• ই-পেপার

হিলিতে ১৪ বছর পালিয়ে থেকেও রক্ষা হলো না সাজাপ্রাপ্ত আসামির

খালি ঘরে ঝুলছিল ১৬ বছরের কিশোরের মরদেহ

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী)  প্রতিনিধি
খালি ঘরে ঝুলছিল ১৬ বছরের কিশোরের মরদেহ
স্বজনদের আহাজারি

মায়ের করা মামলায় বাবা কারাগারে, মা অবস্থান করছিলেন নানা বাড়িতে। আর একাই বসতঘরে থাকত ১৬ বছরের কিশোর তুহিন হাওলাদার। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে সেই ঘর থেকেই তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের পুরাতন বাজার সংলগ্ন এলাকায়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তুহিনের বাবা মনির হাওলাদার ও মা শেফালী বেগমের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক বিরোধ চলছিল। ২০২৫ সালের শেষ দিকে শেফালী বেগম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করলে মনির হাওলাদারকে কারাগারে যেতে হয়। ওই মামলায় তিনি এর আগে প্রায় দেড় মাস কারাভোগ করেন। সর্বশেষ কোরবানির ঈদের এক সপ্তাহ আগে আবারও কারাগারে যান। বর্তমানে তিনি কারাগারেই রয়েছেন।

অন্যদিকে তুহিনের মা দক্ষিণ চরমোন্তাজে তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। ফলে তুহিন বাড়িতে একাই থাকত বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। পরিবারটির তিন সন্তানের মধ্যে তুহিন ছিল বড়। তার দুই ছোট বোনও মায়ের সঙ্গে নানা বাড়িতে ছিল।

প্রতিবেশীরা জানান, সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে দীর্ঘ সময় কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে তাদের সন্দেহ হয়। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে ঘরের ভেতরে গলায় গামছা পেঁচানো অবস্থায় তুহিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। তবে ঘটনাস্থলে গিয়ে কেউ দরজা খোলা দেখেছেন, আবার কেউ বলছেন দরজা বন্ধ ছিল।

তুহিনের মা শেফালী বেগম বলেন, ‘আমার ছেলে আমাকে কিছুই বলেনি। তার সঙ্গে কোনো কথাও হয়নি। মোবাইল ফোনও বন্ধ ছিল। আমার মেয়ে আমাকে বলছিল, ভাইয়ের মোবাইল বন্ধ।’ তিনি আরো বলেন, ‘কে জানি তার গাড়ি আটকেছিল। এর সপ্তাহখানেক আগে বাজারের এক ঘরে রাতে ঢুকেছিল। মেম্বারে (ইউপি সদস্য) সালিসিও করছে।’

তবে কিশোরটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি পুলিশ। চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ বেলাল হোসেন বলেন, ‘সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পটুয়াখালী মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘তুহিনের  বাবা ও মায়ের মধ্যে সম্পর্ক ভালো ছিল না। মায়ের মামলায় বাবা কারাগারে আছে।’

চন্দনাইশে হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার

চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
চন্দনাইশে হত্যা মামলার এজহারভুক্ত আসামি গ্রেপ্তার
প্রতীকী ছবি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে পুলিশের বিশেষ অভিযানে মো. সেকান্দার ইসলাম প্রকাশ রাশেদ নামে এক এজাহারভুক্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) ভোরে উপজেলার দোহাজারী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের উত্তর চাগাচর চৌকিদার পাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে চন্দনাইশ থানা পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেপ্তারকৃত রাশেদ চন্দনাইশ থানার মামলা নং-০৪(১০)১৯, জিআর-২২৩/১৯-এর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে এলাকায় চুরি, মাদকসেবনসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া উপজেলার দোহাজারী নাথপাড়ার আলোচিত ফুলতলা এলাকার ব্যবসায়ী স্বপন হত্যা মামলার প্রধান আসামি।

চন্দনাইশ থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) দিদারুল ইসলাম সিকদার বলেছেন আসামিকে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি শাহে আলম

বানারীপাড়া (বরিশাল) প্রতিনিধি
এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার সাবেক এমপি শাহে আলম
বরিশাল-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শাহে আলম। ছবি: সংগৃহীত

