• ই-পেপার

বাহরাইন ও কুয়েতে ৮৫ মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানের হামলা

ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ‘শত শত কোটি ডলার’ মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

অনলাইন ডেস্ক
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে ‘শত শত কোটি ডলার’ মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর
ছবি : রয়টার্স

ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন, আংকারায় অনুষ্ঠিত ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য দেশগুলো শত শত কোটি ডলার মূল্যের প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর করছে।

প্রতিরক্ষা শিল্প ফোরামে বক্তব্য দিয়ে তিনি জানান, জোটের সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে মিত্র দেশগুলো নতুন বড় প্রকল্প ঘোষণা করছে। তার মতে, এসব বিনিয়োগ নিরাপত্তা জোরদার করার পাশাপাশি অর্থনীতি শক্তিশালী করবে এবং লাখো নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।

ন্যাটো জানিয়েছে, তারা নর্থরপ গ্রুম্যান থেকে পাঁচটি উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দীর্ঘপাল্লার ড্রোন কিনবে। পাশাপাশি আগামী পাঁচ বছরে ড্রোন প্রতিরোধ সক্ষমতা বাড়াতে ৪০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ ন্যাটো সদস্য দেশগুলোর জন্য বর্তমানে যত ড্রোন অপারেটর প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তার পাঁচগুণ বেশি প্রশিক্ষণ দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
 
ন্যাটো এক বিবৃতিতে বলেছে, ড্রোন আধুনিক যুদ্ধের ধরন বদলে দিয়েছে এবং যুদ্ধক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠেছে। তাই জোটের প্রস্তুতি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়াতে এসব উদ্যোগ জরুরি।

জোটটি আরো জানিয়েছে, তাদের পুরোনো ই-৩ নজরদারি বিমানগুলো ধীরে ধীরে সুইডিশ প্রতিরক্ষা প্রতিষ্ঠান সাব-এর তৈরি সর্বোচ্চ ১০টি গ্লোবালআই নজরদারি বিমান দিয়ে প্রতিস্থাপন করা হবে। এই প্রকল্পে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডাও অংশ নেবে। এদিকে সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী উলফ ক্রিস্টারসন এই কর্মসূচিকে সুইডেনের জন্য অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন।

রুটে আরো বলেন, ন্যাটো সদস্য দেশগুলো প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি করেছে। বিষয়টি দীর্ঘদিন ধরে ট্রাম্পের আলোচনার অন্যতম প্রধান বিষয় ছিল।
 

করাচির উপকূলে নিখোঁজ কার্গো বিমান, পাঁচ ক্রুর খোঁজে তল্লাশি চলছে

অনলাইন ডেস্ক
করাচির উপকূলে নিখোঁজ কার্গো বিমান, পাঁচ ক্রুর খোঁজে তল্লাশি চলছে
সংগৃহীত ছবি

পাকিস্তানের করাচি উপকূলের কাছে একটি কার্গো বিমান নিখোঁজ হয়েছে। বিমানটিতে পাঁচজন ক্রু ছিলেন। ঘটনার পর নৌবাহিনী, বিমানবাহিনীসহ বিভিন্ন সংস্থা যৌথভাবে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে। তবে এখনো বিমানটির অবস্থান বা আরোহীদের সম্পর্কে কোনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।

পাকিস্তানের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত স্থানীয় সময় ৯টা ২১ মিনিটে বোয়িং ৭৩৭ কার্গো বিমানটির সঙ্গে এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ওই সময় বিমানটি দ্রুত নিচে নামছিল। কর্তৃপক্ষ জানায়, বিমানটি সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ থেকে পাকিস্তানের করাচিতে যাচ্ছিল। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার কয়েক মিনিট আগে বিমানটির পাইলট নেভিগেশন ব্যবস্থায় ত্রুটির কথা এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলকে জানিয়েছিলেন। এরপর বিমানটি দ্রুত উচ্চতা হারাতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই রাডারের বাইরে চলে যায়।

উড়োজাহাজের গতিপথ পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ফ্লাইটরাডার২৪-এর প্রাথমিক তথ্যেও দেখা গেছে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে বিমানটির উচ্চতায় অস্বাভাবিক ওঠানামা হচ্ছিল। এরপর সেটি দ্রুত নিচে নামতে শুরু করে। নিখোঁজ বিমানটি পরিচালনা করছিল করাচিভিত্তিক বেসরকারি কার্গো এয়ারলাইন কে–টু এয়ারওয়েজ। প্রতিষ্ঠানটি ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে। বুধবার এক বিবৃতিতে কে–টু এয়ারওয়েজ জানায়, বিমানে থাকা পাঁচজন ক্রুর পরিচয় নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে তাদের পরিবারের প্রতি সম্মান দেখিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। প্রতিষ্ঠানটি আরো জানায়, নিখোঁজ বিমান উদ্ধারে পাকিস্তান বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং সংশ্লিষ্ট সব সরকারি সংস্থার সঙ্গে তারা পূর্ণ সহযোগিতা করছে। বিবৃতিতে বলা হয়, প্রতিষ্ঠানের সবাই পাঁচজন ক্রুর নিরাপদে ফিরে আসার জন্য প্রার্থনা করছেন।

এদিকে পাকিস্তানের বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নিখোঁজ বিমানটির সন্ধানে করাচি উপকূল ও আশপাশের সমুদ্র এলাকায় ব্যাপক তল্লাশি চালানো হচ্ছে। এই অভিযানে নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থা অংশ নিয়েছে। পাকিস্তানে সর্বশেষ বড় ধরনের বিমান দুর্ঘটনা ঘটে ২০২০ সালে। সে সময় পাকিস্তান ইন্টারন্যাশনাল এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ যাত্রীবাহী বিমান করাচি বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়। ওই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকা ৯৯ জনের মধ্যে ৯৭ জন নিহত হন। মাত্র দুজন যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান।

কেন ইরাকে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ?

অনলাইন ডেস্ক
কেন ইরাকে নেওয়া হলো খামেনির মরদেহ?
ছবি : রয়টার্স

মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় নিহত ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির কফিন এখন ইরাকে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে খামেনির মরদেহবাহী বিমানটি পবিত্র নাজাফ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছালে সেখানে এক আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। বিমানবন্দরে ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলী আল-জাইদি ও ইরানের রাষ্ট্রপতি মাসুদ পেজেশকিয়ান যৌথভাবে মরদেহটি গ্রহণ করেন। বুধবার (৮ জুলাই) সকাল থেকেই নাজাফের রাস্তায় প্রয়াত এই নেতাকে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখো শিয়া মুসলমানের ঢল নামে।

কেন খামেনির কফিন ইরাকে নেওয়া হলো?
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দাফন ইরানে হওয়ার কথা থাকলেও তার কফিন বিশেষভাবে ইরাকে নিয়ে আসার পেছনে দুইটি বড় কারণ রয়েছে। শিয়া মুসলমানদের কাছে ইরাকের নাজাফ ও কারবালা সবচেয়ে পবিত্র তীর্থস্থান। নাজাফে ইসলামের চতুর্থ খলিফা ও ইমাম হযরত আলী (রা.) এবং কারবালায় ইমাম হুসাইন (রা.)-এর মাজার শরিফ অবস্থিত। একজন শীর্ষ শিয়া ধর্মগুরু হিসেবে খামেনিকে ইসলামের এই পুণ্যভূমিতে এনে সর্বোচ্চ ধর্মীয় শ্রদ্ধা ও বিদায় জানানো হচ্ছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি খামেনি নিহত হওয়ার পর মধ্যপ্রাচ্যে যে যুদ্ধাবস্থা তৈরি হয়েছে, তার বিপরীতে ইরান ও ইরাক নিজেদের অভিন্ন ‘আধ্যাত্মিক ও রাজনৈতিক বন্ধন’ বিশ্বমঞ্চে প্রদর্শন করতে চায়। ইরানের কুদস ফোর্সের প্রধান ইসমাইল কানি স্পষ্ট করে বলেছেন, এই যৌথ আয়োজন দুই মহান জাতির গভীর সম্পর্ককে প্রমাণ করে। কারবালার রাস্তায় খামেনির ছবির নিচে বড় ব্যানারে লেখা হয়েছে—‘যিনি আমেরিকাকে অপমান করেছেন।’

হাজার হাজার মানুষের সমাগমকে কেন্দ্র করে ইরাকের কর্তৃপক্ষ নাজাফজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেছে। শোকযাত্রার পুরো পথজুড়ে সাধারণ মানুষের জন্য খাবার ও পানীয়ের শত শত স্বেচ্ছাসেবী স্টল বসানো হয়েছে। নাজাফের আনুষ্ঠানিকতা শেষে কফিনটি বিমানযোগে ৬০ কিলোমিটার দূরে কারবালা শহরে নেওয়া হবে। সেখানে ইমাম হুসাইনের মাজারে আরেকটি ঐতিহাসিক শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হবে।

টানা ছয় দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক শোকযাত্রার অংশ হিসেবে খামেনির কফিনটি প্রথমে তেহরান ও কোম শহর ঘুরে ইরাকে আনা হয়। ইরাকের নাজাফ ও কারবালার ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে এই সপ্তাহের শেষভাগে কফিনটি পুনরায় ইরানে ফিরিয়ে নেওয়া হবে এবং বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) তার নিজ শহর মাশহাদে দাফন সম্পন্ন হবে।

