• ই-পেপার

শাওনের ফেসবুক আইডি উধাও

বিয়ের আসরে নাচে মেতেছেন আমির-গৌরী, ভাইরাল ভিডিও

বিনোদন ডেস্ক
বিয়ের আসরে নাচে মেতেছেন আমির-গৌরী, ভাইরাল ভিডিও
সংগৃহীত ছবি

ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সারার পর এবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে বলিউড তারকা আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাটের বিয়ের একটি ভিডিও। সেখানে নবদম্পতিকে একসঙ্গে নাচতে, হাসতে এবং অতিথিদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করতে দেখা গেছে।

ভিডিওটির শুরুতে দেখা যায়, পাশাপাশি বসে আছেন আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট। তাদের মাঝখানে বসে রয়েছে গৌরীর আগের সংসারের ছোট ছেলে। ঠিক পেছনের সারিতে বসে আছেন আমিরের ছেলে জুনায়েদ খান ও মেয়ে ইরা খান। বিয়ের শপথবাক্য শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই করতালি ও উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়েন উপস্থিত অতিথিরা। এরপর গৌরীর ডান হাতে চুম্বন করেন আমির, যা মুহূর্তেই অনুষ্ঠানের অন্যতম আবেগঘন দৃশ্যে পরিণত হয়।

ভিডিওর আরেক অংশে দেখা যায়, আমির ও গৌরী একসঙ্গে নাচছেন। তাদের আনন্দঘন মুহূর্তে যোগ দেন অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বজন ও বন্ধুরাও। পুরো আয়োজনেই ছিল উচ্ছ্বাস, হাসি আর উদযাপনের আবহ।

Aamir Khan kisses and hugs wife Gauri Spratt as she calls him 'protector  and shelter' in wedding vows - Watch first dance

ভারতের সাবেক ক্রিকেটার ইরফান পাঠান নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি প্রকাশ করেন। ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান। এরপর থেকেই সেটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায়। ভক্তরাও শুভকামনায় ভরিয়ে দিচ্ছেন আমির ও গৌরীকে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় আমির খানের বাসভবনে সম্পন্ন হয় তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে তারা নিবন্ধনপত্রে স্বাক্ষর করেন। দুই পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের উপস্থিতিতে আইনি প্রক্রিয়ায় বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন এই যুগল।

আমির খান ও গৌরী স্প্র্যাট ভিন্ন ধর্মাবলম্বী হওয়ায় তাদের বিয়ে হয়েছে ভারতের স্পেশাল ম্যারেজ অ্যাক্ট অনুযায়ী। ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পরিবর্তে নিবন্ধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন জীবন শুরু করেন তারা।

বিয়ের আগে ভ্যারাইটি ইন্ডিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আমির বলেছিলেন, ‘বিয়েটি খুবই ব্যক্তিগত আয়োজনে হবে। আমার বাড়িতে খুব সাধারণ আয়োজনে রেজিস্ট্রি বিয়ে হবে। বিয়েতে দুই পরিবারের সদস্যরা এবং খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা উপস্থিত থাকবেন।’ শেষ পর্যন্ত পরিকল্পনা অনুযায়ীই সম্পন্ন হয়েছে সব আয়োজন।

আমির খান ও গৌরীর পরিচয় আজকের নয়। প্রায় ২৫ বছর আগে তাদের প্রথম পরিচয় হলেও দীর্ঘ সময় যোগাযোগ ছিল না। দুই বছরেরও বেশি আগে আবার যোগাযোগ শুরু হয়, যা পরে প্রেমের সম্পর্কে রূপ নেয়। চলতি বছরের মার্চে নিজের জন্মদিনে প্রথমবারের মতো গৌরীর সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি প্রকাশ্যে আনেন আমির। এরপর গত মাসে বিয়ের সিদ্ধান্তের কথা জানান এই অভিনেতা।

এটি আমির খানের তৃতীয় বিয়ে। প্রথম স্ত্রী রীনা দত্তের সঙ্গে তার দুই সন্তান—জুনায়েদ ও ইরা। পরে নির্মাতা কিরণ রাওকে বিয়ে করেন তিনি। সেই সংসারে রয়েছে ছেলে আজাদ। দুই দাম্পত্যেরই বিচ্ছেদ হলেও সন্তানদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছেন আমির। অন্যদিকে, গৌরি স্প্র্যাটেরও আগের সংসারের একটি ছেলে রয়েছে।

প্রযোজক সমিতির নির্বাচন

খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের মনোনয়ন বাতিল

বিনোদন প্রতিবেদক
খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের মনোনয়ন বাতিল
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ সাত বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নির্বাচনের আগেই বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে প্রার্থী তালিকায়। সহসভাপতি পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী সামসুল আলমের মনোনয়ন বাতিল করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৫ জুলাই) বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে অংশ নেওয়া ৪০ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। প্রকাশিত তালিকায় খোরশেদ আলম খসরু ও সামসুল আলমের নাম না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত হয়।

একইসঙ্গে মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ও সিনিয়র সহকারী সচিবের স্বাক্ষরিত পৃথক একটি বাতিল প্রার্থীর তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে এই দুই প্রার্থীর নাম উল্লেখ করে মনোনয়ন বাতিলের কারণ জানানো হয়েছে।

বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা, ২০২৫-এর ১৮(৪) ধারা অনুযায়ী, পরপর দুই মেয়াদ নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদে দায়িত্ব পালনকারী কোনো ব্যক্তি অন্তত এক মেয়াদ বিরতি না দিয়ে পুনরায় নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। ওই বিধানের আলোকে খোরশেদ আলম খসরু ও সামসুল আলমের মনোনয়ন প্রাথমিকভাবে বাতিল করা হয়েছে।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, ‘ফেডারেশনসহ সব বাণিজ্য সংগঠনের নির্বাহী কমিটি বা পরিচালনা পর্ষদে কোনো ব্যক্তি পরপর ২ (দুই) মেয়াদ শেষে অন্যূন একটি নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করিয়া পরবর্তীতে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করিতে পারিবেন।’

আগামী ৮ আগস্ট বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি) প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির বহুল প্রতীক্ষিত নির্বাচন। 

দীর্ঘদিন পর নির্বাচনকে ঘিরে চলচ্চিত্রাঙ্গনে নতুন উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে। প্রযোজক, পরিচালক, শিল্পী ও প্রদর্শকদের মধ্যে সংগঠনটির কার্যক্রম পুনরায় গতিশীল হওয়ার প্রত্যাশাও দেখা দিয়েছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর আইনি জটিলতা এবং ভোটার তালিকা সংক্রান্ত বিরোধের কারণে টানা সাত বছর নতুন নির্বাচন আয়োজন সম্ভব হয়নি।
 

প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী তীজন বাঈ আর নেই

বিনোদন ডেস্ক
প্রখ্যাত লোকসংগীতশিল্পী তীজন বাঈ আর নেই
সংগৃহীত ছবি

ভারতের প্রখ্যাত লোকসংগীত শিল্পী এবং পাণ্ডবাণী ধারার কিংবদন্তি তীজন বাঈ আর নেই। দীর্ঘদিন বার্ধক্যজনিত নানা শারীরিক জটিলতায় ভোগার পর রবিবার (৫ জুলাই) রায়পুরের অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অব মেডিকেল সায়েন্সেস (এইমস) হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, রোববার সকাল থেকে তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হতে থাকে। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ চেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এর আগে গত ২৭ মে শ্বাসকষ্ট ও অতিরিক্ত দুর্বলতা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাকে। এরপর থেকে তিনি নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

তীজন বাঈর মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাঈ তার অনন্য পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগড়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে বিশ্বজুড়ে পরিচিত করে তুলেছিলেন। তার মৃত্যু শিল্প ও সংস্কৃতির জগতের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’ একই সঙ্গে তিনি শোকসন্তপ্ত পরিবার ও অসংখ্য গুণগ্রাহীর প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

ছত্তীসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাইও এই কিংবদন্তি শিল্পীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ছত্তীসগড়ের সংস্কৃতিকে তুলে ধরতে তীজন বাঈর অবদান অনন্য। তার প্রয়াণে রাজ্য একজন অসাধারণ সাংস্কৃতিক দূতকে হারিয়েছে।’

রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপও শোক জানিয়ে বলেন, ‘তীজন বাঈ শুধু ছত্তীসগড়ের নয়, পুরো ভারতের গর্ব ছিলেন। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তিনি দেশের সংস্কৃতিকে সম্মানের আসনে পৌঁছে দিয়েছেন। তার মৃত্যু দেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।’

পাণ্ডবাণী লোকগানের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন তীজন বাঈ। ছত্তীসগড়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে নিজের অসাধারণ কণ্ঠ, অভিনয়শৈলী এবং পরিবেশনার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরেন তিনি। তার অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ভারত সরকার তাকে পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ ও পদ্মবিভূষণ—দেশের তিনটি মর্যাদাপূর্ণ বেসামরিক সম্মানে ভূষিত করে।

চঞ্চল-মেহজাবীন থেকে ঋতুপর্ণা-যীশু, এক মঞ্চে দুই বাংলার তারকারা

বিনোদন প্রতিবেদক
চঞ্চল-মেহজাবীন থেকে ঋতুপর্ণা-যীশু, এক মঞ্চে দুই বাংলার তারকারা
সংগৃহীত ছবি

বাংলা ভাষা, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে শুরু হয়েছে উত্তর আমেরিকার অন্যতম বৃহৎ বাঙালি আয়োজন নর্থ আমেরিকা বেঙ্গলি কনফারেনসের  (এনএবিসি) ৪৬তম আসর। তিন দিনব্যাপী এই সম্মেলনে বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের তারকা শিল্পী, নির্মাতা, লেখক এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতিতে তৈরি হয়েছে দুই বাংলার এক প্রাণবন্ত মিলনমেলা।

এবারের আয়োজনে বাংলাদেশ থেকে অংশ নিয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী, অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী, সাবিলা নূর, চিত্রনায়ক ইমন, লেখক সাদাত হোসেনসহ আরও অনেকে।

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে উপস্থিত হয়েছেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, অভিনেতা যীশু সেনগুপ্ত, সৌরভ দাস, দর্শনা বণিক, পায়েল সরকারসহ চলচ্চিত্র ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বহু পরিচিত মুখ।

May be an image of one or more people, people smiling and crowd

প্রতিবছরের মতো এবারও উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে হাজারো বাংলা ভাষাভাষী মানুষ এই সম্মেলনে অংশ নিয়েছেন। সাহিত্য, সংগীত, নাটক, চলচ্চিত্র, আলোচনা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় মুখর হয়ে উঠেছে পুরো আয়োজন। প্রবাসী বাঙালিদের কাছে এটি শুধু একটি সাংস্কৃতিক উৎসব নয়, বরং মাতৃভাষা ও শিকড়ের সঙ্গে নতুন করে সংযুক্ত হওয়ার এক আবেগঘন উপলক্ষ।

এবারের সম্মেলনের অন্যতম আকর্ষণ বাংলা চলচ্চিত্র প্রদর্শনী। বাংলাদেশ থেকে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘বনলতা এক্সপ্রেস’, ‘সাবা’ ও ‘দম’। অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গ থেকে প্রদর্শিত হচ্ছে ‘পুতুল নাচের ইতিকথা’, ‘ডিপ ফ্রিজ’ এবং ‘দেবী চৌধুরানী’।

চলচ্চিত্র প্রদর্শনীর পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এ ছাড়া সাহিত্যিক, শিল্পী, নির্মাতা ও সংস্কৃতিপ্রেমীদের অংশগ্রহণে নানা আলোচনা, মতবিনিময় এবং সাংস্কৃতিক আয়োজনও সম্মেলনকে প্রাণবন্ত করে তুলেছে।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া চিত্রনায়ক ইমন বলেন, ‘নর্থ আমেরিকার বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে প্রচুর মানুষ রেজিস্ট্রেশন করে এখানে এসেছেন। এটি বাংলা ভাষাভাষীদের সবচেয়ে বড় মিলনমেলাগুলোর একটি। চারদিকে উৎসবমুখর পরিবেশ, সবাই একসঙ্গে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতিকে উদযাপন করছেন।’