• ই-পেপার

আদমদীঘি

লাইসেন্স নবায়ন না করায় হ্যাচারি মালিককে ৭৫ হাজার টাকা জরিমানা

নওগাঁ

মাদকাসক্ত ছেলের ইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু

নওগাঁ প্রতিনিধি
মাদকাসক্ত ছেলের ইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

নওগাঁয় মাদকাসক্ত ছেলের ইটের আঘাতে মহাতাব সরকার (৬২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত সুমন পলাতক রয়েছেন।  

সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে নওগাঁ শহরের বনানীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহাতাব সরকার পেশায় একজন রিকশা চালক ছিলেন। 

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সুমন গত কয়েক বছর আগে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সংসারে প্রায় ঝগড়া হতো পরিবারের সঙ্গে। রবিবার রাতে সুমনের ঘুম না আসলে বাবা দোয়া পড়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। মাথায় হাত দেওয়ায় বাবাকে মারধর এবং মাথা ইটের আঘাতে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে  সুমন পলাতক রয়েছেন। 

নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার পর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে ঘাতক সুমন পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

নওগাঁ

মাদকাসক্ত ছেলের ইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু

নওগাঁ প্রতিনিধি
মাদকাসক্ত ছেলের ইটের আঘাতে বাবার মৃত্যু
সংগৃহীত ছবি

নওগাঁয় মাদকাসক্ত ছেলের ইটের আঘাতে মহাতাব সরকার (৬২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পর অভিযুক্ত সুমন পলাতক রয়েছেন।  

সোমবার (৬ জুলাই) ভোরে নওগাঁ শহরের বনানীপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত মহাতাব সরকার পেশায় একজন রিকশা চালক ছিলেন। 

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, সুমন গত কয়েক বছর আগে মাদকের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সংসারে প্রায় ঝগড়া হতো পরিবারের সঙ্গে। রবিবার রাতে সুমনের ঘুম না আসলে বাবা দোয়া পড়ে মাথায় হাত বুলিয়ে দেয়। মাথায় হাত দেওয়ায় বাবাকে মারধর এবং মাথা ইটের আঘাতে তার মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে সকালে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর থেকে  সুমন পলাতক রয়েছেন। 

নওগাঁ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ঘটনার পর নিহতের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে ঘটনার পর থেকে ঘাতক সুমন পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের চেষ্টা চলছে।’

নড়াইল

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘরের ওপর উল্টে পড়ল ট্রাক, ঘুমন্ত কিশোরী নিহত

নড়াইল প্রতিনিধি
নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ঘরের ওপর উল্টে পড়ল ট্রাক, ঘুমন্ত কিশোরী নিহত
ছবি: কালের কণ্ঠ

নড়াইলের লোহাগড়া উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাথরবোঝাই একটি ট্রাক সড়কের পাশের একটি বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ে ঘরে ঘুমিয়ে থাকা ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরী চাপা পড়ে মারা গেছে। রবিবার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক ১২টার দিকে উপজেলায় নলদি বাজার সংলগ্ন নলদি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই কিশোরীর ছোট বোন আহত হয়েছে।

নিহত কিশোরীর নাম শামিমা আক্তার সেতু (১৫)। ও আহত তার আপন বোন মিতু (১৩)। তারা নলদি ইউনিয়নের নলদি গ্রামের স্থানীয় কাঁচামাল ব্যবসায়ী মো. হাফিজার মোল্যা মেয়ে। নিহত শামিমা স্থানীয় নলদি বি এস এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রবিবার রাতে একটি পাথরবোঝাই ট্রাক লোহাগড়া উপজেলার মিঠাপুর হয়ে ব্রাহ্মণডাঙ্গার দিকে যাচ্ছিল। পথিমধ্যে সেতু নির্মাণের কাজ হওয়ায় রাস্তা ভুলে নলদি গ্রামীণ সড়কে ডুকে পড়ে ট্রাকটি। রাস্তা সরু হওয়ায় ট্রাকটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশের বসতঘরের ওপর উল্টে পড়ে। এসময় ঘরের ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা কিশোরী শামিমা ও তার বোন মিতু ট্রাক ও পাথরের নিচে চাপা পড়ে। 

দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোক ছুটে এসে তাদের উদ্ধার কাজ শুরু করেন। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় ট্রাকের অংশ ও পাথর সরিয়ে কিশোরীর শামিমার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এবং তার আপন বোনকে মারাত্মক আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। 

লোহাগড়া থানার ওসি আব্দুর রহমান বলেন, ‘দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছেন। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবার থেকে এখনো পর্যন্ত কোনো মামলা করা হয়নি। তবে ঘটনার সঙ্গে ট্রাকচালক পালিয়ে যাওয়ায় তাকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’

হত্যার পর বাবার ফোন থেকে মেয়ের নম্বরে কল

ময়মনসিংহ প্রতিনিধি
হত্যার পর বাবার ফোন থেকে মেয়ের নম্বরে কল
সংগৃহীত ছবি

ময়মনসিংহের গৌরীপুরে দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে আব্দুল বারেক আকন্দ ওরফে মজনু মুন্সি (৫৫) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। রবিবার (৫ জুলাই) রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে স্থানীয় বয়ড়া বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে চন্দ্রপাড়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৌরীপুর উপজেলার ৯ নম্বর ভাংনামারী ইউনিয়নের দুর্বারচর গ্রামের মৃত আব্বাস আলী আকন্দের ছেলে। তার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।

জানা গেছে, রবিবার নিহতের মোবাইল নম্বর থেকে তার মেয়ের নম্বরে কল করে বলা হয়, ‘তর বাবারে মারতাম চাইছলাম না, হেরা কয়েকটা ফার (ঘা) বেশি দিছে, কিন্তুক মইর‌্যা গেছে’-এই কতা বলেই সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফোন বন্ধ করে ফেলা হয়। সোমবার (৬ জুলাই) ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিহতের ময়নাতদন্ত চলছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার রাত আনুমানিক পৌনে ১০টার দিকে বয়ড়া বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন মজনু মুন্সি। পথে চন্দ্রপাড়া সড়কে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তার পথরোধ করে হামলা চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সড়কে পড়ে ছিলেন। পরে তার চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।

সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১১টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে তার মরদেহ ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানা সুরতহাল প্রস্তুত এবং ময়নাতদন্তের প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করছে।

নিহতের ছেলে মাজহারুল ইসলাম আকাশ জানান, তার বাবা বাজার থেকে বাড়ি ফেরার পথে কয়েকজন ছিনতাইকারী পথ আটকায়। তিনি তাদের চিনে ফেলায় ছুরিকাঘাত করে ফেলে যায়। মৃত্যুর আগে তার বাবা জানান, পশ্চিম পাড়ার তিন কিশোর হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত। তবে তিনি নাম বলতে পারেননি। এছাড়া ঘটনার পরপরই বাবার মোবাইল ব্যবহার করে বোন বৃষ্টির নম্বরে কল করে একজন হত্যাকাণ্ডের কথা স্বীকারও করে।

গৌরীপুর থানার ওসি হাবিবুর রহমান বলেন, ‘ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’