সাধারণ মানুষের জীবনযাপন অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে একটি অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণারোপিত দেশ। রাষ্ট্রের বিভিন্ন স্তরের অতিরিক্ত নিয়ন্ত্রণমুক্তকরণের লক্ষ্যে কাজ চলছে এবং এজন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স বা কর্মদল গঠন করা হয়েছে।
রবিবার রাজধানীর গুলশানে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) বাজেট অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, রপ্তানি বহুমুখীকরণে সরকার সব পথ উন্মুক্ত রাখছে। যেকোনো যোগ্য রপ্তানিকারক যাতে বন্ড বা জামানত সুবিধা পায় অথবা শুল্কমুক্ত সুবিধায় পণ্য এনে রপ্তানি করতে পারে, সেজন্য দুটি বিকল্প পথই খোলা রাখা হয়েছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকার হিসেবে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন এবং দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা দূর করাই বর্তমান প্রশাসনের মূল লক্ষ্য।
মন্ত্রী বলেন, ব্যবসায়ীরা কোথাও বাধার সম্মুখীন হলে সরাসরি অভিযোগ জানানোর ওয়েবসাইট চালু করা হবে। যারা প্রগতিশীল কাজে বাধা দেবে তাদের জন্য সরকারের দরজা বন্ধ থাকবে।
এ সময় পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টারের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল-আলম চৌধুরী পারভেজ, রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ এ রাজ্জাক, সংসদ সদস্য আক্তার হোসেন, গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের আইনজীবী মন্টু ঘোষ, পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির সিনিয়র সহসভাপতি এনামুল হক খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।