• ই-পেপার

প্রযোজক সমিতির নির্বাচন

খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের মনোনয়ন বাতিল

দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী?

বিনোদন ডেস্ক
দুজন দুই ধর্মের অনুসারী, কোন রীতিতে বিয়ে করলেন আমির-গৌরী?
সংগৃহীত ছবি

বলিউড সুপারস্টার আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাটের বিয়ে নিয়ে কয়েক মাস ধরেই ছিল ভক্তদের কৌতূহল। অবশেষে রবিবার (৫ জুলাই) ঘনিষ্ঠ স্বজনদের উপস্থিতিতে জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন এই যুগল। তবে বিয়ের পর সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছে একটি বিষয়—ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়া সত্ত্বেও কোন রীতিতে বিয়ে করলেন তারা?

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় আমির খানের বাসভবনে একেবারে ঘরোয়া আয়োজনে সম্পন্ন হয়েছে বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে নিবন্ধনপত্রে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়ায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দুই পরিবারের সদস্য, ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমিরের তিন সন্তান—জুনায়েদ, ইরা ও আজাদ।

Aamir Khan, Gauri Spratt celebrate romantic first dance after they exchange  wedding vows

আমির খান মুসলিম এবং গৌরী স্প্র্যাট হিন্দু ধর্মাবলম্বী। তাই তারা ধর্মীয় কোনো আচার-অনুষ্ঠানের পরিবর্তে ভারতের স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী রেজিস্ট্রি বিয়ে করেছেন। এই আইনের আওতায় ভিন্ন ধর্মের দুজন ব্যক্তি ধর্ম পরিবর্তন ছাড়াই আইনিভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে পারেন।

বিয়ের আগে ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছিলেন, ‘বিয়েটি খুবই ব্যক্তিগত আয়োজনে হবে। আমার বাড়িতে খুব সাধারণ আয়োজনে রেজিস্ট্রি বিয়ে হবে। বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্যরা এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন।’ শেষ পর্যন্ত ঠিক সেই পরিকল্পনাই বাস্তবায়ন করেছেন তিনি।

Aamir Khan, Gauri Spratt are surrounded by love and family in first wedding  photo - India Today

এদিকে বিয়ের কিছুক্ষণ পরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে অনুষ্ঠানের একটি ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যায়, পাশাপাশি বসে আছেন আমির ও গৌরী। তাদের মাঝখানে বসে রয়েছে গৌরীর আগের সংসারের ছোট ছেলে। ঠিক পেছনের সারিতে বসে আছেন আমিরের ছেলে জুনায়েদ ও মেয়ে ইরা। শপথবাক্য শেষ হতেই করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। এরপর গৌরীর হাতে চুম্বন করেন আমির, যা উপস্থিত অতিথিদের আবেগাপ্লুত করে।

ভিডিওর আরেকটি অংশে নবদম্পতিকে একসঙ্গে নাচতে দেখা যায়। তাদের সঙ্গে আনন্দে যোগ দেন পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুরাও। ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠান নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর থেকেই ভিডিওটি দ্রুত ভাইরাল হয়ে পড়ে।

Aamir Khan Gauri Spratt exchange wedding vows dance their heart out - India  Today

আমির ও গৌরীর পরিচয় প্রায় ২৫ বছরের পুরোনো। তবে দীর্ঘদিন যোগাযোগ না থাকলেও দুই বছরের বেশি আগে আবার তাদের মধ্যে যোগাযোগ শুরু হয়। সেখান থেকেই গড়ে ওঠে প্রেমের সম্পর্ক। চলতি বছরের মার্চে নিজের ৬০তম জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন আমির। পরে গত মাসে বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানান তিনি।

এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তের সঙ্গে তার দুই সন্তান—জুনায়েদ ও ইরা। পরে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারে রয়েছে ছেলে আজাদ। অন্যদিকে, গৌরী স্প্র্যাটেরও আগের সংসারের একটি ছেলে রয়েছে। নতুন এই অধ্যায়ে দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিই ছিল তাদের বিয়ের সবচেয়ে বড় বিশেষত্ব।

বিয়ের আসরে নাচে মেতেছেন আমির-গৌরী, ভাইরাল ভিডিও

বিনোদন ডেস্ক
বিয়ের আসরে নাচে মেতেছেন আমির-গৌরী, ভাইরাল ভিডিও
সংগৃহীত ছবি

ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সারার পর এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলিউড তারকা আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাটের বিয়ের একটি ভিডিও। সেখানে নবদম্পতিকে একসঙ্গে নাচতে, হাসতে এবং অতিথিদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা গেছে।

ভিডিওটির শুরুতে দেখা যায়, পাশাপাশি বসে আছেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। তাদের মাঝখানে বসে রয়েছে গৌরীর আগের সংসারের ছোট ছেলে। ঠিক পেছনের সারিতে বসে আছেন আমিরের ছেলে জুনায়েদ খান ও মেয়ে ইরা খান। বিয়ের শপথবাক্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই করতালি ও উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত অতিথিরা। এরপর গৌরীর ডান হাতে চুম্বন করেন আমির, যা মুহূর্তেই অনুষ্ঠানের অন্যতম আবেগঘন দৃশ্যে পরিণত হয়।

ভিডিওর আরেক অংশে দেখা যায়, আমির ও গৌরী একসঙ্গে নাচছেন। তাদের আনন্দঘন মুহূর্তে যোগ দেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বজন ও বন্ধুরাও। পুরো আয়োজনেই ছিল উচ্ছ্বাস, হাসি আর উদযাপনের আবহ।

Aamir Khan kisses and hugs wife Gauri Spratt as she calls him 'protector  and shelter' in wedding vows - Watch first dance

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠান নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করেন। ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর থেকেই সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। ভক্তরাও শুভকামনায় ভরিয়ে দিচ্ছেন আমির ও গৌরীকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় আমির খানের বাসভবনে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তারা নিবন্ধনপত্রে স্বাক্ষর করেন। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই যুগল।

আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় তাদের বিয়ে হয়েছে ভারতের স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পরিবর্তে নিবন্ধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন জীবন শুরু করেন তারা।

বিয়ের আগে ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছিলেন, ‘বিয়েটি খুবই ব্যক্তিগত আয়োজনে হবে। আমার বাড়িতে খুব সাধারণ আয়োজনে রেজিস্ট্রি বিয়ে হবে। বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্যরা এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন।’ শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা অনুযায়ীই সম্পন্ন হয়েছে সব আয়োজন।

আমির খান ও গৌরীর পরিচয় আজকের নয়। প্রায় ২৫ বছর আগে তাদের প্রথম পরিচয় হলেও দীর্ঘ সময় যোগাযোগ ছিল না। দুই বছরেরও বেশি আগে আবার যোগাযোগ শুরু হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। চলতি বছরের মার্চে নিজের জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন আমির। এরপর গত মাসে বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানান এই অভিনেতা।

এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তের সঙ্গে তার দুই সন্তান—জুনায়েদ ও ইরা। পরে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারে রয়েছে ছেলে আজাদ। দুই দাম্পত্যেরই বিচ্ছেদ হলেও সন্তানদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন আমির। অন্যদিকে, গৌরি স্প্র্যাটেরও আগের সংসারের একটি ছেলে রয়েছে।

শাওনের ফেসবুক আইডি উধাও

বিনোদন প্রতিবেদক
শাওনের ফেসবুক আইডি উধাও
সংগৃহীত ছবি

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্টকে ঘিরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে অভিনেত্রী মেহের আফরোজ শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আর দেখা যাচ্ছে না। 

এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা জল্পনা ছড়িয়ে পড়লেও শাওনের ঘনিষ্ঠজন ও লেখক তামান্না সেতু দাবি করেছেন, বিপুল সংখ্যক রিপোর্টের কারণে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ অ্যাকাউন্টটি সাময়িকভাবে সাসপেন্ড করেছে।

রবিবার (৫ জুলাই) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তামান্না সেতু লেখেন, ‘বন্ধু মেহের আফরোজ শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটিতে প্রচুর রিপোর্টের কারণে ফেসবুক থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর আগে তার যে পোস্টটিকে ঘিরে আলোচনা তৈরি হয়, সেই পোস্টটিও সে নিজে ডিলিট করেনি।’

Shaon

তিনি আরো জানান, বিষয়টি তাকে ব্যক্তিগতভাবে জানিয়েছেন মেহের আফরোজ শাওন।

এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর এবং আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় শাওনসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়।

রাষ্ট্র সংলাপ ফোরামের পক্ষ থেকে করা ওই অভিযোগে বলা হয়, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং আন্দোলন-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর ও আপত্তিকর বক্তব্যের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছে।

তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত মেহের আফরোজ শাওনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একইভাবে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটাও অ্যাকাউন্টটি সাসপেন্ড হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি।

ফলে শাওনের ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি কেন অদৃশ্য হয়েছে, সেটি নিয়ে এখনো নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। তামান্না সেতুর বক্তব্যই এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে আসা একমাত্র দাবি।

প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী তীজন বাঈ আর নেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী তীজন বাঈ আর নেই
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী এবং পাণ্ডবাণী ধারার কিংবদন্তি তীজন বাঈ আর নেই। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভোগার পর রবিবার (৫ জুলাই) রায়পুরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এর আগে গত ২৭ মে শ্বাসকষ্ট ও অতিরিক্ত দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। এরপর থেকে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তীজন বাঈর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাঈ তার অনন্য পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগড়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তুলেছিলেন। তার মৃত্যু শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’ একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইও এই কিংবদন্তি শিল্পীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছত্তীসগড়ের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে তীজন বাঈর অবদান অনন্য। তার প্রয়াণে রাজ্য একজন অসাধারণ সাংস্কৃতিক দূতকে হারিয়েছে।’

রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপও শোক জানিয়ে বলেন, ‘তীজন বাঈ শুধু ছত্তীসগড়ের নয়, পুরো ভারতের গর্ব ছিলেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তিনি দেশের সংস্কৃতিকে সম্মানের আসনে পৌঁছে দিয়েছেন। তার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

পাণ্ডবাণী লোকগানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন তীজন বাঈ। ছত্তীসগড়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে নিজের অসাধারণ কণ্ঠ, অভিনয়শৈলী এবং পরিবেশনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরেন তিনি। তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ—দেশের তিনটি মর্যাদাপূর্ণ বেসামরিক সম্মানে ভূষিত করে।