• ই-পেপার

নাটোরে শুভসংঘের উদ্যোগে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন

সমাজকে ভালোভাবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছে বসুন্ধরা শুভসংঘ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

মনোহরদী (নরসিংদী) প্রতিনিধি
সমাজকে ভালোভাবে গড়তে কাজ করে যাচ্ছে বসুন্ধরা শুভসংঘ : স্বাস্থ্যমন্ত্রী
ছবি : কালের কণ্ঠ

সমাজকে ভালোভাবে গড়তে বসুন্ধরা শুভসংঘ কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, ‘অসচ্ছল নারীদের মাঝে সেলাই মেশিনের সঙ্গে বসুন্ধরা শুভসংঘ গাছের চারাও দিচ্ছে, যা পরিবেশের জন্য অত্যন্ত উপকারী। আমার নির্বাচনী এলাকায় বসুন্ধরা শুভসংঘ সেলাই মেশিন বিতরণের মহৎ উদ্যোগ গ্রহণ করায় আমি ধন্যবাদ জানাচ্ছি।’

শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেলে মনোহরদী উপজেলা অডিটরিয়ামে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে ৩০ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অসচ্ছল নারীদের স্বাবলম্বী করার লক্ষ্যে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে সেলাই মেশিন ও গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সেলাই মেশিনের মাধ্যমে আয় করে নারীরা সংসারের হাল ধরতে পারবে। নিজেরা কাপড় সেলাই করে বেচে যাওয়া টাকা সন্তানদের জন্য খরচ করতে পারবেন। এর মাধ্যমে সামগ্রিক সংসারের উন্নতি ঘটবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে জেলা হাসপাতালে ১০ শয্যা করে কিডনি ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। শিগগিরই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতেও ১০ শয্যা চালু করা হবে। আমরা নির্বাচনে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি তা বাস্তবায়ন হচ্ছে, বাকিগুলো ও দ্রুত হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির।

বসুন্ধরা শুভসংঘ মনোহরদী উপজেলা শাখার সভাপতি ডা. মো. সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মনোহরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এম.এ মুহাইমিন আল জিহান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. সজিব মিয়া, মনোহরদী থানার ওসি জাহাঙ্গীর বাদশা, বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান, মনোহরদী উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. আমিনুর রহমান সরকার দোলন, মনোহরদী সরকারি পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদরুল ইসলাম মোল্লা বাবুল প্রমুখ।

উপকারভোগীরা জানান, বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সেলাই মেশিন প্রদান তাদের জন্য একটি বড় প্রাপ্তি। অনেকেই দীর্ঘদিন ধরে আয়ের একটি স্থায়ী উৎসের অপেক্ষায় ছিলেন। বসুন্ধরা গ্রুপের এই উদ্যোগ তাদের নতুন করে স্বপ্ন দেখার সাহস জুগিয়েছে।

উপকারভোগী আছিয়া আক্তার জানান, এই সেলাই মেশিন কাজে লাগিয়ে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের জন্যও আর্থিক সহায়তা নিশ্চিত করতে পারব।

তিনি বসুন্ধরা গ্রুপের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, সমাজের পিছিয়ে পড়া নারীদের উন্নয়নে এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আমরা বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা ও শুভানুধ্যায়ীদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং সার্বিক সফলতা কামনা করছি।

বসুন্ধরা শুভসংঘের পরিচালক জাকারিয়া জামান বলেন, ‘আমরা গ্রামীণ নারীদের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে স্বাবলম্বী করতে তাদের প্রশিক্ষণ দিয়ে সেলাই মেশিন বিতরণ করেছি। গত ৩ বছরে আমরা সারা দেশে ৩ হাজারের বেশি সেলাই মেশিন বিতরণ করেছি। সেলাই মেশিন ছাড়া ও বিভিন্নভাবে বসুন্ধরা গ্রুপ অসহায়দের মাঝে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিচ্ছে। ভবিষ্যতে ও আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা মাহবুবুর রহমান মনির বলেন, ‘আমরা সারা দেশের ন্যায় নরসিংদী জেলার তৃণমূল পর্যায়েও বসুন্ধরা শুভসংঘের শুভকাজগুলো ছড়িয়ে দিচ্ছি। আমরা শিবপুর ও মনোহরদীতে সেলাই মেশিনসহ বিভিন্নভাবে অসচ্ছলদের স্বাবলম্বী করতে সহযোগিতা করেছি। ভবিষ্যতে তা জেলাজুড়ে অব্যাহত থাকবে। বাংলাদেশের সংকটগুলোর সময় বসুন্ধরা শুভসংঘ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে এগিয়ে চলার চেষ্টা করে।’

