• ই-পেপার

ফেনীতে মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা জব্দ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু

চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি
চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাপের কামড়ে স্কুলছাত্রীর মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলায় সাপের কামড়ে সাবিকুন্নাহার (১৩) নামের সপ্তম শ্রেণির এক ছাত্রীর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৮ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলার দেবিনগর ইউনিয়নের মাটিকাটাপাড়া চরহরিষপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সাবিকুন্নাহার ওই গ্রামের ইসাহাক আলীর মেয়ে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্র জানায়, বিকেলে নিজ বাড়ির একটি কক্ষে খাটের ওপর পা ঝুলিয়ে বসে ছিল সাবিকুন্নাহার। এ সময় একটি সাপ তার বাম পায়ের পাতায় কামড় দিলে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

এ বিষয়ে সদর থানার পরিদর্শক (অভিযান) আব্দুর রউফ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে। পরিবারের আবেদনের পর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।

পাকুন্দিয়ায় তিন মাদক কারবারিকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ

পাকুন্দিয়া (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধি
পাকুন্দিয়ায় তিন মাদক কারবারিকে গণপিটুনির পর পুলিশে সোপর্দ
ছবি : কালের কণ্ঠ

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় মাদক কারবারের অভিযোগে তিন ব্যক্তিকে আটক করে গণপিটুনির পর পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। সোমবার (৮ জুন) বিকেলে উপজেলার চরপলাশ গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটক ব্যক্তিরা হলেন চরপলাশ গ্রামের কেনু খলিফার ছেলে রতন মিয়া, আসাদ মোড়লের ছেলে সাফুল মিয়া এবং গিয়াস উদ্দীনের ছেলে ফারজুল।

স্থানীয়দের দাবি, চরপলাশ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে মাদকের বিস্তার ঘটেছে। মাদকসেবী ও কারবারিদের কারণে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে এলাকাবাসী একাধিকবার মাদকবিরোধী সমাবেশ করে সংশ্লিষ্টদের এ পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানালেও তাতে কোনো পরিবর্তন হয়নি।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সোমবার বিকেলে এলাকাবাসী ও ছাত্র-জনতা অভিযুক্ত তিনজনকে আটক করে। পরে তাদের গলায় জুতার মালা পরিয়ে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।

চরপলাশ গ্রামের বাসিন্দা বুলবুল মিয়া বলেন, ‘আটক ব্যক্তিরা এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারি। তাদের কারণে এলাকার যুবসমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণেই এলাকাবাসী তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে।’

পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম আরিফুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘উত্তেজিত জনতার কাছ থেকে তিনজনকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে। তারা বর্তমানে থানা হেফাজতে রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে। মামলা শেষে মঙ্গলবার আদালতে পাঠানো হবে।’

বাদাম তুলতে গিয়ে বজ্রাঘাতে যুবকের মৃত্যু

পঞ্চগড় প্রতিনিধি
বাদাম তুলতে গিয়ে বজ্রাঘাতে যুবকের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

পঞ্চগড়ের সদর উপজেলায় ক্ষেতে বাদাম তোলার কাজ করার সময় বজ্রাঘাতে মোকছেদুল ইসলাম (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। 

সোমবার (০৮ জুন) বিকেলে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের লাঙ্গলগাঁও বড়বাড়ি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে।

এ সময়  নিহতের বাবা আবু হোসেন (৫২) ও বড় ভাই মোজাফফর হোসেন (৩৬) আহত হয়েছেন। 

স্থানীয়দের সূত্রে জানা যায়, সোমবার বিকেলে উপজেলার ধাক্কামারা ইউনিয়নের লাঙ্গলগাঁও বড়বাড়ি এলাকায় বাবা ও বড় ভাইয়ের সাথে নিজেদের বাদাম তোলার কাজ করছিলেন মোকছেদুল। এসময় বজ্রাঘাতে অচেতন হয়ে মাটিতেই লুটিয়ে পড়েন সবাই। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় পরিবারের সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মোকছেদুলকে মৃত ঘোষণা করেন। অন্যদের হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়।

পঞ্চগড় সদর থানার ওসি আশরাফুল ইসলাম বলেন, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক। পরে নিহতের মরদেহ সুরতহাল শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার সেই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী
ঘুষ নেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, বাগমারা থানার সেই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার

রাজশাহীর বাগমারা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) কমলেশ দাসের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যেখানে তাকে এক ব্যক্তির কাছ থেকে খাম গ্রহণ করে তার ভেতরের টাকা গুনতে দেখা যায়। ভিডিওটি ভাইরাল হওয়া ওসি (তদন্ত) কমলেশকে প্রত্যাহার করে রাজশাহী পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ৫২ সেকেন্ডের ভিডিওতে দেখা যায়, নিজ কার্যালয়ে বসে কমলেশ দাস এক ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খাম গ্রহণ করেন। পরে খামের ভেতর থাকা টাকাগুলো বের করে দ্রুত গুনে নিজের মানিব্যাগে রাখেন। পুরো ঘটনার সময় অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে তাকে স্বাভাবিক ও হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলতে দেখা যায়।

তবে ভিডিওতে অর্থ প্রদানকারী ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত করা যায়নি। এ ছাড়া ভিডিওটির অডিও বন্ধ থাকায় সেখানে কী ধরনের কথোপকথন হয়েছে বা কী কারণে অর্থ লেনদেন হয়েছে সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি।

অভিযোগ প্রসঙ্গে কমলেশ দাস বলেন, ‘আমাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তবে ঘুষের টাকা আমি নেইনি।’

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা পুলিশের মুখপাত্র ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত করা হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।