• ই-পেপার

‘মিমি’র শুটিং চলাকালেই ডিম্বাণু সংরক্ষণ করেছিলেন কৃতি

পঞ্চমবার বিয়ের পিঁড়িতে, বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই মা হলেন অভিনেত্রী!

বিনোদন ডেস্ক
পঞ্চমবার বিয়ের পিঁড়িতে, বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই মা হলেন অভিনেত্রী!
সংগৃহীত ছবি

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বারবার আলোচনায় এসেছেন পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী ও উদ্যোক্তা সুস্মিতা রায়। একাধিক বিয়ে, বিচ্ছেদ ও নানা বিতর্কের মধ্য দিয়ে যাওয়া এই অভিনেত্রী এবার জীবনের সবচেয়ে আনন্দের সংবাদটি ভাগ করে নিয়েছেন। পঞ্চমবার বিয়ের সাড়ে তিন মাসের মাথায় মা হয়েছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ী শুভাশিস দের সঙ্গে সংসার শুরু করার কিছুদিনের মধ্যেই সন্তানের জন্ম দিয়েছেন সুস্মিতা। 

সুখবরটি নিজেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা, প্রথম সন্তানকে হারানোর বেদনা এবং মাতৃত্বের সংগ্রামের কথাও তুলে ধরেছেন আবেগঘন এক পোস্টে।

২০১৯ সালের ১৯ মার্চ প্রথম সন্তান হারানোর স্মৃতি এখনো তাকে তাড়িয়ে বেড়ায় বলে জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী।

সেই বেদনার কথা স্মরণ করে তিনি লিখেছেন, ‘২০১৯ সালের ১৯ মার্চ যে স্বপ্নটা থেমে গিয়েছিল, আজ যেন তারই নতুন করে শুরু। দীর্ঘ সাত বছরের অপেক্ষা, লড়াই, অগণিত কষ্ট আর না-পাওয়ার যন্ত্রণার পর আজ আমি মাতৃত্বের স্বাদ পেলাম। এটা কোনো শারীরিক অক্ষমতার লড়াই ছিল না, ছিল সময়, পরিস্থিতি আর অনেক অদৃশ্য বাধার বিরুদ্ধে এক নিরন্তর সংগ্রাম।’

প্রথমবারের তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে এবার পুরো গর্ভাবস্থার বিষয়টি সবার আড়ালে রেখেছিলেন বলে জানান সুস্মিতা। সন্তানের নিরাপদ জন্মের পরই সুখবরটি সবার সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি।

পোস্টে স্বামী শুভাশিস দের প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এই অভিনেত্রী। কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য তাকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে সুস্মিতা লেখেন, ‘যখন আমি ভেবেছিলাম হয়তো এই জীবনে আর কোনোদিন ‘মা’ ডাক শোনার সৌভাগ্য আমার হবে না, তখন ও আমার স্বপ্নটাকে নিজের স্বপ্ন করে আগলে রেখেছে, ভরসা দিয়েছে, লড়াই করার শক্তি দিয়েছে। আজ আমার মাতৃত্বের পূর্ণতার গল্পে ওর ভালোবাসা, বিশ্বাস আর অবিচল সঙ্গ সবচেয়ে বড় আশ্রয় হয়ে থাকবে চিরকাল।’

বলা দরকার, গেল ৬ মার্চ শুভাশিস দের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েন সুস্মিতা। বিয়ের সময় সাড়ে ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন অভিনেত্রী। সেদিক থেকে বিয়ের সাড়ে তিন মাস পরই দিলেন সুখবর।

টালিউড অভিনেতা সায়কের প্রাক্তন বৌদি হিসেবে পরিচিত সুস্মিতা রায় ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বহুবার সমালোচনা ও ট্রলের মুখে পড়েছেন। বিশেষ করে শুভাশিস দের সঙ্গে তার পঞ্চম বিয়ের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। 

তবে সব বিতর্ক পেছনে ফেলে মাতৃত্বের নতুন অধ্যায় শুরু করায় ভক্ত-অনুরাগীদের শুভেচ্ছায় ভাসছেন এই অভিনেত্রী।

মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ, আপিল বোর্ডে দুই প্রযোজক

বিনোদন প্রতিবেদক
মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্তে চ্যালেঞ্জ, আপিল বোর্ডে দুই প্রযোজক
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ সাত বছর পর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে নতুন করে জটিলতা দেখা দিয়েছে। বৈধ প্রার্থীর তালিকা থেকে সভাপতি পদপ্রার্থী খোরশেদ আলম খসরু এবং সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী শামসুল আলমের নাম বাদ পড়ার পর এবার নির্বাচন আপিল বোর্ডের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) মনোনয়ন বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আবেদন জানিয়ে আপিল করেন এই দুই প্রার্থী। 

তাদের দাবি, যে বিধান দেখিয়ে তাদের মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে, সেটি তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। কারণ সংশ্লিষ্ট বিধানটি পরবর্তী সময়ে কার্যকর হয়েছে। এ কারণে বিষয়টি আদালতেও চ্যালেঞ্জ করেছেন তারা।

আপিল আবেদনে খোরশেদ আলম খসরু বলেন, ‘বিগত ২০২২ সালের ১ মার্চ বাংলাদেশ চলচিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির কার্যনির্বাহী পরিষদ নির্বাচন ২০২২-২০২৪ এর নির্বাচন তফসিল ঘোষণা করা হয়। তফসিলে ঘোষিত ১৮ এপ্রিল, ২০২২ তারিখের মধ্যেই আমি সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করি। নির্বাচনী তফসিলের সব শর্ত প্রতিপালন পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হলেও বিগত ২০ এপ্রিল ২০২২ নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান ও সদস্যগণ স্বাক্ষরিত পত্রে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক পরিবেশক সমিতির সংঘবিধির ৫(৫) বিধির বিধান উল্লেখ পূর্বক আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। যা অযৌক্তিক।’

এর আগে গত ৫ জুলাই বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচনের জন্য ৪০ জন বৈধ প্রার্থীর তালিকা প্রকাশ করে। সেই তালিকায় খোরশেদ আলম খসরু ও শামসুল আলমের নাম না থাকায় তাদের মনোনয়ন বাতিলের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হয়।

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র প্রযোজক-পরিবেশক সমিতির সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০১৯ সালের ২৭ জুলাই। এরপর আইনি জটিলতা, ভোটার তালিকা নিয়ে বিরোধ এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক কারণে দীর্ঘ সাত বছর নতুন নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। 

এবার সেই অচলাবস্থা কাটিয়ে নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নেওয়া হলেও মনোনয়ন বাতিলকে কেন্দ্র করে আবারও নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

কঙ্গনার সিনেমার বিরুদ্ধে ২৫০ কোটির মামলা

বিনোদন ডেস্ক
কঙ্গনার সিনেমার বিরুদ্ধে ২৫০ কোটির মামলা
সংগৃহীত ছবি

আইনি জটিলতায় পড়েছে কঙ্গনা রানাউত অভিনীত বহুল আলোচিত সিনেমা ‘কুইন ২’। শুটিং শেষ হওয়ার পরই ছবিটির বিরুদ্ধে ২৫০ কোটি রুপির মামলা করেছে ‘কুইন’-এর মূল প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফ্যান্টম স্টুডিওস।

ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ‘কুইন’-এর মেধাস্বত্ব (আইপি) লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে জিওস্টারের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে ফ্যান্টম স্টুডিওস। 

সংস্থাটির দাবি, তাদের অনুমতি ছাড়াই ‘কুইন’-এর সিক্যুয়াল নির্মাণ করা হয়েছে, যা কপিরাইট ও মালিকানার শর্তের পরিপন্থী।

ফ্যান্টম স্টুডিওসের ঘনিষ্ঠ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আদালতের শরণাপন্ন হওয়ার আগে জিওস্টার এবং পরিচালক বিকাশ বহেলের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করে আপত্তির বিষয়টি জানানো হয়েছিল। এমনকি আইনি নোটিশও পাঠানো হয়। কিন্তু তাতে কোনো ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় শেষ পর্যন্ত মামলা দায়েরের সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি।

