়াত বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে : উর্মি
ভিডিও থেকে নেওয়া ছবি

দ্বিচারিক রাজনৈতিক দলকে বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না বলে মন্তব্য করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক জান্নাতুল নৌরিন উর্মি। তিনি বলেছেন, ‘তারা (জামায়াত) দেশের যেকোনো রেভল্যুশনের ক্রেডিট নিতে চেষ্টা করে। লিখিত দলিল না থাকলে তারা বলত, দেশটাও তারা স্বাধীন করেছে।’ গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি এসব কথা বলেন।

জান্নাতুল নৌরিন উর্মি বলেন, ‘তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভর করে ধর্মকে পুঁজি করে রাজনীতি করে। তারা নারীর স্বাধীনতাকে এক প্রকারের কুক্ষীগত করার চেষ্টা করে। তারা সব সময় চেষ্টা করে যে কোনো রেভল্যুশনের ক্রেডিটটা নিতে।’

তিনি বলেন, ‘দ্বিচারী রাজনৈতিক দলকে কখনই বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না। জুলাই এ দেশের আপামর জনগণের। জুলাইয়ের কোনো স্টেকহোল্ডার কিংবা কোনো মাস্টারমাইন্ড নেই।  জুলাই সবার মস্তিষ্কে ছিল। স্বাধীনতার চেতনা যেমন সবার। জুলাই সবার।’

ছাত্রদলের এ নেত্রী বলেন, ‘একটি গোষ্ঠী আছে যারা সব সময় সুযোগবাদী থাকে। যারা সব সময় পাওয়ার সেন্টিক পলিটিকসকে পছন্দ করে। স্বাধীনতার সময় তারা স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী ছিল। পরবর্তীতে তারা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে ভর করে, ধর্মকে পুঁজি করে তারা নারীর স্বাধীনতাকে কুক্ষিগত করার স্বপ্ন নিয়ে সব সময় চেষ্টা করে যে কোনো রেভল্যুশনের ক্রেডিটটা নিতে।’

উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘সেদিন একজন সংসদ সদস্য বললেন, যে তার বাবা শহীদ মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। পরে জানা গেল তার পিতা মুক্তিযুদ্ধের ১০ বছর পরে জন্মগ্রহণ করেছেন। এ ধরনের গালবাজি কথা রাজনীতির ময়দানে সংসদে অনেক মানুষই বলতে পারে কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ তাদের নেতৃত্বে কোনো দিন কোনো অধিকারের আন্দোলন করবে না। কারণ দ্বিচারী রাজনৈতিক দলকে কখনোই বাংলাদেশের মানুষ বিশ্বাস করে না।’


তিনি আরো বলেন, ‘জুলাইয়ে কিছু তরুণদের প্রতি আমার অনেক স্বপ্ন ছিল, ভরসা ছিল। তারা সমন্বয়ক নামে জনগণের যে ভরসা এবং তারুণ্যের একটি দল তারা সে ভরসার জায়গায় দাঁড়াতে পারেনি। আমার বন্ধুরা ছিল, সহযোদ্ধারা ছিল। তারা সেই ভরসার জায়গায় দাঁড়াতে পারেনি। আমরা আশা রাখি যে সাম্যের রাজনীতিতে তারা মানুষের জনমুখী কাজ করে মানুষের মাঝেই ফিরে আসবে।’

উর্মি বলেন, ‘শুধু বিএনপি একটি দলই থাকবে বলে আমি আশা রাখি না।  আমি ছাত্রদল করলেও আমার আশা যে বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে। তারেক রহমান জাতীয়তাবাদকে সর্বজনীন করছেন। জুলাই যেমন সর্বজনীন ছিল। জুলাই আমাদের সবার। জুলাই রিয়া গোপের, জুলাই ওয়াসিমের, জুলাই আবু সাঈদের, জুলাই রিকশাচালকদের। জুলাই এ দেশের এলিটদের, এ দেশের মধ্যবিত্ত এবং নিম্নব্ত্তি সব মানুষের জুলাই।’