• ই-পেপার

ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনে ডিএমপির ২২৯৪ মামলা

ধানমণ্ডি লেকে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
ধানমণ্ডি লেকে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান

রাজধানীর ধানমণ্ডি লেক এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালিয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। এ সময় অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসার দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানাও করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) ডিএসসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।

​অভিযানে ধানমণ্ডি লেক এবং লেক-সংলগ্ন বিভিন্ন সেক্টরের অবৈধ অস্থায়ী স্থাপনা, টং দোকান ও হকারদের উচ্ছেদ করে এলাকাটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়। এ ছাড়া ফুটপাত ও উন্মুক্ত স্থান অবৈধভাবে দখল করে ব্যবসা পরিচালনার দায়ে ৪টি মামলায় ৩ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

ডিএসসিসির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নগরীর উন্মুক্ত স্থান, ফুটপাত ও সড়ক দখলমুক্ত রাখতে এই ধরনের মোবাইল কোর্ট ও উচ্ছেদ অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হবে। সেই সঙ্গে পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়ে তুলতে নগরবাসীকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়।

ডিএসসিসির প্রকৌশলী আনিছুরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিএসসিসির প্রকৌশলী আনিছুরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) যান্ত্রিক বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

মঙ্গলবার (৩০ জুন) স্থানীয় সরকার বিভাগের সিটি করপোরেশন-১ শাখা থেকে জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশ দেওয়া হয়।

উপসচিব আশফিকুন নাহারের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, আনিছুর রহমানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গুরুতর অনিয়ম, দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, টেন্ডার বাণিজ্য, অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং অর্থপাচারের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্তপূর্বক প্রতিবেদন দাখিলের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগগুলো তদন্ত করে আগামী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিবের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে আদেশে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

পাওনা টাকার জেরে তিনজনকে ছুরিকাঘাত, চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
পাওনা টাকার জেরে তিনজনকে ছুরিকাঘাত, চিকিৎসাধীন একজনের মৃত্যু
প্রতীকী ছবি

রাজধানীর বনানীর মহাখালী ওয়ারলেস গেট এলাকায় পাওনা টাকাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে আহত সুমন মিয়া (৪৫) মারা গেছেন। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল ৯টায় তার মৃত্যু হয়।

বনানী থানার উপপরিদর্শক মো. জানে আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের জন্য লাশটি ঢামেক হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।

এর আগে গত শুক্রবার (২৭ জুন) দিবাগত রাত সাড়ে ৪টার দিকে মহাখালী ওয়ারলেস গেট শিশু মেলা স্কুলের সামনে ছুরিকাঘাতের এ ঘটনা ঘটে। এতে একই পরিবারের এক নারীসহ তিনজন গুরুতর আহত হন। নিহত সুমন মিয়া ছাড়া বাকি আহত ব্যক্তিরা হলেন তার স্ত্রী সোনিয়া (৩৮) ও সোনিয়ার ভাই রাসেল (৪০)। তারা মহাখালী টিঅ্যান্ডটি কলোনিতে বসবাস করেন।

জানা গেছে, আহত সোনিয়া স্থানীয় আরিফ নামের এক ব্যক্তির কাছে দুই লাখ টাকা পেতেন। ওই পাওনা টাকা চাওয়াকে কেন্দ্র করে ঘটনার রাতে দুই পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে আরিফসহ ৮ থেকে ১০ জন মিলে তাদের এলোপাতাড়ি মারধর ও ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে প্রথমে একটি স্থানীয় হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই আজ সকালে মারা যান সুমন।

এসআই মো. জানে আলম বলেন, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এর পেছনে অন্য কোনো কারণ রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকেই হামলাকারীরা পলাতক। তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

উত্তরায় দুই ট্রেনের মাঝে পড়ে প্রাণ গেল দিনমজুর নারীর

নিজস্ব প্রতিবেদক
উত্তরায় দুই ট্রেনের মাঝে পড়ে প্রাণ গেল দিনমজুর নারীর

রাজধানীর উত্তরায় দুই ট্রেনের মাঝে পড়ে শাহনাজ বেগম (৫৫) নামে এক দিনমজুর নারীর মৃত্যু হয়েছে। রেললাইন পার হওয়ার সময় দুর্ঘটনার শিকার হন তিনি।

সোমবার (২৯ জুন) রাতে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে, পরে ঢামেক হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ১২টায় তার মৃত্যু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, মৃতদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। রেলওয়ে থানা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে।

নিহত শাহনাজের ছেলে সুজন বলেন, আমি খবর পেয়ে হাসপাতালে এসে মায়ের মরদেহ পাই। মা দিনমজুরের কাজ করতেন। উত্তরার আজমপুরে ঢালাইয়ের কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। আজমপুর এলাকায় রেললাইন পার হওয়ার সময় দুদিক থেকে দুটি ট্রেন আসা-যাওয়ার মাঝে পড়েন তিনি।

উল্লেখ্য, শাহনাজ বেগম জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার (মৃত) মিলন মিয়ার স্ত্রী। তিনি টঙ্গী রেলগেট এলাকায় থাকতেন।