খাগড়াছড়ির পানছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূজগাং ইউনিয়নের মধুমঙ্গল পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত আসছে...

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে দুর্বৃত্তের গুলিতে ৩ জন নিহত হয়েছেন। সোমবার (৬ জুলাই) দুপুর ১টার দিকে উপজেলার পূজগাং ইউনিয়নের মধুমঙ্গল পাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
পানছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জসিম বলেন, বিষয়টি শুনেছি। খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে।
বিস্তারিত আসছে...

দিনাজপুরে পৃথক বিশেষ অভিযানে কোটি টাকা মূল্যের তিনটি দুষ্প্রাপ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। উদ্ধার হওয়া প্রত্নবস্তুর মধ্যে রয়েছে একটি কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ, একটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি এবং একটি বেলে পাথরের মনসা মূর্তি। বিজিবির দাবি, বিদেশে পাচারের আগেই এসব মূল্যবান প্রত্মসম্পদ উদ্ধার করা হয়েছে। সোমবার (৬ জুলাই) সকালে বিজিবির পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ৫ জুলাই দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন (৪২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসানের নেতৃত্বে বিজিবি ও থানা পুলিশের যৌথ দল পার্বতীপুর উপজেলার মালিপাড়া এলাকায় অভিযান চালিয়ে একটি বাড়ি থেকে ১৩৯ কেজি ৫০০ গ্রাম ওজনের একটি দুষ্প্রাপ্য কষ্টিপাথরের শিবলিঙ্গ উদ্ধার করে। পরে একই দিন ভোর ৫টার দিকে কাহারোল উপজেলার ইছাইল এলাকায় পৃথক আরেকটি অভিযানে ১৩ কেজি ওজনের একটি কষ্টিপাথরের বিষ্ণু মূর্তি এবং ৯ কেজি ১০০ গ্রাম ওজনের একটি মূল্যবান বেলে পাথরের মনসা মূর্তি উদ্ধার করা হয়।
প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে উদ্ধার হওয়া প্রত্নবস্তুগুলোকে প্রত্ন-তাত্ত্বিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বলে নিশ্চিত করেছেন। উদ্ধার তিনটি প্রত্নবস্তুর মোট সিজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ৫৭ লাখ ৫ হাজার টাকা। তবে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিবেচনায় এসব নিদর্শনের প্রকৃত মূল্য অপরিমেয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।
দিনাজপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আব্দুল্লাহ আল মঈন হাসান বলেন, ‘দেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য রক্ষা এবং প্রত্ন-সম্পদ পাচার প্রতিরোধে বিজিবির গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে মাদক, মানবপাচার, অস্ত্র ও অন্যান্য আন্তঃসীমান্ত অপরাধ দমনেও বিজিবি সর্বদা তৎপর থাকবে।’

