• ই-পেপার

দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে কাজ করছে ১১০ প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

আগামী অর্থবছরে বিভিন্ন দেশে ১৪ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় সরকার : নূর

অনলাইন ডেস্ক
আগামী অর্থবছরে বিভিন্ন দেশে ১৪ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় সরকার : নূর

আগামী অর্থবছরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আনুমানিক ১৪ লাখ বাংলাদেশি কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

আজ সোমবার (০৮ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশনের দ্বিতীয় বৈঠকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সময় এই তথ্য জানান প্রতিমন্ত্রী নূরুল হক নূর। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল।

ঢাকা-১ আসনের সংসদ সদস্য খন্দকার আবু আশফাকের এক তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী জানান, বিগত ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৬ সালের ৩১ মে পর্যন্ত সময়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মোট ৯ লাখ ৩৩ হাজার ৮১৫ জন বাংলাদেশি কর্মী বৈদেশিক কর্মসংস্থান লাভ করেছেন।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দক্ষ ও পেশাদার কর্মী পাঠানোর মাধ্যমে বৈদেশিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে সরকারের পক্ষ থেকে নিরলস প্রচেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

নূরুল হক নূর জানান, যেসব দেশে বর্তমানে বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ বন্ধ বা সীমিত রয়েছে, সেসব দেশের শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত ও সম্প্রসারণের জন্য মালয়েশিয়া, ওমান, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইনের সঙ্গে সরকারের কূটনৈতিক আলোচনা ও দ্বিপাক্ষিক আলোচনা চলমান রয়েছে।

পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে সঞ্চালন ব্যবস্থা ‘স্মার্ট’ করার নির্দেশ জ্বালানি মন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশে সঞ্চালন ব্যবস্থা ‘স্মার্ট’ করার নির্দেশ জ্বালানি মন্ত্রীর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

দেশে পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি হিসেবে বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাকে আরও নিরাপদ, স্মার্ট ও যুগোপযোগী করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে দ্রুত একটি ‘ওয়ার্কিং পেপার’ প্রস্তুতের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ।

সোমবার (৮ জুন) সকালে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিদ্যুৎ বিভাগের অধীন সঞ্চালন ও বিতরণ সংশ্লিষ্ট সংস্থা ও কোম্পানিগুলোর চেয়ারম্যান এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালকদের নিয়ে অনুষ্ঠিত এক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশনা দেন।

সভায় দেশের বিদ্যমান বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ সক্ষমতা, দুর্বলতা, স্মার্ট গ্রিড ব্যবস্থা, পারমাণবিক বিদ্যুৎ সংযোজনের চ্যালেঞ্জ এবং প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

সভায় বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রাক্কালে সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জগুলো দ্রুত শনাক্ত করে সেগুলো মোকাবিলায় কার্যকর প্রস্তুতি নিতে হবে। একই সঙ্গে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাকে নিরাপদ ও আধুনিক করতে একটি ‘জাতীয় গবেষণা কেন্দ্র’ প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি)-কে প্রয়োজনীয় সমীক্ষা পরিচালনা করে একটি কনসেপ্ট পেপার তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে নিউক্লিয়ার বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনায় অভিজ্ঞ বিদেশি পরামর্শকদের মাধ্যমে ওই কনসেপ্ট পেপার মূল্যায়ন করা হবে। তাদের সুপারিশের ভিত্তিতেই বিদ্যুৎ সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয় আধুনিকায়ন সম্পন্ন করা হবে।

ইকবাল হাসান মাহমুদ, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে আমরা এখন কয়লা ও সৌরবিদ্যুৎসহ বহুমুখী জ্বালানি ব্যবস্থার দিকে এগিয়েছি। এখন পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে প্রবেশের প্রস্তুতি চলছে। তবে এর জন্য ট্রান্সমিশন ও ডিস্ট্রিবিউশন ব্যবস্থার মধ্যে পূর্ণ সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।

বিগত সরকারের সমালোচনা করে বিদ্যুৎ-জ্বালানি মন্ত্রী অভিযোগ করেন, পূর্ববর্তী সরকারের সময়ে এ ধরনের সমন্বিত অবকাঠামো গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় বা ‘সিস্টেম কলাপ্স’-এর ঝুঁকি রয়ে গেছে। এ ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে নিয়ে প্রস্তুতিমূলক কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সভায় স্মার্ট গ্রিড সিস্টেম বাস্তবায়নের জন্য বিস্তারিত কনসেপ্ট ও ওয়ার্কিং পেপার উপস্থাপনের নির্দেশ দেন মন্ত্রী। এ বিষয়ে দ্রুত কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তাবনা উপস্থাপনের আশ্বাস দিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

