• ই-পেপার

‘কিংবদন্তির গল্প কখনোই শেষ হয় না’, নেইমারকে আবেগঘন বিদায় পলাশের

বাংলাদেশের সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ

বিনোদন প্রতিবেদক
বাংলাদেশের সিনেমার সঙ্গে যুক্ত হলেন বলিউডের অনুরাগ কাশ্যপ
সংগৃহীত ছবি

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রভাবশালী নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ এবার যুক্ত হলেন বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্র ‘দেলুপি’র সঙ্গে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রশংসিত এই সিনেমাটির বৈশ্বিক পরিবেশনার দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। ফলে এখন থেকে ছবিটি পরিচিত হবে ‘অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস দেলুপি’ নামে।

‘নো স্মোকিং’, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’, ‘ব্ল্যাক ফ্রাইডে’সহ একাধিক আলোচিত সিনেমার নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ ভারতীয় সমান্তরাল চলচ্চিত্রধারার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নাম। তাঁর মতো একজন নির্মাতার সম্পৃক্ততাকে বাংলাদেশের স্বাধীন চলচ্চিত্রের জন্য বড় অর্জন হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

সোমবার (৬ জুলাই) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ‘দেলুপি’র নির্মাতা মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম। তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারে ছবিটির পরিবেশক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন অনুরাগ কাশ্যপ। ফলে এখন থেকে সিনেমাটির সব প্রচারণামূলক উপকরণে লেখা থাকবে, ‘অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস দেলুপি’।

খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিশ্চিত করেছে ছবির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফুটপ্রিন্ট ফিল্ম প্রোডাকশনও। প্রতিষ্ঠানটির পোস্টে বলা হয়, ‘অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, অনুরাগ কাশ্যপ ‘দেলুপি’তে অনবোর্ড হয়েছেন। এখন থেকে দেলুপি বিশ্বজুড়ে পরিচিত হবে অনুরাগ কাশ্যপ প্রেজেন্টস ‘দেলুপি’। এটার পর অনেক কিছুই লেখা যায়। কিন্তু সত্যি বলতে, যাই লিখি না কেন, সেটা দিয়ে এই মুহূর্তে আমাদের অনুভূতিটা ঠিক বোঝানো সম্ভব না। একটি স্বাধীন বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অনুরাগ কাশ্যপের মতো একজন নির্মাতার দাঁড়ানো আমাদের জন্য শুধু একটি স্বীকৃতি নয়, বরং সামনের পথচলার জন্য এক বিশাল অনুপ্রেরণা।’

পোস্টের শেষাংশে অনুরাগ কাশ্যপের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি দর্শকদের ভালোবাসার জন্যও ধন্যবাদ জানিয়েছে ‘দেলুপি’ টিম।

গত বছরের নভেম্বরে মুক্তি পাওয়া ‘দেলুপি’ পরিচালনা করেন মোহাম্মদ তাওকীর ইসলাম। খুলনার একটি প্রত্যন্ত গ্রামের গল্পকে কেন্দ্র করে নির্মিত সিনেমাটি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রশংসিত হয়। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র উৎসব রটারড্যাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবেও জায়গা করে নেয় ছবিটি।

Delupi (2025) - IMDb

কয়েক দিন আগেই জনপ্রিয় চলচ্চিত্রভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম ‘লেটারবক্সড’-এ ‘দেলুপি’ নিয়ে নিজের প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করেন অনুরাগ কাশ্যপ। সেখানে ছবিটির ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি।

এ বিষয়ে নির্মাতা তাওকীর ইসলাম বলেন, ‘কথা ছিল, তিনি রটারড্যাম গিয়েই ছবিটা দেখবেন। পরে কোনো কারণে তা আর হয়নি। এজন্য আমি নিজ থেকেই তাকে ব্যক্তিতভাবে ছবিটা পাঠাই। সেখানে তিনি দেখেছেন। আর দেখার পর এমন প্রশংসা করেছেন।’

