• ই-পেপার

যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূকে পুড়িয়ে হত্যা, অভিযুক্ত স্বামী পলাতক

দগ্ধ রাকিবের চিকিৎসায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের সহায়তা

নিজস্ব প্রতিবেদক
দগ্ধ রাকিবের চিকিৎসায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের সহায়তা
ছবি: কালের কণ্ঠ

হোটেল শ্রমিক আব্দুর রহিমের ছেলে রাকিব হোসেনের বয়স ২৫ বছর। রাকিব গাছ কাটার কাজ করেন। বাবা-ছেলের উপার্জনেই চলে সংসার। সম্প্রতি রাকিব গাছ কাটতে গিয়ে জড়িয়ে পড়েন বিদ্যুতের তারে, পুড়ে যায় শরীরের একাংশ। স্থানীয় হাসপাতাল থেকে বরিশাল, সেখান থেকে রেফার হয়ে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ঠাঁই হয় ছেলের। কিন্তু চিকিৎসার খরচ জোগানোর সামর্থ্য ছিল না হোটেলে কাজ করা এই বাবার। তার চোখে তখন ঘোরতর অন্ধকার। উপায়ান্তর না দেখে আব্দুর রহিম আশ্রয় নেন ফেসবুকের। ছেলের অসুস্থতার কথা জানিয়ে একটি পোস্ট করেন তিনি। সেই পোস্টই বদলে দেয় পরিস্থিতি।

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সোনাখালী গ্রামের এই পরিবারের পোস্টটি নজরে আসে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের। ফেসবুকে রাকিবের ছবি ও খবর দেখে তিনি নির্দেশ দেন দ্রুত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার। 

রবিবার (৫ জুলাই) ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর মো. আমীর হোসেন মিয়া হাসপাতালে গিয়ে আব্দুর রহিমের হাতে তুলে দেন আর্থিক সহায়তা। 

কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রাকিবের বাবা বলেন, ‘আমার ছেলে গাছ কাটতে গিয়ে বিদ্যুতের তারে স্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর আহত হয়। তার শরীরের একাংশ পুড়ে গেছে। পরিবারের পক্ষে চিকিৎসার খরচ বহন করা সম্ভব ছিল না। তাই আমি ফেসবুকে একটি পোস্ট করি। পরে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। আজ তারা আমার ছেলের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছেন। আমি তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞ। আল্লাহ তাদের ভালো করুন।’

তবে স্বস্তি এখনো দূরের পথ। হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে থাকা রাকিবের শরীর এখন প্রায় পুরোটাই ব্যান্ডেজে মোড়া। তার বর্তমান অবস্থা জানাতে গিয়ে ভাই বলেন, ‘হাতে একটা অপারেশন হইছে। সবকিছু ব্যান্ডেজ করা। কিছু বোঝা যাচ্ছে না।’

ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর মো. আমীর হোসেন মিয়া বলেন, ‘আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান স্যারের নির্দেশনায় অসুস্থ রাকিব হোসেনের চিকিৎসা ও ওষুধপত্রের জন্য তার বাবার হাতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। চেয়ারম্যান স্যার ফেসবুকে রাকিবের অসুস্থতার ছবি ও সংবাদ দেখে দ্রুত প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তার ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। এ ধরনের মানবিক কাজে অংশ নিতে পেরে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন নিজেদের সার্থক মনে করে। চেয়ারম্যানের নির্দেশনায় ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

‘ভইরা-দে’ কিশোর গ্যাং‌ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
‘ভইরা-দে’ কিশোর গ্যাং‌ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য গ্রেপ্তার

রাজধানীর মিরপুরের আলোচিত কিশোর গ্যাং ‘ভইরা-দে’ গ্রুপের অন্যতম সক্রিয় সদস্য মো. পারভেজকে (২৮) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। আজ রবিবার বিষয়টি নিশ্চিত করেন র‌্যাব-৪ এর মিডিয়া অফিসার নুরাঙ্গীর নাহিদ।

তাকে আজ ভোরে মিরপুর-১২ এর ৫ নং অ্যাভিনিউ এলাকায় অভিযান চালিয়ে পারভেজকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-৪ এর একটি দল।

নুরাঙ্গীর নাহিদ জানান, পল্লবী থানার এক মামলায় কিশোর গ্যাং ‘ভইরা-দে’ গ্রুপের সক্রিয় সদস্য পারভেজের বিরুদ্ধে আদালত গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে পল্লবী এবং মিরপুর থানায় ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি সংক্রান্ত দুটি মামলা রয়েছে।

গ্রেপ্তার পারভেজের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।

‘ফুলবাড়িয়া নগরপ্লাজা দখল করে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছে জামায়াত’

অনলাইন ডেস্ক
‘ফুলবাড়িয়া নগরপ্লাজা দখল করে দলীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছে জামায়াত’

রাজধানীর গুলিস্তানে অবস্থিত ফুলবাড়িয়া নগরপ্লাজা দখল করে জামায়াতে ইসলামীর কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে। ঢাকা রেডিমেড গার্মেন্টস ব্যবসায়ী সমিতির পরিচালক রবিউল ইসলাম রুবেল এই অভিযোগ তুলেছেন।

রবিবার (৫ জুলাই) গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে রবিউল ইসলাম রুবেল বলেন, ‘এই ফুলবাড়িয়া নগরপ্লাজা মার্কেট দীর্ঘদিন থেকে জামায়াত অবৈধভাবে দখলদারিত্ব করে তাদের দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়ী প্রতিনিধি হিসেবে যারা ওখানে যাতায়াত করতাম, এগুলোর প্রতিবাদ করতাম। তারা মবের ভয় দেখিয়ে আমাদের চুপ করিয়ে রাখত। সাধারণ ব্যবসায়ীদেরও ভয় দেখিয়ে চুপ করিয়ে রাখত।’

এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, ‘এর পরিপ্রেক্ষিতে সমবায়ের লোকজন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর লোক নিয়ে এসে মার্কেট তাদের নিয়ন্ত্রণে নেয়। জামায়াত এটা থেকে বিতাড়িত হওয়ার পরে সংঘবদ্ধ হয়ে আবার পাল্টা মার্কেট দখল করতে আসছে। তারা বিএনপির লোকজনের ওপর আক্রমণ করেছে এবং সাধারণ ব্যবসায়ীদের ওপর আক্রমণ করেছে।’

ঢাকায় এয়ার অ্যাস্ট্রার জরুরি অবতরণ, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৭৪ আরোহী

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকায় এয়ার অ্যাস্ট্রার জরুরি অবতরণ, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৭৪ আরোহী
সংগৃহীত ছবি

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে আকাশে থাকা অবস্থায় একটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়ায় ঢাকায় জরুরি অবতরণ করেছে এয়ার অ্যাস্ট্রার এটিআর ৭২-৬০০ মডেলের একটি উড়োজাহাজ। রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় বিমানে থাকা ৭০ জন যাত্রী ও ৪ জন ক্রুসহ মোট ৭৪ জনই অক্ষত রয়েছেন।

জানা গেছে, ঢাকা থেকে যাত্রী নিয়ে উড়োজাহাজটি চট্টগ্রামের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল। উড্ডয়নের কিছু সময় পরই পাইলট ইঞ্জিনে ত্রুটি শনাক্ত করেন। পরিস্থিতি বিবেচনায় ঝুঁকি না নিয়ে তিনি তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নিরাপদে জরুরি অবতরণ সম্পন্ন করেন।

জরুরি অবতরণের পরপরই সব যাত্রীকে নিরাপদে টার্মিনালে সরিয়ে নেওয়া হয়। বিমানে থাকা সব যাত্রী ও ক্রু সদস্যরা সম্পূর্ণ সুস্থ এবং শঙ্কামুক্ত রয়েছেন।

এদিকে, গন্তব্যে পৌঁছাতে বিলম্ব হওয়ায় ঢাকা থেকে চট্টগ্রামগামী ওই যাত্রীদের জন্য তাৎক্ষণিকভাবে বিকল্প একটি উড়োজাহাজের ব্যবস্থা করে কর্তৃপক্ষ। কি কারণে ইঞ্জিনে ত্রুটি দেখা দিয়েছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।