• ই-পেপার

থানা ও আদালতের মালখানায় আলামতের জট

খোলা আকাশের নিচে নষ্ট হচ্ছে জব্দকৃত হাজার হাজার যানবাহন ও সম্পত্তি

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, গ্রেপ্তার শান্ত রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি, গ্রেপ্তার শান্ত রিমান্ডে
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরে জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা সাইফুল ইসলামকে (সিজু) গুলি করার ঘটনায় গ্রেপ্তার কাওছার ভুঁইয়া ওরফে শান্ত ওরফে এসবিকে (২৪) চার দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিবুজ্জামান এই আদেশ দেন। আদালতের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক (এসআই) রফিকুল ইসলাম এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাতে মিরপুর এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে শান্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, চারটি ব্যবহৃত কার্তুজ, দুটি তাজা কার্তুজ ও একটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।

জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বরের চৌরঙ্গী মার্কেট এলাকার একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন সাইফুল ইসলাম। এ সময় তাকে লক্ষ্য করে পরপর চার রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায় এক যুবক। গুলিবিদ্ধ সাইফুলকে দ্রুত উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি মিরপুর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক। এ ঘটনায় পরে মিরপুর থানায় একটি মামলা করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, মিরপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বিরোধ ও পূর্বশত্রুতার জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। গ্রেপ্তার শান্ত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার আগ্রহ দেখিয়ে প্রথমে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা সাইফুলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। তার আস্থা অর্জন করে গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করার পর পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পঞ্চদশ সংশোধনীর রায় কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
পঞ্চদশ সংশোধনীর রায় কাল
সংগৃহীত ছবি

১৬ বছর আগে আওয়ামী লীগ সরকারের আনা সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে রায় দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। এই রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলে শুনানি শেষ হয়েছে। আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) রায় ঘোষণা করবেন সর্বোচ্চ আদালত।

টানা ৩ দিন শুনানির পর আজ বুধবার রায়ের এ দিন ধার্য করেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ। এই রায়ের মাধ্যমে জানা যাবে হাইকোর্টের রায়ই বহাল থাকছে, নাকি বাতিল হতে যাচ্ছে পুরো সংশোধনীটাই।   

২০১১ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে ‘পঞ্চদশ সংশোধনী আইন’ নামে পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতি ২০১১ সালের ৩ জুলাই তাতে অনুমোদন দেন। জুলাই অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এই সংশোধনী বাতিলের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচবিশিষ্ট ব্যক্তি। এই রিটে প্রাথমিক শুনানির পর ২০২৪ সালের ১৯ আগস্ট হাইকোর্ট রুল জারি করেন। সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আইন, ২০১১ কেন অসাংবিধানিক এবং বাতিল ঘোষণা করা হবে না, জানতে চাওয়া হয় রুলে। চূড়ান্ত শুনানির পর রুল নিষ্পত্তি করে ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করা হয় রায়ে। এ রায়ের মধ্য দিয়ে সংবিধানে ফিরে আসে গণভোটের বিধান। একই সঙ্গে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় ফেরার পথও সুগম হয়।

গত বছর ৩ নভেম্বর এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন (লিভ টু আপিল) করেন চার রিট আবেদনকারী। পরে নওগাঁর বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেন ও জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারও লিভ টু আপিল করেন। গত বছর ১৩ নভেম্বর এসব লিভ টু আপিল মঞ্জুর করে তাঁদের আপিল করার অনুমিত দেন সর্বোচ্চ আদালত। পরে তাঁরা নিয়মিত আপিল করেন। এরপর শুরু হয় শুনানি। এসব আপিলে শুনানি চলার মধ্যে গত বছর ২ ডিসেম্বর বিএনিপির পক্ষে এ মামলায় পক্ষভুক্ত হন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে ইন্টারভেনার (সহযোগী মধ্যস্থতাকারী) হিসেবে যুক্ত হয় আরো দুটি সংগঠন।

গত ৬ জুলাই তিনটি আপিলে শুনানি শুরু হয়। রিটকারীদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. শরীফ ভূইয়া। এরপর শুনানি শুরু করেন জামায়াতে ইসলামীর আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আর ইন্টারভেনারদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ইমরান এ সিদ্দিক, এ এস এম শাহরিয়ার কবির ও আইনজীবী হামিদুল মিজবাহ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ অনীক রুশদ হক ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আবদুল্যাহ আল মাসুদ। আজ তৃতীয় দিনের শুনানির পর আগামীকাল রায় ঘোষণার জন্য রেখেছেন আপিল বিভাগ।   

শুনানির পর অ্যাটর্নি জেনালে রুহুল কুদ্দুস কাজল নিজ কার‌্যালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। তিনি বলেন, ‘হাইকোর্টের রায় উল্লেখ করে আমরা আদালতকে বলেছি, রাষ্ট্রের তিনটি অঙ্গ-নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ ও বিচার বিভাগ স্বতন্ত্রভাবে তাদের কাজ করবে। স্বতন্ত্রভাবে কাজ করার ক্ষেত্রে একে অপরের পরিপূরক হবে। কিন্তু একটি বিভাগ আরেকটি বিভাগের কাজে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না। সর্বোচ্চ আদালত রায় দেওয়ার ক্ষেত্রে যেন এই বিষয়টি বিবেচনায় রাখেন।’

রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা মনে করি আইন প্রণয়ন বা সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে সংসদ সার্বভৌম। বর্তমানে সংসদ অত্যন্ত কার্যকর। গণতেন্ত্রের জন্য দেশের মানুষের যে আকুতি, সেটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচনের মাধ্যমে প্রতিফলিত হয়েছে। এখন পার্লামেন্ট ইজ ভেরি ভাইব্রেন্ট। সংসদে সরকার ও বিরোধী দলের নানা তর্ক-বিতর্ক দেশের মানুষকে উদ্বেলিত করছে। আমরা গণতন্ত্রের দিকে যাচ্ছি। গণতান্ত্রিক চর্চা চলছে। আদালত আমাদের কথা শুনে বৃহস্পতিবার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করেছেন।’

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘আমরা তো মনে করি বাংলাদেশের মানুষ গণতন্ত্রমনা। বাংলাদেশের মানুষ আগামীর দিনের রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে একটা গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ দেখতে চায়। সুতরাং কোনো একদলীয় স্বৈরশাসন দেশের মানুষ প্রত্যাশা করে না। বর্তমান সংসদ যারা আছেন, তারাও তিক্ত অতীত পার করে আজকে এই পর্যায়ে এসেছেন। তারাও নিশ্চয়ই এই জাতিকে দেশের মানুষকে সেই পুরনো কালো অন্ধকার যুগের দিকে ধাবিত করবেন না।’

উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে দুজন রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
উগ্রবাদী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার সন্দেহে দুজন রিমান্ডে
ছবি: কালের কণ্ঠ

উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমে জড়িত থাকার সন্দেহে রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থেকে গ্রেপ্তার দুই আসামিকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত। একই মামলায় গ্রেপ্তার আরো চারজনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আগামী ১২ জুলাইয়ের মধ্যে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

রিমান্ডে পাঠানো দুই আসামি হলেন শাহ আমানত সাবির ও হোসাইন তানিম। আর কারাগারে পাঠানো চারজন হলেন জুনায়েদ, আতাউল্লাহ শাহ, আবিদুর রহমান ও বায়োজিত।

আদালতে এদিন ছয় আসামিকে হাজির করা হয়। এর আগে গত রোববার (৫ জুলাই) তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছিল। রিমান্ড শেষে তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার পরিদর্শক (ইন্সপেক্টর) এ বি সিদ্দিক দুই আসামির সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

আসামিদের পক্ষে আইনজীবী মো. সাদ্দাম হোসেন রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। তিনি আদালতকে বলেন, আসামিরা শিক্ষার্থী এবং তাদের বয়স কম। ইতিমধ্যে তাদের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে, তবে তদন্তে উল্লেখযোগ্য কিছু পাওয়া যায়নি।

এ সময় আদালত বলেন, এ মামলায় পুলিশের এপ্রোচ ভালো। তাদের সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার দেখানো হয়নি। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থেই রিমান্ড চাওয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে কিছু না পাওয়া গেলে তারা স্বাভাবিকভাবেই আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মুক্তি পাবেন।

পরে বিচারক আসামিদের উদ্দেশে জানতে চান, রিমান্ডে তাদের কোনো নির্যাতন করা হয়েছে কি না। এ সময় আসামি শাহ আমানত সাবির মাথা নেড়ে ‘না’ সূচক জবাব দেন।

মামলার রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, গত রোববার ভোরে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মিনি কক্সবাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ জানতে পারে, আমিন মোহাম্মদ গ্রুপের পাশের বালুর মাঠে একটি উগ্রবাদী সংগঠনের কয়েকজন সদস্য প্রশিক্ষণের উদ্দেশ্যে জড়ো হয়েছে।

পুলিশের দাবি, খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঘটনাস্থলে গেলে কয়েকজন পালানোর চেষ্টা করেন। পরে সেখান থেকে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা সেখানে জড়ো হওয়ার বিষয়ে সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তদন্ত কর্মকর্তা আবেদনে বলেন, গোয়েন্দা তথ্য ও প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে, গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা উগ্রবাদী সংগঠনের কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।

মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
মানি লন্ডারিংয়ের মামলায় এনু-রুপনের ১০ বছরের কারাদণ্ড
ফাইল ছবি

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে করা ওয়ারী থানার মামলায় আওয়ামী লীগের বহিষ্কৃত নেতা এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে ১০ বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি ৬৪ কোটি ৬২ লাখ অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরো ৬ মাস কারাদণ্ডের কথাও রায়ে উল্লেখ করা হয়।

আজ বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক নূরে আলম ভূঞা এ রায় ঘোষণা করেন।

অপর দিকে অভিযোগ প্রমানিত না হওয়ায় তাদের আট সহযোগীকে খালাস দিয়েছেন আদালত। সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর পিপি মো. সেলিম খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। 

এর আগে ২০২৫ সালের ৩০ জানুয়ারি অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইনে করা মামলায় এনামুল হক এনু ও তার ভাই রুপন ভূঁইয়াকে সাত বছর করে কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৬ এর বিচারক মাসুদ পারভেজ। কারাদণ্ডের পাশাপাশি তাদের ৩৪ লাখ ২৬ হাজার ৬০০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, অবৈধ উপায়ে অর্জিত ২৬ কোটি ৫৫ লাখ টাকা আড়াল করার জন্য গোপনে হেফাজতে রাখার অভিযোগে রাজধানীর ওয়ারী থানায় ২০২০ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি র‍্যাব-৩ এর নায়েব সুবেদার রমজান আলী বাদী হয়ে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ২০২১ সালের ৮ আগস্ট এনু-রুপন ও তাদের ৮ সহযোগীকে আসামি করে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরবর্তীতে ২০২২ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। মামলার বিচার চলাকালে ১৩ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।