• ই-পেপার

ঝালকাঠিতে যাত্রীবাহী বাস খাদে পড়ে নিহত ১, আহত ১০

এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না রঙ্গনের

গঙ্গাচড়া (রংপুর) প্রতিনিধি
এইচএসসি পরীক্ষা দেওয়া হলো না রঙ্গনের
সংগৃহীত ছবি

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে প্রান্তীক গোস্বামী রঙ্গন (১৭) নামে এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রবিবার সকাল ৮টার দিকে উপজেলার বেতগাড়ী-পাগলাপীর সড়কের শাহপাড়া মোড়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহত প্রান্তীক গোস্বামী রঙ্গন উপজেলার বেতগাড়ী ইউনিয়নের রামনগরপাড়া গ্রামের প্রদীপ চন্দ্র গোস্বামীর একমাত্র ছেলে। তিনি ধনতলা রেয়াজউদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী এবং চলমান এইচএসসি পরীক্ষা অংশ নিয়েছিলেন ।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বড়ি থেকে পাগলাপীর বাজারের উদ্দেশ্যে রবিবার সকালে বের হন রঙ্গন। শাহপাড়া মোড়ে পৌঁছলে মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে একটি গাছের সঙ্গে ধাক্কা লাগে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

গঙ্গাচড়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর বলেন, ‘মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যুর খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা করা হয়েছে।’
 

ঝালকাঠি

যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার নিহত, ১০ যাত্রী আহত

ঝালকাঠি প্রতিনিধি
যাত্রীবাহী বাস উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার নিহত, ১০ যাত্রী আহত

ঝালকাঠির নলছিটিতে একটি যাত্রীবাহী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে খাদে পড়ে সুপারভাইজার আল মামুন মনির (৩০) নিহত হয়েছেন। দুর্ঘটনায় বাসের ভেতরে থাকা ১০ যাত্রী আহত হয়েছেন। 

রবিবার (৫ জুলাই) দুপুরে ঝালকাঠি-বরিশাল আঞ্চলিক মহাসড়কের নলছিটির রায়াপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সড়কে যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দুর্ভোগে পড়েন যাত্রীরা।

পুলিশ জানায়, পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া থেকে যাত্রী নিয়ে বরিশাল যাচ্ছিল যাত্রীবাহী বাস নাহিদ সুপার। বাসটি রায়াপুর এলাকায় পৌঁছলে সামনে একটি মাহিন্দ্রা গাড়ি দেখে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উল্টে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়। স্থানীয়রা এসে গাড়ির সুপারভাইজারসহ যাত্রীদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি ও বরিশাল হাসপাতালে পাঠান। ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে নেওয়ার পরে বাসের সুপারভাইজার আল মামুন মনিরকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। নিহত আল মামুন নলছিটি উপজেলার ভৈরবপাশা ইউনিয়নের প্রতাপ গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে।

নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে উদ্ধার কাজ করে। বাসটি উদ্ধার করে সড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখার জন্য পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছেন। অল্প সময়ের মধ্যেই যানচলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হবে।

রংপুর

মাদরাসার নামে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা

প্রশাসনের পদক্ষেপ দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক, রংপুর
মাদরাসার নামে সরকারি জমি দখলের চেষ্টা

রংপুরের মিঠাপুকুরে একটি মাদরাসার নামে রেকর্ড হওয়া ৪২ শতক সরকারি জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। একই সঙ্গে সেখানে থাকা শতাধিক মূল্যবান গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একটি প্রভাবশালী মহলের বিরুদ্ধে। 

সরকারি সম্পদ রক্ষা, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, গাছ কাটা বন্ধ এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে রংপুর জেলা প্রশাসক ও মিঠাপুকুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত ২৩ জুন এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকালে সরেজমিন উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের সদুরপাড়া গ্রামে গেলে এসব কথা বলেন স্থানীয়রা। এর আগে বেশ কয়েকটি গাছ কাটা করা হয়েছে বলে অভিযোগ  এলাকাবাসীর। 

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, সদুরপাড়া গ্রামে অহেতন নেছা ইবতেদায়ি মাদরাসার নামে প্রায় ৪২ শতক জমি রেকর্ডভুক্ত। দীর্ঘদিন ধরে ওই জমিতে ইউক্যালিপটাস, শালসহ বিভিন্ন প্রজাতির শতাধিক গাছ রোপণ ও সংরক্ষণ করা হয়। 

স্থানীয়দের দাবি, এসব গাছের বর্তমান বাজারমূল্য ১০ লাখ টাকারও বেশি। তাদের ভাষ্য, জমিটি শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্পদ নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য সংরক্ষিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সম্পদও। তাদের দাবি, অতীতে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করে জমিটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং এখনো সেই চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, শাজাহান, সাজু, সাইদুলসহ কয়েক ব্যক্তি জমিটি নিজেদের দাবি করে দীর্ঘদিন ধরে দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছেন। এরই মধ্যে কয়েকটি মূল্যবান গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।  অবশিষ্ট গাছগুলোও কাটার প্রস্তুতি চলছে। 

অভিযোগের বিষয়ে শাজাহান মিয়া বলেন, ‘আমার মা মাদরাসার নামে জমিটি দান করেছেন। জমির রেকর্ড মাদরাসার নামে হয়েছে। তবে গাছের মালিকানা নিয়ে আমাদের দাবি রয়েছে।’ 

তবে স্থানীয়রা বলছেন, জমি ও গাছ-উভয়ই সরকারি সম্পদের অংশ। 

এলাকাবাসী জানায়, বহু বছর আগে ওই জমিতে অহেতন নেছা ইবতেদায়ি মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। পরে নানা কারণে মাদরাসাটি স্থানান্তর করা হলেও জমিটি এখনো মাদরাসার নামেই রেকর্ডভুক্ত। তাই জমিটির মালিকানা নিয়ে বিভ্রান্তির কোনো সুযোগ নেই বলে দাবি তাদের। 

অভিযোগপত্রে আরো উল্লেখ করা হয়, ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের নামাজ আদায়ের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সেখানে একটি ওয়াক্তের নামাজঘর নির্মাণ করা হয়েছে। এর পাশে সীমানাপ্রাচীর নির্মাণের জন্য রংপুর জেলা পরিষদ থেকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কিন্তু প্রভাবশালী মহলের বাধার কারণে সেই প্রাচীর  নির্মাণের কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। 

এলাকাবাসীর আরো অভিযোগ, সরকারি জমির একাংশে অবৈধভাবে দোকানপাট নির্মাণ করা হয়েছে। এসব দোকানে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার করা হচ্ছে এবং সেখানে মাদক সেবনসহ নানা  অসামাজিক কর্মকাণ্ড সংঘটিত হচ্ছে। 

এ ছাড়া যথাযথ প্রশাসনিক অনুমোদন ছাড়াই সরকারি জমির একটি অংশে লাশ দাফন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বসতবাড়ির পাশেই এসব কর্মকাণ্ড চলায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ বাড়ছে। 

স্থানীয় বাসিন্দা মতিয়ার রহমান বলেন, জমিটি সরকারি রেকর্ডে মাদরাসার নামে রয়েছে। এখানে অনেক কষ্ট করে গাছ লাগানো হয়েছে। কয়েকটি গাছ এরই মধ্যে কেটে ফেলা হয়েছে। আমরা চাই প্রশাসন দ্রুত তদন্ত করে সরকারি সম্পদ রক্ষা করুক এবং দখলচেষ্টার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন।

গ্রামের ব্যবসায়ী একরামুল হক মণ্ডল বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র জমিটি দখলের চেষ্টা করছে। এখন তারা গাছও কেটে নিতে চাইছে। প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে সরকারি সম্পদের বড় ধরনের ক্ষতি হবে। আমরা চাই জমিটি দখলমুক্ত করে জনগণের স্বার্থে সংরক্ষণ করা হোক।’ 

মাদরাসার শিক্ষক গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘এই জমি মাদরাসার নামে রেকর্ডভুক্ত। এটি দখলমুক্ত করে সংরক্ষণ করা হলে ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রম পরিচালনায় ব্যবহার করা যাবে। সরকারি সম্পদ রক্ষা করা সবার দায়িত্ব।’ 

এর আগে প্রভাবশালীরা একটি ইউক্যালিপটাস,গাছ চার হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। তবে আর কয়েকটি গাছ কয়েক বছরে গাছ বিক্রি  করছে। 

অপর শিক্ষক জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, ‘সরকারি সম্পদ দখল কিংবা গাছ কাটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। প্রশাসন নিরপেক্ষ তদন্ত করে প্রকৃত অবস্থা যাচাই করলে সত্য বেরিয়ে আসবে। আমরা চাই আইন অনুযায়ী দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’ 

আবেদনে এলাকাবাসী সাত দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে- জমির মালিকানা ও রেকর্ড যাচাই করে জরুরি তদন্ত, অবৈধ দখল উচ্ছেদ, অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা অপসারণ, অনুমোদনবিহীন দাফনের বিষয় তদন্ত, সরকারি গাছ কাটার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধ এবং জমিটি মাদরাসার নামে সংরক্ষণ করে শিক্ষার্থীদের খেলাধুলা ও শিক্ষা-সহায়ক কার্যক্রমের জন্য ব্যবহার নিশ্চিত করা। 

 রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘লিখিত অভিযোগটি আমাদের নথিভুক্ত হয়ে থাকলে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হবে। সরকারি জমি, সরকারি গাছ কিংবা অন্য কোনো রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ অবৈধভাবে দখল বা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারবে না। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ 

চুয়াডাঙ্গা

কাজীর লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তার দাবি স্থানীয়দের

দামুড়হুদা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
কাজীর লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তার দাবি স্থানীয়দের
সংগৃহীত ছবি

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের কাজী শামসুল হকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম, বাল্যবিবাহ নিবন্ধন, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে লাইসেন্স বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে  মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

রবিবার (৫ জুলাই) সকাল ১১টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা পরিষদ চত্বরে কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের সর্বস্তরের এলাকাবাসীর ব্যানারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন শেষে অংশগ্রহণকারীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লাভলী ইয়াসমিনের কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন কার্পাসডাঙ্গা ইউনিয়নের রাশেদ আলী, আব্দুল কুদ্দুস ও মোরশেদ আলী। বক্তারা অভিযোগ করেন, কাজী শামসুল হক দীর্ঘদিন ধরে অপ্রাপ্তবয়স্ক ছেলে-মেয়েদের বাল্যবিবাহ নিবন্ধন করে আসছেন। পরে কনেপক্ষকে পুলিশ ও প্রশাসনের ভয় দেখিয়ে মোটা অঙ্কের অর্থ আদায় করেন। এ ছাড়া দেনমোহরের পরিমাণ বেআইনিভাবে বাড়ানো-কমানো এবং বিবাহবিচ্ছেদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ করেন তারা।

বক্তারা আরো জানান, গত ৩ জুলাই জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন তার কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করলে প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে কাজী শামসুল হক পালিয়ে যান। এ সময় তার দুই সহযোগীকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। অভিযানে কার্যালয়ের বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়ায় অফিসটি সিলগালা করে দেয় প্রশাসন।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো উল্লেখ করেন, এর আগে দামুড়হুদার সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুর রহমানের দায়িত্বকালেও বাল্যবিবাহ নিবন্ধনের দায়ে কাজী শামসুল হককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। এরপরও তিনি একই ধরনের কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা। 

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লাভলী ইয়াসমিন বলেন, ‘এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৩ জুলাই সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন নথিপত্রে অসংগতি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি তার লাইসেন্স বাতিলের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।’