ভারতজুড়ে রাজ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক দল ভাঙ্গনের অভিযোগ রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বিরুদ্ধে। এবার নিজেদের ফাঁদে পড়েছে বিজেপি। তামিলনাড়ুতে তাঁদের দল ভাঙচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী থালপতি বিজয়। এমন অভিযোগে হুলুস্থুল বাঁধিয়ে দিল তামিলনাড়ুর গেরুয়া শিবির। শুধু বিজেপি নয়, একই অভিযোগ তুলেছেন দুই পুরোনো তামিল দল ডিএমকে এবং এআইএডিএমকেও। মূল অভিযোগটা আসলে ডিএমকের।
কলকাতাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সংবাদ প্রতিদিনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, তামিলনাড়ুতে দীর্ঘ সময় শাসন করা দ্রাড়ির দলের ক্ষমতা অধ্যায় শেষ থালাপতির দল টিভিকের কাছে হেরে। ক্ষমতায় আসার পর থেকেই হু হু করে শক্তি বাড়ছে টিভিকের। রাজ্যের প্রায় সব প্রান্ত থেকেই বিভিন্ন স্তরের নেতা যোগ দিচ্ছেন বিজয়ের দলে। একাধিক এআইএডিএমকে বিধায়ক ইতিমধ্যেই বিজয়ের হাত ধরেছেন। ডিএমকের বহু জেলা ও ব্লক স্তরের নেতাও দলবদল করেছেন। একই পরিস্থিতি বিজেপির। মোটামুটি সব বিরোধী দলেই কমবেশি ভাঙন ধরিয়েছে টিভিকে।
একপ্রকার নিরুপায় হয়েই বিরোধীরা একযোগে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন। ডিএমকে, এআইএডিএমকে এবং বিজেপি আলাদা আলাদাভাবে রাজ্যপালের দ্বারস্থ হয়েছেন।
ডিএমকের অভিযোগ, সরকারের সমস্ত রকম ক্ষমতার অপব্যবহার করছে। জয়ী জনপ্রতিনিধিদের চাপ দিয়ে দলবদল করানো হচ্ছে। বেআইনিভাবে বিরোধী নেতাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। জেলেও অত্যাচারের সম্মুখীন হচ্ছেন তাঁরা।
তিন বিরোধী দলই একযোগে দাবি করছে, বিজয়ের বিরুদ্ধে কোনও সাংবিধানিক পদক্ষেপ করুন রাজ্যপাল। তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল বিশ্বনাথ রাজেন্দ্র আরলেকর তিন দলের অভিযোগের পাওয়া কথা স্বীকার করেছেন। এমনকী পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাসও দিয়েছেন।
বিজয় মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন দু’মাসও হয়নি। এরই মধ্যে একাধিক বিস্ফোরক অভিযোগ। তবে পাল্টা অভিযোগ বিজেপিও করেছে।
তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, তাঁর সরকারও ফেলার চেষ্টা হয়েছে। অন্তত ১৫ জন বিধায়ককে ৩৫ কোটি টাকা করে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল ডিএমকের তরফে। সেই অভিযোগের তদন্তও চলছে।