তাওকীর আরও ইঙ্গিত দিয়েছেন, অনুরাগ কাশ্যপের সঙ্গে ‘দেলুপি’তেই সহযোগিতা শেষ হচ্ছে না। সামনে তাঁদের যৌথভাবে আরও কিছু কাজের পরিকল্পনা রয়েছে। 

তবে সে বিষয়ে এখনই বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি তিনি। আপাতত সেই চমকের জন্য অপেক্ষা করতে হবে বলেই জানিয়েছেন এই নির্মাতা।

প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর ৬ বছর

বিনোদন প্রতিবেদক
প্লেব্যাক সম্রাট এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর ৬ বছর
সংগৃহীত ছবি

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী এন্ড্রু কিশোরকে হারানোর ছয় বছর পূর্ণ হলো আজ। ২০২০ সালের ৬ জুলাই ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াই শেষে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর বিদায়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছিল দেশের সংগীতাঙ্গনে। 

তবে সময় পেরিয়ে গেলেও তাঁর গাওয়া অগণিত কালজয়ী গান আজও সমানভাবে মুগ্ধ করে কোটি শ্রোতাকে।

চার দশকেরও বেশি সময়ের সংগীতজীবনে এন্ড্রু কিশোর বাংলা চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গানে গড়ে তুলেছিলেন এক অনন্য উচ্চতা। তাঁর কণ্ঠে গান মানেই ছিল আবেগ, আবেদন এবং জনপ্রিয়তার এক অনন্য সংমিশ্রণ। ক্যারিয়ারে প্রায় ১৫ হাজারেরও বেশি গান গেয়েছেন তিনি। অসংখ্য সুপারহিট ও কালজয়ী গানের জন্যই তিনি পেয়েছিলেন ‘প্লেব্যাক সম্রাট’ উপাধি।

১৯৭৭ সালে ‘মেইল ট্রেন’ চলচ্চিত্রে গান গাওয়ার মাধ্যমে চলচ্চিত্রে তাঁর যাত্রা শুরু হয়। তবে ১৯৭৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘প্রতিজ্ঞা’ সিনেমার ‘এক চোর যায় চলে’ গানটি তাঁকে এনে দেয় ব্যাপক পরিচিতি। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। একের পর এক জনপ্রিয় গান দিয়ে তিনি হয়ে ওঠেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম নির্ভরযোগ্য কণ্ঠ।

তাঁর গাওয়া ‘হায়রে মানুষ রঙিন ফানুশ’, ‘জীবনের গল্প আছে বাকি অল্প’, ‘ডাক দিয়াছেন দয়াল আমারে’, ‘সবাই তো ভালোবাসা চায়’সহ অসংখ্য গান আজও শ্রোতাদের আবেগে নাড়া দেয়। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে তাঁর গান সমানভাবে জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছে।

সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ক্যারিয়ারে আটবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন এন্ড্রু কিশোর। এ ছাড়া পেয়েছেন একাধিক বাচসাস পুরস্কার। তাঁর অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৪ সালে বাংলাদেশ সরকার তাঁকে মরণোত্তর একুশে পদকে ভূষিত করে।

১৯৫৫ সালের ৪ নভেম্বর রাজশাহীতে জন্মগ্রহণ করেন এন্ড্রু কিশোর। সংগীতপ্রেমী মায়ের উৎসাহেই তাঁর সংগীতচর্চার শুরু। স্বাধীনতার পর রাজশাহী বেতারের শিল্পী হিসেবে নজরুলসংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, লোকগান ও দেশাত্মবোধক গান পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি সংগীতজগতে নিজের ভিত্তি তৈরি করেন। পরে চলচ্চিত্রের প্লেব্যাক গানে হয়ে ওঠেন এক অনন্য নাম।

