• ই-পেপার

একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চেয়েছিলেন শহীদ জিয়া : মির্জা ফখরুল

চতুর কথা বলে রাজনীতিতে টিকে থাকা যায় না : যুবদল সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
চতুর কথা বলে রাজনীতিতে টিকে থাকা যায় না : যুবদল সভাপতি
ছবি : কালের কণ্ঠ

জাতীয়তাবাদী যুবদলের সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না বলেছেন, ‘দেশের রাজনীতিতে আবারও মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল শ্রেণি মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে।’ তিনি বলেন, ‘চতুর কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না।’

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনের একটি রেস্টুরেন্টে যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতাদের সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে মতবিনিময়সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

আরো পড়ুন
কথা বলছেন এরিকসন, শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন আশা চিকিৎসকদের

কথা বলছেন এরিকসন, শিগগিরই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পাবেন আশা চিকিৎসকদের

 

যুবদল সভাপতি বলেন, ‘চতুর কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে বেশিদিন টিকে থাকা যায় না। আপনারা রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলুন, সাংগঠনিক কাজ করুন। বেফাঁস বক্তব্য-মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন।’

মোনায়েম মুন্না বলেন, ‘প্রত্যেক নেতাকর্মীর রাজপথের ত্যাগ ও সংগ্রামকে মূল্যায়ন করা হয়েছে। আগের কমিটির প্রায় ১১৪ জনকে আমরা এই কমিটিতে রেখেছি। আমরা তাদের রাজপথের লড়াই ও অবদানকে স্বীকার করেছি, বিবেচনায় নিয়েছি। আরো কয়েকজন ত্যাগী নেতাকে আমরা জায়গা দিতে পারিনি।’

তিনি বলেন, ‘হাইকমান্ডের নির্দেশনা মেনে আমরা যাচাই-বাছাই করে ১৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করেছি। এরপর যাদের কমিটিতে রাখতে পারিনি, তাদের জন্য চেষ্টা করব। আরো অন্তত ১০০ জনকে কমিটিতে সংযুক্ত করার চেষ্টা করব। সেখানে হয়তো তাদের মূল্যায়ন করার চেষ্টা করা যাবে। তাই কারো হতাশ হওয়ার কারণ নেই।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘সিনিয়র-জুনিয়র দেখে কমিটিতে কাউকে স্থান দেওয়া হয়নি। আন্দোলন-সংগ্রামে প্রত্যেকের অবদান দেখা হয়েছে। অতীতে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে যুবদলের নেতাকর্মী সামাজিক কর্মসূচি সেভাবে পালন করতে পারেনি। আগামী বড় পরিসরে তা পালন করা হবে।’

বক্তব্যের শুরুতে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনা করেন যুবদল সভাপতি।

আরো পড়ুন
দেশে ৩ কোটি ২৭ লাখ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

দেশে ৩ কোটি ২৭ লাখ টন বোরো উৎপাদন হয়েছে : খাদ্য প্রতিমন্ত্রী

 

অনুষ্ঠানে যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন সময় অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং শোকজ করা হয়েছে। কোথাও কোথাও সংবাদ সম্মেলন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আহ্বানও জানানো হয়েছে। এসব নেতাকর্মীর অনেকেই আমাদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। দলের জন্য তাদের অবদান ছিল, আন্দোলন-সংগ্রামেও ভূমিকা ছিল। তার পরও দলের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।’

এ সময় দলের সুনাম নষ্ট করলে কাউকে ক্ষমা করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, ‘আপনাদের যে পদ দেওয়া হয়েছে, তার অপব্যবহার করবেন না। এটি দলের আমানত। এমন কাজ করুন, যাতে যুবদলের সুনাম বৃদ্ধি পায়। যে কাজগুলো যুবদলের দুর্নাম ডেকে আনতে পারে, সেসব কাজ থেকে বিরত থাকুন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সিনিয়র সহসভাপতি রেজাউল কবীর পল, সহসভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দফতরের দায়িত্বে), সহসভাপতি  সাইদ ইকবাল টিটো, প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল, সহ-সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু ও মাহবুবুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

জনগণ বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরী ও অপচয়ের অধিকার দেয়নি : রেজাউল করীম

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনগণ বাজেট বাস্তবায়নে ছলচাতুরী ও অপচয়ের অধিকার দেয়নি : রেজাউল করীম
ছবি : কালের কণ্ঠ

