• ই-পেপার

বিনিয়োগ বাড়াতে সরকারের সংস্কার উদ্যোগ : বাস্তবায়নই বড় চ্যালেঞ্জ, বলছেন সংশ্লিষ্টরা

বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার

অনলাইন ডেস্ক
বাংলাদেশি টাকায় আজকের মুদ্রা বিনিময় হার
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ব্যবসা-বাণিজ্য ক্রমাগত বিস্তৃত হচ্ছে। এই বর্ধিত বাণিজ্যিক লেনদেনকে সচল রাখতে ওঠানাম করছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার বিনিময় হার।

দেশীয় বাজারে মার্কিন ডলারসহ আন্তর্জাতিক প্রধান মুদ্রাগুলোর বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা ওঠানামা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর তথ্য অনুযায়ী আজকের (০৫ জুলাই ২০২৬) মুদ্রা বিনিময় হারের একটি সার্বিক চিত্র নিচে তুলে ধরা হলো—

মুদ্রার নাম বাংলাদেশি টাকা

ইউএস ডলার : ১২২ টাকা ৮৫ পয়সা
ইউরো : ১৪০ টাকা ৪৭ পয়সা
পাউন্ড : ১৬৪ টাকা ০১ পয়সা
কানাডিয়ান ডলার : ৮৬ টাকা ৫২ পয়সা
অস্ট্রেলিয়ান ডলার : ৮৫ টাকা ২৫ পয়সা
চাইনিজ ইয়েন : ১৮ টাকা ১০ পয়সা
সিঙ্গাপুরি ডলার : ৯৫ টাকা ০৯ পয়সা
ভারতীয় রুপি : ১ টাকা ২৯ পয়সা
মালয়েশিয়ান রিঙ্গিত : ৩০ টাকা ৩২ পয়সা
সৌদি রিয়াল : ৩২ টাকা ৭৬ পয়সা
কাতারি রিয়াল : ৩৩ টাকা ৭৩ পয়সা
কুয়েতি দিনার : ৩৯৬ টাকা ৪৯ পয়সা
আরব আমিরাতের দিরহাম : ৩৩ টাকা ৬০ পয়সা

*মুদ্রার বিনিময় হার পরিবর্তন হতে পারে।

আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর মনিটরিং এবং প্রবাসী আয়ের (রেমিট্যান্স) প্রবাহ ইতিবাচক থাকায় খোলা বাজার ও অফিশিয়াল রেটের মধ্যকার ব্যবধান অনেকটাই কমে এসেছে। বিগত এক মাসে ডলারের গড় বিনিময় হার ১২২ টাকা ৭৫ পয়সা থেকে ১২৩ টাকার মধ্যে ওঠানামা করেছে, যা আমদানিকারক ও সাধারণ ব্যবসায়ীদের জন্য কিছুটা স্বস্তিদায়ক।

দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে আজ সোনার ভরি কত?

দেশের বাজারে গত শুক্রবার সর্বশেষ সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। এ দিন ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা বাড়িয়েছে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা, যা ওই দিন সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়। এরপর আর সমন্বয় না হওয়ায় আজ রবিবার সবশেষ নির্ধারিত দামেই বিক্রি হচ্ছে।

এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। এ দিন প্রতি ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যা কার্যকর হয়েছিল সেদিন সকাল ১০টা থেকেই।

আবু আহমেদ

সরকারকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সময় দিতে হবে

অনলাইন ডেস্ক
সরকারকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সময় দিতে হবে
আবু আহমেদ

সরকারকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সময় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশের (আইসিবি) চেয়ারম্যান অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবু আহমেদ।

তিনি বলেন, ‘বড় বাজেট দোষের কিছু নয়। নির্বাচিত সরকার তার কর্মসূচি বাস্তবায়নে বড় বাজেট দিতেই পারে। তবে বাজেট বাস্তবায়নে দক্ষতা বাড়াতে হবে। এ সরকারকে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে সময় দিতে হবে। অতীতে টানেলের শেষে কোনো আলো খুঁজে পাওয়া যেত না, এখন আমরা আশাবাদী। হতাশা কাটিয়ে টানেলের শেষে আলো দেখা যাচ্ছে।’

গতকাল রাজধানীর এফডিসিতে ‘বিপর্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে এবারের বাজেট’ শীর্ষক বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ডিবেট ফর ডেমোক্রেসি। সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক আবু আহমেদ বলেন, ‘স্বৈরাচার আমলে কোনো বড় বিজনেস হাউস সেই সরকারকে সন্তুষ্ট না করে ব্যবসা করতে পারত না। ব্যবসাবাণিজ্যে অনিয়ম-দুর্নীতিসহ দলীয় স্বার্থ প্রাধান্য পেত। পালিয়ে যাওয়া সরকার পদ্মা রেলসেতু, কর্ণফুলী টানেল, পায়রা বন্দও, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ অনেক মেগা প্রকল্পই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করেছিল। এসব প্রকল্পে দুর্নীতির উদ্দেশ্যে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকার মেগা প্রকল্প গ্রহণে রক্ষণশীল। মানব উন্নয়নকেন্দ্রিক প্রকল্পকে সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন ও মালয়েশিয়া সফর আমাদের অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে গেমচেঞ্জার হিসেবে কাজ করবে। এ সফর উন্নয়ন সহায়তা, নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।’

করপোরেট কর হারকে সামঞ্জস্যপূর্ণ করার আহ্বান জানিয়ে এই অর্থনীতিবিদ বলেন, ‘দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে হলে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। ভারত, ভিয়েতনাম, লাওস, কম্বোডিয়া, সিঙ্গাপুরের মতো দেশে করপোরেট করের হার বাংলাদেশের তুলনায় কম। আমরা যদি করের হারকে অন্তত এ দেশগুলোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করতে না পারি তাহলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হবেন না।’

হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণ বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে উন্নয়নের ফানুস তৈরি করে লুণ্ঠনের অর্থনীতি গড়ে তোলা হয়েছিল। অতিমূল্যায়িত এসব মেগা প্রকল্পের ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ব্যয়ই ছিল ভুয়া। অতিমূল্যায়িত প্রকল্পের যেগুলো থেকে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হচ্ছে সেগুলোকে রেশনালাইজড করে অপচয় বন্ধ করা উচিত। গত দুই বছরে ৫ শতাধিক শিল্পকারখানা বন্ধ হয়েছে। কাজ হারিয়েছেন দেড় লাখের বেশি শ্রমিক। শিল্পকারখানা বন্ধের অভিঘাত পড়ছে অর্থনীতিতে।’

বিতর্ক প্রতিযোগিতায় বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজির বিতার্কিকদের পরাজিত করে ঢাকা কলেজের বিতার্কিকরা বিজয়ী হন। প্রতিযোগিতায় বিচারক ছিলেন অধ্যাপক আবু মোহাম্মদ রইস, ড. এস এম মোর্শেদ, সাংবাদিক মাঈনুল আলম, আবুল কাশেম ও মাইদুর রহমান রুবেল।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা ফের চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ

অনলাইন ডেস্ক
বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কারখানা ফের চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ

দেশিবিদেশি বিনিয়োগের মাধ্যমে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

গতকাল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অলাভজনক ও বন্ধ রাষ্ট্রায়ত্ত কলকারখানা পুনরায় চালুর প্রক্রিয়াগত অগ্রগতি নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি হাসান শিপলু এ তথ্য জানান।

সভায় জানানো হয়, এসব কলকারখানায় বিনিয়োগে অনেক বেসরকারি কম্পানি আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কম্পানিগুলো যে ধরনের শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার প্রস্তাব দিয়েছে, সেগুলোর সম্ভাব্যতা এখন যাচাই করা হবে। প্রধানমন্ত্রী পুরো প্রক্রিয়াটি স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় সময়ক্ষেপণ এড়িয়ে দ্রুত প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশও দেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প এবং পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, পাট ও বস্ত্র প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর সচিব ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন।