• ই-পেপার

দেশে ফিরলেন ৫৭ হাজার ৪২২ হাজি

সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

অনলাইন ডেস্ক
সন্ধ্যার মধ্যে ৯ জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের শঙ্কা

দেশের ৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এ জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে সতর্কবার্তা দিয়েছে সংস্থাটি। 

মঙ্গলবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

ঢাকা, ময়মনসিংহ, বরিশাল, পটুয়াখালী, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

একনেকে উঠছে

ফেনীর মুহুরী-কহুয়াসহ পাঁচ নদীর নাব্যতা ফেরাতে ২৬৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প

অনলাইন ডেস্ক
ফেনীর মুহুরী-কহুয়াসহ পাঁচ নদীর নাব্যতা ফেরাতে ২৬৩৬ কোটি টাকার প্রকল্প

ফেনীর মুহুরী ও কহুয়া নদী এবং বগুড়ার করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়ার নাব্যতা ফিরিয়ে আনা এবং পুনরুজ্জীবিত করতে ২ হাজার ৬৩৬ কোটি টাকার দুটি নতুন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে যাচ্ছে সরকার।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হবে। এতে সভাপতিত্ব করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ ছাড়া এতে আরো তিনটি প্রকল্প উপস্থাপনের কথা রয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের বন্যায় ফেনীর বিভিন্ন নদীতে অতিরিক্ত পলি জমে স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ কমিয়ে দেয়। এ ছাড়া বিভিন্ন নদীর বাঁধ ও তীর ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে প্রতি বছর অতিভারি বর্ষণ ও উজানে ত্রিপুরা রাজ্য থেকে নেমে আসা পানিতে বন্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এসব ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ ও তীর শক্তিশালী করা এবং মুহুরী ও কহুয়া নদীতে পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে প্রকল্প এলাকায় সেচ সুবিধা বৃদ্ধি, নদীভাঙন রোধ, জনসম্পদ রক্ষায় ১ হাজার ৫৪২ কোটি টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, বেসরকারি অবকাঠামো, কৃষিজমিসহ ১৪ হাজার ২০৯ কোটি টাকার সম্পত্তি সুরক্ষা, ৩ লাখ ৭১ হাজার ৭৩৫ টন কৃষি, ১৫ টন মৎস্য ও ২৫ টন পোলট্রি রক্ষা করতে ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা, ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন ও ৭৭টি ইনলেট নির্মাণসহ অন্যান্য নির্মাণকাজ করা হবে।

এটি ফেনী জেলাধীন মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (১ম পর্যায়)। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে চলতি বছরের জুলাই থেকে ২০৩১ সালের জুনে কাজ শেষ হবে। প্রকল্প এলাকা ফেনীর ফুলগাজী, পরশুরাম, ছাগলনাইয়া, সোনাগাজী ও সদর উপজেলা।

এদিকে গত ৬ এপ্রিলে একনেকে ফেরত পাঠানো ‘করতোয়া নদী সিস্টেম উন্নয়ন’ প্রকল্পটি আবারো একনেকে তুলতে যাচ্ছে পরিকল্পনা কমিশন। প্রায় ১ হাজার ৯৪ কোটি টাকা ব্যয়ে বগুড়া ও গাইবান্ধার নয়টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। এর আওতায় করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়া নদী পুনরুজ্জীবিত করা হবে। প্রকল্পটি অনুমোদন পেলে কাজ শেষ হবে ২০৩০ সালের জুনে।

প্রকল্পের লক্ষ্যমাত্রায় বলা হয়েছে, করতোয়া, ইছামতি ও গজারিয়া নদীর ২৩০ কিলোমিটার পুনঃখনন করা হবে। প্রায় ২২ দশমিক ৭২ হেক্টর ভূমি অধিগ্রহণ করা হবে। নদীতীরবর্তী ছয় কিলোমিটার স্লোপ প্রকেটশনের মাধ্যমে শহরের ঘরবাড়ি, বিভিন্ন স্থাপনাসহ সাড়ে তিন কিলোমিটার নদীতীর রক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ জন্য নির্মাণ করা হবে প্রায় এক কিলোমিটার বাঁধ। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ২০২৩ সালে সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছিল। মোট ৯টি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হবে। এসব উপজেলার মধ্যে রয়েছে বগুড়ার শিবগঞ্জ, বগুড়া সদর, শাজাহানপুর, দুপচাঁচিয়া, আদমদীঘি, গাবতলী, ধুনট, শেরপুর ও গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ। সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের কথা বলা হয়েছে প্রকল্প প্রস্তাবে।

প্রকল্প দুটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। সংস্থাটির কর্মকর্তারা বলেন, সরকারের চলমান নদী ব্যবস্থাপনা ও পানিসম্পদ উন্নয়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে দুটি প্রকল্প গুরুত্ব পেয়েছে। সরকার পানির গতিপ্রবাহ নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে বিভিন্ন নদী ও শাখা নদী পুনঃখননের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নিজেই একাধিক অঞ্চলে খাল খননের উদ্বোধন করেছে। সে জন্য পাউবো প্রকল্পটি প্রস্তাব দিয়েছে। প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে পানি সংরক্ষণ, বন্যা থেকে রক্ষা, সেচ ও কৃষিতে বিশেষ অবদান রাখবে।’

করতোয়া প্রকল্পের বিষয়ে পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানিসম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের প্রধান অতিরিক্ত সচিব মো. বাবুল মিঞা বলেন, ‘প্রকল্পটি আগেরবার একনেকে তোলা হলেও সে সময় আরো বিবেচনার জন্য ফেরত পাঠানো হয়। প্রস্তাবনার চেয়ে পাঁচ কিলোমিটার নদীর পুনঃখনন বাড়বে।’

প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজার যাচ্ছেন বুধবার

অনলাইন ডেস্ক
প্রধানমন্ত্রী মৌলভীবাজার যাচ্ছেন বুধবার

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলটিং কর্মসূচির তৃতীয় পর্যায়ের উদ্বোধনের জন্য আগামীকাল  (১৭ জুন) মৌলভীবাজার যাচ্ছেন। তার আগমনকে সামনে রেখে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি।

এরই মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রটোকল অফিসার-১ মো. উজ্জল হোসেন স্বাক্ষরিত সফরসূচি প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৭ জুন (বুধবার) মৌলভীবাজার জেলা সফর করবেন। সফরে তিনি শ্রীমঙ্গল ও মৌলভীবাজার সদরে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং পরে দুসাই রিসোর্টে আয়োজিত একটি রাজনৈতিক সভায় যোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে মৌলভীবাজার ও শ্রীমঙ্গলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলার মৌলভীবাজার-শ্রীমঙ্গল সড়ক, সিলেট-মৌলভীবাজার সড়কের দুপাশের ঝোপ পরিষ্কার করা হচ্ছে। জেলার সার্কিট হাউজ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। জেলা শহর ও শ্রীমঙ্গল শহরকে ফুটপাথ দখলমুক্ত করে পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। যে পথে প্রধানমন্ত্রী আসা-যাওয়া করবেন এসব পথের চারপাশ পরিষ্কার ও মেরামত করা হচ্ছে। সমাবেশেস্থল ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ ও মৌলভীবাজার সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ সংস্কার করে মঞ্চ তৈরির কাজ চলছে। প্রশাসনের পাশাপাশি জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার সফরকে ঘিরে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় চেয়ারম্যানের আগম উপলক্ষে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে।

মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর মৌলভীবাজার আগমন উপলক্ষে তৃণমূল পর্যায়ে নেতাকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। আমাদের জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে সব ধরনের আয়োজন সম্পন্ন করা হয়েছে।

আজ দূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুমান ‘সংবেদনশীল’

অনলাইন ডেস্ক
আজ দূষণের শীর্ষে দিল্লি, ঢাকার বায়ুমান ‘সংবেদনশীল’

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিশ্বে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। আজ বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারতের দিল্লি। অন্যদিকে, ঢাকার বায়ুর মানেরও কিছুটা অবনতি হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।

বায়ুদূষণের তালিকায় শীর্ষে থাকা দিল্লির দূষণ ১৭৭ স্কোর অর্থাৎ এখানকার বাতাস অস্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রয়েছে। অপরদিকে, দূষণ তালিকায় ১১ নম্বরে রয়েছে ঢাকা। এই শহরের দূষণ স্কোর ১০৮ অর্থাৎ এখানকার বায়ুর মান সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর।

এদিকে, সোমবার দূষণের শীর্ষে থাকা পাকিস্তানের লাহোরের বায়ুর মানের কিছুটা উন্নতি হয়েছে। সোমবার লাহোর শীর্ষে ছিল। আজ সকালে এই শহরটি রয়েছে ১২ নম্বরে। যার বায়ুমান স্কোর ১০৬।

সোমবার রাজধানী ঢাকা ছিল ২০ নম্বরে আর বায়ুর মান ছিল মাঝারি বা সহনীয় পর্যায়ে।

স্কোর শূন্য থেকে ৫০ এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ভালো বলে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ হলে মাঝারি বা সহনীয় ধরা হয় বায়ুর মান। সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত অস্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে খুবই অস্বাস্থ্যকর বলে বিবেচনা করা হয়। এছাড়া ৩০১-এর বেশি হলে তা দুর্যোগপূর্ণ বলে বিবেচিত হয়।