

সুইজারল্যান্ড-আলজেরিয়া (সকাল ৯টা)
অস্ট্রেলিয়া-মিসর (রাত ১২টা)
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে (কাল ভোর ৪টা)
কলম্বিয়া-ঘানা (কাল সকাল সাড়ে ৭টা)

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ থেকে প্রায় ১৯ কেজি সোনা জব্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা উড়োজাহাজ থেকে এই সোনা উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে ঢাকা কাস্টম হাউস।
সংস্থাটি জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনার উৎস, কার্গো হোল্ডে কিভাবে এগুলো রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা সংস্থা, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল।
ঢাকা কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, উড়োজাহাজটির কার্গো হোল্ড থেকে স্কচ টেপে পেঁচানো অবস্থায় মোট ১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এসব বারের ওজন ১৮ কেজি ৭২০ গ্রাম।
বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ‘এই ঘটনায় কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ জোড়া ভূমিকম্পের আট দিন পর ধ্বংসস্তূপ থেকে এক ব্যক্তিকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। দেশটির লা গুয়াইরা শহরের একটি ৯ তলা শপিং মলের ধসে পড়া পার্কিং লটের ২৯ ফুট গভীরে আটকা পড়েছিলেন ৪৪ বছর বয়সী হার্নান আলবার্তো গিল ফ্লোরেস। স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক উদ্ধারকারী দলগুলোর কয়েক দিনের টানা ও ঝুঁকিপূর্ণ প্রচেষ্টার পর গতকাল বৃহস্পতিবার তাঁকে উদ্ধার করা হয়।
পেশায় শপিং মলের নিরাপত্তারক্ষী হার্নানকে উদ্ধারে সময় লেগেছে প্রায় ৭০ ঘণ্টা। উদ্ধারে অংশ নেওয়া চিলির ফায়ার ব্রিগেড জানায়, বর্তমানে তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো এবং তাঁকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁর বেঁচে থাকার খবর শুনে স্ত্রী গুসবিমার গঞ্জালেস বলেন, ‘ভেবেছিলাম ও আর নেই, কিন্তু ও এক বীরের মতো লড়ে বেঁচে ফিরেছে।’
এর আগে গত রবিবার রাডার সোনার এবং শব্দ শনাক্তকরণ যন্ত্রের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে হার্নানের জীবিত থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়। বুধবার উদ্ধারকারীরা একটি সার্চ ক্যামেরার মাধ্যমে প্রথম তাঁর সন্ধান পান। একটি ভিডিওতে দেখা যায়, কংক্রিটের ছোট ফাঁক দিয়ে হার্নান হাত নাড়াচ্ছেন। এরপর হোস পাইপ ও সিরিঞ্জের মাধ্যমে তাঁকে পানি, তরল খাবার ও ওষুধ সরবরাহ করা শুরু হয়।
উদ্ধারকাজের আরেকটি ভিডিও শেয়ার করে এল সালভাদরের প্রেসিডেন্ট নায়িব বুকেলে জানান, সুড়ঙ্গটি বারবার ধসে পড়ার কারণে উদ্ধার অভিযান অত্যন্ত জটিল ছিল। জাতিসংঘ দুর্যোগ মূল্যায়ন ও সমন্বয় দলের সেবাস্টিয়ান মোকোরকুয়ের জানান, ভূমিকম্পের পর বেঁচে থাকার ‘গোল্ডেন উইন্ডো’ বা প্রথম তিন দিন পার হয়ে যাওয়ার পর এমন উদ্ধার অভিযান সত্যিই অলৌকিক।
ভেনেজুয়েলায় জোড়া ভূমিকম্পের আঘাতে উপকূলীয় শহর লা গুয়াইরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের তীব্র সংকটের কারণে অনেক মানুষকে হাত, কোদাল ও শাবল দিয়েই বহুতল ভবনের ধ্বংসস্তূপ সরাতে দেখা যাচ্ছে।
ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলির প্রেসিডেন্ট জর্জ রদ্রিগেজ বুধবার জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা বেড়ে অন্তত দুই হাজার ২৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৩৫০ জন বেশি। তবে প্রকৃত হতাহতের সংখ্যা আরো অনেক বেশি বলে ধারণা করা হচ্ছে।
লা গুয়াইরার এক ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ নাম প্রকাশ না করার শর্তে সিএনএনকে জানিয়েছেন, তাঁর অস্থায়ী মর্গে প্রতিদিন প্রায় ৪০০টি মরদেহ আসছে।
সূত্র : সিএনএন