বরিশাল-২ (বানারীপাড়া-উজিরপুর) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি মোহাম্মদ শাহে আলমকে এবার হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৮ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সেফাতুল্লাহর আদালত এ আদেশ দেন। এদিন কারাগার থেকে শাহে আলমকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গুলশানের শাহজাদপুর এলাকায় আন্দোলন চলাকালে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। কনফিডেন্স টাওয়ারের সামনে সংঘটিত ওই ঘটনায় ভ্যানচালক জব্বার আলী হাওলাদার গুলিবিদ্ধ হন। পরে ওই বছরের ১১ ডিসেম্বর জব্বার আলী হাওলাদার বাদী হয়ে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১০৯ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে সাবেক এমপি শাহে আলমকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। 

২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে সাবেক এমপি শাহে আলমকে গুলশানে মারধরের পর থানায় সোপর্দ করে বিক্ষুব্ধরা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর গুলশান ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী নাইমুর রহমান হত্যা মামলায় এজাহারে নাম না থাকলেও অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখিয়ে পরের দিন ১৫ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতে তোলা হলে তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, সাবেক চিফ হুইপ নুরে আলম চৌধুরী লিটন, সাবেক সংসদ সদস্য মজিবুর রহমান, সাবেক বিদুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপু, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, সাবেক এমপি নুর মোহাম্মদ।

এর আগে ২০২৪ সালের ১১ সেপ্টেম্বর সাবেক এমপি শাহে আলমের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, হামলা, মারধর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে বরিশালের আদালতে একটি মামলা দায়ের হয়। মামলাটিতে তার তিন ভাইসহ মোট ১৪ জন আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছিল। ২০২৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি অবৈধ সম্পদ অজর্নের অভিযোগে সাবেক এমপি শাহে আলমের বিরুদ্ধে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত ৪৭ বছরের পুরোনো পটিয়া জিমনেসিয়াম

কাউছার আলম, পটিয়া (চট্টগ্রাম)
জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত ৪৭ বছরের পুরোনো পটিয়া জিমনেসিয়াম
ছবি: কালের কণ্ঠ

দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়া ইতিহাসের এক গৌরবময় অধ্যায়ের নাম পটিয়া জিমনেসিয়াম। তৎকালীন ‘পটিয়া যুব গোষ্ঠীর ভবন ও ব্যায়ামাগারথ। প্রায় অর্ধশতাব্দী আগে, ১৯৭৯ সালের ৯ জুন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিজ হাতে যার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন। সেই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি একসময় ছিল দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়াবিদ, শরীরচর্চাবিদ ও তরুণ সমাজের স্বপ্নের ঠিকানা। কিন্তু সময়ের পরিক্রমায়, রাজনৈতিক পালাবদল ও দীর্ঘ অবহেলায় আজ সেই ঐতিহ্যবাহী জিমনেসিয়াম হারিয়েছে তার জৌলুস।

একসময় সকাল-সন্ধ্যা তরুণদের পদচারণায় মুখর থাকা ব্যায়ামাগারটি এখন দাঁড়িয়ে আছে নীরব সাক্ষী হয়ে। জীর্ণ দেয়াল, ভাঙাচোরা অবকাঠামো, অচল যন্ত্রপাতি আর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কালের গর্ভে হারিয়ে যেতে বসেছে দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়া আন্দোলনের এই গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

স্থানীয় ক্রীড়াবিদ ও প্রবীণ সংগঠকদের অভিযোগ, শহীদ জিয়ার স্মৃতি বহনকারী এই প্রতিষ্ঠানটি আওয়ামী লীগ সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়া উন্নয়নে নানা প্রকল্পের ঘোষণা এলেও পটিয়া জিমনেসিয়ামের ভাগ্য বদলাতে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে ধীরে ধীরে প্রাণহীন হয়ে পড়ে একসময়কার প্রাণচঞ্চল এই ক্রীড়া কেন্দ্র।