নিরাপত্তার বিষয়ে সর্বোচ্চ জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘পারমাণবিক বিদ্যুৎ আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এটি উচ্চপ্রযুক্তিনির্ভর ও জটিল কারিগরি ব্যবস্থা হওয়ায় সর্বোচ্চ সতর্কতা ও প্রস্তুতি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের নিরাপত্তাই আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার।’ এ সময় তিনি আরও বলেন, ‘বিদ্যুৎ খাতে অপ্রয়োজনীয় প্রকল্পগুলো ইতোমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব প্রকল্পের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্ত করে যথাসময়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সভায় বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান সক্ষমতা, চ্যালেঞ্জ ও উন্নয়ন পরিকল্পনার অগ্রগতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম এবং পিজিসিবির প্রধান প্রকৌশলী মো. মঞ্জুরুল ইসলাম।

সিঙ্গাপুর জিমন্যাস্টিকসে কোয়ান্টাম শিক্ষার্থীদের চমক

নিজস্ব প্রতিবেদক
সিঙ্গাপুর জিমন্যাস্টিকসে কোয়ান্টাম শিক্ষার্থীদের চমক
সংগৃহীত ছবি

সিঙ্গাপুরে অনুষ্ঠিত ২১তম জুনিয়র ও সিনিয়র ওপেন আর্টিস্টিক জিমন্যাস্টিকস চ্যাম্পিয়নশিপে দুর্দান্ত সাফল্য দেখিয়েছে বাংলাদেশ দল। ৩ থেকে ৭ জুন অনুষ্ঠিত এই প্রতিযোগিতায় বিভিন্ন ইভেন্টে মোট ৯টি পদক জয় করেছে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। এর মধ্যে রয়েছে ৭টি ব্যক্তিগত ও ২টি দলগত পদক।

চমকপ্রদ তথ্য হলো, বাংলাদেশের জেতা ব্যক্তিগত ৭টি পদকের (৩টি স্বর্ণ, ২টি রৌপ্য ও ২টি ব্রোঞ্জ) সবকটিই এসেছে বান্দরবানের লামায় অবস্থিত কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের শিক্ষার্থীদের হাত ধরে। এছাড়া দলগত দুটি ব্রোঞ্জ পদক জয়ের ক্ষেত্রেও মূল ভূমিকা ছিল এই ‘কোয়ান্টাদের’। জুনিয়র বিভাগের দলগত ৪ জনের সবাই এবং সিনিয়র বিভাগের ৪ সদস্যের দলের ২ জনই এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র।

আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় জুনিয়র বিভাগে একাই তিনটি পদক জিতে রেকর্ড গড়েছেন জিমন্যাস্ট উটিংওয়াং মার্মা। ‘ভোল্টিং টেবিল’ ইভেন্টে ১৩.৫০০ পয়েন্ট পেয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিযোগীকে পেছনে ফেলে স্বর্ণপদক জেতেন তিনি। এছাড়া ‘স্টিল রিংস’ ইভেন্টে ১২.১৫০ পয়েন্ট পেয়ে দ্বিতীয় স্বর্ণ এবং ‘ফ্লোর এক্সারসাইজ’ ইভেন্টে ১৩.৬০০ পয়েন্ট নিয়ে একটি ব্রোঞ্জ পদক নিজের করে নেন উটিংওয়াং।

জুনিয়র বিভাগে আরেক জিমন্যাস্ট মেনটন টনি ম্রো ‘পমেল হর্স’ ইভেন্টে ১৩.১৫০ পয়েন্ট পেয়ে স্বর্ণপদক অর্জন করেছেন। সিঙ্গাপুর ওপেন জিমন্যাস্টিকসের পমেল হর্স ইভেন্টে এটিই বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ স্কোর। এ ছাড়া জুনিয়র বিভাগে মংচিং প্রু ত্রিপুরা হরাইজন্টাল বার ইভেন্টে রৌপ্যপদক (১১.৭০০ পয়েন্ট) পান।

সিনিয়র বিভাগেও এসেছে সাফল্য। সিনিয়র বিভাগে ভোল্টিং টেবিল ইভেন্টে রাজীব চাকমা রৌপ্যপদক (১২.৭০০ পয়েন্ট) এবং উহাইমং মার্মা হরাইজন্টাল বার ইভেন্টে ব্রোঞ্জপদক (১২.১৫০ পয়েন্ট) জয় করেন। দলগত ইভেন্টে জুনিয়র বিভাগে উটিংওয়াং মার্মা, মেনটন টনি ম্রো, মংচিং প্রু ত্রিপুরা ও প্রেনথৈ ম্রো এবং সিনিয়র বিভাগে রাজীব চাকমা ও উহাইমং মার্মা ব্রোঞ্জ পদক জেতে।

বাংলাদেশ দলের এই অভাবনীয় সাফল্যের পর কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশনের শিক্ষাসেবা কার্যক্রমের ইনচার্জ ছালেহ আহমেদ বলেন, ‘বাংলাদেশ দলের অর্জিত এবারের সাফল্যের পেছনে কোয়ান্টাম কসমো স্কুল ও কলেজের জিমন্যাস্টদের বড় ভূমিকা রয়েছে। জিমন্যাস্টিকস ফেডারেশনের সহযোগিতায় এটি অর্জন করা সহজ হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বান্দরবানের লামা উপজেলার এই শিশুদের শৈশব থেকেই শিক্ষা, খাদ্য, বস্ত্র, চিকিৎসা ও উন্নত জিমন্যাস্টিকস প্রশিক্ষণসহ যাবতীয় সুবিধা দিচ্ছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। সঠিক গাইডলাইন ও উন্নত প্রশিক্ষণ পেলে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের শিশুরাও যে আন্তর্জাতিক মানের সাফল্য অর্জন করতে পারে, এই অর্জন তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।’

দ্রুত সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্মতি

মরিশাসে আবার চালু হচ্ছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার

নিজস্ব প্রতিবেদক
মরিশাসে আবার চালু হচ্ছে বাংলাদেশের শ্রমবাজার
আরিফুল হক চৌধুরী ও মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিম। ছবি : কালের কণ্ঠ

মরিশাসে বন্ধ থাকা বাংলাদেশের শ্রমবাজার আবার চালু হতে যাচ্ছে। দেশটি থেকে বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে শিগগিরই একটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষর করবে দুই দেশ।

সোমবার (৮ জুন) সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠিত ১১৪তম আন্তর্জাতিক শ্রম সম্মেলনের (আইএলও) সাইডলাইনে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই সম্মতি আসে। জেনেভাস্থ জাতিসংঘ কার্যালয়ের সভাকক্ষে স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৯টায় বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী এবং মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিম এই বৈঠকে মিলিত হন।

সৌহার্দ্যপূর্ণ এই বৈঠকে মরিশাসে বাংলাদেশি শ্রমিকদের বর্তমান অবস্থা, বন্ধ বাজার পুনরায় চালু এবং দ্বিপাক্ষিক বিভিন্ন বিষয়ে ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

বৈঠকের শুরুতে বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে মরিশাস সরকারকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বাংলাদেশ থেকে কর্মী প্রেরণের লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারক দ্রুত স্বাক্ষরের জন্য ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিতে মরিশাস সরকারকে অনুরোধ করেন।

বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির সক্ষমতা তুলে ধরে মন্ত্রী জানান, ঐতিহ্যবাহী টেক্সটাইল শিল্প ছাড়াও বাংলাদেশ থেকে এখন ডাক্তার, প্রকৌশলী, নার্স এবং অ্যাকাউন্ট্যান্টসহ বিভিন্ন পেশার উচ্চ দক্ষ জনশক্তি মরিশাসে পাঠাতে প্রস্তুত সরকার। বৈঠক শেষে তিনি মরিশাসের শ্রমমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণও জানান।

বাংলাদেশের এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে মরিশাসের শ্রমমন্ত্রী মুহাম্মদ রেজা কাসাম উতিম বলেন, বাংলাদেশ থেকে দক্ষ জনশক্তি নেওয়ার ব্যাপারে মরিশাস সরকার অত্যন্ত আগ্রহী। বিশেষ করে দেশটির ওয়ান-স্টপ টেক্সটাইল শিল্পের প্রসারে প্রচুর দক্ষ কর্মী প্রয়োজন।

মরিশাসের মন্ত্রী আশ্বস্ত করেন, পুনরায় শ্রমবাজার চালুর লক্ষ্যে সমঝোতা স্মারকের একটি খসড়া শিগগিরই বাংলাদেশ সরকারের কাছে পাঠানো হবে। কর্মসংস্থান সৃষ্টির পাশাপাশি বাংলাদেশের টেক্সটাইল খাতে মরিশাস সরকারের বিনিয়োগের গভীর আগ্রহের কথাও বৈঠকে প্রকাশ করেন তিনি।

দ্বিপাক্ষিক এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলে আরো উপস্থিত ছিলেন— শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত ও স্থায়ী মিশনের প্রতিনিধি নাহিদা সোবহান, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মোহাম্মদ শামছুল ইসলাম, সিনিয়র সহকারী সচিব মো. মাহবুবুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ মিশনের প্রথম সচিব মো. আমিনুল ইসলাম।