• ই-পেপার

হাসনাতের দাপটে আক্রান্ত এক দিনমজুর পরিবার

ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম

অনলাইন ডেস্ক
ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক ঢাবি শিবির সভাপতি ফরহাদ : ছাত্রদল নেতা হামিম
ছাত্রদল নেতা হামিম। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি এস এম ফরহাদকে ‘ক্যাম্পাসে মিথ্যাচারিতার জনক’ বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির জসিম উদ্দিন হল শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারি হামিম। তিনি দাবি করেন, ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গোলাম রাব্বানীর ‘ধারা’ অনুসরণ করছেন ফরহাদ।

সম্প্রতি গণমাধ্যমে দেওয়া এক বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন হামিম।

তিনি বলেন, ‘এস এম ফরহাদ তার এক বক্তব্যে দাবি করেছেন, ৫ আগস্ট রাতে নাকি ছাত্রদল হল দখল করেছে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো—৫ আগস্ট হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পরে সকলে মিলে যখন বিভিন্ন আনন্দ-উচ্ছ্বাস করছে, কেউবা স্বজন হারানোর বেদনায় আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের কাছে শোকরান আদায় করছে কোনো কিছুকে না দেখে ওই দিন দুপুরবেলায় তাদের সুদূর পরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেকটা হলে অবস্থান নিয়ে হলগুলোকে দখল করেছিল ইসলামী ছাত্রশিবির।’

হামিমের দাবি, পরদিন বৈধ পরিচয়পত্র থাকা সত্ত্বেও তিনি ও তার সহপাঠীরা হলে উঠতে গেলে তাদের জানানো হয়, নতুন করে আবেদন ও ভাইভার মাধ্যমে হলে উঠতে হবে। প্রথমে তারা নিজেদের সাধারণ শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিলেও কয়েক মাস পর তাদের অনেকেই ছাত্রশিবিরের নেতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, যদি কোনো পুরুষ পুরুষ হিসেবে জন্ম নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে নারীতে রূপান্তরিত হয় বা কোন নারী যদি নারী হিসেবে জন্ম লাভ করে ইচ্ছা করে পুরুষে রূপান্তরিত হয় এটা যেমন ইসলামে হারাম, আমরা একইভাবে মনে করি যারা কখনো নিজেদেরকে সাধারণ শিক্ষার্থী, কখনো বিভিন্ন সংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক বলে আবার কিছুদিন পর রূপান্তরিত করে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা বুনে যায় এটাও হয়তোবা হারাম।’

শেখ তানভীর বারি হামিম বলেন, ‘আমরা একটি সুস্থ, সুন্দর ও স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস বিনির্মাণে বদ্ধপরিকর।’

শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?

অনলাইন ডেস্ক
শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে হাঁটছে সজারু, দৃশ্যটি কোথাকার?
সংগৃহীত ছবি

সবুজ ধানক্ষেতের মাঝখান দিয়ে চলে গেছে মাটির আলপথ। সেই পথ ধরে একটি গন্ধগোকুলকে জরিয়ে ধরে হেঁটে যাচ্ছে ছোট এক শিশু। তাকে পেছন পেছন অনুসরন করছে বিশাল এক সজারু। রূপকথার মতো এমন একটি দৃশ্য সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

ভিডিওটি দেখার পর নেটিজেনদের অনেকেই ভেবেছিলেন, দৃশ্যটি বাংলাদেশের। তবে প্রকৃতপক্ষে দৃশ্যটি বাংলাদেশের নয়।

ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে জানা যায়, শিশুর কোলে গন্ধগোকুল আর পেছনে সজারু এমন দৃশ্যের ভিডিওটি বাংলাদেশের নয়। প্রকৃতপক্ষে, শ্রীলঙ্কার এক ব্যক্তির ধারণ করা ভিডিওকে বাংলাদেশের দাবিতে প্রচার করা হচ্ছে।

প্রতিষ্ঠানটি জানায়, গত ১২ জুন মূল ভিডিওটি প্রথম প্রভাত সিলভা নামে শ্রীলঙ্কান এক ব্যক্তির ফেসবুক প্রোফাইলে পাওয়া যায়। শ্রীলঙ্কার সিংহলিজ ভাষার ক্যাপশনে ভিডিওটি সম্পর্কে লেখা হয়, “যে ছোট ভাই তার বোনের সাথে কুবুরুতে যায়।”

বাংলাদেশের প্রকৃতি, পরিবেশের সঙ্গে অনেকটা মিলে যাওয়ায় অনেকে এটিকে বাংলাদেশের মনে করলেও এটি মূলত শ্রীলঙ্কার। তবে ভালোবাসার কোনো নির্দিষ্ট সীমানা নেই। শিশুটির এমন দৃশ্য শ্রীলঙ্কার হলেও দৃশ্যটি দেখে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। 

ফেসবুক পোস্টে রাশেদ খান

১৮ মাসের পুরোটা সময় এনসিপি গঠন করার পেছনে কাটিয়েছেন ইউনূস

অনলাইন ডেস্ক
১৮ মাসের পুরোটা সময় এনসিপি গঠন করার পেছনে কাটিয়েছেন ইউনূস

গণঅধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানের পরে যে পরিবর্তনের সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছিল, সেটিকে দল গঠন করতে গিয়ে ড. মুহাম্মদ ইউনূস গলা টিপে হত্যা করেছেন। ১৮ মাসের পুরোটা সময় মুহাম্মদ ইউনূস কাটিয়েছেন এনসিপি গঠন করার পেছনে।’

রবিবার (২৮ জুন) রাতে ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, ‘এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকটা পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদের অঙ্কন করে দেওয়া। এমনকি ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূস একজনকে কথিত মাস্টারমাইন্ড হিসেবেও বিশ্ব দরবারে তুলে ধরে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যতবার বৈঠকের সুযোগ হয়েছে, আমি তার ও তার সরকারের সমালোচনা করেছি। আমি কাছ থেকে দেখেছি, মুহাম্মদ ইউনূসের মিষ্টি কথার আড়ালে সংকীর্ণ মানসিকতা।’

মুহাম্মদ ইউনূস নির্বাচন দিতে সম্মত হচ্ছিলেন না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি ক্ষমতায় আসুক, এটা তিনি চাচ্ছিলেন না। তিনি বিএনপিকে জাতির কাছে কালার করার জন্য তার সময় অতিবাহিত করছিলেন। কিন্তু তিনি পারেননি। কারণ বিএনপি গণমানুষের দল। বরং ১৮ মাসে জাতির সামনে তার মুখোশ উন্মোচন হয়ে গেছে।’

রাশেদ খান আরো বলেন, ‘আমার চোখে মুহাম্মদ ইউনূস একজন মিষ্টিভাষী ভিলেন। যারা তাকে নায়ক মনে করেন, আমি তাদের বলব, আপনার ভুল। তার স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ও পেশাগত জীবনের বন্ধুদের জিজ্ঞাসা করলেই তার সম্পর্কে জানতে পারবেন। তিনি তার লোভ সংবরণ করতে পারেননি। তরুণদের ব্যবহার করে রাষ্ট্রের শীর্ষ পদে থেকে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারে সর্বোচ্চ সুবিধা নিয়েছেন।’

স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক

অনলাইন ডেস্ক
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণকারী হাসনাত-সারজিসরা ৬০০ শিশুর মৃত্যুর পেছনে দায়ী : মো. তারেক

আমজনতার দলের সদস্যসচিব মো. তারেক রহমান বলেছেন, ‘কারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেছে? এই সারজিসরা, এই হাসনাতরা। ৬০০ শিশু মারা যাওয়ার সঙ্গে জড়িত কারা? আবার বাহাদুরি করে, এক টাকাও দুর্নীতি কেউ যদি বের করতে পারো। হো, তুমি রাজনীতি করো, তুমি কাজকর্ম করো না, তুমি বাতাস খেয়ে বেঁচে আছ। এক টাকা দুর্নীতি করলে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক ভিডিওতে তিনি এসব কথা বলেন।

আমজনতার দলের এই নেতা আরো বলেন, ‘হাজার হাজার কোটি কোটি টাকা কে দুর্নীতি করেছে? এই হান্নান মাসউদ, এই হাসনাত আবদুল্লাহ, এই আসিফ, এই নাহিদ। এরাই তো সবকিছু মিলিয়ে করেছে। ওয়াসার দুর্নীতির কথা কে জানে না? নাহিদের নাম সিরিয়ালি রয়েছে। আসিফের নাম রয়েছে। কার নাম নেই? একেকজনের পিএস-এপিএস কত বড় বড় টাকার জালিয়াতির মামলা হলো?’

আমজনতার দলের তারেক রহমান বলেন, ‘পাঠ্যপুস্তক, যেটা আমরা প্রতিবছর আমরা জানুয়ারি মাসে পাই, অথচ এদের লুটপাটের কারণে, সারজিসদের লুটপাটের কারণে পাঠ্যপুস্তক আমরা জুন-জুলাই মাসে পেয়েছি এবং সেই পাঠ্যপুস্তক কেনাকাটার জালিয়াতির সব বের হয়েছে না? নাকি বাকি আছে এখনো? এসব কিছুর কোনো জবাব দিতে পারবে না।’ 

তিনি আরো বলেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, ৬০০ শিশু মারা গেছে। কাকে দায়ী করব? কাকে দায়ী করব? কারা সারা দেশে মাস্তানি করেছে? কারা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করেছে? এই সারজিসরা, এই হাসনাতরা, এরা নিয়ন্ত্রণ করছে না? তাহলে ৬০০ শিশু মারা যাওয়ার সঙ্গে জড়িত কারা? আবার বাহাদুরি করে?’