• ই-পেপার

দেশের সম্মান রক্ষায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন শান্তিরক্ষীরা : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হচ্ছে মরিশাসের শ্রমবাজার
সোমবার সকালে জেনেভায় মরিশাসের শ্রমমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

মরিশাসের বন্ধ থাকা শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য ফের উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। দেশটির শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিমের সঙ্গে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর বৈঠক শেষে এমন তথ্য জানানো হয়েছে। শ্রমিক নেওয়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতেও মরিশাস বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানা গেছে।

সোমবার (৮ জুন) সকাল সাড়ে ৯টায় জেনেভাস্থ জাতিসংঘের কার্যালয়ের সভাকক্ষে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনে অংশ নিতে মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বর্তমানে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থান করছেন। সেখানে পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে শিগগির স্বারক স্বাক্ষরের বিষয়ে দুই দেশের পক্ষ থেকে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশের স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারি সচিব মো. মাহবুবুল ইসলাম, বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিম বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার বিষয়ে মরিশাসের আগ্রহ রয়েছে। বিশেষ করে টেক্সটাইল শিল্পের জন্য দক্ষ কর্মী প্রয়োজন।’ এ সময় দেশটির শ্রমবাজার পুনরায় চালুর বিষয়ে সমঝোতা স্মারকের খসড়া বাংলাদেশে শিগগির পাঠানোর আশ্বাস দেন দেশটির শ্রমমন্ত্রী। পাশাপাশি বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে বিনিয়োগের বিষয়ে মরিশাস সরকারের আগ্রহের কথা জানান।

মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে মরিশাসে জনশক্তি প্রেরণের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক দ্রুত স্বাক্ষর করার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য মরিশাস সরকারকে অনুরোধ করেছি।

তিনি আরো বলেন, ‘টেক্সটাইল শিল্প ছাড়াও অন্যান্য পেশা যেমন- চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স, অ্যাকাউন্টেন্ট ইত্যাদি দক্ষ জনশক্তি প্রেরণে বাংলাদেশ সরকারের আগ্রহের কথাও জানিয়েছে।’ এ সময় তিনি মরিশাসের শ্রম মন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

এর আগে শুরুতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মরিশাস সরকাকে শুভেচ্ছা জানান আরিফুল হক চৌধুরী।

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বেড়ে কত হলো

অনলাইন ডেস্ক
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বেড়ে কত হলো
ছবি: কালের কণ্ঠ

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদার সহ) সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন বাড়িয়েছে সরকার। অর্থ বিভাগ থেকে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে ৩১ মার্চ অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মতামত জানতে চায়।

চিঠিতে বলা হয়, সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও সমমর্যাদার এপিএসদের বেতন নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে তাদের মাসিক মূল বেতন দাঁড়াবে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা।

আরো পড়ুন
আইজিপির সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আইজিপির সঙ্গে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

 

এর আগে এপিএসদের বেতন নবম গ্রেডের শুরু ধাপে ২২ হাজার টাকা থেকে নির্ধারণ করা হতো। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ইনক্রিমেন্ট যোগ করে বেতন সমন্বয় করা হতো।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, নির্ধারিত ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা মূল বেতনের পাশাপাশি তারা বিধি অনুযায়ী অন্যান্য ভাতা পাবেন। তবে এই কাঠামোর অধীনে কোনো বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, পেনশন, আনুতোষিক বা ভবিষ্য তহবিল সুবিধা থাকবে না।

আরো পড়ুন
রাজধানীতে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইয়ের শিকার স্কুলছাত্র

রাজধানীতে চলন্ত ট্রেনে ছিনতাইয়ের শিকার স্কুলছাত্র

 

এই বেতন কাঠামো শুধুমাত্র তাদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে, যারা মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) এপিএস এবং উপমন্ত্রীর একান্ত সচিব হিসেবে সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগ পান।

অন্যদিকে, সরকারি কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত এপিএসদের ক্ষেত্রে এই নতুন গ্রেড প্রযোজ্য হবে না। তারা সংশ্লিষ্ট নিয়োগ ও বিধি অনুযায়ী বেতন ও সুবিধা পাবেন।

বৃষ্টি ও তাপপ্রবাহ নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃষ্টি ও তাপপ্রবাহ নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অধিদপ্তর
সংগৃহীত ছবি

দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তবে এর মধ্যেই দেশের পাঁচ জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে। সোমবার (৮ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাসে এসব তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম জানান, লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরপশ্চিম বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিরাজমান রয়েছে। দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে। এটি আগামী ৩-৪ দিনের মধ্যে সারা দেশে বিস্তার লাভ করার জন্য অনুকূল অবস্থায় রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রংপুর, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী ও খুলনা বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। রাজশাহী, পাবনা, নীলফামারী, চুয়াডাঙ্গা ও খুলনা জেলাসমূহের ওপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরির্বিত থাকতে পারে।

বুধবার (১০ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা ও বরিশাল বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।

শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও খুলনা বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়া, বিদ্যুৎ চমকানোসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারা দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। বর্ধিত পাঁচ দিন বৃষ্টিপাতের প্রবণতা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ ও রাশিয়া

বাসস
বৈশ্বিক পর্যায়ে সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী বাংলাদেশ ও রাশিয়া

জ্বালানি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং শিক্ষার ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে বাংলাদেশ ও রাশিয়া।

আজ সোমবার মস্কোতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে ড. খলিলুর রহমান ও লাভরভ সমসাময়িক আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিষয়াদি নিয়ে মতবিনিময় করেন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)’র ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার পর এটিই ড. খলিলুর রহমানের প্রথম দ্বিপক্ষীয় বিদেশ সফর। পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের আমন্ত্রণে তিন দিনের সরকারি সফরে তিনি রাশিয়া যান। 

আরো পড়ুন
গুজব-অপতথ্য ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গুজব-অপতথ্য ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন হচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 

লাভরভ ইউএনজিএ সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান এবং জাতিসংঘকে আরো কার্যকর ও বৈশ্বিক বিষয়াদিতে জাতিসংঘের কেন্দ্রীয় ভূমিকা সুদৃঢ় করার ক্ষেত্রে তার প্রচেষ্টায় রাশিয়ার পূর্ণ সমর্থনের আশ্বাস দেন।

লাভরভ বলেন, আমরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের বাস্তবমুখী ফলাফলের অপেক্ষায় আছি। এই মর্যাদাপূর্ণ দায়িত্ব গ্রহণের প্রস্তুতিতে রাশিয়া ড. খলিলুর রহমানের পাশে থাকবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

‘উভয় দেশই দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সুসম্পর্ক বজায় রেখে আসছে’ উল্লেখ করে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছরের জানুয়ারিতে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ৫৫তম বার্ষিকী বাণিজ্য, অর্থনীতি, সংস্কৃতি এবং সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় সুনির্দিষ্ট বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে উদযাপিত হবে।

আরো পড়ুন
প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

প্রতিযোগিতায় টিকতে টেকসই উৎপাদন পদ্ধতি গ্রহণের তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

 

লাভরভ আরো বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আমাদের দুই দেশের মধ্যে স্থিতিশীলভাবে রাজনৈতিক সংলাপ বিকশিত হচ্ছে। মস্কো এই সফরের মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরো এগিয়ে নিতে চায় বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ড. খলিলুর রহমান রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন, প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভের প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। একই সঙ্গে রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক আরো জোরদারের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে মস্কোর সহযোগিতার কথা স্মরণ করে ড. খলিলুর তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের ভূমিকার প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বিশেষ করে স্বাধীনতার পর চট্টগ্রাম বন্দর মাইনমুক্ত করতে সোভিয়েত নৌবাহিনীর অবদানের কথা তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, বাণিজ্য, শিক্ষা, জ্বালানি ও প্রতিরক্ষা খাতে আমাদের সম্পর্কের সম্প্রসারণ অব্যাহত রয়েছে এবং আমরা এই ক্ষেত্রগুলোকে আরো শক্তিশালী করতে চাই।

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে দুই দেশের বর্ধমান অংশীদারির এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেন এবং প্রকল্পটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শেষে দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রী যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতে, বৈঠকে জাতিসংঘসহ অন্যান্য বহুপক্ষীয় ফোরামে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ২০০ কোটি (২ বিলিয়ন) মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে। পাশাপাশি জ্বালানি, শিক্ষা ও কারিগরি খাতেও এই সহযোগিতা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।