• ই-পেপার

ভারত থেকে ফিরেছে ৯১ জেলে ও ৪ ট্রলার

যমুনায় নিখোঁজের ৩ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

জামালপুর প্রতিনিধি
যমুনায় নিখোঁজের ৩ দিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে যমুনা নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর রেদুয়ান মাহমুদ (৮) নামের এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে উপজেলার চিকাজানি ইউনিয়নের খোলাবাড়ি এলাকায় যমুনা নদীতে মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা তা উদ্ধার করেন। নিহত রেদুয়ান মাহমুদ ওই এলাকার আব্দুল আলিম মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে যমুনা নদীর পাড়ে বন্ধুদের সঙ্গে খেলতে গিয়ে রেদুয়ান নদীতে পড়ে নিখোঁজ হয়। ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও স্থানীয়রা দীর্ঘ সময় উদ্ধার অভিযান চালিয়েও তার সন্ধান পাননি। পরে সোমবার দুপুরে নদীতে তার মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা তা উদ্ধার করেন।

আরো পড়ুন
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

 

দেওয়ানগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, নদীতে নিখোঁজ হওয়ার তিন দিন পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
মোটরসাইকেলের ধাক্কায় প্রাণ গেল বৃদ্ধের
প্রতীকী ছবি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মোটরসাইকেলের ধাক্কায় কুঞ্জ মোহন সূত্রধর নামের এক বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন।

সোমবার (৮ জুন) দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর-সরাইল আঞ্চলিক সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত কুঞ্জ মোহন (৬০) সূত্রধর উপজেলার নাসিরপুর এলাকার রমনী মোহনের ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানায়, দুপুরের দিকে নাসিরনগর সদর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে দুই আরোহী দাঁতমণ্ডলের দিকে যাচ্ছিলেন। কলেজ মোড় এলাকায় হেঁটে চলতে থাকা বৃদ্ধকে ওই মোটরসাইকেল ধাক্কা দেয়। এতে তিনি আহত হলে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। 

নাসিরনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহিনুর ইসলাম জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে।

নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন গ্রেপ্তার

নারায়ণগঞ্জ সিটি প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় ১৯ জন গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জে বিশেষ অভিযানে মাদক, ডাকাতির প্রস্তুতি, চুরি, নারী ও শিশু নির্যাতন, পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গত ৭ জুন রাত থেকে ৮ জুন ভোর পর্যন্ত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানার মিজমিজি আব্দুল আলীপুল, এসও রোড শ্রমিক ইউনিয়ন অফিস এলাকা, সাহেবপাড়া ও উত্তর আজিবপুর এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সাত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ২০০ গ্রাম গাঁজা এবং ১৭৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়।

এ ছাড়া ডাকাতি প্রস্তুতি মামলায় দুজন, চুরি মামলায় দুজন, নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় একজন, পরোয়ানাভুক্ত একজন এবং বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত আরো ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার আসামিদের মধ্যে মাদক মামলায় রয়েছেন, রোস্তম আলী (৫০), বিজয় প্রকাশ মন্টু (২২), আরিফ হোসেন (২০), মিলন হোসেন (২৫), শান্ত (২৫), শ্রাবন্তী (২১), আবু তাহের বেংগা (৩৫)। ডাকাতি প্রস্তুতি মামলায়, রাজন (৩২), আরিফুল হাসান আলভী (১৯) নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায়, রুবেল (৩৬, চুরি মামলায়, হাসান মৃধা (৩৪), সাইদুল ইসলাম শাকিল (২২)। অন্যান্য মামলায় জুবায়ের (২৭), কাইয়ূম ইসলাম (২২), শিপন (২৯), রনি মিয়া (২৫), হাফিজুল ইসলাম (২৮), তাইজুল ইসলাম (৩৪),পরোয়ানাভুক্ত আসামি রোস্তম আলী (৫০)।

গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারাসহ বিভিন্ন মামলায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলেন, মাদকসহ যেকোনো ধরনের অপরাধ দমনে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান জোরদার করা হবে বলে তিনি জানান।
 

কুড়িগ্রামে আবারও তেঁতুলগাছের মগডালে এক নারী

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, কুড়িগ্রাম
কুড়িগ্রামে আবারও তেঁতুলগাছের মগডালে এক নারী
ছবি : কালের কণ্ঠ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে এক মাসের ব্যবধানে আবারও একটি উঁচু তেঁতুলগাছের মগডালে উঠে আলোচনার জন্ম দিয়েছেন সাজেদা বেগম (৫০) নামের এক নারী।

সোমবার (৮ জুন) সকালে উপজেলার গোড়াই আনন্দবাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এরপর তাকে দেখতে গাছের নিচে শত শত উৎসুক মানুষ ভিড় করে।

স্থানীয়রা জানায়, সকালে বাড়ির পাশের পুকুরপাড়ের তেঁতুলগাছের একেবারে উঁচু ডালে সাজেদা বেগমকে বসে থাকতে দেখা যায়। খবরটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ সেখানে ভিড় জমায়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গাছের নিচে মানুষের জটলা দেখে সাজেদা ধীরে ধীরে ডাল বেয়ে নিচে নামতে শুরু করেন। এক পর্যায়ে তিনি গাছ থেকে নেমে সরাসরি পাশের পুকুরে লাফ দেন। পরে বুকসমান পানি পেরিয়ে পাড়ে উঠে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলে যান।

ততত

সাজেদা বেগম গোড়াই আনন্দবাজার এলাকার বাসিন্দা মো. আবু সাঈদের স্ত্রী। পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়দের দাবি, তিনি মাঝেমধ্যে এমন অস্বাভাবিক আচরণ করেন। তাদের ধারণা, কোনো অদৃশ্য প্রভাব বা মানসিক অস্থিরতার কারণেই তিনি এ ধরনের কাজ করছেন।

এর আগে গত ৬ মে একই এলাকায় একদিন নিখোঁজ থাকার পর ওই তেঁতুলগাছের মগডাল থেকেই তার সন্ধান পাওয়া যায়। সে সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে নিরাপদে নামিয়ে আনার চেষ্টা করেন। তবে উদ্ধারকর্মীদের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনি নিজেই নিচে নেমে পুকুরে ঝাঁপ দেন।

তার স্বামী আবু সাঈদ জানান, তার স্ত্রী দীর্ঘদিন ধরে নানা রোগে ভুগছেন। বহু চিকিৎসা করানো হলেও চিকিৎসকরা নির্দিষ্ট কোনো রোগ নির্ণয় করতে পারেননি। গত চার বছর ধরে তিনি অস্বাভাবিক আচরণ করছেন। তাকে ঘরের ভেতর তালাবদ্ধ করেও দেখা গেছে তিনি ভেতরে নেই। গত রমজান মাসে একবার গাছে উঠেছিলেন। এরপর ৬ মে আবারও গাছে উঠলে বিষয়টি দেশজুড়ে আলোচনায় আসে। আজ আবারও গাছে ওঠায় তারা বিব্রত বলে জানান তিনি।