• ই-পেপার

এখানেই শেষ নয়, নতুন চক্রের শুরু দেখছেন আনচেলত্তি

এটাই শেষ বিশ্বকাপ, জানিয়ে দিলেন রোনালদো

ক্রীড়া ডেস্ক
এটাই শেষ বিশ্বকাপ, জানিয়ে দিলেন রোনালদো
এবারের পর আর কোনো বিশ্বকাপে দেখা যাবে না রোনালদোকে। ছবি : রয়টার্স

বয়স তো কম হলো না। ৪১ বসন্ত পার করছেন। অনেকে যেখানে ত্রিশের কোঠা পার হতেই বুটজোড়া তুলে রাখেন সেখানে এই বয়সেও দিব্যি খেলে যাচ্ছেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। ক্যারিয়ারের গোধূলিলগ্নে আসায় তাই অবসর নিয়েই প্রশ্ন বেশি শুনতে হয়েছে রোনালদোকে।

শুনতে যে মোটেও ভালো লাগে না তার, স্পষ্ট করে আবারও জানালেন রোনালদো। কারো কথায় নয়, নিজের ইচ্ছায় থামবেন জানিয়ে ‘সিআর সেভেন’ বলেছেন, ‘আমি যখন চাইব তখন থামব। আপনারা সব সময় একই প্রশ্ন করেন, এটাই কি আপনার শেষ? আমরা সামনে দেখব। আমি নিজের দিকে মনোযোগ টানতে চাই না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো আগামীকাল আমরা ভালো খেলি এবং পরের রাউন্ডে যাওয়ার বিশ্বাস রাখি।’

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে কবে অবসর নেবেন সেটা না জানালেও এটাই ক্যারিয়ারের শেষ বিশ্বকাপ বলে জানিয়ে দিয়েছেন রোনালদো। পর্তুগাল অধিনায়ক বলেছেন, ‘এটাই আমার শেষ বিশ্বকাপ। সময়টা উপভোগ করতে চাই। তবে আশা করি আগামীকাল (আজ) আমার শেষ ম্যাচ নয়।’

 

আজ স্পেনের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচ খেলবে পর্তুগাল। ম্যাচের ফল যাই হোক না কেন নির্মল হৃদয়ে বিদায় নিবেন রোনালদো। আল নাসরের স্ট্রাইকার বলেছেন, ‘খেলায় যা-ই ঘটুক না কেন, ক্রিস্টিয়ানো এখান থেকে হাজার ভাগ নির্মল হৃদয়ে বিদায় নেবে। আবেগ, ইচ্ছা- সব দিয়ে ফুটবল খেলেছি, কোনো অভাব বা প্রয়োজনের তাগিদে খেলিনি। সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ, জীবনে আমি খুব ভালো অবস্থানে আছি। ভালোবাসা থেকেই ফুটবল খেলেছি।’

আর বিশ্বকাপ জিততে না পারলে তার অর্জন খাটো হয়ে যাবে বলে মনে করেন না রোনালদো। রিয়াল মাদ্রিদ ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের সাবেক ফরোয়ার্ড বলেছেন, ‘বিশ্বকাপ জিতলে আরও বড় ক্রিস্টিয়ানো হয়ে যাব না, আবার না জিতলেও ছোট হবো না। আমার জীবনে কোনো কিছুর অভাব নেই। ঈশ্বর আমার প্রতি অত্যন্ত সদয় হয়েছেন এবং আমি যা কখনও জেতার আশা করিনি, তার চেয়েও বেশি দিয়েছেন। এখন প্রতিটি মুহূর্ত উপভোগ করাই মূল লক্ষ্য।’

আজ স্পেনের সামনে রোনালদোর পর্তুগাল

প্রথম ‘হেভিওয়েট’ লড়াই

শাহজাহান কবির, ডালাস থেকে
প্রথম ‘হেভিওয়েট’ লড়াই
শেষ ষোলোয় আজ মুখোমুখি রোনালদো-লামিনে। ছবি : রয়টার্স

দক্ষিণ ইউরোপের প্রতিবেশী দুই দেশ প্রায় পাঁচ হাজার মাইল পেরিয়ে আজ ডালাসে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে বিশ্বকাপের শেষ আটে জায়গা পেতে। ৪৮ দলের বিশ্বকাপ ক্রমেই ছোট হয়ে আসছে।

ইউরোপীয় দুই পরাশক্তিরও কোনো একটির বিদায় হয়ে যাবে আজ। লামিন ইয়ামালের প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন বেঁচে থাকবে, নয়তো বা ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোর।