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির পীর চরমোনাই মুফতি সৈয়দ মুহাম্মাদ রেজাউল করীম বলেছেন, ‘বাংলাদেশে প্রায় কোটি জনতা নিবন্ধিত করদাতা। যারা তাদের আয়ের ওপরে কর প্রদান করেন। কিন্তু বাজেটে রাজস্ব প্রদান করেন এ দেশের সব জনতা। তাদের প্রাত্যাহিক ক্রয়-বিক্রয়সহ প্রত্যেকটি সুবিধা গ্রহণের বিপরীতে কর দেয়, একজন ফকিরও কর প্রদান করে। সেই করের টাকার বাজেটের অর্থ বাস্তবায়নে ছলচাতুরী, টালবাহানা, অপচয় ও যাচ্ছেতাই খরচ করার অধিকার জনগণ কাউকে দেয়নি।’

আরো পড়ুন
গুরুদাসপুরে আ. লীগ নেতা সবুজ ফকির গ্রেপ্তার

গুরুদাসপুরে আ. লীগ নেতা সবুজ ফকির গ্রেপ্তার

 

সোমবার (৮ জুন) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির শফিকুল কবির হলে অনুষ্ঠিত ‘বাংলাদেশের আগামী অর্থ বছরের বাজেট; আমাদের ভাবনা ও জনগণের প্রত্যাশা’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

চরমোনাই পীর আরো বলেন, ‘সরকার প্রতিবছর বাজেট পেশ করে এবং সংসদে পাস করিয়ে নেয়। কিন্তু এই বাজেট বাস্তবায়নে সরকারের যথাযথ নজরদারি, আমনতদারি ও জবাবদিহির যথেষ্ট ঘাটতি বরাবরই পরিলক্ষিত হয়। ফলে জনগণের কষ্টের টাকার বাজেটের একটি বড় অংশই অপব্যয়িত হয়। ক্রয় দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হয়ে যায়। এই ধারা রোধ করতেই হবে।’

পীর সাহেব চরমোনাই বলেন, ‘দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা তৈরিতে শরিয়াহ একটি কার্যকর টুলস।’

গোলটেবিল বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, বরগুনা-১-এর সংসদ সদস্য মাওলানা মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ, চর্চার সম্পাদক ও সাংবাদিক সোহবার হোসেন, সাবেক রাস্তদূত গোলাম মসিহ, ক্যাবের কো-অর্ডিনেটর ইঞ্জিনিয়ার এম এ এম গোলাম কিবরিয়া, ইসলামিক চেম্বার অব কমার্সের সদস্য সচিব মাওলানা মোফাজ্জল ইবনে মাহফুজ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শেখ আব্দুল্লাহ নাসের, নিজাম গ্রুপের এমডি মোহাম্মাদ নিজাম উদ্দিন, জয় গ্রুপের চেয়ারম্যান মুজিবর রহমান শামীম।

আরো পড়ুন
ক্ষমতার দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র হবিগঞ্জ

ক্ষমতার দ্বন্দ্বে রণক্ষেত্র হবিগঞ্জ

 

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দলের মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা ইউনুস আহমদ, প্রেসিডিয়াম সদস্য মাওলানা সৈয়দ মোসাদ্দেক বিল্লাহ আল মাদানী, অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল আলম, অধ্যক্ষ মাওলানা শেখ ফজলে বারী মাসউদ, সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, কে এম আতিকুর রহমান, মাওলানা লোকমান হোসেন জাফরী, ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি আতিকুর রহমান মুজাহিদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক শেখ ফজলুল করীম মারুফ, সহ-প্রচার সম্পাদক কে এম শরীয়াতুল্লাহ, ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি ইমরান হোসেন নুর।

বিএনপি ক্ষমতা নয়, দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে : ড. আসাদুজ্জামান রিপন

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিএনপি ক্ষমতা নয়, দেশ পরিচালনার সুযোগ পেয়েছে : ড. আসাদুজ্জামান রিপন
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেছেন, রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালনে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক, দায়িত্বশীল ও জনমুখী ভূমিকা পালন করতে হবে। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও ত্যাগের ধারাবাহিকতায় বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পালনের সুযোগ পেয়েছে। এ দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পন্ন করতে সবাইকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

আরো পড়ুন
এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা, জানবেন যেভাবে

এসএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা, জানবেন যেভাবে

 

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে অস্ট্রেলিয়া বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া মাহফিল ও আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রবিবার (৭ জুন) রাতে সিডনির লাকেম্বার লাইব্রেরি হলে অস্ট্রলিয়া বিএনপির সভাপতি এ এফ এম তাওহীদুল ইসালামের সভাপতিত্ত্বে শফিউল আলম শিফকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে আলোচনায় অংশ নেন। 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক। বিশেষ অতিথি স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (যুগ্ন সম্পাদক পদমর্যদায়) অমি ফেরদৌস আলোচনায় অংশ নেন। অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত ও দোয়া পরিচালনা করেন অস্ট্রেলিয়া বিএনপির কোষাধ্যক্ষ মনজুরুল হক আলমগীর। শুরুতে স্বাগত বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিক  ড. মনিরুজ্জামান। অস্ট্রেলিয়ার নিউক্যাসের বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. শাহ জে মিয়া ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বক্তব্য দেন।

