• ই-পেপার

দেবের গাল টিপে দিলেন শুভেন্দু, মহাকাব্যিক দলবদলের মহানায়কও তিনি

ট্রাম্পের আহ্বানে হামলা বন্ধে রাজি ইরান-ইসরায়েল

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্পের আহ্বানে হামলা বন্ধে রাজি ইরান-ইসরায়েল
ছবি : রয়টার্স

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযান সমাপ্তির ঘোষণা দিয়েছে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী। সোমবার (৮ জুন) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজের বরাত দিয়ে এতথ্য জানিয়েছে রয়টার্স

রয়টার্সের প্রতিবেদন বলা হয়, ইসরায়েল লেবাননের ওপর হামলা অব্যাহত রাখলে আরো কঠোর হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে তেহরান। কিন্তু ইসরায়েল লেবাননের ওপর হামলা অব্যাহত রাখলে তারা হামলা পুনরায় হামলার শুরু করার হুমকিও দিয়েছে।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে এক পোস্টে ইরান ও ইসরায়েলকে সব ধরনের হামলা বন্ধ করতে আহ্বান জানান।

আরো পড়ুন
দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭, আহত ৯

দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭, আহত ৯

 

তবে হামলা বন্ধের আগে ইসরায়েলে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ফোনালাপ হয়েছে ট্রাম্পের বলে জানিয়েছেন একজন ইসরায়েলি কর্মকর্তা। তার পরই ইসরায়েলি কর্মকর্তা চ্যানেল টুয়েলভকে জানিয়েছে, ট্রাম্পের অনুরোধে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা স্থগিত করেছে।

ওই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘ইসরায়েলি শহরগুলোতে হিজবুল্লাহর হামলা অব্যাহত থাকলে, ইসরায়েলও বৈরুতের দক্ষিণাঞ্চলীয় উপশহরগুলোতে হামলা চালাবে।’

গত রবিবার গভীর রাতে তেহরান ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, পাল্টা জবাবে ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। ইরান জানিয়েছিল, বৈরুতের উপকণ্ঠে ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হিসেবে তারা এই হামলা চালিয়েছে।

আরো পড়ুন
হরমুজে তেলের ট্যাংকারে আগুন, নিরাপদ আছেন নাবিকরা

হরমুজে তেলের ট্যাংকারে আগুন, নিরাপদ আছেন নাবিকরা

 

এদিকে লেবানন বলছে, যুদ্ধবিরতি চলাকালে ইসরায়েল প্রায় ৩৫০০ বার হামলা চালিয়েছে বৈরুতে।

দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭, আহত ৯

অনলাইন ডেস্ক
দুবাইয়ে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭, আহত ৯

সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এমিরেটস রোডে ট্রাকের সঙ্গে মিনিবাসের ধাক্কায় সাতজন নিহত ও ৯ জন আহত হয়েছে। সোমবার (৮ জুন)  ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জুমা সালেম বিন সুওয়াইদান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর গালফ নিউজ

প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রাকটি রাস্তার মাঝখানে হঠাৎ থেমে গিয়েছিল। বাসচালকের অমনোযোগীর কারণে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় পেছন থেকে ট্রাকটিকে ধাক্কা দেয় মিনিবাসটি। দুর্ঘটনায় আহত পাঁচজনের আঘাত গুরুতর বলে জানা গেছে। 

ট্রাফিক বিভাগের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জুমা সালেম বিন সুওয়াইদান জানিয়েছেন, আহত সবাইকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

হরমুজে তেলের ট্যাংকারে আগুন, নিরাপদ আছেন নাবিকরা

অনলাইন ডেস্ক
হরমুজে তেলের ট্যাংকারে আগুন, নিরাপদ আছেন নাবিকরা

ওমান উপকূলের কাছে হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে এমটি মারিভেক্স নামের একটি তেল ট্যাংকারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। তবে জাহাজে থাকা ২৪ জন ভারতীয় নাবিকের সবাই নিরাপদ আছেন। সোমবার (৮ জুন) ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং ওমানের ভারতীয় দূতাবাস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর গলফ নিউজ

পশ্চিম এশিয়ার ঘটনাবলি নিয়ে একটি আন্ত মন্ত্রণালয় ব্রিফিংয়ে ভারতের নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের পরিচালক ওপেশ কুমার শর্মা জানিয়েছেন, প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী জাহাজের সব ভারতীয় নাবিকরা সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। 

হরমুজ প্রণালির দক্ষিণে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারটি স্থানীয় সময় দেড়টার দিকে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজটি খালি অবস্থায় চলছিল এবং সে সময় এতে কোনো পণ্য ছিল না।

বিজেপি জোটে যেতে চান ২০ তৃণমূল সাংসদ, স্পিকারকে চিঠি

অনলাইন ডেস্ক
বিজেপি জোটে যেতে চান ২০ তৃণমূল সাংসদ, স্পিকারকে চিঠি
সংগৃহীত ছবি

তৃণমূল কংগ্রেসে এবার লোকসভা স্তরেও বড় ধরনের ভাঙনের ইঙ্গিত মিলেছে। পরিষদীয় দলের পর সংসদীয় দলেও বিভাজনের চিত্র স্পষ্ট হয়ে উঠেছে বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি। এই পরিস্থিতির মধ্যেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি জমা দিয়েছেন দলের ‘বিদ্রোহী’ সাংসদরা।

