• ই-পেপার

বেলফাস্টে ঘরবন্দি ৫ হাজার বাংলাদেশি

ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ মামলার প্রসিকিউটরের ৬ মাসের স্থগিতাদেশের সুপারিশ

অনলাইন ডেস্ক
ট্রাম্প-বিরোধী বিক্ষোভ মামলার প্রসিকিউটরের ৬ মাসের স্থগিতাদেশের সুপারিশ
২০১৭ সালে ট্রাম্পের অভিষেক অনুষ্ঠানে পুলিশের স্টান গ্রেনেড বিস্ফোরণে বিক্ষোভকারী ও সাংবাদিকরা ছোটাছুটি শুরু করেন। ছবি : রয়টার্স

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ফেডারেল প্রসিকিউটর জেনিফার কার্কহফ মুইসকেনসকে ৬ মাসের জন্য আইন পেশা থেকে বরখাস্ত করার সুপারিশ করেছে ওয়াশিংটনের ডিসি বোর্ড অন প্রফেশনাল রেসপন্সিবিলিটি। ২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রথম অভিষেক অনুষ্ঠানের সময় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে মামলায় তিনি ইচ্ছেকৃতভাবে সম্পাদিত (এডিটেড) বা কাটছাঁট করা ভিডিও প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করেছিলেন—এমন অভিযোগের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থার সুপারিশ করা হয়েছে।

এর আগে ডিসি বোর্ডের একটি কমিটি মুইসকেনসকে তিন মাসের জন্য স্থগিতাদেশ দেওয়ার প্রস্তাব করেছিল। তবে বোর্ডের ১০৫ পৃষ্ঠার চূড়ান্ত সুপারিশে বলা হয়েছে, আগের শাস্তিটি অত্যন্ত নমনীয় ছিল। মুইসকেনসের আচরণকে ‘জঘন্য, ইচ্ছাকৃত ও ধারাবাহিক’ আখ্যা দিয়ে শাস্তি বাড়িয়ে ৬ মাস করার সুপারিশ করা হয়। এখন মামলাটি ডিসি আপিল আদালতে যাবে, যা আইনজীবীদের শাস্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।

২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি ট্রাম্পের অভিষেকের সময় ওয়াশিংটনে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারীরা ভাঙচুর ও পুলিশের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হলে ২০০ জনেরও বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়। মুইসকেনস ছিলেন এই মামলার প্রধান প্রসিকিউটর। মুইসকেনসের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ‘প্রজেক্ট ভেরিটাস’ (একটি রক্ষণশীল গোষ্ঠী) এর তৈরি করা গোপন ভিডিওর এমন কিছু অংশ কেটে বাদ দিয়েছিলেন, যেখানে দেখা যাচ্ছিল বিক্ষোভকারীরা একে অপরকে শান্ত থাকতে এবং অহিংস আন্দোলন করতে অনুরোধ করছে। এই অংশগুলো বাদ দেওয়ার ফলে আদালতকে বোঝানো সহজ হয়েছিল যে বিক্ষোভকারীরা পরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা করতে চেয়েছিল।

বোর্ড জানিয়েছে, মুইসকেনস নির্দোষ প্রমাণ করার মতো গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করার জন্য পরিকল্পিত এবং অসদুপায় অবলম্বন করেছিলেন। এই ঘটনার পর ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের দিকে ২০ জন বিক্ষোভকারী নিজেদের দোষ স্বীকার করেন, ৬ জন খালাস পান এবং প্রায় ১০০ জনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রত্যাহার করে নেয় ফেডারেল প্রসিকিউটররা।

অন্যদিকে, মুইসকেনস শুরু থেকেই কোনো ধরনের অন্যায় করার কথা অস্বীকার করে আসছেন। গত বছর তিনি দাবি করেছিলেন যে তিনি কোনো মিথ্যাচার বা ইচ্ছাকৃত অসদাচরণ করেননি। তবে এই শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগের কারণে তিনি উটাহ-এর ফেডারেল প্রসিকিউটরের পদ থেকে পদত্যাগ করেন এবং বর্তমানে আইন পেশা ছেড়ে দিয়েছেন। তার আইনজীবী বা ডিসি বারের প্রধান শৃঙ্খলা পরামর্শ কার্যালয় এ বিষয়ে নতুন করে কোনো মন্তব্য করেনি।

সূত্র : রয়টার্স

নাইজেরিয়ায় এক বছরে ১৩ হাজার সন্ত্রাসী নিহত

অনলাইন ডেস্ক
নাইজেরিয়ায় এক বছরে ১৩ হাজার সন্ত্রাসী নিহত
সংগৃহীত ছবি

আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়ায় গত এক বছরে ১৩ হাজারের বেশি সন্ত্রাসীকে নির্মূল করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