আরো পড়ুন
ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করল বসুন্ধরা শুভসংঘ

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন  বলেন, ‘এত কিছুর বিনিময়ে বিএনপি ১৭ বছর পর বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় এসেছে। এই শাসন ক্ষমতাটার পেছনে অনেক রক্ত, অনেক গুমের ইতিহাস আছে। অনেক ত্যাগের ইতিহাস আছে, আপনাদের অবদানের বিষয়গুলোও আছে। সুতরাং বিএনপি যাতে ক্ষমতাটা সুন্দরভাবে পরিচালিত করতে পারে সবার সহযোগিতার প্রয়োজন।‘

বিএনপির দেশ পরিচালনা সম্পর্কে এই ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আছি, আমি সেটা বলব না। ক্ষমতা শব্দটি খুবই খারাপ। আমরা বলব রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে আছি। এই দায়িত্বটি যাতে আমরা সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারি। সমালোচনার ঊর্ধ্বে উঠে এই দায়িত্ব পালন করতে পারি, কোনো কর্মীর বিরুদ্ধে যাতে চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস, জুলম ও অন্যায় এসব অভিযোগ না ওঠে আমাদের খুব সজাগ থাকতে হবে। আমরা সজাগ থাকলে মানুষ আওয়ামী লীগ ও বিএনপির শাসনের মধ্যে পার্থক্য করতে পারবে।’    

বিশেষ অতিথি বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বলেন, ‘রাষ্ট্রের বর্তমান কর্ণধার ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য আপনাদের অনুরোধ করব যার যার অবস্থান থেকে সবাই সহযোগিতার হাত প্রশারিত করবেন, দলকে ও দেশকে এগিয়ে নেবেন এই আশা কবর।’

রাশেদুল হক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সততা, দেশপ্রেম, এবং তার বহুল কর্মময় জীবনে ওপর আলোচনা করেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অমি ফেরদৌস বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমানের জন্ম হয়েছিল কিছু কারণে। বাংলাদেশে  ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে উনি ছিলেন বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর। স্বাধীনতাযুদ্ধে রণাঙ্গনে থেকে যুদ্ধ করে আমাদের দেশকে ছিনিয়ে নিয়েছিলেন, এই কারণে তার জন্ম হয়েছিল। স্বনির্ভর বাংলাদেশসহ বাংলাদেশের সব উন্নয়নের রূপকার ছিলেন তিনি। সেটার ধারাবাহিকতা অব্যাহত রেখেছিলেন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়া। তাদের প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিল। তারেক রহমান যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছেন, তা সত্যই প্রশংসনীয়।’  

সমাপনী বক্তৃতায় অস্ট্রেলিয়া বিএনপির সভাপতি এ এফ এম তাওহিদুল ইসলাম শহীদ জিয়ার বহুল কর্মময় জীবনের আলোচনার পাশাপাশি ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। উদহারণস্বরূপ তিনি জিয়ার হত্যাকাণ্ড ও খালেদা জিয়াকে  স্লো পয়জনিংয়ের মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া, প্রধানমন্ত্রী তারক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙে হত্যাচেষ্টার সরাসরি ভারতকে দায়ী করেন তিনি। প্রধানামন্ত্রী তারেক রহমানের নদীসংক্রান্ত প্রজেক্টগুলো ভারতকে তাঁর ওপর আগ্রাসী গড়ে তুলবে বলেও মনে করেন তিনি। 

বাংলাদেশ সরকারের উচিত তারেক রহমানের নিরাপত্তার জোরদার করা। এবং প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্র চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে সামরিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক বৃদ্ধিতে গুরুত্বারোপ করেন তিনি। 

আলোচনা অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন অস্ট্রেলিয়া যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ফারুক খান, জিয়া সাইবার ফোর্স (জেডসিএফ) অস্ট্রেলিয়া মহাদেশ শাখার আহ্বায়ক শরিফুল ইসলাম শিবলি। 

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন আশরাফুল ইসলাম, জয় আহমেদ সুলতান, মোহাম্মদ রুহুল আমিন, আরিফুর রহমান, খাজা দাউদ হোসেন, আশওয়াদুল হক বাবু, মশিউর রহমান তুহিন, ইঞ্জিনিয়র সাইফুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান লাবু, মোকসেদ আলম দীপু, মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, দেলোয়ার হোসেন, মফিজুল ইসলাম সাগর, আব্দুল আলীম, আবিদা সুলতানা, আজিজুন নাহার মালা, আহসান হাবিব, আবু বকর সিদ্দিক, শাহীনূর রহমান, আবুল হোসেন, হারুনর রশিদ, মনির হোসেন বাপ্পি, মোহাম্ম রফিক, সাইদুল ইসলাম, মোম্মদ রাসেল মিয়া, মোহাম্মদ ফারদিন, মিঠু ব্যাপারির, নূরে আলম,  খায়রুল আমিন, মোহাম্মদ কামাল হোসেন, মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, শফিকুল ইসলাম শফিক, শেখ মোহাম্মদ থমাস, মোহাম্মদ আলমসহ অনেকে।

মবতন্ত্র রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: যুবদল সভাপতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
মবতন্ত্র রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে: যুবদল সভাপতি

বাংলাদেশে মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল শ্রেণী রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে মন্তব্য করেছেম যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না। তিনি বলেন, চতুর কথাবার্তা বলে রাজনীতিতে বেশি দিন টিকে থাকা যায় না। মবসন্ত্রাস করে পজিশন নেওয়ার চেষ্টা করলে জনগণ ভালোভাবে নেবে না। আপনারা রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলুন, সাংগঠনিক কাজ করুন। বেফাঁস বক্তব্য-মন্তব্য থেকে বিরত থাকুন। 

সোমবার (৮ জুন) রাজধানীর নয়াপল্টনে হোটেল ভিক্টরে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সমসাময়িক রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সাংগঠনিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়।

মোনায়েম মুন্না বলেন, প্রত্যেক নেতাকর্মীদের রাজপথের ত্যাগ ও সংগ্রামকে আমরা মুল্যায়ন করেছি। আগের কমিটির প্রায় ১১৪ জনকে আমরা এই কমিটিতে রেখেছি। আমরা তাদের রাজপথের লড়াই ও অবদানকে স্বীকার করেছি, বিবেচনায় নিয়েছি। আরও কয়েকজন ত্যাগী নেতাদের আমরা জায়গায় দিতে পারিনি।

তিনি বলেন, হাইকমান্ডের নির্দেশনা মেনে আমরা যাচাই বাছাই করে ১৫১ সদস্যের কমিটি গঠন করেছি। এরপর যাদের কমিটিতে রাখতে পারেনি, তাদের জন্য চেষ্টা করর। আরও অন্তত ১০০ জনকে কমিটির সংযুক্ত করার চেষ্টা করব। সেখানে হয়তো তাদের মুল্যায়ন করার চেষ্টা করব। সূতরাং কারো হতাশ হওয়ার কারণ নেই।  
এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমরা সিনিয়র-জুনিয়র দেখে কমিটিতে কাউকে স্থান দেওয়া হয়নি। আন্দোলন সংগ্রামে প্রত্যেকের অবদান দেখা হয়েছে। অতীতে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে যুবদলের নেতাকর্মী সামাজিক কর্মসূচি সেভাবে পালন করতে পারেনি। আগামী বড় পরিসরে পালন করা হবে।

বক্তব্যের শুরুতে মহান স্বাধীনতার ঘোষক ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং বিএনপির চেয়ারপারসন মরহুমা খালেদা জিয়াকে স্মরণ করে তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন যুবদল সভাপতি।

যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম নয়ন বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর বিভিন্ন সময় অভিযোগের ভিত্তিতে অনেক নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে, কমিটি বিলুপ্ত করা হয়েছে এবং শোকজ করা হয়েছে। কোথাও কোথাও সাংবাদিক সম্মেলন করে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বানও জানানো হয়েছে। এসব নেতাকর্মীর অনেকেই আমাদের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। দলের জন্য তাঁদের অবদান ছিল, আন্দোলন-সংগ্রামেও ভূমিকা ছিল। তারপরও দলের শৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এসময় দলের সুনাম নষ্ট করলে কাউকে ক্ষমা করা হবে না বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশে নুরুল ইসলাম নয়ন বলেন, “আপনাদের যে পদ দেওয়া হয়েছে, তার অপব্যবহার করবেন না। এটি দলের আমানত। এমন কাজ করুন, যাতে যুবদলের সুনাম বৃদ্ধি পায়। যে কাজগুলো যুবদলের দুর্নাম ডেকে আনতে পারে, সেসব কাজ থেকে বিরত থাকুন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রেজাউল কবীর পল, সহ-সভাপতি নুরুল ইসলাম সোহেল (দপ্তরের দায়িত্বে), সহ-সভাপতি  সাইদ ইকবাল টিটো,  প্রথম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিল্লাল হোসেন তারেক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জুয়েল, সহ সাধারণ সম্পাদক এড. রাজীব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, মাহবুবুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।