• ই-পেপার

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, সকালে ঢাকার বায়ুমানের খবর কী

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ড. আব্দুল্লাহ জাফর এইচ. বিন আবিয়া।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান আল সৌদের একটি চিঠি প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন সৌদি রাষ্ট্রদূত। এছাড়া দুই দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।


 
এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং ঢাকায় নিযুক্ত সৌদি আরবের উপ-রাষ্ট্রদূত ইব্রাহিম আবদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। 

এক ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ, আজ বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক
এক ধাপে পে স্কেল বাস্তবায়নের সুপারিশ, আজ বৈঠক

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল একবারে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। কারণ, নতুন বেতনকাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়ন হলে আইবাস সিস্টেমে (অনলাইনে বেতন নির্ধারণী) সমন্বয় করা কঠিন হবে। পে স্কেল একবারে বাস্তবায়ন করা হলেও কমিশনের সুপারিশের চেয়ে বেতনের হার কমানো হতে পারে। অর্থ বিভাগ সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। 

সোমবার (৬ জুলাই) বেতন কমিশনের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে সরকারের জন্য চূড়ান্ত সুপারিশ তৈরিতে গঠিত কমিটির সভা সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সভায় সভাপতিত্ব করবেন মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনি।   

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতনকাঠামো দুই ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা করছিল সরকার। দুই ধাপে বাস্তবায়ন হলে আইবাস সিস্টেমে জটিলতা তৈরি হবে। এ ছাড়া দুই ধাপে এ কাজ বাস্তবায়ন করতে গেলে টাকা খরচ হবে বেশি। চাকরিজীবীর মধ্যে অসন্তোষ বাড়তে পারে। 

জানা যায়, বর্তমানে অষ্টম বেতন কাঠামোয় সর্বনিম্ন মূল বেতন আট হাজার ২৫০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৭৮ হাজার টাকা। নবম বেতন কমিশন সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার এবং সর্বোচ্চ এক লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছে। 

অর্থ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ১ থেকে ৯ম গ্রেড পর্যন্ত বেতন বাড়তে পারে ৬০-৭০ শতাংশ, আর ১০ম থেকে ২০তম গ্রেড পর্যন্ত ৯০-১০০ শতাংশ। 

বৈঠকে কমিশনের বিভিন্ন প্রস্তাবের আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সময়সূচি, পর্যায়ক্রমিক বেতন সমন্বয় এবং বিভিন্ন ক্যাডার ও শ্রেণির মধ্যে ভারসাম্য রক্ষার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে। কমিশনের সুপারিশগুলো পর্যালোচনা করে কোন কোন প্রস্তাব সরকার গ্রহণ করবে, কোথায় সংশোধন আনবে এবং বাস্তবায়নের রোডম্যাপ কী হবে– এসব বিষয়ে অগ্রগতি হতে পারে। বিশেষ করে বেতন বাড়ার হার কত হবে এ বিষয়ে আজ বিস্তারিত আলোচনা হতে পারে। তবে এই বৈঠকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। ১ জুলাই থেকে নতুন কাঠামোর মূল বেতন কার্যকর হতে পারে। তবে ভাতা কার্যকর হবে ২০২৭-২৮ অর্থবছর থেকে।

এদিকে বেতন কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনায় ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদসচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়। কমিটিতে আছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, অর্থসচিব, জনপ্রশাসনসচিব, আইনসচিব, প্রতিরক্ষাসচিব, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষাসচিব, স্বাস্থ্যসেবাসচিব, সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার এবং হিসাব মহানিয়ন্ত্রক।

কমিটির মূল দায়িত্ব হলো– জাতীয় বেতন কমিশন ২০২৫, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস পে কমিশন ২০২৫ এবং সশস্ত্র বাহিনী বেতন কমিটি ২০২৫-এর দাখিল করা প্রতিবেদনগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পরবর্তী কার্যক্রমের জন্য সুপারিশ করা। কমিটি যথাসময়ে সরকারের কাছে প্রতিবেদন দেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী পে স্কেল চূড়ান্ত করবেন।

আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মচারী অ্যাসোসিয়েশনের সমন্বয়ক নজরুল ইসলাম বলেন, সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেল প্রথম বছরেই বাস্তবায়ন করতে হবে। সেটা না হলে তাদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ তৈরি হতে পারে। যে উদ্দেশ্যে বেতন বাড়ানো হচ্ছে, সেটা পূরণ হবে না। বিশেষ করে ১০ থেকে ২০ গ্রেডের কর্মচারীর জন্য কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

নতুন দায়িত্বে আইন, জ্বালানি ও বাণিজ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
নতুন দায়িত্বে আইন, জ্বালানি ও বাণিজ্যমন্ত্রী

সরকারি ক্রয় কার্যক্রমকে অধিকতর ফলপ্রসূ ও অর্থবহ করতে কমিটি পুনর্গঠন করেছে সরকার। কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। গতকাল রবিবার (৫ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

এই কমিটির কাজ বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কমিটি অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবে।

পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন (পিপিএ), ২০০৬ ও পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা (পিপিআর), ২০২৫ এর অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি এবং সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির আওতাভুক্ত অংশ পর্যালোচনাসহ অধিকতর কার্যকর করার বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন এবং অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি কর্তৃক অর্পিত হবে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ; শিল্প, বস্ত্র ও পাট এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির; জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ; নৌপরিবহন এবং সেতু প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান; স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম; মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি; অর্থ বিভাগের সচিব ড. মো. খায়েরুজ্জামান মজুমদার;  বাংলাদেশ পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অথরিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এস. এম. মঈন উদ্দীন আহমেদ।

বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কেনায় বিটিভির ৭৩ কোটি টাকার ভ্যাট মওকুফ

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপ সম্প্রচারস্বত্ব কেনায় বিটিভির ৭৩ কোটি টাকার ভ্যাট মওকুফ

দেশের মানুষকে বিশ্বকাপ ফুটবল উপভোগের সুযোগ করে দিতে বাংলাদেশ টেলিভিশনকে (বিটিভি) রাজস্ব ছাড় দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। বিটিভি কর্তৃক এ বিশ্বকাপের প্রচারস্বত্ব ক্রয়ের বিপরীতে প্রযোজ্য মূল্য সংযোজন কর (মূসক/ভ্যাট) অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এ কথা জানানো হয়। প্রজ্ঞাপনটি বাংলাদেশ গেজেটে প্রকাশিত হয়েছে। 

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এ ভ্যাট অব্যাহতি সুবিধা শুধু বিটিভির প্রচারস্বত্ব ক্রয়ের ব্যয়ের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। তবে কোনো সাব-লাইসেন্সি (ওটিটি প্ল্যাটফর্ম) প্রতিষ্ঠান এই সুবিধা পাবে না। 

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়েছে, অর্থ পরিশোধের ১০ দিনের মধ্যে যাবতীয় হিসাব বিবরণী সংশ্লিষ্ট মূসক কমিশনারেটকে জানাতে হবে। শর্ত ভঙ্গ হলে ভ্যাট আইনানুগভাবে আদায় করা হবে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার বিটিভি সরাসরি ফিফার কাছ থেকে সম্প্রচারস্বত্ব কিনেছে। এতে ব্যয় হচ্ছে ৭৩ কোটি টাকা, যা আগের বিশ্বকাপের তুলনায় প্রায় ২৫ কোটি টাকা কম। গত ৭ জুন সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির সভায় এ ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।