• ই-পেপার

রাজধানীতে ২৪ ঘণ্টায় ৫০৮ জন গ্রেপ্তার

জাতীয় জাদুঘরে মেসির স্বাক্ষরিত জার্সি, দেখতে ভক্তদের ভিড়

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় জাদুঘরে মেসির স্বাক্ষরিত জার্সি, দেখতে ভক্তদের ভিড়
সংগৃহীত ছবি

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম সেরা তারকা লিওনেল মেসির স্বাক্ষর করা আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের একটি জার্সি এখন প্রদর্শিত হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে। এই স্মারকটি দেখতে প্রতিদিনই জাদুঘরে ভিড় করছেন শত শত দর্শনার্থী। 

শুধু মেসি নয়, জার্সিতে জুলিয়ান আলভারেজ এবং এনজো ফার্নান্দেজের অটোগ্রাফও রয়েছে। প্রত্যেকে তারা ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন। জার্সিটি উপহার দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

জাদুঘরের নির্ধারিত প্রদর্শনীকক্ষে বিশেষভাবে বাঁধাই করা ফ্রেমে সংরক্ষণ করা হয়েছে জার্সিটি। প্রদর্শনীতে আসা দর্শনার্থীরা জার্সিটির সামনে ছবি তুলছেন, স্মৃতিচারণা করছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেই মুহূর্ত ভাগ করে নিচ্ছেন। অনেকের কাছে এটি বিশ্ব ফুটবলের ইতিহাসের একটি মূল্যবান স্মারক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

জার্সিটির ফ্রেমে দেশের শীর্ষ ইলেকট্রনিকস ও প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটনের লোগোও দেখা যাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (এএফএ) রিজিওনাল পার্টনার হিসেবে যুক্ত রয়েছে। 

জাদুঘর সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিন বিভিন্ন বয়সী দর্শনার্থীরা মেসির স্বাক্ষরিত এই জার্সি দেখতে আসছেন। বিশেষ করে তরুণ ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে এ প্রদর্শনী ঘিরে উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। অনেকেই এটিকে বাংলাদেশে ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আকর্ষণীয় প্রদর্শনীগুলোর একটি হিসেবে অভিহিত করছেন।

বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক লিওনেল মেসির ব্যবহৃত ও স্বাক্ষরিত স্মারক বিশ্বজুড়েই ভক্তদের কাছে বিশেষ মূল্য বহন করে। সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে প্রদর্শিত এই স্বাক্ষরিত আর্জেন্টিনার জার্সিও ফুটবলপ্রেমীদের জন্য হয়ে উঠেছে অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্র।


 

ঢাকায় আজ যেমন থাকবে আবহাওয়া

অনলাইন ডেস্ক
ঢাকায় আজ যেমন থাকবে আবহাওয়া

রাজধানী ঢাকা ও আশপাশের এলাকায় দুপুরের মধ্যে বজ্রসহ বৃষ্টি ঝরতে পারে। সেই সঙ্গে তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

রবিবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে। 

এতে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা হতে অস্থায়ীভাবে মেঘলা। অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এ ছাড়া দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে। দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। 

এদিকে আজ সকাল ৬টায় ঢাকায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৯২ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় ২ মিলিমিটার বৃষ্টি ঝরেছে। 

রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

অনলাইন ডেস্ক
রবিবার রাজধানীর যেসব মার্কেট বন্ধ

নানা প্রয়োজনে ঢাকার বাসিন্দারা দোকানপাট ও মার্কেট যান। কিন্তু তীব্র যানজট পেরিয়ে গিয়ে যদি দেখতে পান সব দোকানপাট বন্ধ, তাহলে বিফলে যাবে সব। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক রবিবার রাজধানীর কোন কোন এলাকায় দোকানপাট ও মার্কেট বন্ধ থাকবে।

 
যেসব এলাকার দোকানপাট বন্ধ
আগারগাঁও, তালতলা, শেরেবাংলা নগর, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, পল্লবী, মিরপুর-১০, মিরপুর-১১, মিরপুর-১২, মিরপুর-১৩, মিরপুর-১৪, ইব্রাহীমপুর, কচুক্ষেত, কাফরুল, মহাখালী, নিউ ডিওএইচএস, ওল্ড ডিওএইচএস, কাকলী, তেজগাঁও ওল্ড এয়ারপোর্ট অঞ্চল, তেজগাঁও শিল্প অঞ্চল, ক্যান্টনমেন্ট, গুলশান-১, ২, বনানী, মহাখালী বাণিজ্যিক অঞ্চল, নাখালপাড়া, মহাখালী ইন্টারসিটি বাস টার্মিনাল অঞ্চল, রামপুরা, বনশ্রী, খিলগাঁও, গোড়ান, মালিবাগের একাংশ, বাসাবো, ধলপুর, সায়েদাবাদ, মাদারটেক, মুগদা, কমলাপুরের একাংশ, যাত্রাবাড়ীর একাংশ, শনির আখড়া, দনিয়া, রায়েরবাগ।

বন্ধ থাকবে যেসব মার্কেট
বিসিএস কম্পিউটার সিটি (আইডিবি), পল্লবী সুপার মার্কেট, মিরপুর বেনারসী পল্লী, ইব্রাহীমপুর বাজার, রজনীগন্ধা মার্কেট, ইউএই মৈত্রী কমপ্লেক্স, বনানী সুপার মার্কেট, ডিসিসি মার্কেট গুলশান-১ এবং ২, গুলশান পিংক সিটি, মোল্লা টাওয়ার, আল-আমিন সুপার মার্কেট, রামপুরা সুপার মার্কেট, মালিবাগ সুপার মার্কেট, তালতলা সিটি করপোরেশন মার্কেট, কমলাপুর স্টেডিয়াম মার্কেট, গোড়ান বাজার, আবেদিন টাওয়ার, ঢাকা শপিং সেন্টার, আয়েশা মোশারফ শপিং কমপ্লেক্স, মিতালী অ্যান্ড ফ্রেন্ডস সুপার মার্কেট।

জেনেভা ক্যাম্পে আরো নতুন কৌশলে চলছে গডফাদারদের মাদক কারবার

নিজস্ব প্রতিবেদক
জেনেভা ক্যাম্পে আরো নতুন কৌশলে চলছে গডফাদারদের মাদক কারবার
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মোহাম্মদপুর জেনেভা ক্যাম্পে আরো নতুন কৌশলে মাদক কারবার চলছে। সেই সঙ্গে এতে যুক্ত হয়েছে আরো কিছু নতুন মুখ। তারা সবাই পর্দার আড়ালে থেকে মাদক কারবারে সম্পৃক্ত রয়েছে। নতুন শীর্ষ মাদক কারবারিরা হলো- শান্ত, ইরফান, নেটা সামির ও উল্টা সালাম।

এরা প্রতিদিন বিকাল থেকে ভোর পর্যন্ত ইয়াবা, হেরোইনসহ সব ধরনের মাদক কারবার করে। তাদের প্রত্যেকের মাদকের টাকায় রয়েছে বিলাশি জীবন। শনিবার রাতে ক্যাম্পের বাসিন্দারা জানায় এ তথ্য।

পুলিশ বলছে,  ক্যাম্পের মাদক নিয়ন্ত্রণে তারা প্রতিদিন নজরদারির পাশাপাশি অভিযানও চালান।
তবে সরেজমিনে জানা গেছে, এখনো সেখানকার প্রতিটি সড়ক, গলি চিহ্নিত মাদক কারবারিদের দখলে থাকে। শীর্ষ মাদক গডফাদার উল্টা সালাম, গাল কাটা মনু, শাহ আলম, নেটা সামির ও ইমতিয়াজসহ একাধিক গডফাদারের নিয়ন্ত্রণে। তাদের শতাধিক সহযোগী এখনো অনেকটা প্রকাশ্যে ইয়াবা, হেরোইন, গাজা, আইস, সিসাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক বিক্রি করে।

ক্যাম্পের চার পাশে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর টহল থাকলেও রহস্যজনক কারণে এসব মাদক কারবারিদের ধরা হয় না বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আবার কেউ তাদের মাদক কারবারের প্রতিবাদ করলে তাদেরকে মারধর করা হয়। দেওয়া হয় হত্যার হুমকি। গতকালও কয়েকজন নিরপরাধ ব্যক্তিকে তারা মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
 
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেনেভা ক্যাম্পের একাধিক ব্যক্তি জানায়, ক্যাম্পের ভেতরে প্রতিদিন বিকাল থেকে রাতভর গডফাদারদের নিয়ন্ত্রণে প্রকাশে্য মাদক কারবার চলে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি মাদক গডফাদার উল্টা সালাম, ইমতিয়াজ, নেটা সামির, শাহ আলম ও গালকাটা মনুর প্রভাব রয়েছে ক্যাম্পের ভেতরে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দেশে ৫ আগস্ট পরবর্তী দফায় দফায় অভিযানের পরও জেনেভা ক্যাম্পের
মাদক কারবার এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।

এদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে জানতে চাইলে মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেজবাহ উদ্দীন কালের কণ্ঠকে বলেন, জেনেভা ক্যাম্পের মাদক গডফাদারদের মধ্যে অনেকেই এরই মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার হয়েছে। বর্তমানে যারা গ্রেপ্তার হয়নি তাদেরকেও গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।

এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মাদক গডফাদাররা আধিপত্য ধরে রাখতে ক্যাম্পে তাদের সহযোগীদের দিয়ে সংঘর্ষের সৃষ্টি করে। এর জেরে প্রাণ যাচ্ছে এলাকার নিরীহ মানুষের। 

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে রাজধানীর মোহাম্মদপুর এক আতঙ্কের জনপদ। শুধু মাদক কারবারই নয়, প্রায়ই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে এ এলাকায়। এলাকার বাসিন্দারা আতঙ্কের মধ্যে থাকেন। মাঝে মধ্যে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান হয় এতে কিছুদিনের জন্য স্বস্তি ফিরলেও ফের একই পরিস্থিতি রয়েছে। মোহাম্মদপুর থানাধীন আটকেপড়া পাকিস্তানিদের আবাসস্থল জেনেভা ক্যাম্পে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা চলছে জানিয়ে একাধিক সূত্র জানিয়েছে, প্রতিদিন সেখানে হাত বাড়ালেই মাদক পাওয়া যায়। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও তাদের ক্রেতা। মাদক নিয়ন্ত্রণে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের আরো কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। না হলে মাদক কারবার বারতেই থাকবে।

পুলিশ সূত্র জানায়, গত ৩০ এপ্রিল থেকে রাজধানীসহ সারা দেশে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর মাদকের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকেই এই তত্পরতা বৃদ্ধি পায়। 

পুলিশ ও ক্যাম্পের বাসিন্দাদের সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়, এর আগে মাদক অপরাধীদের হাতে খুন হয় শাহ আলম নামের এক নিরপরাধ তরুণ। তাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। গত এক বছরে একই কারণে এই মাদক কারবারিরা আরো পাঁচজন খুন করে। তাদের চাপাতির কোপে ও গুলিতে আহত হয় অর্ধশতাধিক লোক। এর মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।

পুলিশ বলছে, ক্যাম্পের অন্তত ৮০ শতাংশ লোক প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে এখন মাদকে জড়িয়ে পড়েছে। শিশু ও কিশোরদের পাশাপাশি নারীদেরও ব্যবহার করে তারা ক্যাম্পে মাদক কারবার করছে।