• ই-পেপার

তাইওয়ান সীমান্তে আবারও চীনের যুদ্ধবিমান-নৌযান শনাক্ত

ফিলিপাইন জুড়ে ভূমিকম্পের তাণ্ডবলীলা, নিহত ৩

অনলাইন ডেস্ক
ফিলিপাইন জুড়ে ভূমিকম্পের তাণ্ডবলীলা, নিহত ৩
ছবি : রয়টার্স

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মিন্দানাও দ্বীপে আঘাত হেনেছে শক্তিশালী ৭.৮ মাত্রার এক ভূমিকম্প। সোমবারের (৮ জুন) এই ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩ জন নিহত এবং ৫ জন আহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে দেশটির পুলিশ। 

ভূমিকম্পের পর ফিলিপাইন, ইন্দোনেশিয়া ও জাপানসহ এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি দেশ সুনামি সতর্কতা জারি করেছে। স্থানীয় পুলিশ জানিয়েছে, শক্তিশালী এই কম্পনের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। প্রাথমিক হিসেবে অন্তত ৩৭টি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার বেশিরভাগই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান। ধসে পড়া ভবনের নিচে আরো কেউ আটকে আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে উদ্ধারকারী দল।

ফিলিপাইন ইনস্টিটিউট অব ভলক্যানোলজি অ্যান্ড সিসমোলজি জানিয়েছে, মূল ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর থেকে স্থানীয় সময় সকাল ১১টা (জিএমটি ০৩:০০) পর্যন্ত ওই অঞ্চলে ১৩৮টি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে। এই আফটারশকগুলোর মাত্রা ছিল ১.৩ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৬.৭ পর্যন্ত, যা উদ্ধারকাজকে ব্যাহত করছে। ফিলিপাইন প্রশাসন উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। 

সূত্র : বিবিসি

ইসরায়েলে আরো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলে আরো ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল ইরান
ছবি : রয়টার্স

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, ইরান থেকে আবারও এক দফা ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের দিকে নিক্ষেপ করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে আইডিএফ জানায়, হামলা প্রতিহত করতে তাদের প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে কাজ করছে এবং ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আইডিএফ সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেছে, মোবাইল ফোন বা সাইরেনের মাধ্যমে সতর্কবার্তা পেলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে হবে। নতুন এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী।

এদিকে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলার পর ইরানের রাজধানী তেহরান এবং তাবরিজ ও ইসফাহান শহরে একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এই হামলা এমন সময় চালানো হলো, যখন ইরান উত্তর ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। নতুন হামলার আগে ইরান রবিবার রাতে ইসরায়েলের দিকে একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে। ইরানের অভিযোগ, লেবাননে ইসরায়েলের ধারাবাহিক হামলা যুদ্ধবিরতির শর্ত লঙ্ঘন করেছে।

তেহরানের হুঁশিয়ারি ছিল, দক্ষিণ লেবাননে চলমান হামলা বন্ধ না করলে ইসরায়েলকে আরো হামলার মুখে পড়তে হবে। স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে শুরু হওয়া এই হামলার পর ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় সতর্কতামূলক সাইরেন বেজে ওঠে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, ইরান থেকে ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্রই প্রতিহত করা হয়েছে এবং এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা ইসরায়েলের রামাট ডেভিড বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, দক্ষিণ লেবাননের টাইর ও নাবাতিয়েহ অঞ্চলে বেসামরিক মানুষের হত্যাকাণ্ড ও বাস্তুচ্যুতির জবাব হিসেবে এই হামলা করা হয়েছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, ইসরায়েল আবার হামলা চালালে ইরানের প্রতিক্রিয়া বড় হবে এবং এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের স্বার্থসংশ্লিষ্ট লক্ষ্যবস্তুও এর আওতায় আসতে পারে। এ হামলার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ফোনে নেতানিয়াহুকে সংযত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানা গেছে। এ ছাড়া তিনি ব্রিটিশ সংবাদপত্র ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, পরিস্থিতি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তিনিই নিচ্ছেন। 

এর আগে ইসরায়েল লেবাননের রাজধানী বৈরুতে দক্ষিণ উপশহরে হামলা চালায়। এতে অন্তত দুজন নিহত এবং ২০ জন আহত হন। সাম্প্রতিক এই হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরো বেড়ে গেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ নেতার সামরিক উপদেষ্টা মোহসেন রেজাই বলেছেন, ইরান বারবার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন ও লেবাননের বিরুদ্ধে আগ্রাসন মেনে নেবে না বলে জানিয়েছিল। তার ভাষায়, ‘ইসরায়েলের হামলা ছিল একটি সতর্কবার্তা। নতুন কোনো আগ্রাসনের জবাব আরো কঠোর হবে।’

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ফোন করে ইরানের বিরুদ্ধে পাল্টা হামলা না চালানোর আহ্বান জানাবেন। ইসরায়েলের চ্যানেল ১২-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ‘ইরানের হামলায় কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি। আশা করি, ইসরায়েলও পাল্টা হামলা করবে না। 

ইসরায়েল ও ইরান উভয়েই তাদের বার্তা দিয়েছে, এখন আর নতুন সংঘাতের প্রয়োজন নেই।’

তিনি আরো বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি চূড়ান্ত চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে এবং বর্তমান পরিস্থিতির কারণে সেই প্রচেষ্টা ভেস্তে যাক, তা তিনি চান না। তবে ইসরায়েলি কর্মকর্তারা এর আগে জানিয়েছিলেন, ইরানের হামলার জবাবে তারা ‘শক্তিশালী প্রতিক্রিয়া’ দেওয়ার পরিকল্পনা করছে। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে বড় ধরনের উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
 

উত্তর কোরিয়ায় শি চিনপিং, বৈঠকে বসছেন কিমের সঙ্গে

অনলাইন ডেস্ক
উত্তর কোরিয়ায় শি চিনপিং, বৈঠকে বসছেন কিমের সঙ্গে
ছবি : রয়টার্স

চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিং আজ সোমবার দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে উত্তর কোরিয়ার রাজধানী পিয়ংইয়ং পৌঁছেছেন। গত সাত বছরে উত্তর কোরিয়ায় এটি তার প্রথম সফর।

সফরে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফরের মূল লক্ষ্য হলো উত্তর কোরিয়ার ওপর চীনের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রভাব আরো শক্তিশালী করা।

চীন দীর্ঘদিন ধরে উত্তর কোরিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সহযোগী। তবে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে উত্তর কোরিয়া রাশিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বাড়িয়েছে এবং ইউক্রেন যুদ্ধের সময় রাশিয়াকে সমর্থন করেছে। ফলে দুই দেশের সম্পর্কের ভারসাম্য নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

বিশ্লেষকদের ধারণা, শি চিন পিং উত্তর কোরিয়াকে খাদ্য, সার, পর্যটন এবং বিভিন্ন অর্থনৈতিক প্রকল্পে সহায়তার প্রস্তাব দিতে পারেন। এর মাধ্যমে চীন উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে তার ঐতিহ্যগত জোটকে আরো শক্তিশালী করতে চায়। 

এদিকে উত্তর কোরিয়া তার পারমাণবিক কর্মসূচি অব্যাহত রেখেছে। দেশটির নেতা কিম জং উন সম্প্রতি পারমাণবিক শক্তি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।

ধারণা করা হচ্ছে, শি চিন পিং সফরের সময় পারমাণবিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে সরাসরি চাপ না দিয়ে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বিষয়টি গুরুত্ব দেবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সফর শুধু চীন-উত্তর কোরিয়া সম্পর্কের জন্য নয়, বরং পূর্ব এশিয়ার কৌশলগত ও রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপরও গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

ইবোলা নিয়ন্ত্রণে ডিআর কঙ্গোর জন্য ডব্লিউএইচওর ৫১৮ মিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা ঘোষণা

অনলাইন ডেস্ক
ইবোলা নিয়ন্ত্রণে ডিআর কঙ্গোর জন্য ডব্লিউএইচওর ৫১৮ মিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা ঘোষণা
ম্পোন্ডওয়ে সীমান্ত ক্রসিংয়ের একটি অস্থায়ী ক্লিনিকে একজন স্বাস্থ্যকর্মী হাত ধুচ্ছেন। ছবি : রয়টার্স

গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) চলমান ইবোলা প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ৫১৮ মিলিয়ন ডলারের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। রাজনৈতিক সদিচ্ছা, দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়ন এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সক্রিয় অংশগ্রহণের ওপর জোর দিয়ে সংস্থার মহাপরিচালক তেদরোস আধানোম গেব্রেউসাস এ পরিকল্পনা ঘোষণা করেন।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআইনিউজ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এক পোস্টে ডব্লিউএইচও প্রধান লেখেন, ২০২৬ সালের জুন থেকে নভেম্বর মাসের জন্য একটি ‘মহাদেশীয় প্রস্তুতি ও সাড়াদান পরিকল্পনা’ গ্রহণ করেছে আফ্রিকা সিডিসি এবং ডব্লিউএইচও। এই পরিকল্পনার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ৫১৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। এতে অংশীদার হিসেবে রয়েছে ইউনিসেফ, ইউএনএইচসিআর, ডব্লিউএফপি, আইএফআরসি এবং ফাইন্ডডিএক্স।

ডব্লিউএইচও প্রধান আরো জানান, চলতি সপ্তাহের শুরুর দিকে বুন্দিবুজিও ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট ইবোলা প্রাদুর্ভাব নিয়ে ডিআরসির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদির সঙ্গে তার একটি ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে।

এক্সের ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত প্রদেশ বুনিয়াতে গত সপ্তাহে আমার সফরের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স শিসেকেদিকে অবহিত করেছি। এ ছাড়া ডব্লিউএইচও কর্তৃক নির্মিত এবং স্থানীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা একটি ইবোলা চিকিৎসাকেন্দ্রসহ রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার পরিধি বাড়ানোর অগ্রগতি নিয়েও আমাদের কথা হয়েছে।’

প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় জনগণকে সচেতন ও সংগঠিত করার বিষয়ে উভয় নেতাই একমত হয়েছেন।

তেদরোস আধানোম গেব্রেউসাস যোগ করেন, ‘আমরা একমত হয়েছি যে, এই প্রাদুর্ভাব রুখতে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে এগিয়ে আসতে হবে। এর অর্থ হলো—স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নেটওয়ার্কগুলোকে সক্রিয় করা, নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ দাফন নিশ্চিত করা, সংক্রমণ প্রতিরোধব্যবস্থা জোরদার করা এবং লক্ষণ দেখা দিলে মানুষকে দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা, যাতে জীবন বাঁচাতে পারে। আশার কথা হলো, অনেক রোগী ইতিমধ্যেই সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। এটি প্রমাণ করে যে দ্রুত চিকিৎসা কতটা কার্যকর এবং কেন আমাদের প্রতিটি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়া উচিত।’

তিনি আরো উল্লেখ করেন, ইবোলার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পাশাপাশি জরুরি স্বাস্থ্য ও মানবিক সেবাগুলোকেও অবহেলা করা যাবে না। ডিআরসির সম্মুখসারির স্বাস্থ্যকর্মীদের নিষ্ঠার প্রশংসা করে তিনি বলেন, তাদের যথাযথ সহায়তা দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এই সংকটময় মুহূর্তে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কঙ্গোর পাশে দাঁড়িয়ে সুসমন্বিত সহায়তা ও প্রয়োজনীয় সম্পদ সরবরাহ করার আহ্বান জানান তিনি। একই সঙ্গে, এমন কোনো ভ্রমণ বা বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা আরোপ না করার অনুরোধ জানান, যা এই লড়াইকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। ডব্লিউএইচও এই প্রাদুর্ভাব শেষ না হওয়া পর্যন্ত কঙ্গোর পাশে থাকবে এবং এই জরুরি অবস্থাকে কাজে লাগিয়ে দেশের স্বাস্থ্য খাতকে আরো শক্তিশালী করতে কাজ করবে।

উল্লেখ্য, ইবোলা মূলত একটি মারাত্মক ভাইরাল হেমোরেজিক ফিভার বা রক্তক্ষরণকারী জ্বর, যা বুন্দিবুজিও ভাইরাস স্ট্রেনের সংক্রমণের কারণে ঘটে। এটি একটি অত্যন্ত গুরুতর রোগ এবং এতে মৃত্যুর হার অনেক বেশি। বর্তমানে বুন্দিবুজিও স্ট্রেনজনিত ইবোলা রোগ প্রতিরোধ বা চিকিৎসার জন্য অনুমোদিত কোনো ভ্যাকসিন কিংবা নির্দিষ্ট ওষুধ নেই।