নাইজেরিয়ার ‘গণতন্ত্র দিবস’ উপলক্ষে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে প্রেসিডেন্ট বোলা আহমেদ টিনুবু এ কথা জানান। শুক্রবার কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রেসিডেন্ট টিনুবু বলেন, ২০২৩ সালে ক্ষমতায় আসার পর থেকে সশস্ত্র বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মৃত্যুর সংখ্যা ৮১ শতাংশ কমেছে। ২০২৩ সাল থেকে ‘অপারেশন সেফ করিডোর’ কর্মসূচির এক লাখ ২৪ হাজার সন্ত্রাসী অস্ত্র সমর্পণ করেছে। এই কর্মসূচির আওতায় দেশটিতে স্বেচ্ছায় অস্ত্র সমর্পণ এবং সংশ্লিষ্টদের পুনর্বাসন করা হয়।

দেশটিতে ১৯৯৯ সালে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং কয়েক বছরের সামরিক শাসনের অবসানের স্মরণে এ দিবসটি পালন করা হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আফ্রিকার দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ নাইজেরিয়া বর্তমানে ক্রমবর্ধমান নিরাপত্তা সংকটে রয়েছে। দেশটিতে আল কায়েদা এবং ইসলামিক স্টেট সংশ্লিষ্ট গোষ্ঠীগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন অপরাধী চক্র মুক্তিপণের জন্য সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে চলেছে। স্কুল, গির্জা ও মসজিদের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও এসব ঝুঁকিতে রয়েছে। 

এ ছাড়া দেশটিতে সশস্ত্র গোষ্ঠীর কার্যক্রম শুরুতে উত্তরাঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু বর্তমানে তারা ঘন বনাঞ্চল ব্যবহার করে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলেও হামলা শুরু করেছে।

সরকারি কর্মকর্তারা বলছেন, সেনাবাহিনীর অভিযানের কারণে গোষ্ঠীগুলো পুরনো জায়গা ছেড়ে নতুন করে ঘাঁটি বানিয়েছে।

পুশ ইন

বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্য করতে চান না শুভেন্দু

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশ নিয়ে মন্তব্য করতে চান না শুভেন্দু
সংগৃহীত ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ বা মানুষ ঠেলে পাঠানোর ঘটনা ঘটছে। তবে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) এই কাজের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিজিবি)। এ পরিস্থিতিতে এবার মুখ খুললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

বাংলাদেশে ‘পুশ ইন’ নিয়ে আপাতত কোনো মন্তব্য করতে চান না তিনি। বরং বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের দিকে ঠেলে দিয়েছেন শুভেন্দু।

শুক্রবার কলকাতার কাছে নিউটাউনে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘পুশ ইন’ ইস্যুতে প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাকে।

এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে শুভেন্দু বলেন, ‘একটি বাইরের দেশের (বাংলাদেশ) সংসদে এই বিষয় (পুশ ইন) উত্থাপন করবে, এটি আপনার মুখ থেকে শুনছি। এ ব্যাপারে আমি কোনো উত্তর দেব না। এ বিষয়ে কথা বলার জন্য ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ সীমান্ত শুধু পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে নয়, পাঁচটা রাজ্যের সঙ্গে রয়েছে। এ ব্যাপারে দায়িত্বপূর্ণ কর্তৃপক্ষ হচ্ছে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। যদি প্রয়োজন হয়, তারা মন্তব্য করবেন।’

সীমান্ত ‘সুরক্ষিত’ করতে বিএসএফের কাছে জমি হস্তান্তর নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রতিদিন বিএসএফকে জমি হস্তান্তর করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে আমরা ১০০ কিলোমিটারের মতো জমি বিএসএফের হাতে হস্তান্তর করেছি।’

কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের বিষয়ে শুভেন্দু বলেন, ‘উত্তরবঙ্গের চিকেন নেকের মতো কিছু জায়গা আছে সেখানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ হচ্ছে। আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে এই কাজ শেষ করব। কারণ এটা দেশের সুরক্ষার বিষয়।’

কে এই কেইকো ফুজিমোরি?

অনলাইন ডেস্ক
কে এই কেইকো ফুজিমোরি?

আমেরিকা মহাদেশে ডানপন্থী নেতাদের জয়ের ধারায় নতুন সংযোজন হয়েছেন কেইকো ফুজিমোরি। তিনি পেরুর সাবেক প্রেসিডেন্ট ও কঠোর শাসক আলবার্তো ফুজিমোরির মেয়ে।

৫১ বছর বয়সী কেইকো ফুজিমোরি প্রায় ২ কোটি ভোটের মধ্যে মাত্র কয়েকশ ভোটের ব্যবধানে বামপন্থী প্রার্থী রবার্তো সানচেজকে হারিয়েছেন। তার জয়ের ব্যবধান ছিল ৫০ দশমিক ০০২ শতাংশেরও কম।

পেরুতে এই ফলাফলের পর আমেরিকা মহাদেশে এখন শুধু উরুগুয়ে, কলম্বিয়া ও ব্রাজিলে মধ্যপন্থী সরকার ক্ষমতায় রয়েছে। রয়টার্স জানিয়েছে, এই প্রতিযোগিতায় ফুজিমোরির জন্য শেষ বড় সুবিধাটি এসেছে প্রবাসীদের দেওয়া ভোট থেকে। 

তিনি প্রায় ৬০০টি বেশি ভোট পেয়েছেন। সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিষয় হলো, সানচেজ দেশের অভ্যন্তরীণ ভোট গণনায় ৫০.২১ শতাংশ পেয়ে এগিয়ে থাকলেও, ফুজিমোরি প্রবাসীদের দেওয়া বিপুল ভোটের ব্যবধানে, অর্থাৎ ৬৩.৪২ শতাংশ পেয়ে এগিয়ে আছেন। 

সামান্য ব্যবধানের কারণে বিতর্কিত ব্যালটগুলো এখন পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং ফলাফল নিশ্চিত হতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এই বিভক্ত নির্বাচন দেশে ও বিদেশে থাকা পেরুভিয়ানদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করেছে। গণনার সময় প্রাথমিকভাবে শান্ত থাকার আহ্বান জানালেও পরে বামপন্থী প্রার্থী রবার্তো সানচেজ তার অবস্থান বদলান। 

তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়াকে অদ্ভুত, অস্বাভাবিক ও প্রশ্নবিদ্ধ বলে মন্তব্য করেন এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি এক্সে লেখেন, ‘আমাদের জনগণ সতর্ক আছে, ভোট ও গণতন্ত্রকে অবশ্যই সম্মান করতে হবে।’ 

তার দল লিমা অঞ্চলের এক হাজার ৭৫১টি এবং যুক্তরাষ্ট্রের ৬৫৭টি ভোটকেন্দ্রের ফল বাতিলের জন্য মামলা করেছে। তাদের অভিযোগ, নির্বাচনী সামগ্রী পরিবহনে অবহেলা করা হয়েছে। দলটি আরো দাবি করেছে, বিশ্লেষণে শত শত গণনাপত্রে সন্দেহজনক মিল পাওয়া গেছে। পাশাপাশি তারা বলেছে, দেশব্যাপী এক হাজার ৭৫১টি ভোটকেন্দ্রে ৫৮৪ ধরনের হুবহু পুনরাবৃত্তি শনাক্ত করা হয়েছে বলে লা রিপাবলিকা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে পেরুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী কার্লোস পারেহা বলেন, বিদেশি ব্যালটে কোনো অনিয়ম হয়নি। আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরাও বলেছেন, রবিবারের নির্বাচন বড় কোনো সমস্যা ছাড়াই সম্পন্ন হয়েছে। সানচেজ নির্বাচনে পরাজয় স্বীকার করেননি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ফুজিমোরির জন্য শাসন করা কঠিন হতে পারে, কারণ তারা একটি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক বিরোধী দলের মুখোমুখি হতে পারেন।

কেইকো ফুজিমোরি কে?

কেইকো ফুজিমোরি ১৯ বছর বয়সে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি তার বাবা, সাবেক প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফুজিমোরির ফার্স্ট লেডি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। আলবার্তো ফুজিমোরি একজন স্বৈরশাসক হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০০০ সালের নভেম্বর পর্যন্ত এই পদে ছিলেন। পরে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠলে তিনি পদত্যাগ করেন এবং জাপানে পালিয়ে যান।

পরবর্তীতে আলবার্তো ফুজিমোরি মানবতাবিরোধী অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হন। বিশেষ করে ‘তে গ্রুপো কোলিনা’ নামের ডেথ স্কোয়াডকে গণহত্যাসহ নানা হত্যাকাণ্ড চালানোর নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগে তাকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে তাকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তিনি ১৯৯০ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত পেরু শাসন করেছিলেন। কেইকো ফুজিমোরি ২০১১, ২০১৬ এবং ২০২১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং প্রতিবারই দ্বিতীয় দফার ভোটে অল্প ব্যবধানে পরাজিত হন। চাঁদাবাজি, অবৈধ স্বর্ণখনন এবং কোকেন পাচার বৃদ্ধির সম্মুখীন দেশটির অন্যতম প্রধান উদ্বেগের বিষয়গুলো মোকাবিলার লক্ষ্যে তিনি সহিংস অপরাধ দমন, সর্বোচ্চ নিরাপত্তা সম্পন্ন কারাগার নির্মাণ এবং অবৈধ অভিবাসীদের বহিষ্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফুজিমোরি তার বাবার অনেক স্বৈরাচারী প্রবণতা প্রত্যাখ্যান করলেও তার কিছু কঠোর নীতি বজায় রেখেছেন। 

তার বাবা ক্ষমতায় থাকার জন্য কংগ্রেস ভেঙে দিয়েছিলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের গ্রেপ্তার করেছিলেন এবং জালিয়াতিমূলক কাজ করেছিলেন। তবে তিনি বলেছেন, পেরুর এক মেয়াদের নির্ধারিত সময়ের বাইরে তিনি ক্ষমতায় থাকবেন না।