• ই-পেপার

নারী নির্যাতন প্রতিরোধে রংপুরে বসুন্ধরা শুভসংঘের পোস্টার প্রদর্শনী

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

অনলাইন ডেস্ক
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ

পরিবেশ সংরক্ষণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলা এবং সবুজ-সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় বসুন্ধরা শুভসংঘের উদ্যোগে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কর্মসূচিতে বিভিন্ন প্রজাতির ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয় এবং পরিবেশ রক্ষায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সচেতনতামূলক বার্তা প্রচার করা হয়।

সোমবার (৮ জুন) ধর্মপাশা সরকারি ডিগ্রি কলেজের মোড়ে বসুন্ধরা শুভসংঘের আয়োজনে বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়। 

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনি রায়, ধর্মপাশা সরকারি ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ কৃষ্ণ কান্ত বিশ্বাস, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল হক, এস এম রহমত, সদস্য মজিবুর রহমান মজুমদার, বিএনপি নেতা নুরুল আমিন, সিনিয়র সাংবাদিক গিয়াস উদ্দিন রানা, সাইফ উল্লাহ, নারীবিষয়ক সম্পাদক আসমা আক্তার, ইউপি সদস্য শাহানা আক্তারসহ বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা। 

আরো উপস্থিত ছিলেন বসুন্ধরা শুভসংঘ ধর্মপাশায় উপজেলা শাখার উপদেষ্টা বকুল মড়ল, সভাপতি সেলিম আহম্মেদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিপন মিয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক ইমাম হোসেন, অর্থ সম্পাদক নজির হোসেন, সদস্য উজ্জল সরকার প্রমুখ।

কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পরিবেশগত নানা সংকট সৃষ্টি হচ্ছে। অতিরিক্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধি, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, নদীভাঙন, খরা এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাত্রা দিন দিন বেড়েই চলেছে। এসব সমস্যা মোকাবিলায় বৃক্ষরোপণ অন্যতম কার্যকর উদ্যোগ। একটি গাছ মানুষের জীবনের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ গাছ আমাদের অক্সিজেন সরবরাহ করে, কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে, পরিবেশকে শীতল রাখে এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।’

তারা আরো বলেন, ‘পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য শুধু সরকারি উদ্যোগই যথেষ্ট নয়; এর সঙ্গে সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত হতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে পরিবেশবান্ধব কর্মকাণ্ডে এগিয়ে আসতে হবে। একটি গাছ রোপণ করা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সেটিকে পরিচর্যা করে বড় করে তোলাও সমান জরুরি। গাছ বাঁচলে পরিবেশ বাঁচবে, আর পরিবেশ বাঁচলে মানবসভ্যতা নিরাপদ থাকবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘের সদস্যরা বলেন, ‘দেশের বৃহত্তম শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে বসুন্ধরা শুভসংঘ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, মানবিক সহায়তা, পরিচ্ছন্নতা অভিযান, শীতবস্ত্র বিতরণ, রক্তদান কর্মসূচি এবং পরিবেশ সংরক্ষণমূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সমাজের কল্যাণে এবং তরুণদের ইতিবাচক কাজে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে সংগঠনটি দেশের বিভিন্ন জেলায় নিয়মিতভাবে জনসেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছে।’

বক্তারা বলেন, ‘বৃক্ষরোপণ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বিনিয়োগ। আজ আমরা যে গাছ রোপণ করছি, তা আগামী দিনে ছায়া দেবে, ফল দেবে, পরিবেশকে সুরক্ষা দেবে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে সহায়তা করবে। তাই প্রত্যেক মানুষকে বছরে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ এবং তার পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণ করতে হবে।’

অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে তারা নতুন করে সচেতন হয়েছেন। তারা নিজেদের বাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আশপাশের এলাকায় আরও বেশি গাছ লাগানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। পাশাপাশি বন্ধু ও পরিবারের সদস্যদেরও বৃক্ষরোপণে উৎসাহিত করার অঙ্গীকার করেন।’

কর্মসূচি শেষে অংশগ্রহণকারীরা পরিবেশ রক্ষায় সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং দেশব্যাপী বৃক্ষরোপণ আন্দোলনকে আরও জোরদার করার আহ্বান জানান। তারা বলেন, ‘একটি সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়তে বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই। সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি নিজ নিজ অবস্থান থেকে গাছ লাগানো ও পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখেন, তাহলে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর বাংলাদেশ উপহার দেওয়া সম্ভব হবে।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ ধর্মপাশা উপজেলা শাখার এই মহতী উদ্যোগ স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে ব্যাপক প্রশংসা অর্জন করেছে। পরিবেশবান্ধব এই কর্মসূচি তরুণদের সামাজিক দায়বদ্ধতা ও স্বেচ্ছাসেবী কর্মকাণ্ডে আরও উৎসাহিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন।

জাবি বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান উপদেষ্টার প্রো-ভিসি নিয়োগ, ফুলেল শুভেচ্ছা

রিফাত বিন নুর, জাবি
জাবি বসুন্ধরা শুভসংঘের প্রধান উপদেষ্টার প্রো-ভিসি নিয়োগ, ফুলেল শুভেচ্ছা
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় বসুন্ধরা শুভসংঘ জাবি শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ।

‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা শুভসংঘ জাবি শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ। 

সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের কার্যালয়ে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির একটি দল নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানায়।

‎এ সময় অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম শুভসংঘের প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। ‎সাক্ষাৎকালে বসুন্ধরা শুভসংঘ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাঁর নিয়োগের পর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে আসছে।

জাবির উপ-উপাচার্য নজরুল ইসলামকে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফুলেল শুভেচ্ছা

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
জাবির উপ-উপাচার্য নজরুল ইসলামকে বসুন্ধরা শুভসংঘের ফুলেল শুভেচ্ছা
ছবি: কালের কণ্ঠ

‎জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় গণিত বিভাগের চেয়ারম্যান ও বসুন্ধরা শুভসংঘ জাবি শাখার প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে বসুন্ধরা শুভসংঘ জাবি শাখা।

‎সোমবার (৮ জুন) বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যের কার্যালয়ে সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির একটি দল নবনিযুক্ত উপ-উপাচার্যের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানান।

‎এ সময় অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলাম শুভসংঘের প্রতিনিধিদের ধন্যবাদ জানান। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং সামাজিক দায়বদ্ধতা বৃদ্ধিতে বসুন্ধরা শুভসংঘের বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও সংগঠনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরো পড়ুন
ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ

ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ

 

‎সাক্ষাৎকালে বসুন্ধরা শুভসংঘ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যসহ সংগঠনের সাধারণ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

‎প্রসঙ্গত, সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে অধ্যাপক ড. নজরুল ইসলামকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। 

ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ

বসুন্ধরা শুভসংঘ ডেস্ক
ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণ পরিচ্ছন্ন করলো বসুন্ধরা শুভসংঘ
ছবি: কালের কণ্ঠ

দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার ঐতিহাসিক নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণে পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করেছে বসুন্ধরা শুভসংঘ কাহারোল উপজেলা শাখা।

সোমবার (৮ জুন) বসুন্ধরা শুভসংঘ কাহারোল উপজেলা শাখার উদ্যোগে নয়াবাদ মসজিদ প্রাঙ্গণে এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন বসুন্ধরা শুভসংঘ কাহারোল উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মাহফুজ ইসলাম, সহ-সভাপতি সঞ্জয় রায়, সাধারণ সম্পাদক রিপন রায়, প্রচার সম্পাদক রিফাত ইসলাম এবং কার্যকরী সদস্য মনিরুজ্জামান, সোহাগ ইসলাম, রাব্বি ইসলাম, অমি হোসেন, আহাদ আলী, অলক রায়সহ অন্যান্য সদস্যরা।

নয়াবাদ মসজিদের সহকারী ইমাম ও মুয়াজ্জিন মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘আজ বসুন্ধরা শুভসংঘ কাহারোল উপজেলা শাখার সদস্যরা আমাদের মসজিদের আশপাশের এলাকা অত্যন্ত সুন্দরভাবে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করেছে। তাদের এ উদ্যোগ দেখে আমি খুবই আনন্দিত। তারা যেন ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক ও কল্যাণমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে পারে, সে জন্য আমরা দোয়া করি।’

আরো পড়ুন
জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু

 

বসুন্ধরা শুভসংঘ কাহারোল উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মাহফুজ ইসলাম বলেন, ‘দিনাজপুরের কাহারোলে অবস্থিত নয়াবাদ মসজিদ শুধু আমাদের এলাকার নয়, বরং পুরো বাংলাদেশের একটি অনন্য ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন। ১৭৯৩ সালে নির্মিত এই স্থাপত্য আমাদের গৌরবময় ইতিহাসের সাক্ষী। বসুন্ধরা শুভসংঘ সবসময় মানুষের কল্যাণে বিভিন্ন সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে। আজকের এই পরিচ্ছন্নতা অভিযানও সেই ধারাবাহিকতারই একটি অংশ।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাকে অত্যন্ত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। আল্লাহর ঘরের পবিত্রতা ও সৌন্দর্য রক্ষা করা আমাদের সবার দায়িত্ব। প্রতিদিন দেশ-বিদেশের বহু পর্যটক এই ঐতিহাসিক মসজিদ দেখতে আসেন। মসজিদ প্রাঙ্গণ অপরিচ্ছন্ন থাকলে তা এলাকার পাশাপাশি দেশের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ণ করে। তাই আমরা বন্ধুদের নিয়ে আজকের এই উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছি, যাতে দর্শনার্থীরা একটি পরিচ্ছন্ন, সুন্দর ও পবিত্র পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।’

বসুন্ধরা শুভসংঘ কাহারোল উপজেলা শাখার প্রচার সম্পাদক রিফাত ইসলাম বলেন, ‘পরিচ্ছন্নতা শুধু একদিনের কর্মসূচি নয়, এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। আমরা আজ পরিষ্কার করে দিলেও এর সৌন্দর্য ও পরিচ্ছন্নতা ধরে রাখার দায়িত্ব সবার। আমি স্থানীয় বাসিন্দা এবং দর্শনার্থীদের অনুরোধ করব, আপনারা ময়লা-আবর্জনা, চিপসের প্যাকেট কিংবা প্লাস্টিকের বোতল যেখানে-সেখানে ফেলবেন না। আসুন, সবাই মিলে আমাদের এই ঐতিহাসিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ করি এবং এর সৌন্দর্য অক্ষুণ্ন রাখি।’

স্থানীয় বাসিন্দারাও বসুন্ধরা শুভসংঘের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, ‘এ ধরনের কার্যক্রম শুধু পরিবেশ রক্ষাই নয়, বরং তরুণদের মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা, স্বেচ্ছাসেবী মনোভাব এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণের চেতনা গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

উল্লেখ্য, ১৭৯৩ সালে নির্মিত নয়াবাদ মসজিদ দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার অন্যতম দর্শনীয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনা। মুঘল স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত এই মসজিদটি দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলোর একটি হিসেবে পরিচিত। প্রতিবছর অসংখ্য দেশি-বিদেশি পর্যটক এই ঐতিহাসিক স্থাপনাটি পরিদর্শন করতে আসেন।