ময়মনসিংহ নগরের রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকার ছত্রিশবাড়ি কলোনিতে ঘরে ঢুকে রাজিব আহমেদ রুবেল (৪০) ওরফে কাইল্যা রুবেল নামে এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (৫ জুলাই) সকালে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, এক নারীকে ধর্ষণের জেরে ওই নারীর সন্তানেরা তাকে হত্যা করেছে। তবে পুলিশ বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে রবিবার এবং আজ সোমবার বেলা পৌনে একটা পর্যন্ত এ ধরনের খবরের সত্যতা সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রুবেল ছত্রিশবাড়ি কলোনিতে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে বসবাস করতেন। ওই ঘরে তিনি নিজের বন্ধুদের নিয়ে আড্ডা দিয়ে সময় কাটাতেন। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন। তার নামে একাধিক মামলা রয়েছে। এলাকায় নানা সময়ে বিভিন্ন অপকর্মের কারণে মানুষ তার ওপর বিরক্ত ছিল।
ময়মনসিংহ নগরের রামকৃষ্ণ মিশন রোড এলাকায় গিয়ে কথা হলে কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে। তারা জানান, ধর্ষণের কারণে রুবেলকে হত্যা করা হয়েছে। রবিবার থেকে এ কথা মানুষ বলাবলি করছে। শোনা গেছে, শনিবার রাতে রুবেল একজন নারীকে জোর করে তার ঘরে নিয়ে যান এবং সারা রাত ধরে তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করেন। যে কারণে ওই নারীর ছেলেরা ঘরে ঢুকে রুবেলকে জবাই করে হত্যা করেছেন। এর আগে তারা রুবেলের ঘরের সামনে রাখা একটি মোটারসাইলে আগুন দেন। ওই সময় এলাকায় আতঙ্ক সৃষ্টি হয়।
রবিবার ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ কামরুল হাসান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে পুলিশ কাজ করছে। তদন্তের পর এমন কিছু পাওয়া গেলে জানানো হবে। মামলাটি পিবিআই তদন্ত করছে। সন্দেহজনক কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। তবে তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। যথাসময় গণমধ্যমকে বিস্তরিত বলা হবে।’
সোমবার পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের টিম মাঠে কাজ করছে। মাঠের কাজ শেষে টিম আমাদের তথ্য জানাবে। এরপর বিস্তরিত বলা যাবে।’
ময়মনসিংহ কতোয়ালি মডেল থানার ওসি শিবিরুল ইসলাম জানান, রুবেল হত্যার ঘটনায় রবিবার রাতে মামলা হয়েছে। মামলায় মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। আজ বেলা পৌনে একটা পর্যন্ত এ মামলায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রাঙামাটিকে নিরাপদ নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে রেজিস্ট্রেশন ও রুট পারমিটবিহীন অবৈধ অটোরিকশা চলাচল বন্ধের দাবি জানিয়েছেন রাঙামাটি অটোরিকশা চালক ও মালিকরা।
আজ সোমবার (৬ জুলাই) সকালে রাঙামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে এই দাবিতে ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন করা হয়। এ সময় দাবি বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসনকে ছয় দিনের আলটিমেটাম দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী রবিবার থেকে শহরে সব অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করে দেওয়ার ঘোষণা দেন তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন রাঙামাটি অটোরিকশা মালিক সমিতির সভাপতি আলী বাবর, রাঙামাটি জেলা অটোরিকশা চালক সমিতির সভাপতি মো. আবুল কালাম, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান বাবু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. শহিদুল মিয়া, অর্থ সম্পাদক অজিত দে এবং চালক মো. রনি প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, রাঙামাটি একটি পর্যটন শহর। জেলাতে প্রতিবছর লক্ষাধিক পর্যটক ভ্রমণ করেন। কিন্তু রেজিস্ট্রেশনবিহীন গাড়িসহ রুট পারমিটবিহীন গাড়ি দৌরাত্ম্যের কারণে পর্যটকদের সাথে অশোভন আচরণসহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, এতে জেলার সুনাম হানি হচ্ছে। বিভিন্ন অনিয়ম ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগও তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে। কিন্তু এসব ঘটনার দায় এসে পড়ে বৈধ অটোরিকশা চালকদের ওপর, ফলে তাদের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
বক্তারা আরো অভিযোগ করেন, অবৈধ অটোরিকশা চলাচলের পেছনে প্রশাসনের কিছু অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশ রয়েছে। তারা মাসোহারার বিনিময়ে এসব অটোরিকশা চলাচলের সুযোগ করে দিচ্ছেন। এ বিষয়ে নিজেদের কাছে প্রমাণ রয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।
মানববন্ধন থেকে বক্তারা জেলা প্রশাসনের উদ্দেশে বলেন, আগামী শনিবারের মধ্যে রাঙামাটি শহরে চলাচলকারী সব অবৈধ অটোরিকশা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। অন্যথায় আগামী রবিবার থেকে শহরের সব বৈধ অটোরিকশা অনির্দিষ্টকালের জন্য চলাচল বন্ধ রাখা হবে।