• ই-পেপার

অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি : ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ

দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা চেয়ে হাইকোর্টে রিট

নিজস্ব প্রতিবেদক
দেনমোহর আদায়ে নীতিমালা চেয়ে হাইকোর্টে রিট
ছবি: কালের কণ্ঠ

বিয়ের সময় নির্ধারিত দেনমোহর আদায় বা পরিশোধের জন্য একটি বিস্তারিত নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাহমিদা আখতার জনস্বার্থে এ রিট করেন। এতে আইন মন্ত্রণালয়ের দুই সচিব, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং আইন কমিশনের চেয়ারম্যানকে বিবাদী করা হয়েছে।

রিটে বলা হয়েছে, নারী অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় ১৯৬১ সালের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশের ১০ ধারার অস্পষ্টতা দূর করে দেনমোহর আদায়ের একটি বিস্তারিত নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ কেন দেওয়া হবে না, সে মর্মে রুল জারির আবেদন জানানো হয়েছে।

আইনজীবী ফাহমিদা আখতার কালের কণ্ঠকে বলেন, দেনমোহর বিষয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন সংযুক্ত করে রিটটি করা হয়েছে। বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চে রিটটি শুনানির জন্য উপস্থাপন করা হবে। চলতি সপ্তাহেই এ বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

রিটে উল্লেখ করা হয়েছে, অধিকাংশ ক্ষেত্রে বিয়ের সময় দেনমোহর নির্ধারণ করা হলেও স্ত্রী দাবি জানানো সত্ত্বেও তা পরিশোধ করা হয় না। সাধারণত বিবাহবিচ্ছেদের সময় এ বিষয়টি সামনে আসে। তখন দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে মুদ্রাস্ফীতির কারণে টাকার মূল্য কমে যায়। ফলে মুদ্রাস্ফীতি বা সময়ের ব্যবধান বিবেচনা না করে দেনমোহর পরিশোধ করা এর মূল উদ্দেশ্যের সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এতে আরও বলা হয়েছে, শরিয়া আইনে নারী অধিকার সুরক্ষায় দেনমোহরসহ বিভিন্ন ইতিবাচক বিধান থাকলেও আর্থ-সামাজিক বাস্তবতা ও পুরুষতান্ত্রিক আধিপত্যের কারণে এসব বিধানের কার্যকারিতা অনেক ক্ষেত্রে হারিয়ে যাচ্ছে। স্পষ্ট আইনি মানদণ্ড বা নীতিমালা না থাকায় দেনমোহরের সুরক্ষামূলক উদ্দেশ্য ব্যাহত হচ্ছে এবং বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল নারীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

রিটে বলা হয়েছে, দেনমোহর একজন বিবাহিত নারীর আইনগতভাবে বলবৎযোগ্য অধিকার। তাই কেবল আইনি অস্পষ্টতা বা নীতিমালার অভাবে এ অধিকারের কার্যকারিতা নষ্ট হতে দেওয়া যায় না। বিবাহিত নারীদের অধিকার, আর্থিক স্বার্থ ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে।

যাত্রাবাড়ীতে উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার ৬ জন রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
যাত্রাবাড়ীতে উগ্রবাদী সন্দেহে গ্রেপ্তার ৬ জন রিমান্ডে
ছবি: কালের কণ্ঠ

উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকার সন্দেহে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হওয়া ছয়জনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

রবিবার (৫ জুলাই) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এই আদেশ দেন। ঢাকার আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক মাসুম খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিমান্ডে নেওয়া আসামিরা হলেন— শাহ আমানত সাবির, হোসাইন তানিম, জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়োজিত।

এর আগে, আজ ভোর সাড়ে ৬টার দিকে যাত্রাবাড়ীর ‘মিনি কক্সবাজার’ এলাকা থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা যায়, আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক এ বি সিদ্দিক। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। শুনানির সময় আসামিদের পক্ষে কোনো আইনজীবী ছিলেন না।

রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করে, যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় নিয়মিত দায়িত্ব পালনকালে পুলিশ গোপন সংবাদ ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে জানতে পারে—যাত্রাবাড়ী থানাধীন মিনি কক্সবাজারের আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের পাশের বালুর মাঠে উগ্রবাদী সংগঠনের কয়েকজন সদস্য কার্যক্রম পরিচালনার উদ্দেশ্যে প্রশিক্ষণের জন্য সমবেত হয়েছেন। এই সংবাদের ভিত্তিতে ভোর সাড়ে ৬টার দিকে পুলিশ সেখানে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করার সময় এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আবেদনে আরো বলা হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা ওই স্থানে সমবেত হওয়ার কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, তারা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। এই ঘটনার নেপথ্যের রহস্য উদ্‌ঘাটনের জন্য তাদের নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন।

আজ বিকেলে ব্যাপক নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামিদের আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। তাদের বহনকারী প্রিজন ভ্যানের সঙ্গে পুলিশের আরো চারটি গাড়ি নিরাপত্তায় নিয়োজিত ছিল। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়েই তাদের এজলাসে তোলা ও নামানো হয়।

৩ শর্তে ইসতি মেডিকেলের এমডি ফয়সালের জামিন

নিজস্ব প্রতিবেদক
৩ শর্তে ইসতি মেডিকেলের এমডি ফয়সালের জামিন

বোনের মেয়েকে (ভাগ্নি) যৌন নিপীড়নের অভিযোগের মামলায় কারাগারে যাওয়ার পাঁচ দিনের মাথায় তিন শর্তে জামিন পেয়েছেন ইসতি মেডিকেলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ ফয়সাল।

রবিবার (৫ জুলাই) ঢাকার অ্যাডিশনাল চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জাকির হোসাইন পাঁচ লাখ টাকা মুচলেকায় আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত জামিনের আদেশ দেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই তাহমিনা আক্তার এ তথ্য জানান।

তিন শর্ত হলো তদন্তে সহযোগিতা, জামিনের অপব্যবহার না করা এবং বিদেশ যেতে পারবেন না।

গত ২৩ এপ্রিল ভুক্তভোগীর বাবা গুলশান থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর ৬ মে উচ্চ আদালত থেকে ৮ সপ্তাহের জামিন পান ফয়সাল। জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় গত মঙ্গলবার সিএমএম কোর্টে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তিনি।

তার পক্ষে ঢাকা বারের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল কালাম খানসহ কয়েকজন আইনজীবী জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষে ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি খোরশেদ মিয়া আলমসহ কয়েকজন জামিন আবেদনের বিরোধিতা করেন। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেয়। আজও একই আইনজীবীরা দুই পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি নিয়ে আদালত পাঁচ লাখ টাকা মুচলেকায় তিন শর্তে জামিনের আদেশ দেয়।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, আসামি বাদীর শ্যালক। তার তিন মেয়ের মধ্যে ২ জন পড়াশোনার জন্য বিদেশে থাকে। তার স্ত্রী মাঝেমধ্যে তাদের দেখাশোনার জন্য বিদেশে যান। ছোট মেয়ে তাদের সঙ্গে থাকে এবং একটি কোচিং সেন্টারে লেখাপড়া করে। আসামি ২০২৫ সালের ২১ জুন তার মেয়েকে ঘুরতে যাওয়াসহ বিভিন্ন প্রলোভন দেখায়। আসামি আপন মামা হওয়ায় তার মেয়ে বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে যায়। ঘুরতে গেলে আসামি নিজে ধূমপান করার সময় কৌশলে তার মেয়েকে ধূমপান করানোর চেষ্টা করে। কিন্তু সে তার কথায় ধূমপান করে না।

পরে ২৪ জুন দুপুরে বাদীর মেয়েকে গুলশান থানাধীন ইসতি মেডিকেলের অফিসে লাঞ্চ করার জন্য ফোন করে যেতে বলে। তার কথামতো সে অফিসে যায় এবং সেখানে লাঞ্চ করে। পরে আসামি তার অফিসের বেলকনিতে নিয়ে পুনরায় ধূমপান করানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়। ওই রাতে গাড়িতে করে তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য বের হয়। আসামি নিজেই গাড়ি ড্রাইভ করছিল। পথিমধ্যে আমেরিকান ক্লাব রোডে এসে গাড়ি চালানো শেখানোর কথা বলে। এ সময় ভিকটিমকে ড্রাইভিং সিটে তার কোলে বসতে বলে। কোলে বসতে অনিচ্ছা পোষণ করলে সামনের দুই ছিটের মাঝখানে বসিয়ে গাড়ি চালানো শেখাতে শুরু করে। তখন আসামি আকস্মিকভাবে আক্রমণাত্মক হয়ে ভিকটিমকে যৌন নিপীড়ন করেন। ভিকটিম বিষয়টি কৌশলে এড়িয়ে গিয়ে অসুস্থতার ভান করে বাসায় যাওয়ার কথা বললে তাকে বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়। তার এমন কাজে ভিকটিম মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে পারিবারিকভাবে সম্পর্কের অবনতি হতে পারে, তাই ভিকটিম ঘটনা সম্পর্কে কাউকে কিছু বলেনি। গত ১৭ এপ্রিল ভিকটিমের বড় বোনের বিয়ের দিন মোহাম্মদ ফয়সাল বাসায় আসলে ভিকটিম তাকে দেখে চিৎকার করে ওঠে এবং গালাগাল করে। তখন বাদীসহ পরিবারের লোকজন ঘটনার বিষয়ে জানতে পারেন।

হামে শিশুর মৃত্যু

ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের আদেশ ১২ জুলাই

নিজস্ব প্রতিবেদক
ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদনের আদেশ ১২ জুলাই

হামে মেয়ের মৃত্যুর ঘটনায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস এবং সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে বাবার করা মামলার আবেদনের ওপর আদেশের জন্য আগামী ১২ জুলাই নির্ধারণ করেছেন আদালত। মামলার আবেদনে দায়িত্বে অবহেলা, আইন অমান্য ও অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগ আনা হয়েছে।

রবিবার (৫ জুলাই) বিকালে শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই আদেশ দেন। মামলার আবেদনের অপর আসামিরা হলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ডা. মো. আবু জাফর ও সাবেক প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

এ দিন সকালে একই আদালতে চারজনের বিরুদ্ধে আইনজীবীদের মাধ্যমে মামলাটির আবেদন জমা দেন সিরাজুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি। ওই সময় আদালত বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে আদেশ অপেক্ষমাণ রাখেন। বিকালে ওই আবেদনের ওপর আদেশের জন্য আগামী ১২ জুলাই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী আশিকুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

বাদী সিরাজুল ইসলাম মামলার আবেদনে উল্লেখ করেন, বাদীর ৯ মাসের কন্যা সাউদা মুসকান জ্বরে আক্রান্ত হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে শয্যা সংকট, অক্সিজেনের অভাব, চিকিৎসক ও নার্সদের অবহেলা এবং যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়ার কারণে অবস্থার অবনতি ঘটে। সঠিক সময়ে হামের টিকা সরবরাহ না থাকায় শিশুটি টিকা নিতে পারেনি এবং এ কারণেই হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে।

মামলায় অভিযোগে আরো বলা হয়, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার, স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা দায়িত্ব পালনে অবহেলা করেছেন। তারা হামের টিকা সংগ্রহ, সরবরাহ ও টিকাদান কর্মসূচি যথাযথভাবে বাস্তবায়নে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছেন। এই অবহেলার ফলে দেশব্যাপী শত শত শিশু হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে এবং হাজারো শিশু চিকিৎসাধীন রয়েছে।

বিবাদীদের এসব কর্মকাণ্ড সংবিধান অনুযায়ী জনস্বাস্থ্য ও জীবন রক্ষার রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব লঙ্ঘন, ক্ষমতার অপব্যবহার, অবহেলা এবং আইনগত দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতার শামিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ৮ জুন একই অভিযোগ এনে মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নুরজাহান বেগমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে মামলার আবেদন করেন কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল। তবে আদালত আবেদন খারিজ করে দেন। এরও আগে গত ৭ মে উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মারমার বাবা উসাইমং মারমা ইউনূসসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলার আবেদন করেছিলেন। দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে করা ওই মামলার আবেদনও আদালত খারিজ করে দেন।