প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলন বলেন, ‘নারীদের দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তাদের আত্মনির্ভরশীল করে তোলা এবং পারিবারিক আয়ের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করাই এ কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য। প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা এখন নিজ বাড়িতে কিংবা ছোট পরিসরে সেলাইয়ের কাজ শুরু করে পরিবারের আর্থিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করারও সুযোগ তৈরি হবে।’

পীরগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
পীরগঞ্জে বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ
সংগৃহীত ছবি

‘সবুজে সুন্দর আগামী’ গড়ার প্রত্যয়ে বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বসুন্ধরা শুভসংঘ পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার আয়োজনে উপজেলার দোয়েল কিন্ডারগার্টেন স্কুলে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় বিদ্যালয়ের সব শিক্ষার্থীর হাতে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণ করা হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, মানুষের জীবন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই বৃক্ষরোপণ ও গাছের পরিচর্যার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।’

বক্তারা আরো বলেন, ‘একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ অপরিহার্য। শিক্ষার্থীদের হাতে একটি করে গাছের চারা তুলে দেওয়া মানে তাদের হাতে একটি সুন্দর ভবিষ্যতের দায়িত্ব তুলে দেওয়া।’

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি জয়নাল আবেদীন বাবুল, সাধারণ সম্পাদক নসরতে খোদা রানা, সাংবাদিক মামুনুর রশিদ মিন্টু, বসুন্ধরা শুভসংঘ পীরগঞ্জ উপজেলা শাখার সভাপতি তারেক হোসেন, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন দুলাল, সদস্য বেলাল হোসেন, গোলাম রব্বানী, রেজাউল ইসলাম, সুকদেব সাহা, শিক্ষক শিমুল দাশ, ফারুক হোসেন, আশরাফুল ইসলাম, সাইফুন নাহার, বৃষ্টি আক্তার, রিমু আক্তার, ইমরুল কায়েস মনা, মিতুসহ স্থানীয় শিক্ষক, অভিভাবক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।

বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে ডামুড্যায় বৃক্ষরোপণ-চারা বিতরণ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বসুন্ধরা টিস্যু ও শুভসংঘের উদ্যোগে ডামুড্যায় বৃক্ষরোপণ-চারা বিতরণ
ছবি: কালের কণ্ঠ

বসুন্ধরা টিস্যু ও বসুন্ধরা শুভসংঘের যৌথ উদ্যোগে ‘সবুজে সুন্দর আগামী’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শরীয়তপুরের ডামুড্যায় শিক্ষার্থীদের মাঝে বৃক্ষরোপণ, ফলদ-বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি বিদ্যালয় চত্বরে বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে উপজেলার কনেশ্বর ইউনিয়নের কেহুরভাঙ্গা এলাকার আদর্শ বালিকা বিদ্যালয় এবং ২৯ নম্বর কেহুরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন কনেশ্বর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আনিছুর রহমান বাচ্চু, কনেশ্বর ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন।

মো. আনিছুর রহমান বাচ্চু বলেন, শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণের এই উদ্যোগ পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। গাছ আমাদের জীবন ও প্রকৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাই শুধু গাছ লাগালেই হবে না, সেগুলোর পরিচর্যাও নিশ্চিত করতে হবে। আজকের রোপণ করা চারাই আগামী দিনের সবুজ সম্পদ। এ ধরনের কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা ও দায়িত্ববোধ গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং তরুণ প্রজন্মকে সবুজায়ন কর্মসূচিতে সম্পৃক্ত করাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য। তারা বলেন, একটি গাছ শুধু পরিবেশকে সবুজ করে না, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য নির্মল ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই প্রত্যেক শিক্ষার্থীর অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং নিয়মিত পরিচর্যার দায়িত্ব নেওয়া উচিত।

কর্মসূচিতে বসুন্ধরা শুভসংঘ শরীয়তপুর জেলা শাখার উপদেষ্টা শরিফুল আলম ইমন, জেলা শাখার সভাপতি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মোল্লা, ডামুড্যা উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও প্রাইম কম্পিউটার অ্যান্ড টেকনিক্যাল ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, উপজেলা শুভসংঘের উপদেষ্টা ও ১১ নম্বর পশ্চিম চরভয়রা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবুবকর ছিদ্দিক, আদর্শ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শরীয়ত উল্লাহ, ২৯ নম্বর কেহুরভাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক এনামুল হক এনাম, দৈনিক কালের কণ্ঠের ডামুড্যা উপজেলা প্রতিনিধি সৈয়দ মেহেদী হাসান, শুভসংঘ ডামুড্যা উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. তারেক বেপারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

ডেমরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ডেমরায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে বসুন্ধরা শুভসংঘের সচেতনতামূলক কর্মসূচি
ছবি: কালের কণ্ঠ

ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের লক্ষ্যে রাজধানীর ডেমরায় পরিচ্ছন্নতা ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেমরা থানা শাখা।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি অপসারণ, ঝোপঝাড় ও আগাছা পরিষ্কার এবং এডিস মশার সম্ভাব্য প্রজননস্থল ধ্বংস করা হয়। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ডেঙ্গু প্রতিরোধে করণীয় সম্পর্কে সচেতনতামূলক বার্তা দেওয়া হয় এবং বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ নিয়মিত পরিষ্কার রাখার আহ্বান জানানো হয়।

কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে শুধু সরকারি উদ্যোগের ওপর নির্ভর করলে হবে না; প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ বাড়ি, আঙিনা ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত এক দিন জমে থাকা পানি অপসারণ এবং নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে ডেঙ্গুর ঝুঁকি অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

বসুন্ধরা শুভসংঘ ঢাকা মহানগরের সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মিলটনের সার্বিক নির্দেশনায় এবং ডেমরা থানা শাখার সভাপতি শাহারুল ইসলাম শাকিল ও সাধারণ সম্পাদক সাদমানের নেতৃত্বে কর্মসূচিতে অংশ নেন রমনা থানা শাখার সভাপতি আশিক আহমেদ, যাত্রাবাড়ী থানা শাখার সভাপতি মো. তৌফিকুল ইসলাম, সহসভাপতি শাওন সূত্রধর, ডেমরা থানা শাখার সহসাধারণ সম্পাদক ডি. এম. রিয়াদ, সাংগঠনিক সম্পাদক সম্রাট, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রেজাউর রহমান বাপ্পি, সদস্য শাহীন ও রুবায়েতসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

আবদুল হান্নান মিলটন বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো সচেতনতা, পরিচ্ছন্নতা ও নাগরিক দায়িত্ববোধ। সবাই নিজ নিজ অবস্থান থেকে মশার প্রজননস্থল ধ্বংস এবং পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। তিনি স্বাস্থ্যসম্মত নগরী গড়ে তুলতে তরুণদের আরো সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

ডেমরা থানা শাখার উপদেষ্টা মো. মনিরুল ইসলাম বলেন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশই সুস্থ জীবনের ভিত্তি। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত উদ্যোগের কোনো বিকল্প নেই।

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা, ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ গড়ে তুলতে সক্রিয়ভাবে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আয়োজকরা জানান, পরিবেশ সংরক্ষণ, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেমরা থানা শাখা ভবিষ্যতেও এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখবে।