• ই-পেপার

কঠিন লড়াইয়ের পর শক্তি সঞ্চারে আর্জেন্টাইনরা

মিসরের বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনতে পারেন স্কালোনি

ক্রীড়া ডেস্ক
মিসরের বিপক্ষে একাদশে পরিবর্তন আনতে পারেন স্কালোনি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে আগামী ৭ জুলাই মিসরের মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। কেপভার্দের বিপক্ষে দলের তিন লাইনে সমস্যা ধরা পড়েছে আর্জেন্টিনার। তাই মিসরের বিপক্ষে প্রতিটি লাইনেই পরিবর্তনের সম্ভাবনা রয়েছে আর্জেন্টিনার। এমন গুঞ্জন চাউর হয়েছে। তবে আগামী রবিবার শেষ অনুশীলনের পরই চূড়ান্ত একাদশ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। 

টিওয়াইসি স্পোর্টসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, কেপ ভার্দের বিপক্ষে কষ্টার্জিত জয়ের পর বৃষ্টিরে কারণে গতকাল শনিবারের অনুশীলন বাতিল হয় আলবেসিলেস্তদের। তাই পেছনের সব ভুলে আগামী মঙ্গলবার মিসরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর লড়াই নিয়ে ভাবতে আগ্রহী কোচ স্কালোনি। সেই ম্যাচের আগে একাদশে কোনো পরিবর্তন আনবেন কিনা? এমন গুঞ্জন তৈরি হয়েছে।  

ইতিমধ্যেই এমন কিছু নাম রয়েছে যাদের দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানা গেছে। আটলান্টাই যাওয়ার আগে রবিবার শেষ অনুশীলন করবে মেসিবাহিনী। রুদ্ধদ্বার অনুশীলন পর্বের পরেই চূড়ান্ত একাদশ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে জানা যাবে। 

তবে এই মুহূর্তে খুব বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা নেই। খুব সম্ভবত প্রতিটি লাইনে একটি করে পরিবর্তন আসবে, তবে সর্বোচ্চ তিনটি; এর চেয়ে বেশি পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম।

প্রথমত. সেন্ট্রাল ফরোয়ার্ড হিসেবে কে খেলবেন? কেপ ভার্দে বিপক্ষে নকআউট পর্বে শুরুর একাদশে হুলিয়ান আলভারেজই শুরু সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কোচিং স্টাফরা। তবে শেষ মুহূর্তে চোট জর্জরিত এই তারকার ফিটনেস ফিরে না পাওয়ায় লাউতারো মার্তিনেজ শুরু করেন। তবে চোট থেকে পুরোপুরি ফিট থাকলে মিসরের বিপক্ষে শুরুর একাদশে থাকবেন আতলেতিকোর এই তারকা।
 
দ্বিতীয় সমস্যাটা রয়েছে লেফট-ব্যাক পজিশন নিয়ে। সেখানে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করেছেন ফাকুন্দো মেদিনা। তাই তার থাকা প্রায় নিশ্চিত। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ইনজুরি নিয়ে মাঠ ছাড়াই মঙ্গলবারের আগে পুরোপুরি ফিট না হলে বিকল্প হিসেবে নিকোলাস তাগলিয়াফিকো দলে ফিরতে পারেন। যিনি নিয়মিতভাবে আর্জেন্টিনার প্রথম একাদশে খেলেছেন। 

শেষটি হলো আক্রমণভাগে ধার বাড়াতে মিডফিল্ডে পরিবর্তন আনতে পারেন কোচ। মিডে চিরচেনা বৈচিত্র্য ফিরিয়ে আনতে আগেও কয়েকবার পরিবর্তন করেছে। তাতে তেমন কাজে আসেনি। এবার দেখা যাক সেই ধার ফিরে আসে কিনা; তাতে লিয়ান্দ্রো পারেদেস এবং নিকোলাস গঞ্জালেস দলে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থী। এতে থিয়াগো আলমাদা সম্ভবত প্রথম একাদশ থেকে বাদ পড়বেন।

যদি বোকা জুনিয়র্সের মিডফিল্ডারকে বেছে নেওয়া হয়। তবে তিনি মাঝমাঠের কেন্দ্রে তার স্বাভাবিক অবস্থানে খেলবেন। এতে অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, যিনি পুরো বিশ্বকাপে নিজের পরিচিত জায়গা ছেড়ে ভিন্ন পজিশনে খেলছেন। নিজের পছন্দের পজিশনে ফিরে যাবেন।

অন্যদিকে, যদি গঞ্জালেস প্রথম একাদশে জায়গা করে নেন, তবে ফর্মেশনে কোনো পরিবর্তন আসবে না।  অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদের এই খেলোয়াড় দলে থাকলে আক্রমণে বেশ ভিন্নতা চোখে পড়ে। যা আলমাদার চেয়ে অনেক বেশি প্রাণবন্ত দেখায় আক্রমণভাগে।

তবে এসবের বাইরেও স্কালোনি হয়তো অন্য কোনো নামও বেছে নিতে পারেন। যা বর্তমানে আলোচনায় নেই, অথবা কিছু অপ্রত্যাশিত পরিবর্তন আনতে পারেন। তবে যেই পরিবর্তন আনুক না কেনো, তা এই কাঠামোতে উল্লেখযোগ্যভাবে কোনো ব্যাঘাত ঘটাবে না। 

পুরোপুরি একাদশ নিয়ে বুঝতে আর কয়েক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে আর্জেন্টাইন ভক্তদের।

ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে জিতবে কোন দল, জানাল জ্যোতিষী বিড়াল মিলু

ক্রীড়া ডেস্ক
ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচে জিতবে কোন দল, জানাল জ্যোতিষী বিড়াল মিলু

নিজেদের সমৃদ্ধ ফুটবল ইতিহাসে এখন পর্যন্ত শুধু একটি দলকে কখনো পারেনি ব্রাজিল। দলটার নাম নরওয়ে। 

এই নরওয়ের বিপক্ষেই আজ রাতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর লড়াইয়ে নামছে ব্রাজিল। দুই দলের অতীত পরিসংখ্যান ব্রাজিলের জন্য মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ানোয় দলটির সমর্থকরা হয়তো দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন। 

তবে সমর্থকদের এবার সুসংবাদ দিয়েছে জ্যোতিষী বিড়াল মিলু। বিড়ালটির ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, আজ রাতেই প্রথমবারের মতো নরওয়েকে হারাবে ব্রাজিল এবং এই শতাব্দীর একমাত্র দল হিসেবে সব বিশ্বকাপ আসরের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার কীর্তি গড়বে। 

এবারের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের প্রতিটি ম্যাচের ফল নিয়েই আগে ভবিষ্যদ্বাণী করেছে মিলু। সেগুলো মিলেও গেছে। এ কারণেই ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের বড় একটি অংশের কাছে বিড়ালটি এখন সৌভাগ্যের প্রতীক। 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই দাবি করছেন, আগের ম্যাচগুলোতে মিলুর পূর্বাভাস তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছিল। একজন সমর্থক লিখেছেন, ‘জাপানের বিপক্ষে ব্রাজিল পিছিয়ে পড়লেও আমি মিলুর ভবিষ্যদ্বাণীর ওপর বিশ্বাস রেখেছিলাম। শেষ পর্যন্ত সেটা সত্যি হয়েছিল। তাই নরওয়ের বিপক্ষেও একই ফলের প্রত্যাশা করছি।’

মিলুর ভবিষ্যদ্বাণীর পদ্ধতি বেশ অভিনব। তার মালিক নাতান পিনহেইরো দুটি একই ধরনের বাটিতে খাবার রেখে প্রতিটির পেছনে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই দলের পতাকা লাগিয়ে দেন। এরপর মিলুকে ছেড়ে দেওয়া হয়। সে যে বাটি থেকে আগে খাবার খেতে শুরু করে, সেটিকেই সম্ভাব্য বিজয়ী দল হিসেবে ধরা হয়।

তবে এই পদ্ধতি নিয়ে অনেক বিতর্ক হয়েছে। অনেকেই অভিযোগ করেছেন, মিলুর মালিক নাতান পিনহেইরো ইচ্ছাকৃতভাবে তাকে নির্দিষ্ট বাটির দিকে পরিচালিত করেন। তবে সেই অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন পিনহেইরো।