চলতি বছরের শুরুতে ‘কুইন ২’-এর শুটিং শুরু হয়। সম্প্রতি সিনেমাটির দৃশ্যধারণ শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজ চলছে। ফ্যান্টমের দাবি, এসব অগ্রগতির বিষয়েও তারা অবগত ছিল। তাই অনুমতি ছাড়া কাজ এগোনোর অভিযোগেই দ্রুত আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কুইন’ সমালোচক ও দর্শক—উভয়ের কাছেই ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিল। সিনেমাটিতে অভিনয়ের জন্য কঙ্গনা রানাউত জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে সেরা অভিনেত্রীর সম্মান অর্জন করেন। ছবিটি মোট দুটি জাতীয় পুরস্কার জিতেছিল। সিনেমাটির প্রযোজনায় ছিল ভায়াকম১৮ মোশন পিকচার্স ও ফ্যান্টম ফিল্মস।

২০১৮ সালে ফ্যান্টম ফিল্মসের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। পরে ২০২১ সালে ফ্যান্টম স্টুডিওস নামে নতুনভাবে যাত্রা শুরু করে প্রতিষ্ঠানটি। তাদের দাবি, ‘কুইন’-এর মেধাস্বত্বের ৫০ শতাংশ মালিকানা এখনো তাদের কাছেই রয়েছে। ফলে সিক্যুয়াল নির্মাণের আগে তাদের অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক ছিল।

জানা গেছে, বিষয়টি আদালতে যাওয়ার আগে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতার একাধিক চেষ্টা হয়েছিল। তবে আলোচনায় সমাধান না আসায় শেষ পর্যন্ত আইনি লড়াইয়ের পথই বেছে নিয়েছে ফ্যান্টম স্টুডিওস।

অ্যাঞ্জেলিনার পর নতুন প্রেমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্র্যাড পিট

বিনোদন ডেস্ক
অ্যাঞ্জেলিনার পর নতুন প্রেমিকা নিয়ে প্রকাশ্যে ব্র্যাড পিট
সংগৃহীত ছবি

হলিউড অভিনেতা ব্র্যাড পিটের ব্যক্তিগত জীবন আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দীর্ঘদিন ধরেই গয়না ডিজাইনার ইনেস ডি র‍্যামনের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন চলছিল। এবার একটি তারকাবহুল অনুষ্ঠানে একসঙ্গে উপস্থিত হয়ে সেই আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছেন তারা।

সম্প্রতি সংগীত তারকা টেইলর সুইফট ও এনএফএল তারকা ট্রাভিস কেলসির বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্র্যাড পিট ও ইনেস ডি র‍্যামনকে একসঙ্গে দেখা যায়। অনুষ্ঠানের বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে চর্চা শুরু হয়। ছবিগুলোতে দুজনকে বেশ স্বচ্ছন্দ ও ঘনিষ্ঠ মুহূর্তে দেখা গেছে।

ব্র্যাড পিট ও ইনেস ডি র‍্যামনের সম্পর্ক নিয়ে প্রথম গুঞ্জন ওঠে ২০২২ সালে। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে একসঙ্গে দেখা গেলেও তারা কখনোই নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেননি। ফলে সাম্প্রতিক এই উপস্থিতিকে অনেকেই তাদের সম্পর্কের সবচেয়ে প্রকাশ্য মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।

এর আগে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে ব্র্যাড পিটের সম্পর্ক ছিল হলিউডের সবচেয়ে আলোচিত প্রেমের গল্পগুলোর একটি। ২০০৫ সালে প্রেমের সূচনা হওয়ার পর ২০১৪ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। তবে দুই বছর পর, ২০১৬ সালে বিচ্ছেদের আবেদন করেন জোলি। দীর্ঘ আইনি লড়াই শেষে ২০২৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ সম্পন্ন হয়।

ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির ছয় সন্তান রয়েছে। বিচ্ছেদের পর সন্তানদের অভিভাবকত্ব, সম্পত্তি এবং আইনি বিরোধ নিয়ে বছরের পর বছর আলোচনায় ছিল এই সাবেক তারকা দম্পতি।

অন্যদিকে, ইনেস ডি র‍্যামন এর আগে অভিনেতা পল ওয়েসলির স্ত্রী ছিলেন। ২০১৯ সালে তাদের বিয়ে হলেও ২০২২ সালে সেই সম্পর্কের ইতি ঘটে।

প্রায় চার বছর ধরে সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা গেলেও এবার একসঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যাওয়ায় ভক্তদের অনেকেই মনে করছেন, ব্যক্তিগত জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করেছেন ব্র্যাড পিট।