তবে দীর্ঘদিনের সেই হতাশার মাঝে নতুন করে আশার আলো দেখিয়েছে সম্প্রতি পটিয়ায় সাড়ে ৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিতব্য মিনি স্টেডিয়ামের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে। স্থানীয় সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনামের অনুরোধে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক ঐতিহাসিক পটিয়া জিমনেসিয়াম পরিদর্শন করেন এবং এর বর্তমান অবস্থা দেখে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী জিমনেসিয়ামের বিভিন্ন অংশ ঘুরে দেখেন এবং স্থানীয় ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক বলেন, পটিয়া জিমনেসিয়াম শুধু একটি ব্যায়ামাগার নয়, এটি দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়া ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। দীর্ঘদিন ধরে এটি প্রয়োজনীয় উন্নয়ন ও সংস্কার থেকে বঞ্চিত হয়েছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখছি। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার ক্রীড়াবান্ধব বাংলাদেশ গঠনে কাজ করছে। পটিয়ার মিনি স্টেডিয়ামের পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক জিমনেসিয়ামকে আধুনিক ক্রীড়া প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রূপান্তরের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে। তরুণদের জন্য উন্নত ক্রীড়া অবকাঠামো নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

পটিয়ার সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হক এনাম বলেন, ‘পটিয়ার ক্রীড়া ঐতিহ্য অত্যন্ত সমৃদ্ধ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতে গড়ে ওঠা এই জিমনেসিয়াম শুধু একটি ভবন নয়, এটি পটিয়ার ইতিহাস, ঐতিহ্য ও গৌরবের প্রতীক। প্রায় ৪৭ বছর আগে শহীদ জিয়া স্বশরীরে এসে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই প্রতিষ্ঠানকে পুনরুজ্জীবিত করতে আমরা আন্তরিকভাবে কাজ করছি। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে এবং তিনি ইতিবাচক আশ্বাস দিয়েছেন। পটিয়ায় মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের পাশাপাশি জিমনেসিয়ামের আধুনিকায়ন হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের তরুণরা আরও বেশি খেলাধুলার সঙ্গে সম্পৃক্ত হবে।

এমপি এনাম বলেন, ‘মাদক, সন্ত্রাস, কিশোর গ্যাং ও সামাজিক অবক্ষয় থেকে যুবসমাজকে রক্ষা করতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই ক্রীড়া অবকাঠামোর উন্নয়নকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।

পটিয়া উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সদস্য সচিব মঈনুল আলম ছোটন বলেন, ‘একসময় পটিয়া জিমনেসিয়াম দক্ষিণ চট্টগ্রামের অন্যতম সেরা ব্যায়ামাগার ছিল। এখান থেকে বহু জাতীয় পর্যায়ের ক্রীড়াবিদ তৈরি হয়েছেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় অবকাঠামো জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে।’

তিনি বলেন, আমরা বহুবার জিমনেসিয়ামটির উন্নয়নের দাবি জানিয়েছি। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর সরেজমিন পরিদর্শন এবং উন্নয়নের আশ্বাস আমাদের নতুন করে আশাবাদী করেছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, প্রশিক্ষণ সুবিধা ও প্রয়োজনীয় সংস্কার করা হলে এটি আবারও দক্ষিণ চট্টগ্রামের ক্রীড়া বিকাশের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

স্থানীয় খেলোয়াড় ও শরীরচর্চাবিদরা মনে করছেন, প্রায় পাঁচ লক্ষাধিক মানুষের এই জনবহুল উপজেলায় একটি আধুনিক জিমনেসিয়াম সময়ের দাবি। তারা মনে করেন, মিনি স্টেডিয়ামের পাশাপাশি শহীদ জিয়ার স্মৃতি বিজড়িত এই ঐতিহাসিক প্রতিষ্ঠানটির আধুনিকায়ন হলে দক্ষিণ চট্টগ্রামে ক্রীড়া আন্দোলন নতুন গতি পাবে এবং নতুন প্রজন্ম সুস্থ-সবল জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবে।

এদিকে, দীর্ঘ যুগের অবহেলা ও অনাদরের পর অবশেষে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের নজরে এসেছে পটিয়া জিমনেসিয়াম। এখন ক্রীড়াঙ্গনের প্রত্যাশা শুধু আশ্বাসে নয়, দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেওয়া হোক এই ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানের হারানো গৌরব। কারণ পটিয়ার মানুষ বিশ্বাস করে, জিয়ার হাতে গড়া এই ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান আবারও জেগে উঠলে দক্ষিণ চট্টগ্রামের তরুণ সমাজ নতুন স্বপ্ন দেখবে, নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলবে এবং ক্রীড়ার মাধ্যমে গড়ে উঠবে একটি সুস্থ, মাদকমুক্ত ও আলোকিত প্রজন্ম।