তিনি পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিও প্রকাশ করে দেখিয়েছেন, সেখানে কোনো ধরনের কারসাজির সুযোগ নেই। তার দাবি, মিলু সম্পূর্ণ স্বাভাবিকভাবেই নিজের পছন্দ অনুযায়ী একটি বাটি নির্বাচন করে।

গতকাল (৪ জুলাই) আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে ম্যাচে ভুল ভবিষ্যদ্বাণী করার পর মিলুর সাফল্যের ধারায় প্রথম ছেদ পড়েছে। তবে ব্রাজিল-নরওয়ে ম্যাচ ঘিরে তাকে নিয়ে আবার আলোচনা শুরু হয়েছে। এখন দেখার বিষয়, মিলুর নতুন ভবিষ্যদ্বাণী বাস্তবে মিলে যায় কি না। 

মেক্সিকোকে হারাতে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট খেয়ে নামছেন কেইন-বেলিংহামরা

ক্রীড়া ডেস্ক
মেক্সিকোকে হারাতে যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট খেয়ে নামছেন কেইন-বেলিংহামরা
ভায়াগ্রা ট্যাবলেট খেয়ে মাঠে নামতে পারেন কেইন-বেলিংহামরা। ছবি: এআই দিয়ে বানানো

ঐতিহাসিক আজতেকা স্টেডিয়াম মেক্সিকোর জন্য শুধু পয়মন্ত ভেন্যুই নয়; যেন এক অভেদ্য দুর্গও। 

এই মাঠে ৮৯ ম্যাচ খেলে মাত্র ২টিতে হেরেছে মেক্সিকো; সর্বশেষ হার সেই ২০১৩ সালে। বিশ্বকাপে তো মেক্সিকানরা সেখানে এখনো অজেয়। ১০ ম্যাচ খেলেছে জয় ৮টি, ড্র ২টি।

এমন ইতিহাস মাথায় নিয়ে আগামীকাল সকালে বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে মেক্সিকোর মুখোমুখি হতে যাচ্ছে ইংল্যান্ড। আর ম্যাচটি জিততে হ্যারি কেইন-জুড বেলিংহামরা নাকি যৌন শক্তিবর্ধক ট্যাবলেট ভায়াগ্রা খেয়ে মাঠে নামতে যাচ্ছেন! ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সান এই তথ্য জানিয়েছে। 

ইংল্যান্ডের কোচ টমাস টুখেল অনুমতি দিয়েছেন বলেই চিকিৎসকদল খেলোয়াড়দের ভায়াগ্রা ট্যাবলেট খাওয়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে দ্য সানের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। 

আজকেতা স্টেডিয়াম সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৭৩৫০ ফুট বা ২২৪০ মিটার উঁচুতে অবস্থিত। এত উচ্চতায় বাতাসে অক্সিজেনের পরিমাণ তুলনামূলক কম থাকে। ফলে যেসব দলের খেলোয়াড়রা এমন পরিবেশে খেলতে অভ্যস্ত নন, তারা দ্রুত ক্লান্ত হয়ে পড়তে পারেন। স্ট্যামিনাও ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়, যা তাদের পারফরম্যান্সে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। 

Azteca
আজতেকা স্টেডিয়ামের অবস্থান সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উঁচুতে। ছবি: সংগৃহীত

এ কারণে ইংল্যান্ডের চিকিৎসকদল কয়েকটি উপায় নিয়ে কাজ করেছে। এর মধ্যে একটি হলো ভায়াগ্রা। এই ট্যাবলেট পুরুষদের যৌন অক্ষমতা বা লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যার সমাধানে বেশি ব্যবহার করা হয়। এটি রক্তনালি প্রসারিত করতে সাহায্য করে। ফলে রক্ত সঞ্চালন কিছুটা বেড়ে যায় এবং অধিক উচ্চতায় কম অক্সিজেনের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে বলে ধারণা করা হয়।

ভায়াগ্রা ব্যবহারে বাধা নেই

বিশ্ব অ্যান্টি-ডোপিং সংস্থা (ওয়াডা) ভায়াগ্রাকে নিষিদ্ধ ওষুধের তালিকায় রাখেনি। তাই প্রতিযোগিতার সময় কিংবা প্রতিযোগিতায় নামার আগে খেলোয়াড়রা এটি ব্যবহার করতে পারেন।

রক্তনালি ও রক্তসঞ্চালনের ওপর এর প্রভাবের কারণে ওয়াডা বিষয়টি নিয়ে দীর্ঘদিন গবেষণা করেছে। এটি খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স বাড়ায়—এমন দাবি এখনো প্রতিষ্ঠিত নয়। তবে বেশি উচ্চতায়, বিশেষ করে যেখানে অক্সিজেন কম থাকে, সেখানে শরীরকে মানিয়ে নিতে ভায়াগ্রা কিছুটা সহায়তা করে থাকে বলে ধারণা করা হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬

মিসরের সাফল্যের গল্প লিখছেন যমজ ভাই হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসান

ক্রীড়া প্রতিবেদক
মিসরের সাফল্যের গল্প লিখছেন যমজ ভাই হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসান
মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান (বাঁয়ে) ও সহকারী কোচ ইব্রাহিম হাসান। ছবি : এক্স

মাঠে একজন দাঁড়িয়ে থাকেন টাচলাইনের একেবারে সামনে। কখনো হাত নেড়ে খেলোয়াড়দের নির্দেশনা দেন, কখনো রেফারির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ ঝাড়েন, আবার গোল হলে মুষ্টিবদ্ধ হাতে উদযাপন করেন।

তার ঠিক পাশেই আরেকজন। তিনি কখনো খেলোয়াড়দের ডেকে বার্তা দেন, কখনো বেঞ্চে বসা ফুটবলারদের প্রস্তুত করেন। একজন প্রধান কোচ, অন্যজন সহকারী। তবে সম্পর্কটা শুধু সহকর্মীর নয়, তারা দুজন যমজ ভাই—হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসান।

হোসাম মিসরের প্রধান কোচ, আর ইব্রাহিম তার সহকারী। এবারের বিশ্বকাপে মিসরের সাফল্যের অন্যতম কারিগরও তারাই।

বিশ্ব ফুটবলে ভাইদের একসঙ্গে খেলার উদাহরণ অনেক। তবে খেলোয়াড়ি জীবন শেষে একসঙ্গে জাতীয় দলের কোচিং স্টাফে থাকার ঘটনা খুবই বিরল।

Egypt
খেলোয়াড়িজীবনে যমজ দুই ভাই দেশের হয়ে একসঙ্গে ট্রফি জিতেছেন। ছবি : সংগৃহীত

১৯৬৬ সালের ১০ আগস্ট কায়রোর হেলওয়ান এলাকায় জন্ম তাদের। ছোটবেলায় আর্থিকভাবে খুব সচ্ছল ছিলেন না। ফুটবলই জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিল। ১৩ বছর বয়সে দুজনই যোগ দেন আল আহলি এসসি একাডেমিতে। সেখান থেকেই শুরু।

খেলোয়াড়ি জীবনেও তারা ছিলেন একজন আরেকজনের ছায়া। হোসাম ছিলেন স্ট্রাইকার, ইব্রাহিম ডিফেন্ডার। একসঙ্গে খেলেছেন আল আহলি, গ্রিসের পিএওকে এফসি, সুইজারল্যান্ডের নিউশাতেল জ্যামাক্স এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের আল আইন এফসিতে।

১৯৯০ বিশ্বকাপে মিসরের জার্সিতে পাশাপাশি খেলেছিলেন এই যমজ ভাই। ৬৮ গোল করা হোসাম এখনো মিসরের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা।

খেলোয়াড়ি জীবন শেষ হওয়ার পরও দুজন আলাদা হননি। মিসরের বিভিন্ন ক্লাব, এমনকি একসঙ্গে ছিলেন জর্দান জাতীয় দলের দায়িত্বেও।

২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে মিসর জাতীয় দলের দায়িত্ব দেওয়া হয় দুই ভাইকে। এর পর থেকেই বদলে যেতে শুরু করে পিরামিডের দেশটির ফুটবল। দুজনের ছোঁয়ায় বিশ্বকাপের বাছাই পর্বের বাধা সহজেই উতরে যায় গত বিশ্বকাপ খেলতে না পারা দলটি।

আর এখন তো তাদের দল বিশ্বকাপের মূল পর্বের শেষ ষোলোতেই উঠে গেছে। আগামী মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মিসরের প্রতিপক্ষ বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।