• ই-পেপার

মাধবদীতে পূর্বাচল প্রবাসী পল্লী আবাসন প্রকল্পের শতাধিক গাছ কর্তনের অভিযোগ

বারহাট্টায় ইউপিসদস্যের বসতঘরে মিলল গাঁজা, গ্রেপ্তার ২

বারহাট্টা (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি
বারহাট্টায় ইউপিসদস্যের বসতঘরে মিলল গাঁজা, গ্রেপ্তার ২
সংগৃহীত ছবি

নেত্রকোনার বারহাট্টায় অভিযান চালিয়ে চিরাম ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) এক সদস্যের বসতঘর থেকে দুই কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) সদস্যরা। এই ঘটনায় ইউপি সদস্যসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বারহাট্টা থানার ওসি চম্পক দাম বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরের দিকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার দুজন হলেন- এলাকার নৈহাটী গ্রামের নবীনেওয়াজ তালুকদারের ছেলে ইউপিসদস্য ছন্দু মিয়া (৩৮) ও তার সহযোগী একই গ্রামের ওয়াজেদ আলীর ছেলে জুয়েল মিয়াকে (৪২) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

ডিএনসি ও থানাসূত্র জানায়, চিরাম ইউনিয়নের ইউপি সদস্য ছন্দু মিয়া দীর্ঘদিন ধরে মাদকের কারবার পরিচালনা করছেন- এমন গোপন খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার তার বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় তার ও জুয়েল মিয়ার টিনশেডের ঘর তল্লাশী করে প্লাস্টিকের পৃথক দুটি ব্যাগে মোড়ানো দুই কেজি গাঁজা পাওয়া যায়। পরে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে দায় স্বীকার করলে ছন্দু মিয়া ও জুয়েল মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। উদ্ধার গাঁজার মূল্য ৬০ হাজার টাকা হতে পারে।

ডিএনসি নেত্রকোণা জেলা কার্যালয়ের এসআই মো. নাজমুল হক বলেন, ‘গ্রেপ্তারদের বারহাট্টা থানায় হস্তান্তর ও তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রক্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

দিনাজপুর

বিল দিতে না পারায় প্রসূতিকে আটকে রাখার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুক্তি

পার্বতীপুর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
বিল দিতে না পারায় প্রসূতিকে আটকে রাখার অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মুক্তি
ছবি: কালের কণ্ঠ

দিনাজপুরের পার্বতীপুরে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় সদ্য সন্তান হারানো এক প্রসূতিকে হাসপাতালে আটকে রাখার অভিযোগ উঠেছে। পরে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ওই নারী হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরেছেন।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় উপজেলার ল্যাম্ব হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী নারী উপজেলার বেলাইচণ্ডী ইউনিয়নের সোনাপুকুর মাঝাপাড়া গ্রামের এক ভ্যানচালকের স্ত্রী।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ছয় দিন বয়সী অসুস্থ নবজাতককে নিয়ে গত বুধবার হাসপাতালে ভর্তি হন ওই মা। হাসপাতালের নারী ও শিশু ওয়ার্ডে কয়েক দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর মঙ্গলবার সকালে শিশুটি মারা যায়।

স্বজনদের অভিযোগ, চিকিৎসা বিল পরিশোধে অক্ষম হওয়ায় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ প্রসূতি মাকে একটি কক্ষে আটকে রাখে। তবে নবজাতকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ফলে মায়ের অনুপস্থিতিতেই শিশুটির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করতে হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে স্থানীয় সাংবাদিকরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাদ্দাম হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। একই সময়ে কয়েকজন সাংবাদিক হাসপাতালে যাওয়ার প্রস্তুতি নিলে ইউএনও তাদের সেখানে না যাওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, তিনি বিষয়টি দ্রুত দেখছেন।

পরে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে ১ ঘণ্টার মধ্যে প্রসূতি মাকে ছাড়পত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করেন ইউএনও। একই সঙ্গে উপজেলা পরিষদের তহবিল থেকে চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধে সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ওই নারীকে বাড়ি যাওয়ার অনুমতি দেয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন বলেন, দরিদ্র রোগীদের জন্য বিনা খরচে অথবা বিশেষ ছাড়ে চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে সদ্য সন্তানহারানো এক মাকে চিকিৎসা বিলের কারণে আটকে রাখা মানবিকতার পরিপন্থী। বিষয়টি জানার পর দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে ল্যাম্ব হাসপাতালের জনসংযোগ কর্মকর্তা সাইমন বলেন, রোগীকে আটকে রাখার বিষয়টি সঠিক নয়। চিকিৎসা ব্যয়ের অর্থ পরিশোধের বিষয়ে আলোচনা চলছিল। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পক্ষ থেকে বিল পরিশোধে সহায়তার আশ্বাস পাওয়ার পর রোগীকে ছাড়পত্র দিয়ে বাড়ি পাঠানো হয়েছে।

তবে রোগীর স্বজনরা দাবি করেছেন, চিকিৎসা বিল পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত প্রসূতি মাকে হাসপাতাল ছাড়তে দেওয়া হয়নি।

ঘটনার পর স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা সাংবাদিকদের তাৎক্ষণিক তৎপরতা এবং উপজেলা প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপের প্রশংসা করেছেন। তাদের মতে, অসহায় মানুষের পাশে প্রশাসনের এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

সাজেকে আটকা পড়েছেন ৬০০ পর্যটক

অনলাইন ডেস্ক
সাজেকে আটকা পড়েছেন ৬০০ পর্যটক

প্রবল বর্ষণে সড়কে পানি ওঠায় রাঙামাটির পর্যটন স্পট সাজেকে ৬০০ পর্যটক আটকা পড়েছেন। বুধবার (৮ জুলাই) সাজেক কটেজ মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক রাহুল চাকমা জন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রাহুল চাকমা বলেন, ‘সাজেকের মাচালং সড়কে পানি ওঠায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। যদি বিকেলের মধ্যে সড়ক থেকে পানি সরে যায় তবে আটকাপড়া পর্যটকদের খাগড়াছড়ি সদরে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আপাতত আটকাপড়া পর্যটকদের কাছ থেকে রুমভাড়া নেওয়া হচ্ছে না। এর আগে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেকের সব পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়।’

একই সঙ্গে পর্যটকদের নিরাপত্তার স্বার্থে সাজেক ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে রাঙামাটি জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) সন্ধ্যায় রাঙামাটির জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস এবং রাঙামাটি জেলায় চলমান টানা ভারি বর্ষণের ফলে বিভিন্ন এলাকায় ভূমিধস ও পাহাড়ধসের ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কয়েকটি স্থানে সড়ক যোগাযোগও বিঘ্নিত হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে পর্যটক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত সাজেক ভ্যালি পর্যটনকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।

ফুলবাড়ীতে বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু, বাবা আহত

ফুলবাড়ী (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
ফুলবাড়ীতে বজ্রপাতে ছেলের মৃত্যু, বাবা আহত

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে গোপাল হোসেন নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় উপজেলার কাজিহাল ইউনিয়নের ভাটপাইল (নয়াপাড়া), নন্দি গ্রামের মাঠে ঘটনাটি ঘটে।

ফুলবাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার আহমদ হাছান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। নিহত গোপাল হোসেন মোখলেছার রহমানের বড় ছেলে।

জানা গেছে, বাবা-ছেলে মাঠে দ্বিরোপন দুগুজি (আঞ্চলিক) করা অবস্থায় ছেলে গোলাপ হোসেন বজ্রপাতে মারা যান। বাবা মোখলেছার রহমান গুরুতর আহত হওয়ায় দিনাজপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।