প্রথম ‘হেভিওয়েট’ লড়াই পর্তুগাল হেরে গেলে বিশ্বকাপে হয়তো আজই শেষবার রোনালদোকে দেখা যাবে। নাকি এই কিংবদন্তির ক্যারিয়ারে সেই সোনালি ট্রফিও ধরা দেবে, গত বিশ্বকাপে যেমন ধরা দিয়েছিল লিওনেল মেসির হাতে? স্প্যানিয়ার্ডদের হারিয়ে রোনালদোকে সেই স্বপ্নটা বাঁচিয়ে রাখতে হবে আজ।

শেষ ষোলোর এই ম্যাচ বিশ্বকাপ জয়ের সেই সামর্থ্যেরও প্রমাণ নেবে আসলে। ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেন ফেভারিট হয়েই এসেছে এবার, তাদের হারানো পর্তুগিজদের আত্মবিশ্বাস জোগাবে। স্পেন এই টুর্নামেন্টে এখনো পর্যন্ত কোনো গোল হজম করেনি। কেপ ভার্দের সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ে তাদের মিশন শুরু হলেও ক্রমে উজ্জ্বল হয়েছে লা ফুরিয়া রোহারা।

অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ ৩২-এর ম্যাচে তারা এটিও বুঝিয়েছে যে কেন তারা ফেভারিট। তবে নিঃসন্দেহে এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় ম্যাচ আজ তাদের সামনে।  দুই দলের জন্যই নয় শুধু, আসরে এ পর্যন্ত সবচেয়ে হেভিওয়েট ম্যাচও বোধ হয় এটি, তারকাবহুল—রোনালদো, ব্রুনো ফার্নান্দেজ, ভিতিনিয়া, ইয়ামাল, রদ্রি, পেদ্রি।
রোনালদোকে নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে প্রথম ম্যাচটি ভালো যায়নি, তবে উজবেকিস্তানের বিপক্ষে স্বরূপে দেখা গেছে তাকে।

পেনাল্টিতে গুরুত্বপূর্ণ গোল করেছেন ক্রোয়েশিয়াকে হারানোর দিনও। যদিও শেষ মুহূর্তে তাকে তুলে নেওয়া হয় আর ম্যাচ জেতান গনসালো রামোস। রামোসকেই শুরু থেকে খেলানো উচিত কি না, রোনালদো দলটিকে পেছন থেকে টেনে ধরে রাখছেন কি না—এমন আলোচনাও আছে। ম্যাচের আগে স্প্যানিশ তারকা গাবিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, প্রতিপক্ষ দলে রোনালদোর ভূমিকাকে তারা কিভাবে দেখছেন। গাবি সম্মান দেখিয়েছেন রোনালদোকে, ‘তাকে নিয়ে এসব কথা আমিও শুনেছি। তবে এগুলো বলছে আসলে বাইরের মানুষ। দলের কারো কাছ থেকে আমি এ ধরনের কথা শুনিনি। রোনালদোর প্রতি তাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা আছে। তিনি বিশ্বসেরাদের একজন, যেকোনো মুহূর্তে ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেওয়ার সামর্থ্য তার আছে।’

দুই দলের শেষ সাত ম্যাচের ছয়টিই ড্র, সর্বশেষ উয়েফা নেশনস লিগের ফাইনাল ২-২ গোলের সমতায় শেষ হওয়ার পর শিরোপা নির্ধারিত হয়েছে পেনাল্টি শ্যুট আউটে। ডালাসের এটিঅ্যান্ডটি স্টেডিয়ামে দুই প্রতিবেশীর লড়াই আজও তেমন হাড্ডাহাড্ডিই হওয়ার কথা। ম্যাচ শেষে হয়তো ইয়ামাল বিদায় নেবেন, নয়তো ইয়ামালের হাতে রোনালদো। বিশ্বকাপের অন্যতম আকর্ষণীয় ম্যাচ হতে যাচ্ছে তাই এটি। টরন্টোয় ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে গত পরশু রাতে ডালাসে পৌঁছেছে পর্তুগাল, স্পেনও তা-ই।

গতকাল দুই দলই এখানে অনুশীলন করেছে। ম্যাচের বাইরে থাকার মতো বড় কোনো ইনজুরি নেই কোনো দলেই। পর্তুগাল এই আসরে এখনো পর্যন্ত হারেনি কোনো ম্যাচ, কিন্তু পুরো ছন্দে এসেছে বলা যাবে না। ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে শেষ ৩২-এর লড়াইটা জিতেছে তারা একেবারে শেষ মুহূর্তের গোলে। ম্যাচে ক্রোয়াটদের আধিপত্য ছিল স্পষ্ট। ওদিকে স্পেন তাদের সেরা চেহারায় ফিরেছে বলেই ধরা হচ্ছে। চোট কাটিয়ে বিশ্বকাপে আসা ইয়ামালও জানিয়েছেন, তিনি এখন শতভাগ দেওয়ার মতো অবস্থাতেই আছেন। লুইস দে লা ফুয়েন্তে সতর্কতার সঙ্গেই তার দলের সেরা অস্ত্রটিকে এ পর্যন্ত ব্যবহার করেছেন। কেপ ভার্দের বিপক্ষে ১৯ মিনিট, ৪৫ মিনিট সৌদি আরবের সঙ্গে আর উরুগুয়ে ম্যাচে ৭৬ মিনিটের পর সর্বশেষ অস্ট্রিয়া লড়াইয়ে ৮৫ মিনিট মাঠে ছিলেন বার্সেলোনা তারকা। আইবরিয়ান ডার্বিতে পুরো ৯০ মিনিট মাঠে থাকার লক্ষ্য নিয়ে নিশ্চয়ই নামছেন ইয়ামাল।

তারকাবহুল ফ্রন্টলাইনের পেছনে দুই দলের মাঝমাঠও যথেষ্ট শক্তিশালী। রদ্রি, পেদ্রিদের বিপরীতে যুগল জোয়াও নেভেস, ভিতিনিয়া। এই ম্যাচ তাই সামর্থ্যের সেরা পরীক্ষাটাই নেবে।

নাটকীয় ম্যাচে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ১০ জনের ইংল্যান্ড

ক্রীড়া ডেস্ক
নাটকীয় ম্যাচে মেক্সিকোকে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে ১০ জনের ইংল্যান্ড
জোড়ার গোল করার পর বেলিংহামের উদযাপন। ছবি : রয়টার্স

প্রত্যাবর্তনের দারুণ সুযোগ ছিল মেক্সিকোর। ৫৪ মিনিটে ইংল্যান্ড ১০ জনের দলে পরিণত হওয়ায়। কিন্তু সেই সুযোগটা কাজে লাগাতে পারল না স্বাগতিকরা। তাতে ফল যা হওয়ার তাই হলো। ইংল্যান্ডের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নিলো।

মেক্সিকো সিটিতে আজ ৩-২ ব্যবধানে পরাজয় দেখেছে মেক্সিকো। ইংল্যান্ডের হয়ে জোড়া গোল করেছেন জুড বেলিংহাম। অন্যটি পেনাল্টি থেকে করেছেন হ্যারি কেইন। মেক্সিকোর হয়ে জাল খুঁজে পান জুলিয়ান কুইনোনেসের বিপরীতে রাউল হিমিনেজ।

ইংল্যান্ডের জয়ের আগে নাটকীয় এক ম্যাচই দেখল ফুটবল বিশ্ব। ম্যাচের বয়স আধা ঘণ্টার বেশি পেরিয়েও গোলের দেখা না পাওয়া ম্যাচ হঠাৎ করেই জোড়া দেখল। সেটিও ২ মিনিটের ব্যবধানে। যেন কোনো ম্যাচের হাটলাইটস চলছিল।

সেই হাইলাইটসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন বেলিংহাম। ৩৬ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে বুকায়ো সাকার ক্রসে প্রথম গোলটি হেডে করেন ইংল্যান্ডের মিডফিল্ডার। সেই গোলের রেশ শেষ না হতেই দ্বিতীয়টির দেখা পান রিয়াল মাদ্রিদের মিডফিল্ডার। ৩৮ মিনিটের গোলে অ্যাসিস্ট করেন অধিনায়ক সাকা। তাতে স্তব্ধ হয়ে যান স্বাগতিকদের সমর্থকরা।

তবে ম্যাচে ফিরতে খুব বেশি সময় নিল না মেক্সিকো। ৪২ মিনিটে গোল করে পুরো গ্যালারিকে উজ্জ্বীবিত করলেন কুইনোনেস। তাতে ২-১ গোলের ব্যবধানে বিরতিতে যায় মেক্সিকো। 

বিরতির পর দিল খুশ হওয়ার মতো এক সিদ্ধান্ত আসে মেক্সিকোর পক্ষে। মেক্সিকোর ডিফেন্ডার জেসুস গ্যালার্দোকে ফাউল করলে ৫৪ মিনিটে ভিএআরের সহায়তা জ্যারল কুয়েনশাকে সরাসরি লাল কার্ড দেখান রেফারি। তাতে বাকি সময় ১০ জন হয় ইংল্যান্ড।

কিন্তু ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডারের মাঠ ছাড়ার সুবিধা নিতে পারেনি মেক্সিকো। উল্টো ৬০ মিনিটে পেনাল্টিতে আরেক গোল হজম করে তারা। সফল স্পটকিকটি নেন কেইন। বিপরীতে ম্যাচে ফেরার সুযোগ পায় মেক্সিকোও। ৬৯ মিনিটে তারাও একটি পেনাল্টি পায়। পেনাল্টি থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-২ করেন হিমিনেজ। ব্যবধান কমলেও বাকি সময় আর সমতায় ফিরতে পারেনি মেক্সিকো। ১০ জনের ইংল্যান্ডকে পেয়েও তাই হতাশ হয়েই মাঠ ছাড়তে হলো স্বাগতিকদের।

ভিনি না নিয়ে কেন গিমারাইস পেনাল্টি নিলেন, ব্যাখ্যা দিলেন কোচ

ক্রীড়া ডেস্ক
ভিনি না নিয়ে কেন গিমারাইস পেনাল্টি নিলেন, ব্যাখ্যা দিলেন কোচ
গিমারাইসের পেনাল্টি মিসের মুহূর্তটি। ছবি : রয়টার্স

স্কোরকার্ডটা ২-১ নয়, ভিন্ন কিছু হতে পারত। ম্যাচের ১৪ মিনিটে যদি ব্রুনো গিমারাইস পেনাল্টিতে গোল করতে পারতেন। নিউক্যাসলের মিডফিল্ডার সফল স্পটকিক নিলে হয়তো হাসিমুখেই মাঠ ছাড়ত ব্রাজিল।

‘নায়ক’ হওয়ার বিপরীতে তাই এখন ‘খলনায়ক’ গিমারাইস। নরওয়ের কাছে সেলেসাওরা হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেওয়ায় তাই প্রশ্ন উঠেছে ভিনিসিয়ুস জুনিয়র থাকতে কেন গিমারাইস স্পটকিক নিলেন। সামাজিক মাধ্যমে এ নিয়ে বেশ আলোচনাও হচ্ছে। 

তাই স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয়েছে কোচ কার্লো আনচেলত্তিকে। ম্যাচ শেষে তার ব্যাখ্যাও দিয়েছেন তিনি। স্পটকিক কারা নিবেন সেটার একটা তালিকা করেছিল ব্রাজিলের কোচিং স্টাফ। সেই তালিকায় শীর্ষ ৫ জনের মধ্যে নেই ভিনিসিয়ুস। 

মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই তালিকায় এগিয়ে ছিলেন গিমারাইস। আনচেলত্তির কণ্ঠে সেটাই ফুটে উঠেছে। ব্রাজিলের সহকারি কোচ বলেছেন, ‘আমাদের পেনাল্টির তালিকায় সবচেয়ে সেরা ছিল রাফিনিয়া। অ্যাভেইলএবল খেলোয়াড়দের মধ্যে সেরা ছিল নেইমার। এরপর ইগর থিয়াগো, গিমারাইস এবং গ্যাব্রিয়েল মার্তিনেলি। এ কারণেই গিমারাইসকে নির্বাচন করা হয়েছে। আর আমরা ভেবেছিলাম মাঠে থাকা খেলোয়াড়দের মধ্যে সেই সেরা।’

অর্থাৎ, পেনাল্টি তালিকার ছয়ে তার পরে ছিলেন ভিনিসিয়ুস। তালিকায় না থাকলেও পেনাল্টির আগে বল হাতে নিতে দেখা যায় রিয়াল মাদ্রিদের উইঙ্গারকে। তবে ম্যাচে কারা পেনাল্টি মারবেন তা আগেই ঠিক করায় পরে গিমারাইসকে বল দিতে বাধ্য হন ভিনিসিয়ুস।

মাঠ ছাড়ার সময় আনচেলত্তির সুরে কথা বলেছেন ব্রাজিলের সহকারী কোচ ডেভিড আনচেলত্তিও। মিক্সড জোন দিয়ে বের হওয়ার সময় কার্লোর ছেলে ডেভিড বলেছেন, ‘গিমারাইস পেনাল্টি মারবে এটা আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ফুটবলে পেনাল্টি মিস হতেই পারে। আজ তাই ঘটেছে।’