• ই-পেপার

শেখ হাসিনাসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ আজ

অ্যাটর্নি জেনারেল

রামিসা ধর্ষণ-হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন

অনলাইন ডেস্ক
রামিসা ধর্ষণ-হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন
সংগৃহীত ছবি

রামিসা ধর্ষণ-হত্যার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন বলে জানিয়েছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

আজ রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রীর জেল আপিল শুনানি উপস্থাপনের পর সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি।

অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ‘শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারের জেল আপিল গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট। জেল আপিলে আসামি সোহেল রানা ঘটনা স্বীকার করে হাইকোর্টের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন। নিজেকে মাদকাসক্ত দাবি করেছেন।’

অ্যাটর্নি জেনারেল আরও বলেন, ‘আলোচিত শিশু ও নারী ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও জেল আপিলের শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ কোনো সময় নেবে না। নিয়মিত শুনানি করা হবে। শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আপিলের পেপারবুক দ্রুত প্রস্তুত করা হবে।’

রামিসা হত্যা

সোহেল-স্বপ্নার জেল আপিল গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট

অনলাইন ডেস্ক
সোহেল-স্বপ্নার জেল আপিল গ্রহণ করলেন হাইকোর্ট
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুনের জেল আপিল গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।

রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রাষ্ট্রপক্ষে এই শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

জেল আপিলে আসামি সোহেল বলেন, ‘পারিবারিক অশান্তি, মাদকাসক্ত, আর্থিক অভাবের কারণে রামিসার হত্যাকাণ্ড অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে। মাদকাসক্তির কারণে কিভাবে কী ঘটে গেছে তা-ও বুঝতে পারিনি।’

জেল আপিলে অপর আসামি স্বপ্না বলেন, ‘রামিসা হত্যাকাণ্ডের সংশ্লিষ্ট ঘটনার সঙ্গে আমি কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নই। আমাকে অন্যায়ভাবে জড়ানো হয়েছে।’

এ ছাড়া বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে শিশু আছিয়া ও শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে করার আবেদন জানান অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল।

তিনি বলেন, যেহেতু এ মামলাগুলো মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে, তাই দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য মামলাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানি করা প্রয়োজন।
 
এ সময় অ্যাটর্নি জেনারেল আরো বলেন, এ মামলাগুলো কোনো মুলতবি ছাড়া বিরতিহীনভাবে শুনানি করতে চায় রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে, গত ৭ জুন ঢাকার শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। আদালত প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেন। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারের কনডেম সেলে স্থানান্তর করা হয়।
 
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে সকালে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার নিখোঁজ হওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে পাশের একটি ফ্ল্যাটের সামনে তার জুতা পেয়ে ভেতরে ঢুকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে পুলিশ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত সম্পন্ন করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। প্রধান আসামি ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও প্রযুক্তিগত সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর দ্রুত বিচার কার্যক্রম শেষে আদালত রায় ঘোষণা করেন।

জেল আপিল করেছেন রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি

অনলাইন ডেস্ক
জেল আপিল করেছেন রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত ২ আসামি
সংগৃহীত ছবি

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে সাত বছরের শিশু রামিসা হত্যা মামলার মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না খাতুন হাইকোর্টে জেল আপিল করেছেন।

রবিবার (১৪ জুন) বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চে আবেদন দুটি গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানির জন্য রয়েছে।

এর আগে রামিসা হত্যায় আসামিদের মৃত্যুদণ্ডের ডেথ রেফারেন্স (যাবতীয় নথি) হাইকোর্টে এসে পৌঁছায়।

গত ৭ জুন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৬৮ ধারা মোতাবেক আসামিদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত গলায় ফাঁসি দিয়ে ঝুলিয়ে রাখতে হবে। আর ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭৪ ধারা মোতাবেক হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করতে হবে।

এ ছাড়া আসামি সোহেলকে ৫ লাখ ও স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারকে দিতে বলা হয়েছে। জরিমানার টাকা না দিলে কালেক্টরেট অফিসকে তার স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক ও তা বিক্রি করে রামিসার আইনগত উত্তরাধিকারদের প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ে আরো বলা হয়েছে, আসামিরা ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২৮ ধারার বিধান সাপেক্ষে রায় ঘোষণার তারিখ থেকে আইন অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাইকোর্ট বিভাগে আপিল করতে পারবেন।

এর আগে গত ২৫ মে আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান। ওই দিনই মামলাটি পরবর্তী বিচারের জন্য ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

গত ১ জুন দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। পরদিন ২ জুন মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে ১৬ জন সাক্ষ্য দেন। এর মাধ্যমে একদিনেই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। এরপর ৩ জুন ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪২ ধারায় আসামিদের পরীক্ষা করা হয়।

গত ১৯ মে রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। হত্যার পর রুমের জানালার গ্রিল কেটে ১নং আসামি সোহেল রানা পালিয়ে যান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে আসামি স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয় পুলিশ। আর নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ ঘটনায় রামিসার বাবা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় একটি মামলা করেন। গত ২১ মে সেই মামলায় সোহেল রানা ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। এরপর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।

আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান

অনলাইন ডেস্ক
আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের পরীক্ষায় পাস করলেন জাইমা রহমান
জাইমা রহমান। ছবি : সংগৃহীত

বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অধীন অধস্তন আদালতে আইনজীবী তালিকাভুক্তির প্রথম ধাপের (এমসিকিউ) পরীক্ষায় পাস করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে তিনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শুক্রবার (১২ জুন) মধ্যরাতে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ওয়েবসাইটে এ সংক্রান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম ধাপের এই পরীক্ষায় মোট ৯ হাজার ২০১ জন পরিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

জাইমা রহমান ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, আমি আপনাদের কাছে ছোট একটি ব্যক্তিগত সাফল্যের কথা শেয়ার করতে চাই।
আমার দেশে আইন প্র্যক্টিসের জন্য আজ বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের প্রথম ধাপ এমসিকিউ পরীক্ষায় অংশ নিই। আল্লাহর রহমতে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছি।’

জানা গেছে, এবারের পরীক্ষায় প্রধানমন্ত্রী কন্যা জাইমা রহমান বিএএফ শাহীন কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়েছিলেন। পরীক্ষায় আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৮০ জন পরীক্ষার্থী।

তিন ধাপের এমসিকিউ, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হবেন। এ পরীক্ষায় উত্তীর্ণরা সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত দেশের অন্যান্য আদালত ও ট্রাইব্যুনালে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে পারবেন। 

বার কাউন্সিলের এনরোলমেন্ট কমিটি পরীক্ষার বিষয়ে সিদ্ধান্ত ও দিকনির্দেশনা দিয়ে থাকে।