• ই-পেপার

আবারও জুটি হবেন শাকিব ও ইধিকা?

১০ দিনে কত আয় করল ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?

বিনোদন ডেস্ক
১০ দিনে কত আয় করল ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’?
সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর মুক্তি পেয়েছে অক্ষয় কুমারের বহুল আলোচিত সিনেমা ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। জনপ্রিয় ‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির তৃতীয় কিস্তি হিসেবে নির্মিত এই ছবিটি গত ২৬ জুন ভারতের প্রায় ৩ হাজার ২০০ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। 

আহমেদ খান পরিচালিত এই সিনেমার মাধ্যমে প্রায় ১৮ বছর পর  আবারও একসঙ্গে বড় পর্দায় দেখা গেছে অক্ষয় কুমার ও রাভিনা ট্যান্ডনকে।

মুক্তির পর ছবিটি দর্শক ও সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র প্রতিক্রিয়া পেয়েছে। তবে সমালোচনার মাঝেও বক্স অফিসে ভালো সূচনা করেছে ছবিটি। 

বক্স অফিস ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির ১০ দিনে ভারতে ছবিটির গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১৩৬ কোটি ৮০ লাখ রুপি। আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে আরও ২৯ কোটি ৯৫ লাখ রুপি। সব মিলিয়ে বিশ্বব্যাপী ছবিটির মোট গ্রস আয় ১৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সমান।

অন্যদিকে, বলি মুভি রিভিউজের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম ১০ দিনে ছবিটির দৈনিক নেট আয় ছিল যথাক্রমে ১৫ কোটি, ২০ কোটি, ২৪.৭৫ কোটি, ৮.২৫ কোটি, ৮.৫০ কোটি, ৫.৭৫ কোটি, ৫ কোটি, ৪ কোটি, ৭ কোটি এবং ৯ কোটি রুপি। তাদের হিসাবে ১০ দিনে বিশ্বব্যাপী ছবিটির গ্রস আয় দাঁড়িয়েছে ১৩৮ কোটি ২৫ লাখ রুপি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৭৮ কোটি ৮১ লাখ টাকা।

‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’ সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় মাল্টিস্টারার বলিউড সিনেমাগুলোর একটি। এতে ৩০ জনেরও বেশি জনপ্রিয় অভিনয়শিল্পী অভিনয় করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অক্ষয় কুমার, রাভিনা ট্যান্ডন, সুনীল শেঠি, জ্যাকি শ্রফ, পরেশ রাওয়াল, আরশাদ ওয়ার্সি, জনি লিভার, রাজপাল যাদব, শ্রেয়স তলপাড়ে, তুষার কাপুর, দিশা পাটানি, জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ, লারা দত্ত, কৃষ্ণা অভিষেক, কিকু শারদা ও মুকেশ তিওয়ারি।

ছবিটি প্রযোজনা করেছেন ফিরোজ নাদিয়াদওয়ালা। অক্ষয় কুমার জানিয়েছেন, প্রায় ১১৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই সিনেমায় অভিনয়ের জন্য তিনি কোনো পারিশ্রমিক নেননি।

উল্লেখ্য, ‘ওয়েলকাম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা মুক্তি পায় ২০০৭ সালে। এরপর ২০১৫ সালে আসে ‘ওয়েলকাম ব্যাক’। প্রায় এক দশকের বিরতির পর মুক্তি পেল এই সিরিজের তৃতীয় কিস্তি ‘ওয়েলকাম টু দ্য জঙ্গল’। প্রথম দুটি সিনেমা পরিচালনা করেছিলেন আনিস বাজমি, আর নতুন কিস্তিটি পরিচালনা করেছেন আহমেদ খান।

বাংলাদেশের সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ

বিনোদন প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ এবার যুক্ত হলেন বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’র সঙ্গে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত এই সিনেমাটির বৈশ্বিক পরিবেশনার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। ফলে এখন থেকে ছবিটি পরিচিত হবে ‘অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস দেলুপি’ নামে।