সূত্রের খবর, ২৮ জন সাংসদের মধ্যে অন্তত ২০ জনের স্বাক্ষর করা একটি চিঠি স্পিকারের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। চিঠিটি জমা দেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সেখানে দাবি করা হয়েছে, ওই সাংসদেরা আর তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে থাকতে চান না এবং তারা আলাদা অবস্থান নিতে ইচ্ছুক।  ক্ষমতা বদলের এক মাস পার হওয়ার আগেই বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে পরিষদীয় দলের মালিকানা হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে ৫৮ জনই নেত্রীর সঙ্গ ত্যাগ করেছেন। সেই থেকেই গুঞ্জন উঠেছিল, একইভাবে ভাঙতে চলেছে সংসদীয় দলও। 

জানা গেছে, বিদ্রোহী গোষ্ঠী নিজেদের জন্য লোকসভায় পৃথক ব্লক গঠনের আবেদন জানিয়েছে এবং এনডিএ-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে বসার ইচ্ছাও প্রকাশ করেছে। পাশাপাশি কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে মুখ্য সচেতক হিসেবে রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে লোকসভায় তৃণমূলের সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ কার্যত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর হাতে চলে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত। ফলে দলীয় অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে।

এসব জল্পনার মাঝেই রবিবার ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে যোগ দিতে দিল্লিতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবারে বৈঠক হয়েছে। এককালের রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী সোনিয়া গান্ধীকে জড়িয়ে ধরেছেন মমতা। কিন্তু এতেও কোনো লাভ হলো না। মমতা বন্দোপাধ্যায় দিল্লিতে অবস্থানকালেই ভেঙে গেল তৃণমূলের সংসদীয় দল। 

সূত্র অনুযায়ী, রবিবার দিল্লিতে এক গোপন বৈঠকে অন্তত ২০ থেকে ২১ জন তৃণমূল সাংসদ একত্রিত হন। সেখানে দলের একাধিক পরিচিত মুখ উপস্থিত ছিলেন। তালিকায় কাকলি ঘোষ দস্তিদার, শতাব্দী রায়, অসিত মাল, প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়, অরূপ চক্রবর্তী, আবু তাহের খান, সুখেন্দু শেখর রায়, শর্মিলা সরকার, খলিলুর রহমান ও জগদীশ বর্মা বসুনিয়ার মতো নাম উঠে এসেছে।

এই বৈঠকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতির কথাও সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে। এরপরই স্পষ্ট হয় যে, দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদদের মধ্যে বড় ধরনের পুনর্গঠন হতে চলেছে।

পরদিনই সেই গুঞ্জন বাস্তবে রূপ নেয়। ভূপেন্দ্র যাদবের বাসভবনে চলা বৈঠকের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাকলি ঘোষ দস্তিদার লোকসভার স্পিকারের কাছে গিয়ে চিঠি জমা দেন। সেখানে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সাংসদেরা আর তৃণমূলের সঙ্গে যুক্ত থাকতে চান না এবং পৃথক রাজনৈতিক অবস্থান নিতে ইচ্ছুক।

চিঠিতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, তারা সংসদে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি পেতে চান এবং এনডিএর সঙ্গে আসন বিন্যাসের আবেদন করেছেন।

এদিকে সাংগঠনিক কাঠামো অনুযায়ী এই পরিবর্তন স্বীকৃতি পেলে লোকসভায় তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক নেতৃত্ব বদলে যেতে পারে বলে ধারণা। ফলে দলনেতার পদ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে, যেখানে বর্তমানে দায়িত্বে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পরিস্থিতি যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে লোকসভায় তৃণমূলের প্রতীক ও সাংগঠনিক নিয়ন্ত্রণ নিয়েও ভবিষ্যতে বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত।

অন্যদিকে বিদ্রোহী সাংসদ শর্মিলা সরকারের বক্তব্যে অসন্তোষের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়েছে। তিনি বলেন, এটি হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্ত নয়, বরং দীর্ঘদিনের ক্ষোভের ফল। তাঁর দাবি, দলের ভেতরে অব্যবস্থাপনা, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এবং প্রশাসনিক সমস্যা বহুদিন ধরেই চলছিল।

তিনি আরো অভিযোগ করেন, উন্নয়নমূলক কাজ করতে গিয়ে বারবার বাধার মুখে পড়তে হয়েছে এবং এমপি তহবিল ব্যবহারেও সমস্যা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, এনডিএ-কে সমর্থন জানিয়ে আলাদা ব্লক গঠন করাই এখন তাঁদের সিদ্ধান্ত।

সব মিলিয়ে লোকসভা ও রাজ্যসভা- দুই কক্ষেই তৃণমূলের সাংগঠনিক কাঠামোতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। রাজনৈতিক মহলের নজর এখন স্পিকারের সিদ্ধান্ত এবং বিদ্রোহী সাংসদদের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।