উল্লেখ যে, ১৯৮০-এর দশকে সাদ্দাম হোসেনের শাসনামলে ইরান ও ইরাকের মধ্যে তুমুল যুদ্ধ হলেও, ২০০৩ সালে সাদ্দামের পতনের পর ইরাকে শিয়া-প্রধান সরকার ক্ষমতায় আসলে দুই দেশ ঘনিষ্ঠ মিত্রে পরিণত হয়।

তুরস্ককের কাছে ট্রাম্পের এফ-৩৫ বিক্রির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেন নেতানিয়াহু

অনলাইন ডেস্ক
তুরস্ককের কাছে ট্রাম্পের এফ-৩৫ বিক্রির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলেন নেতানিয়াহু
ছবি: রয়টার্স

তুরস্কের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির সম্ভাবনার বিরোধিতা করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। তিনি সতর্ক করে বলেছেন, তাদেরকে এই যুদ্ধবিমান দিলে মধ্যপ্রাচ্যের সামরিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তুরস্কের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের বার্তা দিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্কের ওপর আরোপ করা মার্কিন নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন। সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন যেন তুরস্কের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে উন্নত এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির অনুমোদন না দেওয়া হয়। নেতানিয়াহুর দাবি, শুধু এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রি করলেই তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ মিত্র হয়ে উঠবে না। তিনি বলেন, তুরস্ক বর্তমানে এমন একটি সরকারের অধীনে রয়েছে, যেটি মুসলিম ব্রাদারহুডের প্রভাবের সঙ্গে যুক্ত। তার দাবি, এই সংগঠন যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধী। নেতানিয়াহু আরো বলেন, তুরস্কের বর্তমান নেতৃত্ব যুক্তরাষ্ট্রের আদর্শ মিত্র নয়। তার অভিযোগ, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ইসরায়েলকে ধ্বংস করার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেন, তুরস্ককে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান দেওয়া হলে এর প্রভাব শুধু দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, পুরো মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে এর প্রভাব পড়বে। নেতানিয়াহুর ভাষায়, 'এই ক্ষমতা এমন একটি দেশের হাতে তুলে দিলে আগ্রাসনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।' 
 
নেতানিয়াহুর এই বক্তব্য আসে ন্যাটো সম্মেলনে যোগ দিতে ট্রাম্পের তুরস্ক সফরের সময়। সফরের সময় ট্রাম্প ঘোষণা দেন, রাশিয়ার এস-৪০০ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, রাশিয়ার তৈরি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কেনার কারণে তুরস্ককে এফ-৩৫ কর্মসূচি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে বৈঠকের আগে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, বন্ধু দেশগুলোর ওপর নিষেধাজ্ঞা রাখা যুক্তরাষ্ট্রের উদ্দেশ্য নয়। তিনি বলেন, 'আমরা নিষেধাজ্ঞা তুলে নিচ্ছি। এখন সময় এসেছে।'

ট্রাম্প তুরস্কের কাছে এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান বিক্রির বিষয়েও ইতিবাচক মনোভাব দেখান। তিনি বলেন, তুরস্কের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বর্তমানে আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় ভালো। এস-৪০০ ব্যবস্থা এখনো তুরস্কের কাছে থাকা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে ট্রাম্প বলেন, এ মুহূর্তে এ নিয়ে তার বড় কোনো উদ্বেগ নেই। তিনি এরদোয়ানের প্রশংসা করে বলেন, তুর্কি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার ভালো বোঝাপড়া রয়েছে। তিনি তুরস্ককে যুক্তরাষ্ট্রের 'অসাধারণ মিত্র' বলেও উল্লেখ করেন। ট্রাম্প জানান, তুরস্ককে আবার এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান কর্মসূচিতে যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। তিনি বলেন, অনেক ক্ষেত্রে তুরস্ক এমন কিছু দেশের চেয়েও বেশি বিশ্বস্ত, যাদের যুক্তরাষ্ট্র ঘনিষ্ঠ মিত্র মনে করে। ট্রাম্প এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানকে বিশ্বের অন্যতম সেরা যুদ্ধবিমান হিসেবে উল্লেখ করেন। এরদোয়ান বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এ বিষয়ে আগে আলোচনা হয়েছে এবং তুরস্ক ইতিবাচক সিদ্ধান্তের আশা করছে। তিনি বলেন, অতীতে তুরস্ককে পাঁচটি যুদ্ধবিমান দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। ট্রাম্প তার প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেন বলেও তিনি মন্তব্য করেন। 
  
তুরস্ককে এফ-৩৫ বিক্রির বিরোধিতা করলেও ট্রাম্পের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি হয়েছে- এমন ধারণা প্রত্যাখ্যান করেছেন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ দেখেন এবং তিনি ইসরায়েলের স্বার্থ দেখেন। দুই দেশের স্বার্থ বেশির ভাগ সময় একসঙ্গেই মিলে যায়। নেতানিয়াহু বলেন, দুই নেতা এখনো ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছেন।