• ই-পেপার

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে ঢাবি সাদা দলের শোক

২০২৭ সালের দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
২০২৭ সালের দাওরায়ে হাদিস পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা

কওমি মাদরাসার সর্বোচ্চ স্তর দাওরায়ে হাদিসের ২০২৭ সালের পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। ১৪৪৮ হিজরি/২০২৭ সালের দাওরায়ে হাদিস (তাকমিল) পরীক্ষা আগামী বছরের ২১ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার) থেকে শুরু হবে।

রবিবার (৫ জুলাই) কওমি মাদরাসাভিত্তিক কেন্দ্রীয় শিক্ষাবোর্ড আল-হাইআতুল উলয়া লিল-জামিআতিল কওমিয়ার অফিস ব্যবস্থাপক মু. অছিউর রহমান এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানান। 

এর আগে গতকাল শনিবার (৪ জুলাই) বোর্ডের সভাপতি আল্লামা মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত স্থায়ী কমিটির সভায় এই সিদ্ধান্ত হয়।

ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, ১২/১৩ শাবান ১৪৪৮ হিজরি, ২১ জানুয়ারি ২০২৭ (বৃহস্পতিবার) পরীক্ষা শুরু হয়ে ২৩/২৪ শাবান ১৪৪৮ হিজরি, ১ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ (সোমবার) শেষ হবে।

পরীক্ষার মধ্যে ২২ জানুয়ারি ও ২৯ জানুয়ারি ২০২৭, শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটির কারণে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না।

পরীক্ষার নিবন্ধনের সময়সূচি ও বিস্তারিত নির্দেশনা শিগগিরই পৃথকভাবে ঘোষণা করা হবে বলে বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়। 
 

ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেমের ইন্তেকাল, উপাচার্যের শোক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেমের ইন্তেকাল, উপাচার্যের শোক
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হকের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এক শোকবাণীতে তিনি বলেন, অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক একজন নিষ্ঠাবান শিক্ষক, প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক, লেখক ও গবেষক ছিলেন। শিক্ষা ও গবেষণায় বিশেষ অবদান এবং অসাধারণ সাহিত্যকর্মের জন্য তিনি স্মরণীয় হয়ে থাকবেন। উপাচার্য মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক ১৯৪০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৫৯ সালে ময়মনসিংহ জিলা স্কুল থেকে প্রবেশিকা এবং ১৯৬১ সালে আনন্দমোহন কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাস করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৫ সালে স্নাতক (সম্মান) এবং ১৯৬৬ সালে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে দীর্ঘ চার দশক শিক্ষকতা করেন। ১৯৮২ সাল থেকে ‘লোকায়ত’ নামে একটি সাময়িকপত্র সম্পাদনা করেছেন এবং সমাজ ও রাজনীতি বিষয়ে নিয়মিত কলাম লিখেছেন। ২০০০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত স্বদেশ চিন্তা সংঘের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং ২০২৪ সালের ২৭ অক্টোবর বাংলা একাডেমির সভাপতি নিযুক্ত হন।

অধ্যাপক আবুল কাসেম ১৯৮১ সালে বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বাংলাদেশ লেখক শিবির পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার ও অলক্ত সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন। তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের মধ্যে রয়েছে মুক্তিসংগ্রাম, কালের যাত্রার ধ্বনি, উনিশ শতকের মধ্যশ্রেণি ও বাংলা সাহিত্য, রাজনীতি ও দর্শন, সাহিত্যচিন্তা, রাষ্ট্রচিন্তায় বাংলাদেশসহ আরো অনেক গ্রন্থ এবং বেশ কিছু অনুবাদ ও সম্পাদিত গ্রন্থ।

তার মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে বাংলা বিভাগও। বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম (সিরাজ সালেকীন) এক শোকবাণীতে বলেন, তিনি ছিলেন একজন নীতিবাদী রাজনৈতিক দার্শনিক এবং তার প্রয়াণে বাংলাদেশ একজন গুরুত্বপূর্ণ মনীষীকে হারাল।

জুলাই থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট কার্যকর

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই থেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের ইনক্রিমেন্ট কার্যকর

বেসরকারি স্কুল-কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা জুলাই থেকেই ইনক্রিমেন্ট পাবেন বলে জানিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর। মাউশি জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করার কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

মাউশির এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম সেলের প্রোগ্রামার (এমপিও) মো. জহির উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এমপিওভুক্ত জনবলের জুলাই-২০২৬-এর ইনক্রিমেন্ট যুক্ত করাসহ অন্যান্য কাজ শেষ করে অঞ্চল থেকে অনুমোদিত এমপিও আবেদন ডান করা হবে। তাই জুলাই ২০২৬ মাসের অনুমোদিত অনলাইন এমপিও ফাইল ডান হতে কয়েক দিন বিলম্ব হতে পারে।

এ বিষয়ে শিক্ষক-কর্মচারীদের ধৈর্য ধারণ করার অনুরোধ করেন মো. জহির উদ্দিন।

মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে যা জানা গেল

অনলাইন ডেস্ক
মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন নিয়ে যা জানা গেল

বেসরকারি মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন দেওয়ার ফাইল অনুমোদনের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। 

রবিবার (৫ জুলাই) কিংবা আগামীকাল সোমবার এর অনুমোদন দিতে পারেন শিক্ষামন্ত্রী। এরপর দুই-একদিনের মধ্যেই বেতন পাবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বিভাগের উপসচিব (রাজস্ব ও উন্নয়ন বাজেট) মোহাম্মদ মাহমুদুল হক গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ফাইল অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। তিন-চার দিনের মধ্যেই শিক্ষক-কর্মচারীরা বেতন পেয়ে যাবেন।

তিনি বলেন, আজ কিংবা আগামীকাল ফাইল অনুমোদন দিতে পারেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এরপর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পেতে হয়তো দুদিন সময় লাগতে পারে।’ 

এ কর্মকর্তা বলেন, ইতিমধ্যে মাদরাসার শিক্ষক-কর্মচারীদের পার্সিয়াল বেতন দেওয়া হয়েছে। ৩৮ হাজারের মতো শিক্ষক-কর্মচারী বেতন পেয়েছেন। অন্যরা তিন-চার দিনের মধ্যেই পেয়ে যাবেন।