• ই-পেপার

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হচ্ছেন আইরিন খান

বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য ‘ফ্রি শাটল বাস’ চালু করল বেবিচক

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিমানবন্দরে যাত্রীদের জন্য ‘ফ্রি শাটল বাস’ চালু করল বেবিচক
সংগৃহীত ছবি

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আগত ও প্রস্থানকারী যাত্রীদের নিরাপদ, সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় যাতায়াত নিশ্চিত করতে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে শাটল বাস সার্ভিস চালু করা হয়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অর্থায়নে পরিচালিত এই সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ক্যানোপির সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ সেবার উদ্বোধন করেন বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ। বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং বেবিচক চেয়ারম্যানের দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে এই ফ্রি শাটল সার্ভিসটি চালু করা হয়েছে। বাসগুলো প্রাথমিকভাবে বিমানবন্দর থেকে বিমানবন্দর বাসস্ট্যান্ড, জসিমউদ্দিন মোড় থেকে বিমানবন্দর রেলস্টেশন এবং কাওলা থেকে বিমানবন্দর রুটে চলাচল করবে। এর মাধ্যমে যাত্রীরা বিমানবন্দরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলের মধ্যে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দ্রুত, নিরাপদ ও আরামদায়কভাবে যাতায়াত করতে পারবেন।

এই সেবাটি বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিক, নারী, শিশু, শারীরিকভাবে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন যাত্রী এবং ভারী লাগেজ বহনকারীদের জন্য বড় ধরনের সুবিধা বয়ে আনবে। একই সঙ্গে ব্যক্তিগত যানবাহনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে বিমানবন্দর এলাকায় যানজট হ্রাস ও পরিবেশবান্ধব যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলতেও এটি কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ বলেন, দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রীদের সেবার মান উন্নয়ন ও আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতে বেবিচক ধারাবাহিকভাবে বিভিন্ন যুগোপযোগী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। তারই অংশ হিসেবে এই ফ্রি শাটল সার্ভিস চালু করা হয়েছে, যা যাত্রীদের সময় সাশ্রয় ও নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে।

‘সম্মানিত যাত্রী সর্বাগ্রে’ এই অঙ্গীকারকে ধারণ করে বেবিচক ভবিষ্যতেও যাত্রীসেবার মানোন্নয়নে এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। অনুষ্ঠানে বেবিচক ও বিমানবন্দরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সংশ্লিষ্ট অংশীজনরা উপস্থিত ছিলেন।

তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

বাসস
তথ্যমন্ত্রীর সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন–ছবি : পিআইডি

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত নেদারল্যান্ডসের রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল। 

বুধবার (৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্যমন্ত্রীর অফিস কক্ষে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে জোরিস ভ্যান বোমেল নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য জহির উদ্দিন স্বপনকে অভিনন্দন জানান।

রাষ্ট্রদূত বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশের সঙ্গে নেদারল্যান্ডসের শক্তিশালী দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমানে তা শিক্ষা, স্বাস্থ্য, উন্নয়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সম্প্রসারিত হয়েছে। এই সম্পর্ককে আরো জোরদারে বর্তমান সরকারের সঙ্গে একযোগে কাজ করার আগ্রহও প্রকাশ করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কাজের ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন আনার চেষ্টা করছে। তিনি গণমাধ্যম ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে যৌথভাবে কাজ করার গভীর আগ্রহ প্রকাশ করেন।

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তির বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘নিউ মিডিয়া, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল ইকো-সিস্টেম আমাদের নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিতের পাশাপাশি জনগণকে ভুল তথ্য ও অপতথ্য থেকে সুরক্ষা দেওয়াও রাষ্ট্রের দায়িত্ব।’

তথ্যমন্ত্রী এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় একটি সুনির্দিষ্ট কৌশল প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডস কীভাবে কাজ করছে তা জানার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

ডাচ রাষ্ট্রদূত জোরিস ভ্যান বোমেল ডিজিটাল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নতুন ফ্রেমওয়ার্ক প্রণয়নের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি এক্ষেত্রে তার দেশের সরকারের গৃহীত বিভিন্ন কার্যকর পদক্ষেপ ও কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন।

সাক্ষাৎকালে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবা ফারজানা এবং অতিরিক্ত সচিব মো. শাহ আলম উপস্থিত ছিলেন।

পার্বত্য অঞ্চলে ভারি বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

বাসস
পার্বত্য অঞ্চলে ভারি বর্ষণে ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে ভূমি প্রতিমন্ত্রীর আহ্বান

কয়েক দিনের অবিরাম বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় তৈরি হওয়া জলাবদ্ধতা ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ায় গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন।

গতকাল মঙ্গলবার রাতে দেওয়া এক ভিডিও বার্তায় প্রতিমন্ত্রী প্রাকৃতিক এ বৈরী আবহাওয়া থেকে জানমাল রক্ষা এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা করতে চট্টগ্রাম বিভাগের প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনসহ সকল জনপ্রতিনিধি, দলীয় নেতাকর্মী এবং স্থানীয় তরুণসমাজকে সমন্বিতভাবে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের এ উদ্ভূত পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর রাখছেন এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দিয়েছেন।

তিনি কঠিন এ পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানিয়ে দুর্গত মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণসহ খাদ্য, বস্ত্র ও আশ্রয় দিয়ে সহায়তা করার প্রতি জোর দেন।

গত ৪২ বছরের মধ্যে রেকর্ড পরিমাণ ভারি বর্ষণে চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে চরম জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে চট্টগ্রামে বিমান ও ট্রেন চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।

এ ছাড়া, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়িতে সড়কে পানি জমে যানচলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং পরিস্থিতি বিবেচনায় আগামী শুক্রবার পর্যন্ত বান্দরবানের সকল পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।

রেল প্রতিমন্ত্রী

চট্টগ্রাম–দোহাজারী রেলপথ ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক
চট্টগ্রাম–দোহাজারী রেলপথ ৫ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনা

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধানে চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ।

বুধবার (৮ জুলাই) সকালে চট্টগ্রামের ষোলশহর এলাকায় জলাবদ্ধতায় তলিয়ে যাওয়া রেললাইন পরিদর্শন শেষে তিনি এ কথা বলেন।

রেল প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা যাত্রীদের সংকটমুক্ত করতে চাই। ঢাকা-চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলপথের চট্টগ্রাম থেকে দোহাজারী পর্যন্ত ৪৭ কিলোমিটার রেললাইন পাঁচ ফুট উঁচু করতে চাই। তাহলে অতিবৃষ্টি হলেও রেললাইন আর পানির নিচে তলিয়ে যাবে না এবং ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক থাকবে।

তিনি জানান, এ প্রকল্পটি বর্তমানে টেন্ডার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। দ্রুত কাজ শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান হবে।

বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, তিনি জলাবদ্ধ এলাকাগুলো সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। কোথাও কোথাও হাঁটুসমান পানি জমে আছে। বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে আপাতত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, পানি না কমা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। যেসব যাত্রী আগাম টিকিট কেটেছেন, তারা প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী টিকিটের অর্থ ফেরত পাবেন। বৃষ্টি কমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় এ রুটে ট্রেন চলাচল শুরু হবে।

টানা ভারি বৃষ্টিতে ষোলশহর ও জানআলীহাট স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশে রেললাইন পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় বুধবার থেকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রুটে ট্রেন চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।