• ই-পেপার

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে ইতালির রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

এবার ভূতাপেক্ষ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন চাকরি হারানো ১৬২ সৈনিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
এবার ভূতাপেক্ষ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন চাকরি হারানো ১৬২ সৈনিক
সংগৃহীত ছবি

অযৌক্তিকভাবে চাকরিচ্যুতি ও বৈষম্যের শিকার হওয়া প্রতিরক্ষা বাহিনীর ১৬২ জন সাবেক সেনাসদস্য এবার ভূতাপেক্ষ (আগের সময় থেকে কার্যকর) সুযোগ-সুবিধা পেতে যাচ্ছেন। একই প্রক্রিয়ায় রয়েছেন আরও অন্তত ৫০০ জন সৈনিক। বুধবার (৮ জুলাই) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বৈষম্যের শিকার ও অযৌক্তিকভাবে চাকরিচ্যুতির অভিযোগ এনে ১ হাজার ৩০০-এর বেশি সৈনিক পর্যায়ের বরখাস্ত ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেনাসদস্য চাকরি ফিরে পাওয়া অথবা ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধার জন্য আবেদন করেছিলেন। এসব আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের জন্য একটি পর্ষদ গঠন করা হয়। পর্ষদ কয়েক ধাপের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে প্রায় ৮৫০টি আবেদনকে যৌক্তিক হিসেবে নির্ধারণ করে।

পরবর্তী সময়ে পর্যালোচনা পর্ষদ বা কমিটি প্রথম ধাপে প্রায় ৩৫০ জনের আবেদন পর্যালোচনা করে। এর মধ্যে প্রায় ১৬২ জন বরখাস্ত ও অব্যাহতিপ্রাপ্ত সেনাসদস্যকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি বা সুযোগ-সুবিধা দেওয়ার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। 
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, চাকরি হারানো বেশ কয়েকজন সাবেক সেনাসদস্য ইতিমধ্যে তাদের অবসরকালীন সুযোগ-সুবিধা পেতে শুরু করেছেন। যেকোনো সময় বাকিরাও তাদের সুযোগ-সুবিধা পাওয়া শুরু করবেন।

মন্ত্রণালয় সূত্রে আরও জানা যায়, বর্তমানে পর্যালোচনা পর্ষদে বাছাই হওয়া বাকি প্রায় ৫০০টি আবেদন প্রক্রিয়াধীন। সেগুলোও পর্যায়ক্রমে চূড়ান্ত নিষ্পত্তি করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তবে পর্ষদ ও মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল সূত্রগুলো বলছে, প্রতিটি আবেদনই নিখুঁতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়েছে। যে অভিযোগে তাদের চাকরি গিয়েছিল, সেগুলো খতিয়ে দেখা গেছে—অনেকে মাদকাসক্তি, পরকীয়া সম্পর্কসহ বিভিন্ন নৈতিক স্খলনজনিত কারণে চাকরি হারিয়েছেন। কিন্তু তারাও উদ্ভূত পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে বৈষম্য ও অন্যায়ের শিকার দাবি করে চাকরি ফিরে পাওয়া বা ভূতাপেক্ষ সুবিধার জন্য আবেদন করেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, বর্তমানে সাবেক সৈনিকদের মধ্যে যারা আন্দোলনের তৎপরতা চালাচ্ছেন, তাদের মধ্যে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে চাকরি হারানো সাবেক সেনাসদস্যরাই অগ্রগামী ভূমিকা রাখছেন। বাস্তবতাবর্জিত এই উসকানিমূলক আন্দোলনের ফলে যারা প্রকৃত অর্থেই সুপারিশপ্রাপ্ত বা যৌক্তিক সুযোগ-সুবিধা পেতে যাচ্ছেন, তারাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

উল্লেখ্য, গত সপ্তাহে সশস্ত্র বাহিনীর ১৫০ জন সামরিক কর্মকর্তাকে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশের পর একই ধরনের বিষয়ে আবেদন করা সৈনিকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় এবং তারা আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন।

রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

অনলাইন ডেস্ক
রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানোর তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর
সংগৃহীত ছবি

রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে মায়ানমারের জান্তা সরকারের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ ও আলোচনা চালানোর কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একইসঙ্গে প্রত্যাবাসনের ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই (ভ্যারিফিকেশন) কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া, আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ানো এবং বিকল্প কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণের কথাও জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ২১তম দিন সিরাজগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. সেলিম রেজার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতৃত্বে গঠিত এই সরকার রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। বিএনপি সরকার রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধানের লক্ষ্যে দ্বিপক্ষীয়, আঞ্চলিক ও বহুপক্ষীয়— সব ফ্রন্টেই জোরালো কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭৮ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং ১৯৯২ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সফল কূটনৈতিক উদ্যোগে সে সময়ের রোহিঙ্গা সংকটের সমাধান হয়েছিল এবং আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গারা দ্রুত নিজ দেশে ফিরে যেতে পেরেছিল। বর্তমান সরকারও সেই নীতির ধারাবাহিকতায় টেকসই, শান্তিপূর্ণ ও দ্রুত সমাধানের পথ অনুসন্ধান করছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, রোহিঙ্গা সংকটকে বৈশ্বিক মানবিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রাখতে সরকার জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখছে। দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই ইউএনএইচসিআর, ইউএন উইমেন এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রোগ্রামের (ডব্লিউএফপি) উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে এবং মানবিক সহায়তা আরো জোরদারের বিষয়ে আলোচনা করে।

সংসদ নেতা আরো জানান, চলতি মাসের শুরুতে তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফরকালে কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করেন। এর ফলে রোহিঙ্গাদের জন্য তুরস্কের মানবিক সহায়তা আরো বাড়বে বলে সরকার আশা করছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের দ্রুত ও নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ভবিষ্যতেও জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্মে এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে বিশ্বজনমতকে আরো কার্যকরভাবে সম্পৃক্ত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, সরকার রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ বিবেচনায় নিয়ে ন্যায়বিচার ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। এ লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে গাম্বিয়ার দায়ের করা মামলার প্রতি বাংলাদেশের নৈতিক সমর্থন অব্যাহত রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও কার্যকর সমাধান মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যেই নিহিত। এ কারণে রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, টেকসই ও স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসনের জন্য রাখাইনে অনুকূল পরিবেশ তৈরিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের চাপ বাড়ানোর লক্ষ্যে সরকারের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠাতে দ্বিপক্ষীয় ফ্রন্টে মায়ানমারের মূল জান্তা সরকারের পাশাপাশি সব পক্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগাযোগ স্থাপন ও আলোচনার বিষয়টি আমাদের সক্রিয় বিবেচনায় রয়েছে। একইসঙ্গে মূলধারার কূটনীতির পাশাপাশি কনফিডেন্স বিল্ডিংয়ের অন্যান্য প্রক্রিয়াও বিবেচনায় রয়েছে বলে জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী জানান, প্রত্যাবাসনের মূল ভিত্তি হিসেবে রোহিঙ্গাদের তথ্য যাচাই বা ভ্যারিফিকেশনের কাজ নিয়মিত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের তৃতীয় কোনো দেশে পুনর্বাসন বা প্রত্যাবাসনের কার্যক্রমও চলমান রয়েছে।

মালয়েশিয়াগামী কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্টদের সতর্ক করে মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক
মালয়েশিয়াগামী কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্টদের সতর্ক করে মন্ত্রণালয়ের জরুরি বিজ্ঞপ্তি
ছবি এআই দিয়ে তৈরি

মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার আগে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন, পাসপোর্ট সংগ্রহ বা মেডিক্যাল টেস্ট না করার জন্য কর্মী ও রিক্রুটিং এজেন্টদের সতর্ক করেছে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৮ জুলাই) মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি জরুরি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে মালয়েশিয়ায় কর্মী প্রেরণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি জারি না করা পর্যন্ত কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেন করা যাবে না। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়ার আগে কোনো ধরনের মেডিক্যাল টেস্ট বা এ বাবদ অর্থ লেনদেন থেকে বিরত থাকার জন্য স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

