• ই-পেপার

ইরানের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা

ইসরায়েলে হামলা : ইরানকে আলোচনায় ফিরতে আহ্বান ট্রাম্পের

অনলাইন ডেস্ক
ইসরায়েলে হামলা : ইরানকে আলোচনায় ফিরতে আহ্বান ট্রাম্পের

ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর পর ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফেরার আহ্বান জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তেহরানকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, তোমরা ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছ, এবার তা বন্ধ করো। আলোচনার টেবিলে ফিরে আসো এবং একটি চুক্তি করো।

ফক্স নিউজকে ট্রাম্প বলেন, ইরানকে আলোচনার টেবিলে ফিরে আসতে হবে এবং একটি চুক্তি করতে হবে। তিনি বলেন, ‘এটি (ক্ষেপণাস্ত্র হামলা) নিশ্চিতভাবেই আলোচনা প্রক্রিয়ায় কোনো সাহায্য করবে না।’

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরো বলেন, ‘আমরা (চুক্তির) খুব কাছাকাছি ছিলাম। আমি বলব, চলতি সপ্তাহের সোম, মঙ্গল বা বুধবারের মধ্যেই একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতো। আর এর মধ্যেই এই ঘটনাটি ঘটল।’

এর আগে রবিবার রাতে ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়। অন্তত তিন দফায় ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানায়, তারা ‘এখন পর্যন্ত’ ইরানের সব ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে। সূত্রের একজন জানিয়েছেন, অন্তত ১০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে।

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) জানিয়েছে, তারা উত্তর ইসরায়েলের হাইফা শহর থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটি লক্ষ্য করে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে।

আইআরজিসির অভিযোগ, এই ইসরায়েলি বিমানঘাঁটিই ছিল দক্ষিণ লেবানন এবং লেবাননের রাজধানী বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে চালানো ‘আগ্রাসনের উৎস’।

চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে লেবাননের রাজধানীতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা।

সূত্র : আলজাজিরা

লেবাননে হামলার জবাবে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের

অনলাইন ডেস্ক
লেবাননে হামলার জবাবে ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ ইরানের
সংগৃহীত ছবি

ইরান থেকে ইসরায়েল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। তারা বলেছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রতিহত করতে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা কাজ করছে। খবর আলজাজিরার

ইসরায়েলের স্থানীয় সময় রবিবার (৭ জুন) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে এ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। 

চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যে এ হামলার ঘটনা ঘটল। এর আগে লেবাননের রাজধানীতে ইসরায়েলি হামলার জবাবে পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ইরানি কর্মকর্তারা।

রবিবার বৈরুতের দক্ষিণ শহরতলিতে প্রাণঘাতী হামলার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে ইসরায়েলে সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কায় তারা ‘উচ্চ সতর্ক অবস্থায়’ রয়েছে বলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছিল।

ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শনাক্ত হওয়ার পর হাইফা ও উত্তর ইসরায়েলের অন্যান্য এলাকায় সাইরেন সক্রিয় করা হয়েছে বলে সেনাবাহিনী জানিয়েছে।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আরো জানায়, প্রথম ধাপের সব ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে ইসরায়েলকে লক্ষ্য করে ‘আরো ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ’ করা হয়েছে।

এদিকে ইসরায়েল অভিমুখে ইরান থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের কথা ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানানোর ঠিক কয়েক মিনিট পর দেশটির কট্টর ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভির সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে লিখেছেন, ‘আজ রাতে তেহরানকে অবশ্যই পুড়তে হবে!’

সৌদি আরবে ৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক
সৌদি আরবে ৭ হাজার ৭০০ জনের বেশি প্রবাসী গ্রেপ্তার
সংগৃহীত ছবি

সৌদি আরবে আবাসন, শ্রম ও সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের দায়ে এক সপ্তাহে ৭ হাজার ৭৬০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। গত ২৮ মে থেকে ৩ জুন পর্যন্ত দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে যৌথ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। রবিবার (৭ জুন) সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে আরব নিউজসহ স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির সরকারের বিভিন্ন সংস্থার সমন্বয়ে এই বিশেষ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের মধ্যে আবাসন আইন লঙ্ঘনের দায়ে ৪ হাজার ৬০ জন, সীমান্ত নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে ২ হাজার ৫৭৪ জন এবং শ্রম আইন অমান্য করায় ১ হাজার ১২৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবৈধভাবে সীমান্ত পেরিয়ে সৌদি আরবে প্রবেশের চেষ্টাকালে ১ হাজার ১৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে ৭০ শতাংশ ইথিওপিয়ার, ২৮ শতাংশ ইয়েমেনের এবং বাকি ২ শতাংশ অন্যান্য দেশের নাগরিক। এছাড়া অবৈধভাবে দেশ ছাড়ার চেষ্টার সময় আরও ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

চলমান আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ৪ হাজার ৬৯০ জন অবৈধ প্রবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো (ডিপোর্ট) হয়েছে। আউটপাস বা ভ্রমণ নথির জন্য আরও ১৪ হাজার ৪৯৫ জনকে তাদের নিজ নিজ দেশের দূতাবাসে পাঠানো হয়েছে এবং ৮৫০ জনকে দেশ ছাড়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে ২১ হাজার ৭৭৪ জন বিদেশি নাগরিকের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যার মধ্যে ২০ হাজার ৪৫৫ জন পুরুষ এবং ১ হাজার ৩১৯ জন নারী।

এদিকে অবৈধ অভিবাসীদের আশ্রয়, পরিবহন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ করে দেওয়ার অভিযোগে ১৬ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

সৌদি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের যেকোনো ধরনের সহায়তা বা আশ্রয় দেওয়া গুরুতর ফৌজদারি অপরাধ। এই অপরাধে জড়িত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ ১৫ বছরের কারাদণ্ড, ১০ লাখ সৌদি রিয়াল জরিমানা এবং অপরাধে ব্যবহৃত যানবাহন বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার বিধান রয়েছে।

ওহাইওতে বন্দুক হামলায় সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত পুলিশের

অনলাইন ডেস্ক
ওহাইওতে বন্দুক হামলায় সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত পুলিশের

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও অঙ্গরাজ্যের টলেডো শহরের গ্রীষ্মকালীন একটি উৎসবের কাছে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রেখেছে পুলিশ। হামলার ঘটনায় ১২ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

টলেডো পুলিশের ডেপুটি চিফ জোসেফ হেফারনান বলেছেন, লাইভ মিউজিক এবং স্থাপত্যবিষয়ক বাড়ি পরিদর্শনের বার্ষিক সমাবেশ ওল্ড ওয়েস্ট এন্ড ফেস্টিভালের কাছে সাড়ে ৫টার দিকে গোলাগুলি শুরু হয়। গুলাগুলি দেখে মনে হচ্ছিল বন্দুকধারীরা সম্ভবত একে অপরকে লক্ষ্য করে গুলি চালাচ্ছিল। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়।

সেখানে বেশ কয়েকজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে তাদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়। এদের মধ্যে ১০ জন স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছেন এবং দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

আরো পড়ুন
মবের শিকার গ্রেপ্তারকৃত টিএমসি কাউন্সিলর

মবের শিকার গ্রেপ্তারকৃত টিএমসি কাউন্সিলর

 

টলেডোর মেয়র ওয়েড ক্যাপসুকেভিচ স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ডব্লিউটিওইএল ১১’-কে জানিয়েছেন, গুলিবিদ্ধ সবাই বেঁচে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আরো পড়ুন
যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে গ্রীষ্মকালীন উৎসবে বন্দুক হামলা, গুলিবিদ্ধ অন্তত ১২

যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইওতে গ্রীষ্মকালীন উৎসবে বন্দুক হামলা, গুলিবিদ্ধ অন্তত ১২

 

অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া কিছু ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, আচমকা একঝাঁক গুলির শব্দে মানুষজন চিৎকার করতে করতে দিগ্বিদিক ছুটে পালাচ্ছেন। অন্য কিছু ভিডিওতে দেখা যায়, দুজনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে এবং বেশ কয়েকজন রক্তাক্ত মানুষ একটি শামিয়ানার পাশে ঘাসের ওপর পড়ে আছেন। বিবিসি এই ভিডিওগুলোর সত্যতা এখনো পুরোপুরি যাচাই করতে পারেনি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে।