• ই-পেপার

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়-বৃষ্টির শঙ্কা

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়াল সরকার

অনলাইন ডেস্ক
মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়াল সরকার

মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের (সমমর্যাদার সহ) সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) এবং উপমন্ত্রী ও সমমর্যাদার ব্যক্তিদের একান্ত সচিবদের (পিএস) বেতন বাড়িয়েছে সরকার। তারা এখন থেকে মূল বেতন পাবেন ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা।

অর্থ বিভাগ থেকে সম্প্রতি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। এর আগে ৩১ মার্চ অর্থ বিভাগে চিঠি পাঠিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মতামত জানতে চায়।

অর্থ বিভাগ চিঠিতে জানায়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সরকারি চাকরির বাইরে থেকে অস্থায়ীভাবে মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী একান্ত সচিব এবং উপমন্ত্রীর (সমমর্যাদা) অভিপ্রায়ে নিয়োগপ্রাপ্ত একান্ত সচিবদের মূল বেতন শর্তসাপেক্ষে ‌‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ এর নবম গ্রেডের অষ্টম ধাপে ৩২ হাজার ৫৪০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে।

শর্ত
শর্তগুলোর মধ্যে আছে-

  • মূল বেতন নির্ধারিত।
  • কোনো প্রকার বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি প্রযোজ্য হবে না।
  • বিধি মোতাবেক প্রযোজ্য অন্যান্য ভাতাদি পাবেন।
  • কোনোপ্রকার পেনশন, আনুতোষিক এবং ভবিষ্য তহবিলের সুবিধাদি পাবেন না।

সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় আনসার মোতায়েন

অনলাইন ডেস্ক
সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় আনসার মোতায়েন

দেশের সীমান্তবর্তী ১১ জেলায় আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মোতায়েন করা হয়েছে। বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সদর দপ্তর থেকে পাঠানো এক বার্তায় এ তথ্য জানানো হয়েছে।

আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)-এর সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আওতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের সম্পৃক্ত করা হয়। যা সীমান্ত ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা কার্যক্রমকে অধিকতর সমন্বিত ও কার্যকর করেছে।

বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর উপপরিচালক মো. আশিকউজ্জামান জানিয়েছেন, বিজিবির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন ও নিরাপত্তাগত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যারা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন। 

মো. আশিকউজ্জামান জানান, বিজিবির সঙ্গে সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, রাষ্ট্রীয় প্রয়োজন ও নিরাপত্তাগত চাহিদার প্রেক্ষাপটে আনসার-ভিডিপি সদস্য-সদস্যারা বিজিবির সঙ্গে সমন্বয়পূর্বক সীমান্ত এলাকায় দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

তিনি বলেন, তারই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় পুশ-ইন ঠেকাতে ১১ জেলায়—চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, জয়পুরহাট, যশোর, ঝিনাইদহ, সাতক্ষীরা, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর, সিলেট, জামালপুর এবং খাগড়াছড়ি—উপজেলা/থানা আনসার ও ভিডিপি/টিডিপি সদস্য-সদস্যাদের ইতোমধ্যে মোতায়েন করা হয়েছে।

সংসদে আনোয়ারার বেড়িবাঁধ নির্মাণের অনিয়ম তুলে ধরলেন এমপি সরওয়ার নিজাম

কর্ণফুলী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সংসদে আনোয়ারার বেড়িবাঁধ নির্মাণের অনিয়ম তুলে ধরলেন এমপি সরওয়ার নিজাম

চট্টগ্রামের আনোয়ারার বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজে অনিয়মের কথা তুলে ধরেছেন চট্টগ্রাম-১৩ আনোয়ারা-কর্ণফুলী আসনের সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজাম।

তিনি বলেন, আমার আনোয়ারা-কর্ণফুলী বঙ্গোপসাগরের উপকূলীয় দুইটি এলাকা। বর্ষাকালে সবসময় পানি উঠে, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়, নিচু এলাকা প্লাবিত হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ নিয়ে স্থানীয়দের অভিযোগের পরিপেক্ষিতে কয়েক দিন আগে সরেজমিনে পরিদর্শন করি এবং কিছু কিছু অভিযোগের সত্যতা পেয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করি।

রবিবার (৭ জুন) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে বক্তব্যের সময় তিনি এসব কথা বলেন।

এমপি সরওয়ার নিজাম বলেন, ১৯৯১ সালের ঘুর্ণিঝড়ে এখানকার বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া সে সময় আনোয়ারায় গিয়ে উপকূলীয় এলাকা স্বচক্ষে পরিদর্শন করেন। সে সময় তিনি স্থায়ী ব্যবস্থা করার নির্দেশ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আনোয়ার উপকূলের জন্য বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন হয় এবং বর্তমান সময়েও বেড়িবাঁধের কাজ চলমান রয়েছে। বক্তব্যে তিনি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীকে আনোয়ারায় চলমান বেড়িবাঁধের কাজ পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করার অনুরোধ জানান।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আজ বৈঠকে বসছেন খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও রাশিয়ার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও সহযোগিতা আরো বেগবান করতে আজ সোমবার (৮ জুন) মস্কোতে বৈঠকে বসছেন দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের আমন্ত্রণে এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেবেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।

ঢাকাস্থ রুশ দূতাবাসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার বর্তমান পরিস্থিতি ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা পর্যালোচনার পাশাপাশি সমসাময়িক আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু স্থান পাবে।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে সের্গেই ল্যাভরভের ঐতিহাসিক ঢাকা সফরের পর এটিই দুই পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক। বর্তমান দায়িত্বে আসার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের এটিই প্রথম মস্কো সফর।

উল্লেখ্য, দক্ষিণ এশিয়ায় ঢাকা-মস্কোর অংশীদারিত্ব দীর্ঘদিনের ও অত্যন্ত সুদৃঢ়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর ১৯৭২ সালে প্রথম সারির দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পুনর্গঠনে তাদের ভূমিকা ছিল অনন্য। বিশেষ করে ১৯৭২ থেকে ১৯৭৪ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম বন্দর ও তৎসংলগ্ন জলসীমাকে নিরাপদ করতে সোভিয়েত নৌবাহিনীর মাইন অপসারণ এবং ডুবে যাওয়া জাহাজ উদ্ধারের অভিযান দুই দেশের বন্ধুত্বকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।

রুশ দূতাবাস সূত্রে জানা যায়, বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট যা-ই হোক না কেন, বাংলাদেশ ও রাশিয়ার কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ গঠিত হওয়ার পর, এবার দুই দেশের সর্বোচ্চ আইনসভার (পার্লামেন্ট) মধ্যেও প্রাতিষ্ঠানিক যোগাযোগ শুরুর পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও বহুপাক্ষিক ফোরামে দুই দেশ বরাবরই গঠনমূলক সহযোগিতা বজায় রেখে আসছে।

তিন দিনের এই রাষ্ট্রীয় সফরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা ‘রোসাটোম’-এর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে বিশেষ বৈঠক করবেন। বাংলাদেশের মেগা প্রকল্প রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা এই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হতে পারে। পাশাপাশি রুশ ফেডারেশনের ‘ফেডারেল কাউন্সিল’র নেতৃবৃন্দের সঙ্গেও তার দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মতবিনিময়ের কথা রয়েছে।

এর আগে, তিন দিনের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরে গত রবিবার মস্কোর উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সফরে তার সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।