• ই-পেপার

জাপান কোচের অভিনব কৌশল ভাইরাল

বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়ে কেপ ভার্দের চমক
গোলের দেখা না পেয়ে হতাশ ওয়ারজাবাল। ছবি : রয়টার্স

জার্মানির মতোই হয়তো গোলোৎসব দেখতে আটালান্টায় হাজির হয়েছিলেন স্পেনের দর্শক-সমর্থকরা। কিংবা বোকাবাক্সে চোখ রেখেছিলেন স্বশরীরে আটলান্টা স্টেডিয়ামে উপস্থিত হতে না পারা দর্শকরা। কেননা এবারের বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে স্পেন প্রতিপক্ষ হিসেবে পেয়েছে অভিষিক্ত কেপ ভার্দেকে।

সঙ্গে বিশ্বমঞ্চে অনভিজ্ঞ কেপ ভার্দের ফিফা র‌্যাংকিং ৬৭তম। বিপরীতে ২০১০ সালে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের বর্তমান পজিশন ২। ইতিহাস, শক্তি-সামর্থ বিবেচনায় তাই অসম লড়াই হওয়ার কথা ছিল। তবে মাঠের খেলায় তার দেখা মিলল কই।

পরিসংখ্যানে অবশ্য অসম লড়াইয়েরই ইঙ্গিত দিবে। তবে ২৭ শট নেওয়ার পরেও ‘সোনার হরিণের’ দেখা পায়নি স্পেন। ডিফেন্ডিং ইউরো জয়ীদের সামনে ‘চীনের মহাপ্রাচীর’ হয়ে দাঁড়ান কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। কমপক্ষে ৭টি সেভ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের সঙ্গে বাস পার্কিং কৌশলও দারুণ কাজে দিয়েছে কেপ ভার্দের। বিশ্বকাপ অভিষেকে স্পেনকে রুখে দিয়েছে তারা। কোনো বল নিজেদের জালে জড়াতে দেয়নি কেপ ভার্দে। গোলশূন্য ড্রয়ে তাই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হয় স্পেন।

22
কেপ ভার্দেকে জয়ের সমান ড্র এনে দিয়েছেন গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ছবি : রয়টার্স

শুরু থেকেই বল পজিশন ধরে রেখে খেলা স্পেন ৩৬ মিনিটে গোলের দারুণ সুযোগ পায়। পেদ্রির শট কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। তবে কুকুরেলা অফসাইড হওয়ায় কর্নার বাতিল হয়।

অবশ্য ৩৮ মিনিটে গোল পেয়েই গিয়েছিল স্পেন। তবে ফেরান তোরেসকে হতাশ করে ক্রসবার। ফিরতি সুযোগ পেয়েছিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। নিখুঁত এক হেডও নিয়েছিলেন তিনি, তবে দারুণ এক ক্ষিপ্রতায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন ভজিনহা। ৪৫ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত সেভ দেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক।

বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ে শট নিয়েছিলেন তোরেস। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধরে ফেলেন ভজিনহা। যোগ করা সময়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক। বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে কর্নার পেয়েছিল স্পেন। পেদ্রির নেওয়া কর্নারে দারুণ এক হেড নিয়েছিলেন আমেরিক লাপোর্তে। তবে জালে জড়ানোর আগেই ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে গতিপথ বদলে দেন ভাজিনহা। তাতে ২০১০ বিশ্বকাপজয়ীদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে।

৫৬ মিনিটে ফাবিয়ান রুইজ সুবর্ণ সুযোগ পেয়েও ঠিক মতো  হেড নিতে না পারায় ভোজিনিয়ার হাতে চলে যায় বল। ৭৩ মিনিটে স্পেনের আরেকটি আক্রমণও নসাৎ করেন তিনি। গোল পেতে তাই দলের ‘সেরা অস্ত্র’ লামিনে ইয়ামালকে নামান কোচ লুইস দে লা ফয়েন্তে। সঙ্গে আরও কয়েকটি পরিবর্তন করেও কোনো লাভ হয়নি স্পেনের। 

স্পেনের কপালটাই আজ খারাপ ছিল। ৮৭ মিনিটে দারুণ এক শট নিয়েছিলেন ওয়ারজাবাল। কারণ প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের শরীরে না লাগলে বলটি জালেই জড়ানোর কথা ছিল। উল্টো ৯০ মিনিটে কর্নার থেকে গোলের সুযোগ পেয়েছিল কেপ ভার্দে। তবে হেডে পাওয়ার না থাকায় বলটি ধরতে অসুবিধা হয়নি স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমোনের। তাতে বিশ্বকাপে অবিশ্বাস্য এক অভিষেকই হলো কেপ ভার্দের। 

গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় স্পেনকে রুখে দিয়ে বিরতিতে কেপ ভার্দে

ক্রীড়া ডেস্ক
গোলরক্ষকের দৃঢ়তায় স্পেনকে রুখে দিয়ে বিরতিতে কেপ ভার্দে
পাঞ্চ করছেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভোজিনিয়া। ছবি : রয়টার্স

বিশ্বকাপে প্রথমবার সুযোগ পেয়েছে কেপ ভার্দে। অভিষেক ম্যাচে আবার প্রতিপক্ষ ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেন। বর্তমানে ফিফা র‌্যাংকিংয়ে ২ নম্বরে তারা। তবে শক্তি-সামর্থ্যে ঢের এগিয়ে থাকা স্পেনকে ঠিকই প্রথমার্ধে আটকিয়ে দিয়েছে আফ্রিকার দ্বীপ রাষ্ট্রটি। 

আটলান্টা স্টেডিয়ামের প্রথমার্ধে কোন গোল হজম করেনি কেপ ভার্দে। তাতে বড় অবদান গোলরক্ষক ভোজিনিয়ার। ম্যাচে ৩টি দুর্দান্ত সেভ দিয়েছেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক। 

শুরু থেকেই বল পজিশন ধরে রেখে খেলা স্পেন ৩৬ মিনিটে গোলের সবচেয়ে ভালো সুযোগ পায়। পেদ্রির শট কর্নারের বিনিময়ে প্রতিহত করেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক ভজিনহা। তবে কুকুরেলা অফসাইড হওয়ায় কর্নার বাতিল হয়।

অবশ্য ৩৮ মিনিটে গোল পেয়েই গিয়েছিল স্পেন। তবে ফেরান তোরেসকে হতাশ করে ক্রসবার। ফিরতি সুযোগ পেয়েছিলেন মিকেল ওয়ারজাবাল। নিখুঁত এক হেডও নিয়েছিলেন তিনি, তবে দারুণ এক ক্ষিপ্রতায় ক্রসবারের ওপর দিয়ে বল পাঠিয়ে দেন ভোজিনিয়া। ৪৫ মিনিটে আরেকটি দুর্দান্ত সেভ দেন কেপ ভার্দের গোলরক্ষক।

বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ে শট নিয়েছিলেন তোরেস। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে ধরে ফেলেন ভোজিনিয়া। যোগ করা সময়ে নিজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার প্রমাণ দিলেন ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক। বিরতিতে যাওয়ার আগে যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে কর্নার পেয়েছিল স্পেন। পেদ্রির নেওয়া কর্নারে দারুণ এক হেড নিয়েছিলেন আমেরিক লাপোর্তে। তবে জালে জড়ানোর আগেই ডান দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে বলে গতিপথ বদলে দেন ভাজিনহা। তাতে ২০১০ বিশ্বকাপজয়ীদের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্রয়ে প্রথমার্ধ শেষ করে।

ম্যাচের আগে ফ্লাইট বিলম্বে ফিফার সমালোচনায় উরুগুয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
ম্যাচের আগে ফ্লাইট বিলম্বে ফিফার সমালোচনায় উরুগুয়ে

দুইবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন উরুগুয়ে ‘গ্রুপ’ এইচের উদ্বোধনী ম্যাচে সৌদি আরবের বিপক্ষে মাঠে নামবেন। ম্যাচটি যুক্তরাষ্ট্রের মিয়ামিতে অনুষ্ঠিত হবে। মেক্সিকোর কানকুনে অনুশীলনের জন্য ক্যাম্প গেড়েছিল মার্সেলো বিয়েলসার দল। সেখানে থেকে মিয়ামি আসতে বাধে বিপত্তি। বিশৃঙ্খল ভ্রমণ বিলম্বের জন্য ফিফার তীব্র সমালোচনা করেছে উরুগুয়ে

সোমবার (১৫ জুন) মেক্সিকো থেকে মিয়ামিতে আসার জন্য ফিফার সরবরাহ করা চার্টার্ড বিমানের কাগজ ও অনুমতিপত্র ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তাতে মার্কিন কর্তৃপক্ষ বিমানটিকে প্রবেশাধিকার দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ফলে মেক্সিকোতে দীর্ঘক্ষণ আটকে থাকে উরুগুয়ে দল। এতে তাদের পূর্বনির্ধারিত সংবাদ সম্মেলনসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রাক-ম্যাচ প্রস্তুতি ও শিডিউল মারাত্মকভাবে বিঘ্নিত হয়। 

সমস্যা সমাধানের জন্য ফিফাকে তড়িঘড়ি করে সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি বিকল্প বিমানের ব্যবস্থা করতে হয়। যার কারণে উড্ডয়নের সময় কয়েক ঘণ্টা পিছিয়ে যায়।

ফ্লাইট বিলম্বের মেক্সিকোর টিম হোটেলেই বাড়তি সময় বিশ্রাম নিতে বাধ্য হয় উরুগুয়ের ফুটবলাররা।

স্পোর্টস মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম দ্য অ্যাথলেটিক করা এক প্রশ্নের জবাবে উরুগুয়ের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের এক মুখপাত্র স্পষ্ট করে জানান, এই সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খলার পেছনে শতভাগ দায় ফিফার।

এই চরম প্রতিকূল ভ্রমণ ক্লান্তি নিয়েই কয়েক ঘণ্টা পর মাঠে নামবে উরুগুয়ে।

বিশ্বকাপের ‘কালো ঘোড়া’ নরওয়ে

ক্রীড়া ডেস্ক
বিশ্বকাপের ‘কালো ঘোড়া’ নরওয়ে
বিশ্বকাপের শেষ প্রস্তুতি সারছেন হালান্ডরা। ছবি : রয়টার্স

দর্শক হিসেবে বিশ্বকাপ দেখার অপেক্ষা ফুরিয়েছে নরওয়ের। ২৮ বছর পর আবারও বিশ্বমঞ্চ মাতানোর সুযোগ পেয়েছে তারা। প্রতীক্ষার অবসান ঘটনা স্কোয়াডটি তাদের ইতিহাসের সোনালি প্রজন্ম। ছোট দলের বড় তারকা খ্যাত আর্লিং হলান্ড-মার্টিন ওডেগার্ডদের সঙ্গে আছেন ইউরোপীয় ফুটবল মাতানো তরুণ ও অভিজ্ঞরা। তাই এবারের বিশ্বকাপে ‘কালো ঘোড়া’ হতে পারে তারা। পরিসংখ্যানও তাদের ‘জায়ান্ট কিলার’ হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে। ফুটবলের দুই পরাশক্তি ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা তাদের কখনো হারাতে পারেনি। সর্বশেষ ১৯৯৮ বিশ্বকাপ খেলা নরওয়ে চতুর্থবারের মতো টিকিট পাওয়ার পথে বাছাই পর্বে প্রতিপক্ষদের গোলবন্যায় ভাসিয়েছে। মোট ৩৭ গোল করে ৮ ম্যাচের প্রতিটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছে।

কোচ : স্টেল সোলবাকেন
অধিনায়ক : মার্টিন ওডেগার্ড
ফিফা র‌্যাংকিং : ৩১
বিশ্বকাপ ইতিহাস
সেরা সাফল্য : শেষ ১৬ (১৯৩৮ ও ১৯৯৮)
সর্বশেষ : ১৯৯৮ (১৫তম)
প্রথম : ১৯৩৮
অংশগ্রহণ : ৪ বার

‘আই’ গ্রুপের সূচি

১৭ জুন : ইরাক বনাম নরওয়ে ম্যাসাচুসেটস ভোর ৪টা
২৩ জুন : নরওয়ে বনাম সেনেগাল নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি সকাল ৬টা
২৭ জুন : নরওয়ে বনাম ফ্রান্স ম্যাসাচুসেটস রাত ১টা

নরওয়ের বিশ্বকাপ স্কোয়াড

গোলরক্ষক- অরিয়ান হাস্কিয়োল্ড নাইল্যান্ড, এগিল সেলভিক, সান্ডার ট্যাংভিক

ডিফেন্ডার- ক্রিস্টোফার ভাসবাক আয়ের, ফ্রেডরিক বিয়র্কান, হেনরিক ফালকেনার, সন্ড্রে ল্যাংগাস, তোরবিয়র্ন হেগগেম, মার্কুস হোমগ্রেন পেদারসেন, জুলিয়ান রাইয়েরসন, ডেভিড মোলার উলফ, লেও অস্টিগার্ড।

মিডফিল্ডার- থেলোনিয়াস আসগার্ড, ফ্রেডরিক অউরেস্নেস, প্যাট্রিক বার্গ, সান্ডার বার্গে, অস্কার বব, জেন্স পেটার হাউগে, আন্তোনিও নুসা, আন্দ্রেয়াস শেলদেরুপ, মর্টেন থর্সবাই, ক্রিস্টিয়ান থর্স্টভেড্ট, মার্টিন ওডেগার্ড।

ফরোয়ার্ড- আর্লিং হালান্ড, জর্গেন স্ট্র্যান্ড লারসেন, আলেকজেন্ডার সারলথ।