• ই-পেপার

ফ্রান্স-প্যারাগুয়ের বিতর্কে ভরা ম্যাচ দেখল ফুটবল বিশ্ব

উইম্বলডনে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সিওনতেককে হারিয়ে চমক ইয়ালার

ক্রীড়া ডেস্ক
উইম্বলডনে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন সিওনতেককে হারিয়ে চমক ইয়ালার

উইম্বলডনে তৃতীয় রাউন্ডে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন ইগা সিওনতেককে হারিয়ে এক ঐতিহাসিক জয় পেয়েছেন ফিলিপাইনের আলেকজান্দ্রা ইয়ালা। পোল্যান্ডের টেনিস নারীকে ৭-৬ (১১-৯), ৬-২ স্কোরে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে ফিলিপাইনের ২১ বছর বয়সী এই টেনিস তারকা। অবিস্মরণীয় জয়ের পর আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন এই টেনিস নারী। জয়কে  উৎসর্গ করেন তাঁর শৈশব এবং বিশ্বের সেইসব সাধারণ মেয়েদের প্রতি, যারা বড় স্বপ্ন দেখার সাহস বুনছে।

ওপেন এরাতে প্রথম ফিলিপিনো খেলোয়াড় হিসেবে গ্র্যান্ড স্ল্যামের কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে ইতিহাস গড়ার পর ম্যাচ-পরবর্তী সাক্ষাৎকারে এই আবেগময় মন্তব্যটি করেন তিনি।

জয়ের পর সাংবাদিকরা ইয়ালাকে যখন জিজ্ঞেস করা হয় এই জয়ের অনুভূতি কী? অশ্রুসিক্ত চোখে ইয়ালা বলেন, ‘স্কুল শেষে প্রতিদিন আমি আমার কুঁচকানো মোজা, আলো জ্বলা জুতো আর ফোলা ফোলা গাল নিয়ে অনুশীলন করতে যেতাম—সেই ছোট্ট আমার কাছে আজকের এই অর্জনই সবকিছু... এই জয় আমার দেশের মানুষ, আমার পরিবার এবং পৃথিবীর সেইসব ছোট্ট মেয়েদের জন্য, যারা কুঁচকানো মোজা পরে আর যাদের ফোলা ফোলা গাল রয়েছে।’

রাফা নাদাল টেনিস একাডেমি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেছেন আলেকজান্দ্রা ইয়ালা। ৩ বছর আগে তাঁর গ্র্যাজুয়েশন অনুষ্ঠানে স্বয়ং ইগা সিওনতেক উপস্থিত থেকে তরুণ খেলোয়াড়দের ভবিষ্যতের যেকোনো কাজে শতভাগ দেওয়ার জন্য অনুপ্রাণিত করেছিলেন। তিন বছর পর, সেই সিওনতেককেই উইম্বলডনের সেন্টার কোর্টে হারিয়ে ইয়ালা চমক সৃষ্টি করলেন।

এই অবিস্মরণীয় জয়ের পর পরবর্তী কোয়ার্টার ফাইনাল পর্বের লড়াইয়ে আলেকজান্দ্রা ইয়ালা ইতালির জ্যাসমিন পাওলিনির মুখোমুখি হবেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে রিতা ওরার শো নিয়ে অসন্তুষ্ট ইংল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালে রিতা ওরার শো নিয়ে অসন্তুষ্ট ইংল্যান্ড

আইসিসি নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে পারফর্ম করবেন পপ তারকা রিতা ওরার। অনুষ্ঠানটি ম্যাচ শুরুর ঘণ্টাখানেক আগে হওয়ায় দলের ওয়ার্ম-আপে ব্যাঘাত ঘটায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছে ইংল্যান্ড। 

রবিবার (৫ জুলাই) ক্রিকেটের মক্কা খ্যাত লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি হওয়ার আগে এই পরিস্থিতির তৈরি হয়। ম্যাচটি স্থানীয় সাড়ে ৩টায় শুরু হবে। 

ম্যাচের আগে স্থানীয় সময় দুপুর আড়াইটা থেকে তিনটা পর্যন্ত মূল মাঠের আউটফিল্ডে অনুষ্ঠানটি চলবে। এর ফলে ম্যাচ শুরুর ঠিক ৩০ মিনিট আগে ক্রিকেটাররা মূল উইকেটের পাশে বোলিং অনুশীলন ও রান-আপ মার্ক করার জন্য পর্যাপ্ত সময় পাচ্ছেন না।

অনুষ্ঠান চলাকালীন খেলোয়াড়দের মূল মাঠের পরিবর্তে পাশের ‘নার্সারি গ্রাউন্ডে’ অনুশীলন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। যা সাধারণত কেবল নেট প্র্যাকটিসের জন্য ব্যবহৃত হয়।

ইংল্যান্ড দলের পক্ষ থেকে আপত্তির পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) শেষ মুহূর্তে নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রিতা ওরার পারফরম্যান্স শুরু হওয়ার আগেও বোলারদের মূল মাঠে গিয়ে রান-আপ মার্ক করা এবং বোলিং অনুশীলনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। যাতে তাদের প্রস্তুতিতে বড় কোনো ঘাটতি না থাকে।

অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক সোফি মোলিনাক্স বিষয়টিকে বেশ হালকাভাবেই নিয়েছেন। রিতা ওরার উপস্থিতিকে স্বাগত জানিয়ে রসিকতাও করেছেন অজি অধিনায়ক।

তিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবেন কেইনরা

ক্রীড়া ডেস্ক
তিন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবেন কেইনরা

মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় বিশ্বকাপের শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড। গ্রুপ পর্বে ঘানা ছাড়া বাকি তিন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে সহজ জয় পেয়েছে থ্রি-লায়ন্সরা। হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, অ্যান্থনি গর্ডন, ডেকলান রাইসরা বেশ কার্যকর ভূমিকা রেখেছে। বিশ্বকাপে দু’দলের একমাত্র সাক্ষাতেও ২-০ জিতেছিল ইংলিশরা। তবে স্বাগতিক হিসেবে মেক্সিকোর বিশ্বকাপ-পরিসংখ্যানকে আকর্ষণীয় বললেও কম বলা হয়। সবমিলিয়ে শেষ সাত ম্যাচে ভাঙেনি তাদের রক্ষণ। এরমধ্যে এবারের টানা চার ম্যাচের সঙ্গে রয়েছে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের তিনটে ম্যাচও।
 
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, চার দশক আগে ’৮৬ বিশ্বকাপেই শেষবার কোয়ার্টার ফাইনালে গিয়েছিল মেক্সিকো। যেখানে পশ্চিম জার্মানির কাছে হারে টাইব্রেকারে। এবারো রাউল জিমেনেজ, জুলিয়ান কুইনোনেস, সিজার মন্টেস, রাউলরা রীতিমতো অপ্রতিরোধ্য করে তুলেছেন মেক্সিকোকে। 

ফলে চার দশক পর ফের শেষ আটে পা রাখা নিয়ে আশাবাদী অন্যতম আয়োজকরা। তবে কোচ জেভিয়ার আগুইরের দলই যে ইংল্যান্ডের একমাত্র প্রতিপক্ষ, এমনটা নয়। আরো তিন সমস্যা বা প্রতিপক্ষের সঙ্গে টক্কর দিতে হবে টুখেলদের। প্রথমেই উল্লেখ করা হয়েছে সেই ‘ত্রয়ীর’ কথা।

প্রথমত, ইতিহাস। মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজতেকায় খেলা শেষ ম্যাচটা ইংল্যান্ডের জন্য সুখকর নয়। চল্লিশ বছর আগে এই মাঠেই সাক্ষী থেকেছিল দিয়েগো মারাদোনার ‘হ্যান্ড অফ গড’ আর ‘গোল অব দ্য সেঞ্চুরির’। আর হেরে স্বপ্ন ভঙ্গ নিয়ে মাঠ ছেড়েছিলেন কেন-রাইস-গর্ডনদের পূর্বসূরি গ্যারি লিনেকাররা। চার দশক পর সেই মাঠে পা রাখার আগে যে ইতিহাস নতুন করে ভোগাচ্ছে ইংল্যান্ডকে।

দ্বিতীয়ত, বিরূপ আবহাওয়া। স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় ম্যাচ হওয়ার কথা। গত কয়েকদিন ধরে ঠিক যে সময়টা শহরে বজ্রবিদ্যুৎসহ ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে। যে কারণে ফিফার থেকে ম্যাচটা সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা এগিয়ে আনার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে তা বাতিল করেছে দুই পক্ষ। ফলে সময় পরিবর্তন না হলেও সূচি মেনে ম্যাচ শুরু হওয়া নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন রয়েছে। শেষ ৩২ এ মেক্সিকো-ইকুয়েডর ম্যাচে যেমন ঘণ্টা খানেক দেরি হয়েছে। তাছাড়া এবার চারটে ম্যাচই আমেরিকার বিভিন্ন শহরে খেলেছে ইংল্যান্ড। সেখান থেকে আজতেকা অনেকটাই উঁচু। ফলে মাঠে অক্সিজেনের অভাবের সঙ্গেও লড়তে হবে কেইনদের। যা নিয়ে আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন কোচ টুখেল।

তৃতীয়ত, প্রতিপক্ষ সমর্থক। এমনিতে মেক্সিকানরা অতিথিবৎসল। সে দেশে বেস ক্যাম্প করা ইরানকে যেমন বেশ আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন তাঁরা। কিন্তু প্রতিপক্ষের প্রতি ততটাই নির্মম। যা টের পেয়েছে ইকুয়েডর। ম্যাচের আগে সারা রাত লাতিন দেশটির টিম হোটেলের বাইরে চড়া লাউডস্পিকার, মোটরবাইকের হর্ন আর শব্দবাজি নিয়ে রীতিমতো ‘উৎসব’ করেছে মেক্সিকান জনতা। যাতে নষ্ট হয়েছে ফুটবলারদের ঘুম। গ্রুপ পর্বে জার্মানিকে হারানো মোজেস কাইসেদোদের বেশ সাদামাটা দেখিয়েছে মেক্সিকোর বিরুদ্ধে। মাঠে নামার আগে টুখেলের দলকেও সেই ‘নরকযন্ত্রণা’ দেওয়ার নকশা তৈরি করা হয়েছে। ইংল্যান্ড টিম ম্যানেজমেন্ট নিজেদের হোটেল সংক্রান্ত তথ্য গোপন করা চেষ্টা করেছিল বটে। তবে যা খবর, ছক ব্যর্থ করে ফাঁস হয়েছে হোটেলের নাম। তাই ফুটবলারদের ঘুম নিশ্চিত করতে ভিন্ন পরিকল্পনা নিয়েছে তারা।

অবশ্য মেক্সিকোর মাঠে টুখেলদের সেই পরিকল্পনা কতটা কার্যকর হবে, তা অবশ্য স্পষ্ট হয়ে যাবে ম্যাচেই।

মিসরের বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনতে পারেন স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক
মিসরের বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনতে পারেন স্কালোনি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আগামী ৭ জুলাই মিসরের মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কেপভার্দের বিপক্ষে দলের তিন লাইনে সমস্যা ধরা পড়েছে আর্জেন্টিনার। তাই মিসরের বিপক্ষে প্রতিটি লাইনেই পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে আর্জেন্টিনার। এমন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। তবে আগামী রবিবার শেষ অনুশীলনের পরই চূড়ান্ত একাদশ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। 

টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেপ ভার্দের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ের পর বৃষ্টিরে কারণে গতকাল শনিবারের অনুশীলন বাতিল হয় আলবেসিলেস্তদের। তাই পেছনের সব ভুলে আগামী মঙ্গলবার মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াই নিয়ে ভাবতে আগ্রহী কোচ স্কালোনি। সেই ম্যাচের আগে একাদশে কোনো পরিবর্তন আনবেন কিনা? এমন গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।  

ইতিমধ্যেই এমন কিছু নাম রয়েছে যাদের দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানা গেছে। আটলান্টাই যাওয়ার আগে রবিবার শেষ অনুশীলন করবে মেসিবাহিনী। রুদ্ধদ্বার অনুশীলন পর্বের পরেই চূড়ান্ত একাদশ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। 

তবে এই মুহূর্তে খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। খুব সম্ভবত প্রতিটি লাইনে একটি করে পরিবর্তন আসবে, তবে সর্বোচ্চ তিনটি; এর চেয়ে বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

প্রথমত. সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে কে খেলবেন? কেপ ভার্দে বিপক্ষে নকআউট পর্বে শুরুর একাদশে হুলিয়ান আলভারেজই শুরু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কোচিং স্টাফরা। তবে শেষ মুহূর্তে চোট জর্জরিত এই তারকার ফিটনেস ফিরে না পাওয়ায় লাউতারো মার্তিনেজ শুরু করেন। তবে চোট থেকে পুরোপুরি ফিট থাকলে মিসরের বিপক্ষে শুরুর একাদশে থাকবেন আতলেতিকোর এই তারকা।
 
দ্বিতীয় সমস্যাটা রয়েছে লেফট-ব্যাক পজিশন নিয়ে। সেখানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন ফাকুন্দো মেদিনা। তাই তার থাকা প্রায় নিশ্চিত। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়াই মঙ্গলবারের আগে পুরোপুরি ফিট না হলে বিকল্প হিসেবে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো দলে ফিরতে পারেন। যিনি নিয়মিতভাবে আর্জেন্টিনার প্রথম একাদশে খেলেছেন। 

শেষটি হলো আক্রমণভাগে ধার বাড়াতে মিডফিল্ডে পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ। মিডে চিরচেনা বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে আগেও কয়েকবার পরিবর্তন করেছে। তাতে তেমন কাজে আসেনি। এবার দেখা যাক সেই ধার ফিরে আসে কিনা; তাতে লিয়ান্দ্রো পারেদেস এবং নিকোলাস গঞ্জালেস দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী। এতে থিয়াগো আলমাদা সম্ভবত প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়বেন।

যদি বোকা জুনিয়র্সের মিডফিল্ডারকে বেছে নেওয়া হয়। তবে তিনি মাঝমাঠের কেন্দ্রে তার স্বাভাবিক অবস্থানে খেলবেন। এতে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, যিনি পুরো বিশ্বকাপে নিজের পরিচিত জায়গা ছেড়ে ভিন্ন পজিশনে খেলছেন। নিজের পছন্দের পজিশনে ফিরে যাবেন।

অন্যদিকে, যদি গঞ্জালেস প্রথম একাদশে জায়গা করে নেন, তবে ফর্মেশনে কোনো পরিবর্তন আসবে না।  অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এই খেলোয়াড় দলে থাকলে আক্রমণে বেশ ভিন্নতা চোখে পড়ে। যা আলমাদার চেয়ে অনেক বেশি প্রাণবন্ত দেখায় আক্রমণভাগে।

তবে এসবের বাইরেও স্কালোনি হয়তো অন্য কোনো নামও বেছে নিতে পারেন। যা বর্তমানে আলোচনায় নেই, অথবা কিছু অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে পারেন। তবে যেই পরিবর্তন আনুক না কেনো, তা এই কাঠামোতে উল্লেখযোগ্যভাবে কোনো ব্যাঘাত ঘটাবে না। 

পুরোপুরি একাদশ নিয়ে বুঝতে আর কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে আর্জেন্টাইন ভক্তদের।