‘নো স্মোকিং’, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’, ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’সহ একাধিক আলোচিত সিনেমার নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ ভারতীয় সমান্তরাল চলচ্চিত্রধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম। তাঁর মতো একজন নির্মাতার সম্পৃক্ততাকে বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্রের জন্য বড় অর্জন হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ‘দেলুপি’র নির্মাতা মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির পরিবেশক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অনুরাগ কাশ্যপ। ফলে এখন থেকে সিনেমাটির সব প্রচারণামূলক উপকরণে লেখা থাকবে, ‘অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস দেলুপি’।

খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফুটপ্রিন্ট ফিল্ম প্রোডাকশনও। প্রতিষ্ঠানটির পোস্টে বলা হয়, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, অনুরাগ কাশ্যপ ‘দেলুপি’তে অনবোর্ড হয়েছেন। এখন থেকে দেলুপি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হবে অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস ‘দেলুপি’। এটার পর অনেক কিছুই লেখা যায়। কিন্তু সত্যি বলতে, যাই লিখি না কেন, সেটা দিয়ে এই মুহূর্তে আমাদের অনুভূতিটা ঠিক বোঝানো সম্ভব না। একটি স্বাধীন বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অনুরাগ কাশ্যপের মতো একজন নির্মাতার দাঁড়ানো আমাদের জন্য শুধু একটি স্বীকৃতি নয়, বরং সামনের পথচলার জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।’

পোস্টের শেষাংশে অনুরাগ কাশ্যপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি দর্শকদের ভালোবাসার জন্যও ধন্যবাদ জানিয়েছে ‘দেলুপি’ টিম।

গত বছরের নভেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘দেলুপি’ পরিচালনা করেন মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম। খুলনার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব রটারড্যাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও জায়গা করে নেয় ছবিটি।

Delupi (2025) - IMDb

কয়েক দিন আগেই জনপ্রিয় চলচ্চিত্রভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘লেটারবক্সড’-এ ‘দেলুপি’ নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন অনুরাগ কাশ্যপ। সেখানে ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

এ বিষয়ে নির্মাতা তাওকীর ইসলাম বলেন, ‘কথা ছিল, তিনি রটারড্যাম গিয়েই ছবিটা দেখবেন। পরে কোনো কারণে তা আর হয়নি। এজন্য আমি নিজ থেকেই তাকে ব্যক্তিতভাবে ছবিটা পাঠাই। সেখানে তিনি দেখেছেন। আর দেখার পর এমন প্রশংসা করেছেন।’

তাওকীর আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, অনুরাগ কাশ্যপের সঙ্গে ‘দেলুপি’তেই সহযোগিতা শেষ হচ্ছে না। সামনে তাঁদের যৌথভাবে আরও কিছু কাজের পরিকল্পনা রয়েছে। 

তবে সে বিষয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি তিনি। আপাতত সেই চমকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে বলেই জানিয়েছেন এই নির্মাতা।

প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর ৬ বছর

বিনোদন প্রতিবেদক
প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর ৬ বছর
সংগৃহীত ছবি

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর ছয় বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০২০ সালের ৬ জুলাই ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বিদায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল দেশের সংগীতাঙ্গনে। 

তবে সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর গাওয়া অগণিত কালজয়ী গান আজও সমানভাবে মুগ্ধ করে কোটি শ্রোতাকে।

চার দশকেরও বেশি সময়ের সংগীতজীবনে এন্ড্রু কিশোর বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গানে গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য উচ্চতা। তাঁর কণ্ঠে গান মানেই ছিল আবেগ, আবেদন এবং জনপ্রিয়তার এক অনন্য সংমিশ্রণ। ক্যারিয়ারে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন তিনি। অসংখ্য সুপারহিট ও কালজয়ী গানের জন্যই তিনি পেয়েছিলেন ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ উপাধি।

১৯৭৭ সালে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। তবে ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রতিজ্ঞা’ সিনেমার ‘এক চোর যায় চলে’ গানটি তাঁকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় গান দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম নির্ভরযোগ্য কণ্ঠ।

তাঁর গাওয়া ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুশ’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’সহ অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের আবেগে নাড়া দেয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর গান সমানভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।

সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্যারিয়ারে আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এন্ড্রু কিশোর। এ ছাড়া পেয়েছেন একাধিক বাচসাস পুরস্কার। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন এন্ড্রু কিশোর। সংগীতপ্রেমী মায়ের উৎসাহেই তাঁর সংগীতচর্চার শুরু। স্বাধীনতার পর রাজশাহী বেতারের শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, লোকগান ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি সংগীতজগতে নিজের ভিত্তি তৈরি করেন। পরে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গানে হয়ে ওঠেন এক অনন্য নাম।

এবারের মৃত্যুবার্ষিকীতে বড় পরিসরের কোনো জাতীয় আয়োজনের খবর না থাকলেও রাজশাহীতে জেলা প্রেস ক্লাব ও আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত, সহশিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তিকে।

‘কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না’, নেইমারকে আবেগঘন বিদায় পলাশের

বিনোদন প্রতিবেদক
‘কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না’, নেইমারকে আবেগঘন বিদায় পলাশের
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের হারে সেলেসাওদের স্বপ্নভঙ্গের সঙ্গে ভেঙেছে কোটি কোটি সমর্থকের মনও। এই বিদায়ে হতাশ হয়েছেন বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকা। 

তবে অভিনেতা জিয়াউল হক পলাশের আবেগের কেন্দ্রবিন্দু ছিল ব্রাজিল নয়, দলের প্রাণভোমরা নেইমার জুনিয়র।

ব্রাজিলের বিদায়ের পর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি প্রতীকী ছবি প্রকাশ করেন পলাশ। ছবিতে দেখা যায়, ব্রাজিলের ১০ নম্বর জার্সি গায়ে অশ্রুসিক্ত চোখে মাঠ ছেড়ে হেঁটে যাচ্ছেন নেইমার। তাঁর পেছনে পড়ে রয়েছে একটি রাজমুকুট, আর ছবির নিচে লেখা— ‘থ্যাংক ইউ’।

May be an image of football, soccer and text that says 'Thank ThankYou You.'

এই ছবির ক্যাপশনে পলাশ লিখেছেন, ‘একটা যুগের সমাপ্তি, কিন্তু কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না। বিদায়, নেইমার জুনিয়র!’

এরপর আরও একটি পোস্টে নিজের আবেগ প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘সারাজীবন আনন্দ দেয়া মানুষগুলোকে শেষ দৃশ্যে কেন যে এভাবে কাঁদতে হয়।’

May be an image of one or more people, beard and text that says 'イ CBF 10 BRASIL'

পলাশের এই পোস্ট দুটি প্রকাশের পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া পড়ে। মন্তব্যের ঘরে ভক্ত-অনুরাগীরা নেইমারের প্রতি শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনেকেই তাঁর দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারের অবদানের কথা স্মরণ করেন। আবার কেউ কেউ ব্রাজিলের বিদায় এবং নেইমারের সম্ভাব্য শেষ বিশ্বকাপ নিয়ে নিজেদের হতাশার কথাও তুলে ধরেন।

চলতি বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের কাছে ২-১ গোলে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। ম্যাচ শেষে জাতীয় দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে নেইমারের ইঙ্গিতপূর্ণ বক্তব্যও আলোচনায় আসে। 

সেই আবেগঘন মুহূর্তেই নেইমারকে সম্মান জানিয়ে অভিনেতা পলাশের পোস্টটি ফুটবলপ্রেমীদের দৃষ্টি কাড়ে এবং দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।