• ই-পেপার

দোহারে চোরচক্রসহ গ্রেপ্তার ১১

আলমডাঙ্গা

মুক্তিযোদ্ধা বাবার ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে

আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) প্রতিনিধি
মুক্তিযোদ্ধা বাবার ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বাড়াদি গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা লস্কর আলীর নামে বরাদ্দ সরকারি বীর নিবাস। সম্প্রতি তোলা। -কালের কণ্ঠ

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার বাড়াদি গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা লস্কর আলীর নামে বরাদ্দ সরকারি ‘বীর নিবাস’ বিক্রির অভিযোগ উঠেছে তার ছেলের বিরুদ্ধে। 

স্থানীয় সূত্র জানায়, অসচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের আবাসনের জন্য সরকারের ‘বীর নিবাস’ প্রকল্পের আওতায় প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা লস্কর আলীর নামে একটি ঘর বরাদ্দ দেওয়া হয়। তার মৃত্যুর পর ছেলে ইসমাঈল হোসেন সেরেগুল সেটি বিক্রি করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। 

স্থানীয়দের অভিযোগ, বীর নিবাস বরাদ্দের ক্ষেত্রে অসচ্ছল, ভূমিহীন, যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরাঙ্গনা, শহীদ মুক্তিযোদ্ধার পরিবার বা প্রান্তিক মুক্তিযোদ্ধা পরিবার অগ্রাধিকার পাওয়ার কথা। কিন্তু লস্কর আলীর পরিবার আর্থিকভাবে অসচ্ছল নয়। তার ছেলে সরকারি চাকরিজীবী এবং আলমডাঙ্গা ও চুয়াডাঙ্গা শহরে পরিবারের একাধিক বাড়িঘর রয়েছে। 

স্থানীয়রা আরো অভিযোগ করেন, প্রকল্পের শর্ত অনুযায়ী উপকারভোগীর নামে ন্যূনতম দেড় শতাংশ বসতভিটার জমি থাকা বা খাসজমি বন্দোবস্ত পাওয়ার যোগ্য হওয়ার কথা থাকলেও সংশ্লিষ্ট বীর নিবাসটি উপকারভোগীর নিজস্ব জমিতে নির্মাণ করা হয়নি। ঘরটি নির্মাণ করা হয় সায়েরা খাতুন নামের এক নারীর জমিতে যিনি বাড়াদি গ্রামের বাসিন্দা।

এদিকে, মুক্তিযোদ্ধা লস্কর আলীর মৃত্যুর পর ঘরটি সায়েরা খাতুনের কাছে পাঁচ লাখ টাকায় বিক্রির মৌখিক চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী তিনি ইতোমধ্যে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা ইসমাঈল হোসেনকে দিয়েছেন।

সম্প্রতি সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, বীর নিবাসটির দরজায় তালা মারা। সেখানে এখন কেউ বসবাস করেন না বলে জানান আশপাশের লোকজন।

এ নিয়ে সায়েরা খাতুনকে প্রশ্ন করা হলে প্রথমে বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। পরে বলেন, ঘর নির্মাণের সময় প্রয়োজনে জমি বিনিময়ের কথা বলতে বলা হয়েছিল। তবে বাস্তবে কোনো জমি বিনিময় হয়নি। পরে ঘরটির জন্য পাঁচ লাখ টাকা দাবি করা হয় এবং তিনি (সায়েরা) এখন পর্যন্ত এক লাখ ৬০ হাজার টাকা দিয়েছেন ।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, সরকারি অর্থে নির্মাণ করা বীর নিবাস বিক্রি, হস্তান্তর বা ভাড়া দেওয়া যাবে না। উপকারভোগী মুক্তিযোদ্ধা বা তার উত্তরাধিকারীরা কেবল বসবাসের জন্য এটি ব্যবহার করতে পারবেন। কোনো বৈধ উত্তরাধিকারী না থাকলে বা বাড়িটি পরিত্যক্ত হলে সম্পত্তির নিয়ন্ত্রণ সরকারের কাছে ফিরে যাওয়ার বিধান রয়েছে।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা ইসমাঈল হোসেন সেরেগুল। তিনি বলেন, ‘বাড়িটি বিক্রি করা হয়নি এবং তার কাছ থেকে কোনো টাকাও নেওয়া হয়নি। কেউ টাকা দেওয়ার কথা বললে তাকে আমার কাছে আসতে বলুন।’ 

আলমডাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীনুর আক্তার বলেন, ‘অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করা হবে। সত্যতা পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

গোপালগঞ্জ

ব্রিজ ভেঙে খালে পড়া ট্রাক এখনো উদ্ধার হয়নি, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
ব্রিজ ভেঙে খালে পড়া ট্রাক এখনো উদ্ধার হয়নি, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ
সংগৃহীত ছবি

গোপালগঞ্জ শহরের পাচুড়িয়া এলাকায় বেইলি ব্রিজ ভেঙে খালে পড়ে যাওয়া ট্রাকটি এখনো উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সোমবার (১৫ জুন) সকাল থেকে সড়ক বিভাগ স্কেভেটরের সাহায্যে ট্রাকটি উদ্ধারের কাজ শুরু করলেও একাধিক চেষ্টার পরও সফলতা মেলেনি।

জানা গেছে, উদ্ধারকর্মীরা শিকলের মাধ্যমে স্কেভেটরের সঙ্গে ট্রাকটি বেঁধে ওপরে তোলার চেষ্টা করেন। তবে ট্রাকটির অবস্থান ও ওজনের কারণে বারবার চেষ্টা করেও সেটি খাল থেকে তোলা সম্ভব হয়নি।

এদিকে, ব্রিজটি ভেঙে যাওয়ায় রবিবার (১৪ জুন) সকাল থেকে জেলা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে। ফলে শহরের বিভিন্ন এলাকায় যাতায়াতে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজারো মানুষকে। বিকল্প হিসেবে প্রায় দেড় কিলোমিটার পথ ঘুরে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রী ও যানবাহন চালকদের। জেলা শহরের প্রধান সড়ক হওয়ায় স্কুল, কলেজ, বাজার, আদালতসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন। ব্রিজ ভেঙে যাওয়ায় তাদের ভোগান্তি আরো বেড়েছে বলে জানান বেশ কয়েকজন পথচারী।

অন্যদিকে, ভেঙে যাওয়া বেইলি ব্রিজটির পুনর্নির্মাণ কাজ সোমবার সকাল থেকে শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ।

গোপালগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, আগামী দুই থেকে তিনদিনের মধ্যে ব্রিজটির পুনর্নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা সম্ভব হবে । তখন আর ভোগান্তি থাকবে না।

রবিবার সকাল ৮টার দিকে টেকেরহাট-গোপালগঞ্জ-ঘোনাপাড়া আঞ্চলিক মহাসড়কের পাচুড়িয়া এলাকার বেইলি ব্রিজটি ভেঙে পড়ে। এসময় একটি বালু ভর্তি ট্রাক, একটি ইজিবাইক ও একটি বাইসাইকেল খালে পড়ে যায়। ঘটনার পর থেকে সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

যশোরে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
যশোরে মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
প্রতীকী ছবি

যশোরের অভয়নগরে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় মোহিনী বিশ্বাস (৭৫) নামে এক মানসিক ভারসাম্যহীন বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) সকালে উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের বারান্দি গ্রামের রাজবংশীপাড়া এলাকায় নিজ ঘরের বারান্দা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত মোহিনী বিশ্বাস ওই গ্রামের মৃত মৃন্দা বিশ্বাসের স্ত্রী।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, মোহিনী বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। এ কারণে পরিবারের সদস্যরা তাকে ঘরের বারান্দায় রাখতেন। রোববার রাতে খাবার খেয়ে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। সোমবার সকালে পরিবারের সদস্যরা বারান্দার আড়ার সঙ্গে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের প্রতিবেশী ও পায়রা ইউনিয়ন পিএনপির সভাপতি ইমাদ উদ্দিন গাজী বলেন, মোহিনী বিশ্বাস দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। অসুস্থতা ও মানসিক যন্ত্রণার কারণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে অভয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুজ্জামান সোমবার দুপুরে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘বৃদ্ধা নারীর মৃত্যুর ঘটনায় কোনো অভিযোগ না থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

তিন মাস পর চালু হলো ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল

মাল্টিমিডিয়া প্রতিনিধি, মৌলভীবাজার
তিন মাস পর চালু হলো ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল
ছবি: কালের কণ্ঠ

দীর্ঘ প্রায় তিন মাস বন্ধ থাকার পর পুনরায় চালু হয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার শমশেরনগরে অবস্থিত ক্যামেলিয়া ডানকান ফাউন্ডেশন হাসপাতাল। সোমবার (১৫ জুন) দুপুর ১২টায় আনুষ্ঠানিকভাবে হাসপাতালটির চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পুনরায় উদ্বোধন করা হয়।

হাসপাতাল পুনরায় চালুর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৌলভীবাজার-৪ (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসাদুজ্জামান। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রণজিৎ চন্দ্র শীল।

এ সময় হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন চা বাগানের পঞ্চায়েত নেতৃবৃন্দ, শ্রমিক প্রতিনিধি এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, ডানকানস গ্রুপ পরিচালিত ৫০ শয্যার এ দাতব্য হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে শমশেরনগরসহ আশপাশের চা বাগান এলাকার শ্রমিক ও নিম্নআয়ের মানুষের চিকিৎসাসেবার অন্যতম ভরসাস্থল হিসেবে পরিচিত। তবে গত ২৭ মার্চ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ও চা-শ্রমিক পরিবারের সদস্য ঐশী রবিদাসের (১৪) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে হাসপাতালে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শমশেরনগর চা বাগানের রবিদাস টিলার বাসিন্দা বাবুল রবিদাসের মেয়ে ঐশী রবিদাস মাথাব্যথাজনিত সমস্যার কারণে ২৬ মার্চ রাতে হাসপাতালে ভর্তি হন। পরদিন সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হলে স্বজন ও শ্রমিকদের একটি অংশ ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তোলেন। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা হাসপাতালে বিক্ষোভ প্রদর্শন, ফুলের টব ভাঙচুর এবং চিকিৎসক ও স্টাফদের অবরুদ্ধ করে রাখেন বলে অভিযোগ ওঠে। পরবর্তীতে নিরাপত্তাহীনতার কারণে চিকিৎসকরা হাসপাতাল ত্যাগ করলে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যায়।

kk

দীর্ঘদিন বন্ধ থাকায় শমশেরনগর, মাধবপুর, কালিঘাট, পাত্রখোলা, আলীনগরসহ আশপাশের বিভিন্ন চা বাগানের হাজারো শ্রমিক পরিবার প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়। জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হলে রোগীদের শ্রীমঙ্গল, কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে যেতে হতো।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য মো. মুজিবুর রহমান চৌধুরী বলেন, ‘চা-শ্রমিক ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এ হাসপাতালের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার কারণে চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকায় সাধারণ মানুষ ভোগান্তিতে পড়েছিলেন। হাসপাতাল পুনরায় চালুর মাধ্যমে সেই সংকট অনেকটাই দূর হবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

তিনি আরও বলেন, ‘চিকিৎসক, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ বজায় রাখতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো কারণে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত না হয়।’

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘চা বাগান অধ্যুষিত এ অঞ্চলের মানুষের জন্য হাসপাতালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সহযোগিতায় স্বাস্থ্যসেবার স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় থাকবে বলে আমরা আশাবাদী।’

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধি রণজিৎ চন্দ্র শীল জানান, প্রাথমিকভাবে নিয়মিত চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পুনরায় শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে হাসপাতালের সেবার পরিধি আরও সম্প্রসারণ করা হবে। একই সঙ্গে রোগীদের মানসম্মত ও নিরাপদ চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।