এবারের মৃত্যুবার্ষিকীতে বড় পরিসরের কোনো জাতীয় আয়োজনের খবর না থাকলেও রাজশাহীতে জেলা প্রেস ক্লাব ও আতাউর রহমান স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভক্ত, সহশিল্পী ও সংগীতপ্রেমীরা গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় স্মরণ করছেন বাংলা গানের এই কিংবদন্তিকে।

ব্রাজিল দলকে চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব : তটিনী

বিনোদন প্রতিবেদক
ব্রাজিল দলকে চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব : তটিনী
সংগৃহীত ছবি

বিশ্বকাপের শেষ ষোলো থেকেই বিদায় নিয়েছে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিল। নরওয়ের বিপক্ষে ২-১ গোলের পরাজয়ে সেলেসাওদের অপ্রত্যাশিত বিদায়ে যেমন হতাশ হয়েছেন বিশ্বের কোটি কোটি সমর্থক, তেমনি মন ভেঙেছে বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের অনেক তারকারও। তাদেরই একজন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিম সাইয়ারা তটিনী।

সোমবার (৬ জুলাই) নরওয়ের বিপক্ষে হেরে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি আবেগঘন পোস্ট শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী।

ব্রাজিলের জার্সি পরা একটি ছবি পোস্ট করে তটিনী লেখেন, ‘দলের প্রতিটি ভালো ও খারাপ সময়ে আমি পাশে আছি। ব্রাজিল এমন একটি দল, যা আমি চিরকাল আমার হৃদয়ে বহন করব। আজ, আগামীকাল এবং সর্বদা—আমি আমার দলের সঙ্গেই থাকব।’

May be pop art of text

পোস্টে ব্যবহৃত ছবিতেও ফুটে উঠেছে তার হতাশা। ছবিতে এক হাত দিয়ে চোখ ঢেকে কান্না আড়াল করার ভঙ্গিতে দেখা যায় তাকে, যা ব্রাজিলের পরাজয়ে ভেঙে পড়া সমর্থকদের অনুভূতিরই প্রতিফলন। শুধু তাই নয়, নিজের পোস্টের মন্তব্যের ঘরেও একাধিক কান্নার ইমোজি ব্যবহার করে প্রিয় দলের বিদায়ের কষ্ট প্রকাশ করেছেন তিনি।

তটিনীর এই পোস্টে অসংখ্য ভক্ত ও অনুসারী মন্তব্য করে তাকে সান্ত্বনা দিয়েছেন। অনেকেই ব্রাজিলের প্রতি নিজেদের অবিচল সমর্থনের কথাও জানিয়েছেন।

মাসুদ রানা রাজ মাসুদ নামে একজন লিখেছেন, ‘যারা ব্রাজিল সাপোর্টার তারা জীবনেও পল্টি নিয়ে অন্য দল করবে না যেমন আর্জেন্টিনা পল্টিবাজ তারা হেরে গেলে তাদের সাপোর্টার অন্য দলে যোগ দিতে দেরি করে না। জিতলেও ব্রাজিল হারলেও ব্রাজিল সব সময় প্রিয় দল ব্রাজিল। ইনশাআল্লাহ আবার দেখা হবে ২০৩০ সালে তবে আমি ঐ সময় বেচে নাও থাকতে পারি শুভ কামনা সবসময় প্রিয় দল ব্রাজিলের জন্য।’

May be an image of smiling

আরেকজনের মন্তব্য, ‘আমরা ম্যাচ হেরেছি তাতে কোন দুঃখ নেই আমাদের বস নেইমার তার ক্যারিয়ারের শেষ ম্যাচ খেলতে পারছে এতে আমরা খুশি।’

ব্রাজিলের বিদায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এখনো চলছে নানা আলোচনা। হতাশা থাকলেও অনেক সমর্থকের মতো তটিনীর বার্তাও একটাই—জয়-পরাজয় যাই হোক, প্রিয় দলের প্রতি ভালোবাসা অটুট থাকবে।
 

মৃত্যুর পর আমার লাশ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয় : রোজিনা

বিনোদন প্রতিবেদক
মৃত্যুর পর আমার লাশ যেন এফডিসিতে না নেওয়া হয় : রোজিনা
সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে ঘিরে চলমান বিতর্কের মধ্যেই বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন দেশের কিংবদন্তি চিত্রনায়িকা রোজিনা। নির্বাচন-পরবর্তী পরিস্থিতি ও এফডিসির বর্তমান পরিবেশ নিয়ে গভীর হতাশা প্রকাশ করে তিনি জানিয়েছেন, মৃত্যুর পর যেন তার মরদেহ বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) প্রাঙ্গণে না নেওয়া হয়।

রবিবার রাজধানীর উত্তরায় নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে শিল্পী সমিতির নির্বাচন, চলচ্চিত্র অঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতি এবং নিজের অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন এই বরেণ্য অভিনেত্রী।

রোজিনার অভিযোগ, এবারের শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সুষ্ঠু পরিবেশ ছিল না। ভোটগ্রহণ থেকে শুরু করে ফলাফল ঘোষণার পুরো প্রক্রিয়ায় তিনি বিভিন্ন ধরনের অসংগতি প্রত্যক্ষ করেছেন বলে দাবি করেন।

এফডিসির বর্তমান অবস্থা নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করে রোজিনা বলেন, ‘এফডিসি এখন আর আগের মতো নেই। এখানে সম্মান, মূল্যবোধ সবকিছুই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। জীবনে কোনোদিন আমি শিল্পী সমিতিতে যাব কিনা আমার জানা নেই। তবে মৃত্যুর পর আমার লাশ যেন এফডিসিতে নেয়া না হয়।’

এটি কোনো তাৎক্ষণিক আবেগের বহিঃপ্রকাশ নয় বলেও জানান তিনি। দীর্ঘদিন ধরে চলচ্চিত্রাঙ্গনের পরিবর্তিত পরিবেশ তাকে এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে বলে উল্লেখ করেন রোজিনা। 

তার কথায়, ‘এখনকার মানুষগুলোর মধ্যে শিল্পীদের শ্রদ্ধা করার মতো মানসিকতা একেবারেই নেই।’

কথার প্রসঙ্গে তিনি স্মরণ করেন প্রয়াত নায়করাজ রাজ্জাককে। রোজিনার দাবি, রাজ্জাকও জীবদ্দশায় অভিমান করে বলেছিলেন, তার মৃত্যুর পর যেন মরদেহ এফডিসিতে না নেওয়া হয়। সেই অভিজ্ঞতা ও বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় রেখে তিনি অনেক আগেই নিজের পরিবারকেও একই নির্দেশনা দিয়ে রেখেছেন।

নির্বাচনে নিজের পরাজয় প্রসঙ্গে রোজিনা বলেন, ‘আমাকে চক্রান্ত করে হারানো হয়েছে বলে আমি এমনটি বলছি না। এটা আমি আগে ভেবে রেখেছিলাম। এমনকি আমার পরিবারের সঙ্গেও এ বিষয়ে কথা হয়েছে।’

তবে শিল্পী সমিতির প্রতি ক্ষোভ থাকলেও এফডিসির সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করছেন না বলেও জানান এই অভিনেত্রী। সরকারি কোনো অনুষ্ঠান বা প্রযোজক সমিতির সদস্য হিসেবে প্রয়োজন হলে তিনি সেখানে যাবেন। তবে সাধারণ কোনো কারণে এফডিসিতে যাওয়ার ইচ্ছা তার আর নেই।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাম্প্রতিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যেই একাধিক প্রার্থী অনিয়মের অভিযোগ তুলেছেন। যদিও এসব অভিযোগের বিষয়ে শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। 

এদিকে রোজিনার এই মন্তব্য প্রকাশের পর চলচ্চিত্র অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই তার বক্তব্যকে দেশের চলচ্চিত্রাঙ্গনের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে একজন প্রবীণ শিল্পীর গভীর হতাশা ও উদ্বেগের প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন।