• ই-পেপার

আলোচনা সভায় বক্তারা

সমাজ পরিবর্তনে ভূমিকা রাখে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন

বই উপহার কর্মসূচিতে লোহাগাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বই উপহার কর্মসূচিতে লোহাগাড়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ
ছবি: কালের কণ্ঠ

চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় সাংবাদিক ও চিকিৎসকদের বই উপহার দিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। লোহাগাড়া উপজেলা বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি নাহিয়ান চৌধুরীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে শুক্রবার (১২ জুন) বিকেলে লোহাগাড়ার আর্ক চুনতি রিসোর্টে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের সদস্য, চিকিৎসকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন।

দিনব্যাপী আয়োজনে পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধি, পেশাগত সম্পর্ক উন্নয়ন এবং সামাজিক বন্ধন দৃঢ় করার লক্ষ্যে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করা হয়। পরে লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক শাহজাদা মিনহাজের সঞ্চালনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লোহাগাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. ইশতিয়াকুর রহমান এবং লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. হোসাইন মুহাম্মদ ফয়সাল।

বইয়ের প্রতি নিজের আগ্রহের কথা তুলে ধরে প্রধান অতিথি ইউএনও মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ বলেন, অবসর সময় পেলেই তিনি বই পড়েন। তাঁর ব্যক্তিগত সংগ্রহে প্রায় ৯০০ বই রয়েছে বলেও জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ডা. মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইন প্রধান অতিথি ইউএনও মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দের হাতে দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক ইমদাদুল হক মিলনের লেখা ‘রহস্যময় জঙ্গলবাড়ি’ বইটি তুলে দেন।

পরে ইউএনও মো. বায়েজিদ-বিন-আকন্দ এবং লোহাগাড়া প্রেসক্লাবের সভাপতি এম সাইফুল্লাহ চৌধুরী বিশেষ অতিথি ডা. মুহাম্মদ ইকবাল হোসাইনের হাতে ইমদাদুল হক মিলনের আরেকটি বই ‘মুখোশ পরা মানুষ’ তুলে দেন।

বই উপহার কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, জ্ঞানচর্চা ও পাঠাভ্যাস মানুষের চিন্তাশক্তিকে সমৃদ্ধ করে। সাংবাদিক ও চিকিৎসকদের মতো সমাজের গুরুত্বপূর্ণ পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করতে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং আয়োজকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে শেষ হয়।

সুজানগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন

প্রবীর সাহা, পাবনা
সুজানগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদকবিরোধী ক্যাম্পেইন
সংগৃহীত ছবি

পাবনার সুজানগরে বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে মাদক বিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার সকালে পাবনার সুজানগর উপজেলার ৩৮ নম্বর মানিকদীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বসুন্ধরা শুভসংঘ সুজানগর উপজেলা শাখার উদ্যোগে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে সবাই ‘ধূমপান করব না, মাদককে না বলি’, ‘পাঁচ বছর বয়সে বিদ্যালয়ে যাব’, ‘প্রতিদিন ১ টি করে ভালো কাজ করব’ এই প্রতিজ্ঞা করা হয়।  

মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘের সুজানগর উপজেলা কমিটির সভাপতি ও সুজানগর উপজেলা পোস্ট মাস্টার মো. আফজাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক ক্যাম্পেইনে ১৩২ নম্বর চরসুজানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা জনাব আবুল কালাম আজাদ মাদকের কুফল সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেন । 

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ৩৮ নম্বর মানিকদীর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সানজিদা লায়লা শারমিন, সুজানগর বাগানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও বসুন্ধরা শুভসংঘ সুজানগর উপজেলা শাখার উপদেষ্টা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলামসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘ সুজানগর উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক  ও ১৩২ নম্বর চরসুজানগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন অত্র এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক শফিউল আজম শফি, হাবিবুর রহমান রব, মো. শরিফুল আলম মিন্টু, সিদ্দিকুর রহমান, আব্দুল আলিম, সুজা উদ্দিন সুজা প্রমুখ। 

বান্দরবানে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
বান্দরবানে বসুন্ধরা শুভসংঘের সেলাই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র উদ্বোধন
ছবি: কালের কণ্ঠ

নারীদের আত্মকর্মসংস্থান, দক্ষতা বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বান্দরবান জেলা শাখা বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে নারী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের উদ্বোধন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ বান্দরবান জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক উবাসাইং মারমা। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নেন্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারম্যান ও প্রক্টর, সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ বান্দরবান জেলা শাখার প্রধান উপদেষ্টা বাবু চাইথুইপ্রু মার্মা, উন্নয়নকর্মী ও ফুলব্রাইট স্কলার ডসিংনু মারমা এবং বসুন্ধরা শুভসংঘের পার্বত্য অঞ্চল সমন্বয়ক উয়ই সিং মার্মা।

সভাপতির বক্তব্যে উবাসাইং মারমা বলেন, নারীর ক্ষমতায়ন ছাড়া কোনো সমাজের টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বর্তমান সময়ে দক্ষতা ও আত্মনির্ভরশীলতা নারীদের এগিয়ে যাওয়ার প্রধান শক্তি। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানবিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর পাশে রয়েছে। এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নারীদের দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মোহাম্মদ ওয়াহিদুর রহমান বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বের অন্যতম চাহিদা। নারীরা যখন দক্ষ হয়ে ওঠেন, তখন একটি পরিবার, সমাজ এবং দেশের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হয়। পার্বত্য অঞ্চলের নারীদের জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। আমি আশা করি, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত নারীরা নিজেদের জীবনমান উন্নয়নের পাশাপাশি সমাজেও ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে সক্ষম হবেন।

প্রধান উপদেষ্টা বাবু চাইথুইপ্রু মার্মা বলেন, নারীদের উন্নয়ন ও ক্ষমতায়নের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন। বসুন্ধরা শুভসংঘের এই উদ্যোগ শুধু একটি প্রশিক্ষণ কার্যক্রম নয়, বরং এটি নারীদের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি এবং সামাজিক নেতৃত্ব তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। স্থানীয় পর্যায়ে এ ধরনের উদ্যোগ আরও সম্প্রসারিত হওয়া উচিত।

বিশেষ অতিথি ডসিংনু মার্মা বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে নারীর অর্থনৈতিক অংশগ্রহণ উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রামের নারীদের মধ্যেও বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে। প্রয়োজন শুধু সঠিক প্রশিক্ষণ, সুযোগ এবং সহযোগিতা। আমি বিশ্বাস করি, এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নারীদের নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে এবং তাদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করবে।

পার্বত্য অঞ্চল সমন্বয়ক উয়ই সিং মার্মা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের নারীরা সামাজিক ও অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে এগিয়ে চলেছেন। তাদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আয়মুখী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার জন্য এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বসুন্ধরা শুভসংঘ ভবিষ্যতেও নারী উন্নয়ন, শিক্ষা, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সচেতনতা কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। আমরা চাই নারীরা নিজেদের সক্ষমতা দিয়ে পরিবার, সমাজ ও দেশের উন্নয়নে আরো কার্যকর অবদান রাখুক।

অনুষ্ঠানে বক্তারা নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক ক্ষমতায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন। তারা বলেন, প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও দক্ষতা নারীদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে এবং তাদের জীবনমান উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বসুন্ধরা শুভসংঘের রোয়াংছড়ি উপজেলা শাখার সভাপতি শিমুল তংঞ্চঙ্গ্যা, শুভসংঘের জেলা শাখার সদস্যবৃন্দ, শিক্ষার্থী, যুব প্রতিনিধি এবং প্রশিক্ষণার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ নারী দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন এবং প্রশিক্ষণার্থীদের সফলতা কামনা করেন। বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, এই উদ্যোগ বান্দরবানের নারীদের আত্মনির্ভরশীল ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিরাপদ সড়কের দাবিতে সচেতনতার আহ্বান, চালক ও পথচারীদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ

জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়া, বিশ্বম্ভরপুর (সুনামগঞ্জ)
নিরাপদ সড়কের দাবিতে সচেতনতার আহ্বান, চালক ও পথচারীদের দায়িত্বশীল হওয়ার তাগিদ

সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বসুন্ধরা শুভসংঘ বিশ্বম্ভরপুর উপজেলা শাখার উদ্যোগে বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার দিকে উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের চিনাকান্দি বাজারের মুক্তিযোদ্ধা চত্বরে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য মানুষ প্রাণ হারাচ্ছেন। অসচেতনতা, বেপরোয়া গাড়ি চালানো, অতিরিক্ত গতি, ট্রাফিক আইন না মানা এবং সড়ক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দুর্ঘটনা বাড়ছে। এসব দুর্ঘটনা কমাতে চালক, যাত্রী ও পথচারী—সবার মধ্যে সচেতনতা তৈরি করা জরুরি।

বসুন্ধরা শুভসংঘ বিশ্বম্ভরপুর শাখার সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শাহ আলমেরর সঞ্চালনায় মানববন্ধনে বক্তব্য দেন পল্লী চিকিৎসক আশিক নুর, ব্যবসায়ী রহম আলী, রবি হোসেন, চিনাকান্দি সিএনজি স্টেশন ম্যানেজার ইমরান মিয়া, জুবায়ের আহমেদ, হোসেন আহমেদ ও আমীর হোসেনসহ অনেকে।

বক্তারা বলেন, সড়ক দুর্ঘটনা কোনো ব্যক্তির একার সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক সমস্যা। দুর্ঘটনা রোধে নিয়মিত প্রচারণা, চালকদের প্রশিক্ষণ, যানবাহনের ফিটনেস নিশ্চিত করা এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা প্রয়োজন।

তারা আরো বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পাশাপাশি সামাজিক সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে। সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির মাধ্যমে দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

মানববন্ধনে স্থানীয় ব্যবসায়ী, পরিবহন শ্রমিক, সামাজিক সংগঠনের সদস্য ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। এ সময় তারা নিরাপদ সড়কের দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সবাইকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানান।