• ই-পেপার

প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা পেলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান

বৃহস্পতিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

নিজস্ব প্রতিবেদক
বৃহস্পতিবার ৯ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়
সংগৃহীত ছবি

জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) টানা সাড়ে ৯ ঘণ্টা ঢাকার ধামরাইয়ের বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে। বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ধামরাই জোনাল অফিস থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিদ্যুৎ

এতে বলা হয়, উপর্যুক্ত বিষয়ের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট সবার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের স্বার্থে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত মোট সাড়ে ৯ ঘণ্টা ভাড়ারিয়া (একমি) ৩৩ কেভি ও ধামরাই উপকেন্দ্রের ১, ৩, ৬, ৭, ৮, ৯, ১০ ও ১১ নম্বর ফিডারের আওতাভুক্ত বেশকিছু এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

এই এলাকাগুলো হলো- আমিন মডেল টাউন, ধানসিঁড়ি, বরাত সেন্টার, বরাত নগর, হার্ডিঞ্জ স্কুল, পাঠানটুলা, কালিয়াগার, উত্তর পাতা, কমিশনার মোড় কুমড়াইল, গোয়ারীপাড়া, কুমরাইল, ঋষিপাড়া, টেকপাড়া, ইসলামপুর হাসপাতাল রোড এবং মাদরাসা রোড থেকে সুইডিশ মাঠ, ঢুলিভিটা রাস্তার উত্তর পাশ, তালতলা, নতুন দক্ষিণপাড়া, ছোট চন্দ্ৰাইল, ছয়বাড়ীয়া, খাত্রা, বাসাইল, বাড়ীগাও, লাডুয়াকুন্ড, কুল্লা, রামকুল্লা, হিরানদী কুল্লা, জয়পুরার দক্ষিণপাশ, জলশীন, কান্দাপারা, গাওয়াইল, বাদে গাওয়াইল, বানেশ্বর, গোপালপুর, শরীফবাগ, কাকরান, তেতুলিয়া, হাজিপুর, স্বর্ণখালী, ইকুরিয়া, ইসলামনগর, ডেমরান, দীঘলগ্রাম, সাইদপাড়া, পাইকপাড়া, বাঙ্গালপাড়া, কাটাবৌর, মালঞ্চ, আশুলিয়া, দিয়াবাড়ী, কাটাখালী, হাটিপাড়া, চন্দপাড়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, থানা কমপ্লেক্স ও ধামরাই সরকারি কলেজের আওতাধীন সব এলাকা।

তবে নির্ধারিত সময়ের আগে কাজ শেষ হয়ে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল করা হবে। সাময়িক এ অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করেছে ঢাকা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৩ এর ধামরাই জোনাল অফিস।

সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনায় কড়াকড়ি

অনলাইন ডেস্ক
সরকারি অর্থায়নে বিদেশ ভ্রমণ ও গাড়ি কেনায় কড়াকড়ি
ছবি : কালের কণ্ঠ

মূল্যস্ফীতির চাপ নিয়ন্ত্রণ, সীমিত সম্পদের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যয় সংকোচন নীতি বহাল রাখল সরকার। কৃচ্ছ্রসাধনের অংশ হিসেবে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট বাস্তবায়নে কঠোর ব্যয় নিয়ন্ত্রণের নির্দেশনা দিয়ে জরুরি পরিপত্র জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। এতে নতুন গাড়ি কেনা, বিদেশ সফর, ভূমি অধিগ্রহণ এবং নতুন ভবন নির্মাণসহ বেশ কয়েকটি খাতে ব্যয় সীমিত বা স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

বুধবার (৮ জুলাই) অর্থ বিভাগের বাজেট অনুবিভাগ-১ থেকে জারি করা পরিপত্রে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, রাষ্ট্রায়ত্ত, পাবলিক সেক্টর করপোরেশন ও রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন কম্পানিগুলোর পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেটের বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন বিধিনিষেধ কার্যকর হবে। 

অর্থ বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন অর্থবছরের বাজেটে ব্যয় সংকোচন, অগ্রাধিকারহীন ব্যয় কমানো এবং সরকারি অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, এই পরিপত্র তারই বাস্তব প্রতিফলন। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, আর্থিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা এবং ‘ভ্যালু ফর মানি’ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। 

নতুন গাড়ি কেনায় নিষেধাজ্ঞা

পরিপত্র অনুযায়ী, পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট—উভয় ক্ষেত্রেই নতুন মোটরযান, জলযান ও আকাশযান কেনার ব্যয় বন্ধ থাকবে। তবে পরিপত্র জারির আগে অনুমোদিত প্রকল্পের ক্ষেত্রে সীমিত ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া ১০ বছরের বেশি পুরনো সরকারি যানবাহন প্রতিস্থাপনের সুযোগ থাকলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন যানবাহনকে পরিবেশবান্ধব ফুল ইলেকট্রিক ভেহিকল (এফইভি) হতে হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তকে একদিকে ব্যয়সাশ্রয়ী, অন্যদিকে জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধির উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

নতুন ভবন নির্মাণে কড়াকড়ি

সরকারি অর্থে নতুন আবাসিক ও অনাবাসিক ভবন নির্মাণে ব্যয় স্থগিত করা হয়েছে। তবে যেসব নির্মাণকাজ ইতোমধ্যে ৭০ শতাংশের বেশি সম্পন্ন হয়েছে, সেসব প্রকল্প অর্থ বিভাগের বিশেষ অনুমোদন সাপেক্ষে অর্থ ছাড় পেতে পারে।

অর্থ বিভাগ মনে করছে, চলমান প্রকল্প শেষ করাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হলে নতুন প্রকল্পের কারণে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমবে এবং উন্নয়ন ব্যয়ের কার্যকারিতা বাড়বে।

ভূমি অধিগ্রহণে ব্যয় বন্ধ

পরিচালন বাজেটে ভূমি অধিগ্রহণ খাতে বরাদ্দ অর্থ ব্যয় পুরোপুরি বন্ধ রাখা হয়েছে। উন্নয়ন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত অর্থ ছাড়ের আগে অর্থ বিভাগের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণ ব্যয় অস্বাভাবিক হারে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই খাতে অধিকতর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হয়েছে। 

বিদেশ সফরে কঠোর নিয়ন্ত্রণ

সরকারি অর্থায়নে বিদেশে প্রশিক্ষণ, সেমিনার, কর্মশালা ও সম্মেলনে অংশগ্রহণ কার্যত বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। তবে বিদেশি সরকার বা উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার অর্থায়নে আয়োজিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে।

একই সঙ্গে উন্নয়ন সহযোগীদের অর্থায়নে পরিচালিত মাস্টার্স ও পিএইচডি কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে। অর্থ বিভাগের ভাষ্য, সরকারি অর্থ ব্যয়ের পরিবর্তে বাহ্যিক অর্থায়নের সুযোগ কাজে লাগিয়ে মানবসম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রম চালানো হবে।

কর্মকর্তাদের গাড়ি ঋণও স্থগিত

সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি ক্রয়ের জন্য দেওয়া বিশেষ ঋণ কর্মসূচির বরাদ্দও স্থগিত করা হয়েছে। ব্যয় সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। 

প্রযুক্তি পরীক্ষা ও বিদেশ ভ্রমণ নিরুৎসাহিত প্রি-শিপমেন্ট ইন

পণ্য চালানের পূর্বপরিদর্শন (পিএসআই) এবং কারখানা গ্রহণযোগ্যতা পরীক্ষা (এফএটি)-এর মতো প্রযুক্তিগত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য বিদেশ সফর নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পরিপত্রে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা সনদপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসব পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে। এতে বিদেশ ভ্রমণ ব্যয় কমার পাশাপাশি প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতাও বাড়বে বলে মনে করছে অর্থ বিভাগ। 

‘ভ্যালু ফর মানি’ নিশ্চিতের নির্দেশ

পরিপত্রের শেষ অংশে বলা হয়েছে, সরকারি অর্থ ব্যয়ের প্রতিটি ক্ষেত্রে ‘ভ্যালু ফর মানি’ বা অর্থের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে। অর্থাৎ কম খরচে সর্বোচ্চ ফল নিশ্চিত করার নীতি অনুসরণ করতে হবে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, বর্তমানে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, রাজস্ব আহরণে চাপ, বৈদেশিক অর্থায়নের সীমাবদ্ধতা এবং বাজেট ঘাটতির বাস্তবতায় ব্যয় নিয়ন্ত্রণ সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটেও ব্যয় দক্ষতা বৃদ্ধি ও অপ্রয়োজনীয় খরচ কমানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

স্পিডিং ফাইন ও বকেয়া জরিমানার নামে প্রতারণার ফাঁদ, সতর্ক করল বিআরটিএ

নিজস্ব প্রতিবেদক
স্পিডিং ফাইন ও বকেয়া জরিমানার নামে প্রতারণার ফাঁদ, সতর্ক করল বিআরটিএ
সংগৃহীত ছবি

মোবাইলে ‘স্পিডিং ফাইন’, ‘ট্রাফিক জরিমানার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি’ কিংবা ‘বকেয়া জরিমানার’ ভুয়া বার্তা পাঠিয়ে প্রতারণা করছে একটি অসাধু চক্র। এ বিষয়ে সতর্ক থাকার পাশাপাশি মোবইলে এমন মেসেজ আসলে লিংকে ক্লিক না করার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)।

বিআরটিএ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) সার্ভিস পোর্টালের (বিএসপি) আদলে প্রস্তুতকৃত জাল ওয়েবসাইট বা পোর্টাল ব্যবহার করে একটি অসাধু চক্র প্রতারণা করছে। চক্রটি বিভিন্ন মোবাইল নম্বর থেকে ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে ‘ট্রাফিক জরিমানার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি’ বা ‘স্পিডিং ফাইন বকেয়া রয়েছে, দ্রুত পরিশোধ করুন’ অথবা ‘আপনার বকেয়া জরিমানা আছে’ এ ধরনের বার্তা মোবাইলে প্রেরণ করছে।

এ ছাড়া এমন বার্তা বা মেসেজের সঙ্গে চক্রটি কিছু নির্দিষ্ট (bsbrtcar-bdpay.sbs ev bspbrtcar-govbd.online, bspbrtn-gov.cc, bspbrtcar-payfeebd.icu, bspbrtn-gov.cc, bsp.brtagov.top, bsp.brta.vu/bd, bsapqzc.lat ev bsp.brtas.cfd) অথবা অন্য কোনো লিংক প্রেরণ করছে, যা বিআরটিএ সার্ভিস পোর্টালের (বিএসপি) আদলে প্রস্তুত করা হলেও এসব জাল ওয়েবসাইট বা পোর্টালের সঙ্গে বিআরটিএর সার্ভিস পোর্টালের প্রকৃত লিংক bsp.brta.gov.bd বা বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। এটি সম্পূর্ণ প্রতারণামূলক কার্যক্রম।

এই অবস্থায় মোবইলে এমন মেসেজ আসলে লিংকে ক্লিক না করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত কোনো তথ্য বা আর্থিক লেনদেন না করার বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিআরটিএ কৃর্তপক্ষ। সেই সঙ্গে এ ধরনের প্রতারকচক্রের বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে (স্থানীয় থানা বা পুলিশের সাইবার ক্রাইম ইউনিটে) অবহিত করার জন্যও অনুরোধ জানিয়েছে সংস্থাটি।

বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বাসস
বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, বৃক্ষরোপণ শুধু একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি নয়, এটি আমাদের জাতীয় দায়িত্ব, পরিবেশ রক্ষার অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি কর্তব্য। তিনি বলেন, আজকের একটি বৃক্ষই হতে পারে আগামী দিনের নির্মল পরিবেশ, সুস্থ জীবন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের ভিত্তি। তাই আসুন, ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা বিবেচনা করে সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি আমরা প্রত্যেকে অন্তত একটি করে গাছের চারা রোপণ ও তার পরিচর্যার দায়িত্ব গ্রহণ করি। বৃক্ষরোপণকে একটি জাতীয় দায়িত্ব ও সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করাই হোক আমাদের সম্মিলিত অঙ্গীকার।

‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ উপলক্ষে বুধবার (৮ জুলাই) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশব্যাপী ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০২৬’ শুরু হতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। প্রকৃতি, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবেলায় বৃক্ষের ভূমিকা অপরিসীম। প্রাণিকুলের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন সরবরাহের পাশাপাশি পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষয়ক্ষতি কমাতে বৃক্ষরাজি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

তিনি বলেন, বর্তমানে দ্রুত নগরায়ণ, বনভূমি হ্রাস, পরিবেশদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের বৈরী প্রভাবে বাংলাদেশ পরিবেশগত নানা সংকটের সম্মুখীন। এসব সংকট মোকাবেলায় ব্যাপকভাবে বৃক্ষরোপণ ও সবুজায়ন অপরিহার্য। এ প্রেক্ষাপটে দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, বর্তমান সরকার বৃক্ষরোপণ অভিযানকে জনগণের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও প্রজন্মগত উন্নয়নের এক সবুজ বিপ্লবে রূপান্তর করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে আগামী পাঁচ বছরে দেশব্যাপী ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সরকারি বনভূমি, প্রান্তিক ভূমি, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলে বনায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করতে ‘ওয়ান চাইল্ড, ওয়ান ট্রি’ কর্মসূচির আওতায় দেশের ২৯ হাজার ৬২১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একযোগে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বৃক্ষরোপণ অভিযান। পরিবেশ রক্ষায় সরকারের এ সকল যুগান্তকারী কর্মসূচি একটি সবুজ, টেকসই ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।

তিনি আরো বলেন, এ বছর ‘বৃক্ষরোপণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৫’ এবং ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে জাতীয় পুরস্কার ২০২৬’-এ ভূষিত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এবং সামাজিক বনায়নের লভ্যাংশপ্রাপ্ত সব উপকারভোগীকে আমি আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। আমি ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা-২০২৬’ এর সার্বিক সাফল্য কামনা করি।