রিক্রুটিং এজেন্টদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলা হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত কোনো এজেন্সি মালয়েশিয়া গমনেচ্ছু কর্মীদের সঙ্গে কোনো ধরনের চুক্তিতে আবদ্ধ হতে পারবে না। এ ছাড়া কর্মীদের পাসপোর্ট সংগ্রহ, মেডিক্যাল টেস্ট করানো এবং যেকোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা থেকে রিক্রুটিং এজেন্টদের সম্পূর্ণ বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মালয়েশিয়া গমন বা এ-সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও অভিযোগের জন্য প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যোগাযোগের ঠিকানা ও নম্বর প্রকাশ করেছে। দেশের ভেতর থেকে প্রবাসী কল সেন্টারের ১৬১৩৫ নম্বরে এবং বিদেশ থেকে +৮৮০৯৬১০১০২০৩০ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

এ ছাড়া মন্ত্রণালয়ের মালয়েশিয়া সংক্রান্ত ফোকাল পয়েন্ট কর্মকর্তা মো. হেদায়েতুল ইসলাম মন্ডলের সঙ্গে সরাসরি টেলিফোন +০২৪১০৩০২৪১, মোবাইল ০১৭১৬০৪৮১১৫ অথবা ইমেইলের [email protected] মাধ্যমে যোগাযোগ করার জন্য বিজ্ঞপ্তিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক
খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করা হবে : ভূমিমন্ত্রী
সংগৃহীত ছবি

খাসজমি অবৈধ দখলমুক্ত করতে সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু। তিনি বলেন, ‘ভূমিদস্যুমুক্ত খাসজমি নিশ্চিত করতে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। একই সঙ্গে ভূমি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীন মানুষের মধ্যে বিতরণেও সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ।’

বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীরবিক্রম) সভাপতিত্বে কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে ভোলা-৪ আসনের সরকারি দলের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ নুরুল ইসলামের উত্থাপিত জরুরি জনগুরুত্বসম্পন্ন মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

ভূমিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কল্যাণে কাজ করছে। এ লক্ষ্যে ১৮০ দিনের কর্মসূচিতে সরকারি খাসজমি উদ্ধার কার্যক্রমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রকৃত ভূমিহীনদের মধ্যে ভূমি মন্ত্রণালয়ের খাসজমি বিতরণে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, কোনো এলাকায় ৪০ থেকে ৪৫ বছর ধরে বসবাসরত দরিদ্র পরিবারগুলোর মধ্যে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) মাধ্যমে খাসজমি বন্দোবস্ত দেওয়া হবে।

মন্ত্রী বলেন, অতীতে দায়িত্বে থাকা কিছু কর্মকর্তার ব্যর্থতার কারণে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো তার নৈতিক দায়িত্ব বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি পূর্ববর্তী সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বলেন, সে সময় আমলে স্থানীয় ভূমিদস্যুরা সরকারি সম্পত্তি দখল করেছে।

খাসজমির বিষয়ে তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে প্রতিটি পরিবারকে এক থেকে দুই কাঠা করে জমি বন্দোবস্ত দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

মন্ত্রী জানান, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার এবং উদ্ধারকৃত খাস জমি যোগ্য উপকারভোগীদের মধ্যে বিতরণের জন্য সরকার ১৮০ দিনের অগ্রাধিকারভিত্তিক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা তুলে ধরে মিজানুর রহমান মিনু বলেন, অবৈধভাবে দখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার করতে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে সরকার ও স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভূমি ও ভবন (দখল পুনরুদ্ধার) অধ্যাদেশ, ১৯৭০, ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৩ এবং ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিধিমালা, ২০২৪-এর বাস্তবায়ন।

তিনি আরো জানান, মাঠ পর্যায়ে উদ্ধার অভিযান পরিচালনার জন্য জেলা প্রশাসকদের অনুকূলে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কার্যক্রমের কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।