• ই-পেপার

খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানোর শুনানি পেছাল

বঙ্গবাজারে অগ্নিসংযোগের মামলায় সাবেক এমপি আফজাল গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
বঙ্গবাজারে অগ্নিসংযোগের মামলায় সাবেক এমপি আফজাল গ্রেপ্তার
ছবি: কালের কণ্ঠ

বহুল আলোচিত রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে অগ্নিসংযোগ, ভাঙচুর ও ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগে রাজধানীর শাহবাগ থানায় দায়ের করা মামলায় কিশোরগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. মাইনুল ইসলাম খান পুলক আসামিকে আদালতে হাজির করে তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৩ সালের ৪ এপ্রিল রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়। এ ঘটনায় মো. কামাল হোসেন রিপন বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় আফজাল হোসেনসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০–৩০ জনকে আসামি করা হয়।

তদন্ত কর্মকর্তা আদালতে দেওয়া আবেদনে উল্লেখ করেন, প্রাথমিক তদন্তে এ মামলার আসামি আফজাল হোসেনের ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাই সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো প্রয়োজন।

পঞ্চদশ সংশোধনী : হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু

অনলাইন ডেস্ক
পঞ্চদশ সংশোধনী : হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল শুনানি শুরু
সংগৃহীত ছবি

তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি শুরু হয়েছে।

সোমবার (৬ জুলাই) সকাল পৌনে ১০টায় প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে রয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। রিটের পক্ষে রয়েছেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির ও ড. শরীফ ভূঁইয়া।

এর আগে গত বছরের ১৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি দেন সর্বোচ্চ আদালত। প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন। 

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী ড. শরীফ ভূঁইয়া। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার অনীক আর হক।

গত ৩ নভেম্বর বহুল আলোচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসহ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে আনা কয়েকটি বিষয় অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করা হয়। আপিলে পঞ্চদশ সংশোধনীর পুরোটা বাতিল  চাওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ‘মানহানিকর পোস্ট’, গ্রেপ্তার ৪

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীকে নিয়ে ‘মানহানিকর পোস্ট’, গ্রেপ্তার ৪
সংগৃহীত ছবি

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এ কে এম শামছুল ইসলামের স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘মানহানিকর পোস্ট’ দেওয়ার অভিযোগে ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে গুলশান থানা পুলিশ। এর মধ্যে দুজন রিমান্ডে আছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার ওসি দাউদ হোসেন। তিনি বলেন, ওই মামলায় ঢাকা, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম থেকে চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। মামলার রাতেই মামুন ও রবিনকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। শনিবার অন্য দুজনকে গ্রেপ্তার করে রবিবার আদালতে পাঠিয়ে রিমান্ড চাওয়া হয়। আদালত মানিককে চার দিনের ও হেলালকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দেয়। পরে মামুন ও রবিনকেও রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করা হবে।

গ্রেপ্তাররা হলেন মামুন লস্কার সরকার, ওমর ফারুক রবিন ওরফে রবিন তাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক ও হেলাল উদ্দিন। তাদের মধ্যে মানিক ও হেলাল বর্তমানে রিমান্ডে রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এর আগে গত ২ জুলাই প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার ব্যক্তিগত কর্মকর্তা নূর মোহাম্মদ গুলশান থানায় সাইবার সুরক্ষা আইনে একটি মামলা করেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরো ১০-১২ জনকে আসামি করা হয়।

মামলায় বলা হয়েছে, জয়নাল আবেদিন মানিকসহ চারজন তাদের ফেসবুক আইডি, গ্রুপ, পেজ এবং টেলিগ্রাম চ্যানেল থেকে প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার স্ত্রীর নামে ‘মিথ্যা, অশ্লীল ও মানহানিকার’ পোস্ট করে। পরে পোস্টগুলো আরো ছড়িয়ে দেওয়া হয়।

অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি : ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ

নিজস্ব প্রতিবেদক
অ্যাটর্নি জেনারেলকে হুমকি : ৪ ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে শোকজ
সংগৃহীত ছবি

অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজলকে হুমকি ও অসদাচরণের অভিযোগে চারজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। রবিবার (৫ জুলাই) অ্যাটর্নি জেনারেলের নির্দেশে কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা মো. নাসির উদ্দিন এ নোটিশ জারি করেন।

নোটিশ পাওয়া চার আইন কর্মকর্তা হলেন—মো. জহিরুল ইসলাম সুমন, মো. রফিকুল ইসলাম মন্টু, মুহাম্মদ মাসুদ রানা এবং মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুল।

নোটিশে বলা হয়, গতকাল অ্যাটর্নি জেনারেল তার কার্যালয়ে দায়িত্ব পালনকালে ওই চার ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিচারপ্রার্থী ও অন্য আইন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে তার সঙ্গে অসংযত আচরণ করেন। এ সময় তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটানোর হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

নোটিশে আরো উল্লেখ করা হয়, ঘটনাটি কার্যালয়ের সিসিটিভি ফুটেজে ধারণ করা রয়েছে। এ ধরনের আচরণ গুরুতর অসদাচরণ ও সরকারি কাজে বিঘ্ন সৃষ্টির শামিল। কেন তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, সে বিষয়ে নোটিশ পাওয়ার তিন কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রফিকুল ইসলাম মন্টু কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘মিডিয়ার মাধ্যমে শুনেছি আমাদের চারজনকে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু নোটিশ আমরা হাতে পাইনি।’

অপর ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আশিকুজ্জামান নজরুলও নোটিশ দেওয়ার বিষয়টি শুনেছেন বলে জানান। অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও অসত্য।’ অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কোনো আইন কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানো নোটিশ দিতে পারেন কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই আইন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, ‘ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগকর্তা হলেন রাষ্ট্রপতি। ফলে অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা এ ধরনের নোটিশ দিতে পারেন কি না, তা আমাদের দেখতে হবে।’

অন্য দুই ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জহিরুল ইসলাম সুমন ও মুহাম্মদ মাসুদ রানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন রিসিভ করেননি।