• ই-পেপার

নির্বাচনী অঙ্গীকার ও ব্যয় বৃদ্ধির বাজেট

বেসরকারি চিকিৎসকদের শুরুর বেতন কাঠামো গঠনে কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি চিকিৎসকদের শুরুর বেতন কাঠামো গঠনে কমিটি

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজসমূহের এন্ট্রি লেভেলে কর্মরত চিকিৎসকদের একটি যৌক্তিক, সমন্বিত ও সম্মানজনক বেতন কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে কমিটি গঠন করেছে সরকার। 

কমিটিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আহবায়ক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকে (মানব সম্পদক ব্যবস্থাপনা) সদস্য সচিব করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব দাশ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

কমিটিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব (চিকিৎসা শিক্ষা), স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল)-কে সদস্য করা হয়েছে।

কমিটির কার্য পরিধিতে বলা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিক/মেডিকেল/ডেন্টাল কলেজসমূহে এন্ট্রি-লেভেলে কর্মরত চিকিৎসকদের বিদ্যমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাসমূহ পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা। সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত গ্রহণপূর্বক এন্ট্রি-লেভেলের চিকিৎসকদের জন্য একটি যৌক্তিক, সমন্বিত ও সম্মানজনক বেতন কাঠামোর খসড়া প্রণয়ন করা এবং প্রণীত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন ২০ (বিশ) কার্যদিবসের মধ্যে সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ বরাবর দাখিল করা।

কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রযুক্তিনির্ভর ৩৬ স্টার্টআপে ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ

অনলাইন ডেস্ক
প্রযুক্তিনির্ভর ৩৬ স্টার্টআপে ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ

এ পর্যন্ত অনুমোদিত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর স্টার্টআপে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

মঙ্গলবার (১০ জুন) জাতীয় সংসদে নরসিংদী-৫ আসনের সরকারি দলের সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের তারকাচিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘‘স্টার্টআপ খাতে নতুন অর্থায়নের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে বর্তমানে ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’ একটি সমন্বিত তহবিল কাঠামোর আওতায় কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রস্তাবিত ৪০০ কোটি টাকার ‘ফান্ড অব ফান্ডস’ এবং ৩০০ কোটি টাকার ‘কো-ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড’।”

তিনি বলেন, ‘স্টার্টআপ অর্থায়ন সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার পর্যায়ক্রমে মোট তহবিলের আকার এক হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে।’

তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, ‘প্রাথমিকভাবে স্টার্টআপ বাংলাদেশের বিনিয়োগের জন্য ৫৫টি স্টার্টআপ অনুমোদন পেয়েছিল। তবে যথাযথ যাচাই-বাছাই (ডিউ ডিলিজেন্স) ও বিনিয়োগের শর্তাবলি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে পরবর্তীতে ১৯টি স্টার্টআপ বাদ পড়ে যায়।’

চূড়ান্তভাবে অনুমোদিত ৩৬টি স্টার্টআপের মধ্যে রাইড-শেয়ারিং, এডটেক, ফিনটেক, লজিস্টিকস, হেলথটেক ও ই-কমার্স খাতের বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পাঠাও লিমিটেড, চালডাল লিমিটেড, ১০ মিনিট স্কুল, সহজ, শিখো, মেডইজি এবং আরও কয়েকটি উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব বিনিয়োগ দেশের স্টার্টআপ ইকোসিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। এর ফলে ৭ হাজারের বেশি প্রত্যক্ষ কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে এবং পোর্টফোলিওভুক্ত কোম্পানিগুলোর গড় রাজস্ব প্রবৃদ্ধি প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এছাড়া এসব স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ১৮০ কোটি টাকারও বেশি কর পরিশোধ করেছে, যা স্টার্টআপ বাংলাদেশের মোট বিনিয়োগের প্রায় ১ দশমিক ৭ গুণ।

মন্ত্রী বলেন, ‘পোর্টফোলিওভুক্ত কোম্পানিগুলো আন্তর্জাতিক বাজারে কার্যক্রম সম্প্রসারণ করছে, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ করছে এবং টেকসই ব্যবসায়িক মডেল গড়ে তুলছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, মোট বিনিয়োগের প্রায় ৮০ শতাংশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। তবে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ স্পষ্ট করেছে যে, স্টার্টআপ বাংলাদেশ সরাসরি ঋণ প্রদান করে না। প্রতিষ্ঠানটির মূল কার্যক্রম সম্ভাবনাময় স্টার্টআপে ইক্যুইটি ও ইক্যুইটি-সংযুক্ত বিনিয়োগের মধ্যে সীমাবদ্ধ।’

দেশের প্রাথমিক পর্যায়ের উদ্ভাবনী উদ্যোগগুলোর অর্থায়ন ঘাটতি দূর করতে সরকার বিশেষায়িত অর্থায়ন ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজ করছে বলেও জানান মন্ত্রী।

জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে

অনলাইন ডেস্ক
জনসংখ্যার বড় অংশ শ্রমবাজারের বাইরে

২৮ বছর বয়সি মো. রাকিব ঢাকার মিরপুর এলাকার বাসিন্দা। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি শেষ করেছেন বছরখানেক হলো। তবে এখনো তিনি কোনো চাকরি পাননি। তিনি বলছিলেন, স্নাতকোত্তর শেষ করেছি এক বছর হলো, এখনো ঠিকমতো কোনো কাজ পাইনি। চেষ্টা করছি, কিন্তু কোথাও সুযোগ পাচ্ছি না। বেশির ভাগ জায়গায় অভিজ্ঞতা খুঁজছে। আর নতুন যেখানে-সেখানে বেতন খুবই কম। রাকিবের এই অভিজ্ঞতা একার নয় বাংলাদেশের বড় একটি অংশ এখনো শ্রমবাজারের বাইরে রয়ে গেছে, যদিও দেশে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৫৮ লাখ ৩০ হাজার। এর মধ্যে ১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সি অর্থাৎ কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা ১১ কোটি ৪৪ লাখের বেশি। মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬৫ শতাংশ এখন কর্মক্ষম বয়সে, যা একটি বড় জনমিতিক সুযোগ হিসেবে ধরা হয়। এ ছাড়া ১৫ থেকে ২৪ বছর বয়সি তরুণ জনসংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ১৫ লাখ, যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৯ দশমিক ১১ শতাংশ। অন্যদিকে, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সি তরুণ শ্রমশক্তির সংখ্যা ২ কোটি ৬৭ লাখ। কিন্তু এই বড় জনগোষ্ঠীর সবাই শ্রমবাজারে সক্রিয় নয়।

শ্রমশক্তি জরিপের সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, ১৫-৬৪ বছর বয়সিদের মধ্যে মাত্র ৬২ দশমিক ৪ শতাংশ শ্রমবাজারে রয়েছে অর্থাৎ তারা কাজ করছে বা কাজ খুঁজছে। অন্যদিকে, শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ৫৮ দশমিক ৯০ শতাংশ, যা দেখায় কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ এখনো অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বাইরে।

শ্রমশক্তির জরিপ বলছে, ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সি তরুণ শ্রমশক্তির প্রায় ২০ লাখই বেকার। তাদের মধ্যে সাড়ে ১৩ শতাংশ স্নাতক ডিগ্রিধারী এবং ৭ দশমিক ১৩ শতাংশ উচ্চ মাধ্যমিক পাস। অর্থাৎ প্রতি পাঁচজন বেকারের একজন স্নাতক বা উচ্চ মাধ্যমিক সনদধারী। শুধু তা-ই নয়, ১৫-২৯ বছর বয়সি যুব বেকারদের মধ্যে প্রায় ২৯ শতাংশ স্নাতক। এর মানে দাঁড়ায় প্রতি তিনজন স্নাতক তরুণের একজন বেকার।

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ সময় পার করছে। কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বাড়ছে, কিন্তু অর্থনীতিতে সেই অনুপাতে মানসম্মত কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে না। ফলে অনেকেই শ্রমবাজারে ঢুকছে না, বা ঢুকলেও টিকে থাকতে পারছে না।

দেশে ১১ কোটির বেশি কর্মক্ষম মানুষ : বিবিএসের হিসাব বলছে, বর্তমানে শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়সি জনসংখ্যা ৪ কোটি ৯৪ লাখ, ১৫-৬৪ বছর বয়সি ১১ কোটি ৪৪ লাখ এবং ৬৫ বছরের বেশি ১ কোটি ১৯ লাখের বেশি। ২০১১ সালের তুলনায় শিশুদের (শূন্য থেকে ১৪) অংশ কমে এসেছে। বেড়েছে বয়স্কদের সংখ্যা।

এই পরিবর্তনকে জনমিতিক রূপান্তর হিসেবে দেখা হয়। অর্থনীতির ভাষায়, এটি ‘ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড’-যেখানে বেশি কর্মক্ষম মানুষ থাকলে উৎপাদনশীলতা বাড়ার সুযোগ তৈরি হয়। তবে শর্ত একটাই-এই মানুষদের কাজের মধ্যে আনতে হবে। দেশে কর্মক্ষম মানুষের সংখ্যা বাড়ার অর্থ হলো প্রতি বছর নতুন করে বিপুলসংখ্যক তরুণ শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে। কিন্তু সেই হারে কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন আছে।

বর্তমানে দেশে তরুণ বেকার প্রায় ২৭ লাখ। যা মোট জনসংখ্যার হার ৩ দশমিক ৬৬ শতাংশ। সংখ্যাটি তুলনামূলক কম মনে হলেও বাস্তবে অনেকেই আংশিক বেকার বা কম আয়ের কাজে যুক্ত।

নারীরা পিছিয়ে পড়ছে শ্রমবাজারে : শ্রমবাজারে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বৈষম্য দেখা যায় নারীদের ক্ষেত্রে। সবশেষ জনশুমারি অনুযায়ী, দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর অনুপাত বেশি। তবে শ্রমশক্তিতে পুরুষের চেয়ে পিছিয়ে নারীরা। আর সাড়ে ২৭ লাখ বেকারের মধ্যে প্রায় ১০ লাখই নারী। উচ্চশিক্ষিত নারীদের মধ্যেই বেকারত্ব বেশি। বৈষম্য, সামাজিক অবকাঠামো, কাজের পরিবেশ অনুকূলে না থাকায় অনেক নারীই আগ্রহ হারাচ্ছেন কর্মক্ষেত্রের ওপর থেকে। এমন হলে দেশের অর্থনৈতিক পরিধি বৃদ্ধিতে বাধা আসবে বলে মত বিশ্লেষকদের।

অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এই পতন উদ্বেগজনক। কারণ, নারীর অংশগ্রহণ বাড়লে অর্থনীতির সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

বিবিএসের হিসাবে, ২০১৫-১৬ সালে নারী শ্রমশক্তিতে অংশগ্রহণের হার ছিল ৩৫ দশমিক ৬ শতাংশ, যা ধীরে ধীরে বেড়ে ২০২২ সালে ৪২ দশমিক ৭৭ শতাংশে পৌঁছায়। কিন্তু এরপর আবার কমে ২০২৩ সালে ৪১ দশমিক ৫ শতাংশ এবং ২০২৪ সালে ৩৮ দশমিক ৪০ শতাংশে নেমে এসেছে। বর্তমানে এই সংখ্যা আরও বেড়েছে। ড. মুস্তফা কে মুজেরী বলেন, নারীদের শ্রমবাজারে অংশগ্রহণ কমে যাওয়া মানে আমরা আমাদের সম্ভাবনার বড় একটি অংশ ব্যবহার করতে পারছি না। সামাজিক বাধা, নিরাপত্তা, উপযুক্ত কাজের অভাব-সব মিলিয়ে নারীরা পিছিয়ে পড়ছে।

শিশু কমছে, বাড়ছে বয়স্ক জনগোষ্ঠী : জনসংখ্যার কাঠামোতেও বড় পরিবর্তন আসছে। ২০১১ সালে যেখানে শিশুদের হার ছিল ৩৪ দশমিক ৬ শতাংশ, সেখানে ২০২৬ সালে তা কমে দাঁড়িয়েছে ২৮ দশমিক ১ শতাংশে। অন্যদিকে, ৬৫ বছরের বেশি মানুষের হার বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশ থেকে ৬ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে। বিবিএসের হিসাবে, শূন্য থেকে ১৪ বছর বয়সি শিশুর সংখ্যা এখন প্রায় ৫ কোটি। আর ৬৫ বছরোর্ধ্ব বয়স্ক মানুষের সংখ্যা এখন দেড় কোটির কাছাকাছি।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

১২ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

অনলাইন ডেস্ক
১২ জেলায় ঝড়ের শঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা
ফাইল ছবি

দেশের ১২ জেলার ওপর দিয়ে ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় বয়ে যেতে পারে। একই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

বুধবার (১০ জুন) দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরসমূহের জন্য দেওয়া আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

বার্তায় বলা হয়, রংপুর, দিনাজপুর, বগুড়া, টাংগাইল, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

এসব এলাকার নদীবন্দরসমূহকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।